Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৮
গত ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান পরবর্তী একটি অগোছালো প্রশাসনকে নিয়মনীতির আলোকে শৃঙ্খলা ও জনসেবা নিশ্চিত করতে গুছিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন বিচক্ষণ ইউএনও আমিনুল ইসলাম। তিনি ১ জানুয়ারি বাউফলে যোগদান করার পর আইন-শৃঙ্খলাসহ সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে ফিরে এসেছে।
অভ্যুত্থান পরবতী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশে বিপর্যয় নেমে আসে। যোগদানের পরে তার কর্মদক্ষতায় উপজেলার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে।
শুধু তাই নয়, ২০২৫ সনের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা শতভাগ নকলমুক্ত, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার ফলে উপজেলার শিক্ষক সমাজের কাছে ইউএনও আমিনুল ইসলাম একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
উপজেলার একাধিক শিক্ষকরা বলছেন- ইউএনও স্যার বাউফলে আসার পরে পরীক্ষায় কোনো ধরনের নকল করার সুযোগ পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া অতীতের চেয়ে ভালো পরিবেশে পরীক্ষা হচ্ছে।
রাজস্বের কল্যাণেই রাষ্ট্র তার স্বাভাবিক কর্মকান্ড পরিচালিত করে জনসেবা নিশ্চিত করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সেদিকেই নজর দিয়েছেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম। তার একান্ত প্রচেষ্টা মাধ্যমে বাউফল উপজেলার বাংলা ১৪৩২ সনের হাট-বাজার ও খেয়াঘাট ইজারার মাধ্যমে অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছর সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় করা হয়েছে, যা বাউফল উপজেলা ইতিহাসে বিরল।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ঐতিহ্যবাহী কালাইয়া হাট-বাজারের কথা। গত বাংলা ১৪৩১ সনে ইজারা মূল্য ১,৫৫,০০,০০০/-( এককোটি পঞ্চান্ন লক্ষ) টাকা ছিল। আর চলতি বছর (বাংলা ১৪৩২ সনে) ইজারা হয়েছে ৩,৮১,৫০,০০০/- (তিনকোটি একাশি লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশি। এভাবে সকল হাট-বাজার ও খেয়াঘাট গত বছরের তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশি মূল্যে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ইজারা দিয়ে রাজস্ব বৃদ্ধি করে সর্বকালের সেরা রেকর্ড গড়লেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম।
বাউফল পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে সেবা সহজীকরণ ও স্বল্প সময়ে নিষ্পত্তি করার ফলে পৌরবাসী তার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বাউফলের পূর্ব সানেশ্বর দাখিল মাদরাসার সুপার এএফএম ফরিদ উদ্দিন, ভরিপাশা সৈয়দ মর্তুজা দাখিল মাদরাসার সুপার মো.জাকারিয়া ও কারখানা আলিম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো.হাবিবুর রহমানসহ অনেক শিক্ষকরা জানায়, ইউএনও আমিনুল ইসলাম স্যারকে পেয়ে তারা গর্বিত। গত বছরের ৫ আগস্টের পরে উপজেলার আইনশৃঙ্খলাসহ সব সেক্টরের সেবা স্থবির হয়ে পরে। আমিনুল স্যারের বিচক্ষণ নেতৃত্বে অভ্যুত্থানপরবর্তী একটি অগোছালো পৌরসভা, উপজেলা পরিষদসহ অন্যান্য দপ্তরের সেবাকার্যক্রম পুরোদমে সচল হয়েছে। তার সুদক্ষ নেতৃত্বের ফলে নকলমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাউফল উপজেলায়।
এছাড়া বাউফলের বিভিন্ন ইউনিয়নের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা ও প্রতিবন্ধীভাতাভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউএনও আমিনুল ইসলাম বাউফলে আসার পর থেকে প্রকৃত ভাতা প্রত্যাশিরা কাউকে কোনো ধরনের ঘুষ কিংবা উৎকোচ না দিয়েই তারা ভাতা সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ এর আগে একেক নাম প্রতি দিতে হতো ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা, যা এখন সম্পূর্ণরুপে বন্ধ।
এছাড়া বাউফলে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদকনিয়ন্ত্রণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম। বাউফলের অন্যতম সমস্যা জলমহল ও বালু মহল থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে খাস আদায় করেছেন। এভাবে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে সেবা গ্রহীতাদের সেবা নিশ্চিত করে কাজের গতি ফিরিয়ে এনেছেন। এমন বাস্ত বতায় সচেতন মহল বলছেন- ইউএনও আমিনুল ইসলামের ছোঁয়ায় চব্বিশের আগষ্ট পরবর্তী অগোছালো এক বাউফল শৃঙ্খলে ফিরে বদলে গেছে চিত্র!
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি প্রজাতন্ত্রের একজন সেবকমাত্র। আমি আমার জায়গা থেকে রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বাউফলকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমার চেষ্টা চলমান থাকবে। সেক্ষেত্রে উপজেলার সচেতন নাগরিক সহ সাংবাদকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করছি।’
গত ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান পরবর্তী একটি অগোছালো প্রশাসনকে নিয়মনীতির আলোকে শৃঙ্খলা ও জনসেবা নিশ্চিত করতে গুছিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন বিচক্ষণ ইউএনও আমিনুল ইসলাম। তিনি ১ জানুয়ারি বাউফলে যোগদান করার পর আইন-শৃঙ্খলাসহ সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে ফিরে এসেছে।
অভ্যুত্থান পরবতী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশে বিপর্যয় নেমে আসে। যোগদানের পরে তার কর্মদক্ষতায় উপজেলার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে।
শুধু তাই নয়, ২০২৫ সনের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা শতভাগ নকলমুক্ত, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার ফলে উপজেলার শিক্ষক সমাজের কাছে ইউএনও আমিনুল ইসলাম একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
উপজেলার একাধিক শিক্ষকরা বলছেন- ইউএনও স্যার বাউফলে আসার পরে পরীক্ষায় কোনো ধরনের নকল করার সুযোগ পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া অতীতের চেয়ে ভালো পরিবেশে পরীক্ষা হচ্ছে।
রাজস্বের কল্যাণেই রাষ্ট্র তার স্বাভাবিক কর্মকান্ড পরিচালিত করে জনসেবা নিশ্চিত করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সেদিকেই নজর দিয়েছেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম। তার একান্ত প্রচেষ্টা মাধ্যমে বাউফল উপজেলার বাংলা ১৪৩২ সনের হাট-বাজার ও খেয়াঘাট ইজারার মাধ্যমে অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছর সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় করা হয়েছে, যা বাউফল উপজেলা ইতিহাসে বিরল।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ঐতিহ্যবাহী কালাইয়া হাট-বাজারের কথা। গত বাংলা ১৪৩১ সনে ইজারা মূল্য ১,৫৫,০০,০০০/-( এককোটি পঞ্চান্ন লক্ষ) টাকা ছিল। আর চলতি বছর (বাংলা ১৪৩২ সনে) ইজারা হয়েছে ৩,৮১,৫০,০০০/- (তিনকোটি একাশি লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশি। এভাবে সকল হাট-বাজার ও খেয়াঘাট গত বছরের তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশি মূল্যে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ইজারা দিয়ে রাজস্ব বৃদ্ধি করে সর্বকালের সেরা রেকর্ড গড়লেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম।
বাউফল পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে সেবা সহজীকরণ ও স্বল্প সময়ে নিষ্পত্তি করার ফলে পৌরবাসী তার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বাউফলের পূর্ব সানেশ্বর দাখিল মাদরাসার সুপার এএফএম ফরিদ উদ্দিন, ভরিপাশা সৈয়দ মর্তুজা দাখিল মাদরাসার সুপার মো.জাকারিয়া ও কারখানা আলিম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো.হাবিবুর রহমানসহ অনেক শিক্ষকরা জানায়, ইউএনও আমিনুল ইসলাম স্যারকে পেয়ে তারা গর্বিত। গত বছরের ৫ আগস্টের পরে উপজেলার আইনশৃঙ্খলাসহ সব সেক্টরের সেবা স্থবির হয়ে পরে। আমিনুল স্যারের বিচক্ষণ নেতৃত্বে অভ্যুত্থানপরবর্তী একটি অগোছালো পৌরসভা, উপজেলা পরিষদসহ অন্যান্য দপ্তরের সেবাকার্যক্রম পুরোদমে সচল হয়েছে। তার সুদক্ষ নেতৃত্বের ফলে নকলমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাউফল উপজেলায়।
এছাড়া বাউফলের বিভিন্ন ইউনিয়নের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা ও প্রতিবন্ধীভাতাভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউএনও আমিনুল ইসলাম বাউফলে আসার পর থেকে প্রকৃত ভাতা প্রত্যাশিরা কাউকে কোনো ধরনের ঘুষ কিংবা উৎকোচ না দিয়েই তারা ভাতা সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ এর আগে একেক নাম প্রতি দিতে হতো ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা, যা এখন সম্পূর্ণরুপে বন্ধ।
এছাড়া বাউফলে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদকনিয়ন্ত্রণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম। বাউফলের অন্যতম সমস্যা জলমহল ও বালু মহল থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে খাস আদায় করেছেন। এভাবে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে সেবা গ্রহীতাদের সেবা নিশ্চিত করে কাজের গতি ফিরিয়ে এনেছেন। এমন বাস্ত বতায় সচেতন মহল বলছেন- ইউএনও আমিনুল ইসলামের ছোঁয়ায় চব্বিশের আগষ্ট পরবর্তী অগোছালো এক বাউফল শৃঙ্খলে ফিরে বদলে গেছে চিত্র!
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি প্রজাতন্ত্রের একজন সেবকমাত্র। আমি আমার জায়গা থেকে রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বাউফলকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমার চেষ্টা চলমান থাকবে। সেক্ষেত্রে উপজেলার সচেতন নাগরিক সহ সাংবাদকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করছি।’

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯