
০১ জুন, ২০২৫ ১০:২৪
বরিশালে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ২৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদ। গতকাল শনিবার (৩১ মে) গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামলার অভিযোগে করা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যক্রম শেষে ফকির বাড়ি রোডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। ওই সড়ক দিয়ে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। তারা মিছিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দিচ্ছিল। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাতীয় পার্টির নেতাদের বিনয়ের সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে রামদা, দা, চাপাতি, পিস্তল, লোহার রড, বাঁশ, ইট নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২০/২৫ জন গুরুতর আহন হন।
মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, সাইদুল ইসলাম ট্যাপা, রুহুল আমিন হাওলাদার, রত্না আমিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, একেএম সেলিম ওসমান, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিল, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল এবং ছাত্রলীগ নেতা পিন্স মাহমুদ সোহেল।
মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করার অধিকার নেই। পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই অনতিবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফকির বাড়ি রোডের জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর চালানো হয়। জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিনুল ইসলাম হাবুল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ বের করেন জাতীয় পার্টির নেতারা। মিছিলটি সদর রোডের কাছাকাছি গেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে হামলা চালান গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। এসময় জাতীয় পার্টিও পাল্টা আক্রমণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সেখান থেকে গিয়ে কোতয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন এবং জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।’
বরিশালে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ২৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদ। গতকাল শনিবার (৩১ মে) গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামলার অভিযোগে করা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যক্রম শেষে ফকির বাড়ি রোডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। ওই সড়ক দিয়ে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। তারা মিছিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দিচ্ছিল। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাতীয় পার্টির নেতাদের বিনয়ের সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে রামদা, দা, চাপাতি, পিস্তল, লোহার রড, বাঁশ, ইট নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২০/২৫ জন গুরুতর আহন হন।
মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, সাইদুল ইসলাম ট্যাপা, রুহুল আমিন হাওলাদার, রত্না আমিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, একেএম সেলিম ওসমান, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিল, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল এবং ছাত্রলীগ নেতা পিন্স মাহমুদ সোহেল।
মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করার অধিকার নেই। পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই অনতিবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফকির বাড়ি রোডের জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর চালানো হয়। জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিনুল ইসলাম হাবুল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ বের করেন জাতীয় পার্টির নেতারা। মিছিলটি সদর রোডের কাছাকাছি গেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে হামলা চালান গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। এসময় জাতীয় পার্টিও পাল্টা আক্রমণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সেখান থেকে গিয়ে কোতয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন এবং জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০২

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে একই দিন একই স্থানে ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি সমাবেশ ডেকেছে স্বস্ব দলের নেতাকর্মীরা। এতে সংঘাতের আশঙ্কা করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আলা আমিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতীকের সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি সমাবেশ করবে।
এ কর্মসূচির জন্য তারা ৪ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এমনকি ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ বিষয় থানা অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জকেও দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
সে অনুযায়ী তারা প্রচারও চালাচ্ছেন। অথচ একই দিন বিকেল ৩টায় একই স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান নির্বাচনি মহাসমাবেশ ডেকেছেন। এতে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
অপরদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৩ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ বিষয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনি সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব মো. ওমর সানী স্বাক্ষরিত একটি পত্র অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ শনিবার রাত ১২ টার নিজেই তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।
এনিয়ে উপজেলাজুড়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই দিন একই স্থানে একই সময়ে দুই প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে আতংক তৈরি হয়েছে। শেষ সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে, তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পরও কীভাবে বিএনপি ওই স্থানে মহাসমাবেশর আয়োজন করলো– তা আমাদের বোধগম্য নয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনী সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি এটি। পরবর্তীতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, একই দিনে একই সময় দুই দলের নির্বাচনী সমাবেশের বিষয় তিনি জানেন না। যে দল আগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে তারাই ওই স্থানে সমাবেশ করতে পারবে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, কোনো সংঘাত হবে না।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে একই দিন একই স্থানে ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি সমাবেশ ডেকেছে স্বস্ব দলের নেতাকর্মীরা। এতে সংঘাতের আশঙ্কা করছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আলা আমিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতীকের সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি সমাবেশ করবে।
এ কর্মসূচির জন্য তারা ৪ ফেব্রুয়ারি রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এমনকি ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ বিষয় থানা অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জকেও দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
সে অনুযায়ী তারা প্রচারও চালাচ্ছেন। অথচ একই দিন বিকেল ৩টায় একই স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান নির্বাচনি মহাসমাবেশ ডেকেছেন। এতে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
অপরদিকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৩ টায় সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ বিষয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনি সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব মো. ওমর সানী স্বাক্ষরিত একটি পত্র অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ শনিবার রাত ১২ টার নিজেই তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।
এনিয়ে উপজেলাজুড়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। একই দিন একই স্থানে একই সময়ে দুই প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে আতংক তৈরি হয়েছে। শেষ সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সমন্বয়কারী মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরীর ভাষ্য, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে, তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পরও কীভাবে বিএনপি ওই স্থানে মহাসমাবেশর আয়োজন করলো– তা আমাদের বোধগম্য নয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খানের নির্বাচনী সমন্বয় ও পরিচালনা দপ্তরের আহবায়ক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মাসুদ সাংবাদিকদের জানান (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) তাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি এটি। পরবর্তীতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, একই দিনে একই সময় দুই দলের নির্বাচনী সমাবেশের বিষয় তিনি জানেন না। যে দল আগে সমাবেশ করার অনুমতি নিয়েছে তারাই ওই স্থানে সমাবেশ করতে পারবে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, কোনো সংঘাত হবে না।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২