
২৫ মে, ২০২৫ ২১:৪৯
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে লাম্পি স্কিন (এলএসডি) রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। গত এক মাসে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শতাধিক গরু। ভাইরাসজনিত এ রোগে আক্রান্তের মধ্যে ছোট বাছুরের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ায় গরু-বাছুর নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন খামারিসহ এলাকার হাজারো কৃষক।
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ছোঁয়াচে হওয়ায় মশা-মাছির মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুর দেহে সহজে ছড়িয়ে পড়ছে এলএসডি। প্রতিষেধক হিসেবে লাম্পি স্কিন ডিজিজের জন্য সরকারি কোনো ভ্যাকসিন নেই। তাই এলএসডি থেকে গবাদিপশু রক্ষায় গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক করে সংশ্লিষ্ট কৃষক ও খামারিদের করণীয় সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ পৌরসভাসহ উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এলাকায় বিভিন্ন খামার ও কৃষকের ঘরে প্রায় ৮০ হাজার গরু-বাছুর রয়েছে। বর্তমান সেখানে লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর কর্ণেশোনা, ফকিরাবাদ, অংকের শেখেরপাড়া, হোসেন মণ্ডলপাড়া, ছোটভাকলা ইউনিয়নের স্বরূপার চক, ভাগলপুর গ্রাম এলাকায় রোগটির প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, গত এক মাসে চরাঞ্চলসহ গোয়ালন্দ উপজেলা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শতাধিক গরু-বাছুর। ভাইরাসজনিত এ রোগে আক্রান্তের মধ্যে অধিকাংশই ছোট বাছুর।
উপজেলার অংকের শেখেরপাড়া গ্রামের কৃষক হাসমত আলী ব্যাপারী বলেন, আমার বকনা বাছুরটির সারা গায়ের চামড়ায় গুটি বের হয়ে ফুসকা পড়েছে। প্রচণ্ড জ্বর থাকায় বাছুরটি এখন স্বাভাবিক খাবারও (ঘাস-ভূসি) খেতে পারছে না। তাই চিকিৎসা করাতে আমি আমার অসুস্থ বাছুরটি গত বুধবার উপজেলা পশু হাসপাতালে (ভেটেরিনারি হাসপাতাল) নিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখে বলেছেন, বাছুরটি এলএসডি রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানিয়েছেন, লাম্পি স্কিন রোগ (এলএসডি) ছড়িয়ে পড়ায় খামারিসহ এলাকার হাজারো কৃষক চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকের মনে এখন ‘লাম্পি আতঙ্ক’ বিরাজ করছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. শাহাদাৎ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালবেলাকে বলেন, লাম্পি স্কিন নামে ভাইরাসজনিত এ রোগটি ছোঁয়াচে। মশা ও মাছির মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুর দেহে এলএসডি সহজে ছড়িয়ে পড়ে। গোয়ালন্দ উপজলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় এ এলএসডির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে বড় গরুর চেয়ে ছোট বাছুর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। লাম্পি স্কিন রোগাক্রান্ত কোনো গরু-বাছুর দেড়-দুই মাসের আগে সুস্থ হয় না।
তিনি আরও বলেন, রোগটি সম্পর্কে এলাকার কৃষক ও খামারিদের সতর্ক করতে আমরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে নিয়মিত উঠান বৈঠক করছি। সেখানে খামার, গোয়ালঘরসহ আশপাশ এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, মশারি ব্যবহারের পাশাপাশি গরু ও বাছুরকে ভিটামিনযুক্ত পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ানো, নিমপাতার পানি গরম করে সেই পানি দিয়ে গরু-বাছুরকে গোসল করানোসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। লাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সরকারি কোনো ভ্যাকসিন নেই।’
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে লাম্পি স্কিন (এলএসডি) রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। গত এক মাসে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শতাধিক গরু। ভাইরাসজনিত এ রোগে আক্রান্তের মধ্যে ছোট বাছুরের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ায় গরু-বাছুর নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন খামারিসহ এলাকার হাজারো কৃষক।
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ছোঁয়াচে হওয়ায় মশা-মাছির মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুর দেহে সহজে ছড়িয়ে পড়ছে এলএসডি। প্রতিষেধক হিসেবে লাম্পি স্কিন ডিজিজের জন্য সরকারি কোনো ভ্যাকসিন নেই। তাই এলএসডি থেকে গবাদিপশু রক্ষায় গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক করে সংশ্লিষ্ট কৃষক ও খামারিদের করণীয় সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ পৌরসভাসহ উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এলাকায় বিভিন্ন খামার ও কৃষকের ঘরে প্রায় ৮০ হাজার গরু-বাছুর রয়েছে। বর্তমান সেখানে লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর কর্ণেশোনা, ফকিরাবাদ, অংকের শেখেরপাড়া, হোসেন মণ্ডলপাড়া, ছোটভাকলা ইউনিয়নের স্বরূপার চক, ভাগলপুর গ্রাম এলাকায় রোগটির প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, গত এক মাসে চরাঞ্চলসহ গোয়ালন্দ উপজেলা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে শতাধিক গরু-বাছুর। ভাইরাসজনিত এ রোগে আক্রান্তের মধ্যে অধিকাংশই ছোট বাছুর।
উপজেলার অংকের শেখেরপাড়া গ্রামের কৃষক হাসমত আলী ব্যাপারী বলেন, আমার বকনা বাছুরটির সারা গায়ের চামড়ায় গুটি বের হয়ে ফুসকা পড়েছে। প্রচণ্ড জ্বর থাকায় বাছুরটি এখন স্বাভাবিক খাবারও (ঘাস-ভূসি) খেতে পারছে না। তাই চিকিৎসা করাতে আমি আমার অসুস্থ বাছুরটি গত বুধবার উপজেলা পশু হাসপাতালে (ভেটেরিনারি হাসপাতাল) নিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখে বলেছেন, বাছুরটি এলএসডি রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানিয়েছেন, লাম্পি স্কিন রোগ (এলএসডি) ছড়িয়ে পড়ায় খামারিসহ এলাকার হাজারো কৃষক চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকের মনে এখন ‘লাম্পি আতঙ্ক’ বিরাজ করছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. শাহাদাৎ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালবেলাকে বলেন, লাম্পি স্কিন নামে ভাইরাসজনিত এ রোগটি ছোঁয়াচে। মশা ও মাছির মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুর দেহে এলএসডি সহজে ছড়িয়ে পড়ে। গোয়ালন্দ উপজলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় এ এলএসডির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে বড় গরুর চেয়ে ছোট বাছুর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। লাম্পি স্কিন রোগাক্রান্ত কোনো গরু-বাছুর দেড়-দুই মাসের আগে সুস্থ হয় না।
তিনি আরও বলেন, রোগটি সম্পর্কে এলাকার কৃষক ও খামারিদের সতর্ক করতে আমরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে নিয়মিত উঠান বৈঠক করছি। সেখানে খামার, গোয়ালঘরসহ আশপাশ এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, মশারি ব্যবহারের পাশাপাশি গরু ও বাছুরকে ভিটামিনযুক্ত পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ানো, নিমপাতার পানি গরম করে সেই পানি দিয়ে গরু-বাছুরকে গোসল করানোসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। লাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সরকারি কোনো ভ্যাকসিন নেই।’
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৬
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা। ডা. শফিকুর রহমানের ভ্যারিফায়েড ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে নারীদের নিয়ে করা অবমাননাকর ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এ দাবি জানানো হয়।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেদনপত্র জমা দেন তারা। এ সময় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু সাংবাদিকদের জানান, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অগ্রহণযোগ্যই নয়, বরং তা সংবিধানস্বীকৃত নারী মর্যাদা ও সমতার সরাসরি লঙ্ঘন।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর ও গভীরভাবে নারীবিদ্বেষী। এসব মন্তব্য দেশের কোটি কোটি শ্রমজীবী নারীর আত্মমর্যাদা, সামাজিক অবদান ও শ্রমের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল।
পরে সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে ওই বক্তব্যকে ‘হ্যাকিং’-এর ফল বলে দাবি করা হলেও, একটি ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে আবেদনকারীরা মনে করেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, কথিত হ্যাকিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা প্রামাণ্য তথ্য এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি। ফলে হ্যাকিংয়ের দাবি সন্দেহজনকই থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওই হ্যাকিং অভিযোগে বঙ্গভবনের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাই স্বীকার করেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ তথাকথিত হ্যাকিং দাবিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নারী নেত্রীরা বলেন, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী নারীরা তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সেই শ্রমজীবী নারীদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য সংবিধান, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।
আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য নারীর প্রতি ঘৃণা, বৈষম্য ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয়, যা নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কর্মপরিবেশকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলে। একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এই প্রেক্ষাপটে আবেদনকারীরা নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে-অবিলম্বে ওই অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে নারীর মর্যাদা ও শ্রমকে হেয় করে এমন বক্তব্য না দেয়ার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও নৈতিকতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। পাশাপাশি তারা ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, এনপিএ মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের সংগঠক নাফিসা রায়হানা এবং আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী তাবাসসুম মেহেনাজ মিমি।
প্রসঙ্গত, জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় দলটি। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বঙ্গভবনের আইটি শাখার সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে আটক করে ডিবি।
পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হাতিরঝিল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর জামিনের আবেদন করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা। ডা. শফিকুর রহমানের ভ্যারিফায়েড ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে নারীদের নিয়ে করা অবমাননাকর ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এ দাবি জানানো হয়।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেদনপত্র জমা দেন তারা। এ সময় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু সাংবাদিকদের জানান, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অগ্রহণযোগ্যই নয়, বরং তা সংবিধানস্বীকৃত নারী মর্যাদা ও সমতার সরাসরি লঙ্ঘন।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর ও গভীরভাবে নারীবিদ্বেষী। এসব মন্তব্য দেশের কোটি কোটি শ্রমজীবী নারীর আত্মমর্যাদা, সামাজিক অবদান ও শ্রমের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল।
পরে সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে ওই বক্তব্যকে ‘হ্যাকিং’-এর ফল বলে দাবি করা হলেও, একটি ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে আবেদনকারীরা মনে করেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, কথিত হ্যাকিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা প্রামাণ্য তথ্য এখনো জনসমক্ষে আনা হয়নি। ফলে হ্যাকিংয়ের দাবি সন্দেহজনকই থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওই হ্যাকিং অভিযোগে বঙ্গভবনের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাই স্বীকার করেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ তথাকথিত হ্যাকিং দাবিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নারী নেত্রীরা বলেন, গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী নারীরা তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সেই শ্রমজীবী নারীদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করে প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য সংবিধান, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।
আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য নারীর প্রতি ঘৃণা, বৈষম্য ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে উসকে দেয়, যা নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কর্মপরিবেশকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলে। একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এই প্রেক্ষাপটে আবেদনকারীরা নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে-অবিলম্বে ওই অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে নারীর মর্যাদা ও শ্রমকে হেয় করে এমন বক্তব্য না দেয়ার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও নৈতিকতার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। পাশাপাশি তারা ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, এনপিএ মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের সংগঠক নাফিসা রায়হানা এবং আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী তাবাসসুম মেহেনাজ মিমি।
প্রসঙ্গত, জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় দলটি। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বঙ্গভবনের আইটি শাখার সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে আটক করে ডিবি।
পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হাতিরঝিল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর জামিনের আবেদন করেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশে যান চলাচলে অস্থায়ী বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোটকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচল টানা ৭২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সেই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।
তবে জরুরি সেবা, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজ, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, সংবাদপত্র পরিবহনসহ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলেও এই বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে।
বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা অনুমতি ও স্টিকার সাপেক্ষে একটি ছোট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরাও অনুমোদন নিয়ে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।
এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা বজায় রাখার স্বার্থে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনগুলোকেও জরুরি সেবা হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশে যান চলাচলে অস্থায়ী বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোটকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল চলাচল টানা ৭২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সেই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।
তবে জরুরি সেবা, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজ, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, সংবাদপত্র পরিবহনসহ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলেও এই বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে।
বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা অনুমতি ও স্টিকার সাপেক্ষে একটি ছোট গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরাও অনুমোদন নিয়ে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।
এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা বজায় রাখার স্বার্থে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনগুলোকেও জরুরি সেবা হিসেবে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫২
মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর হার মানলেন জুলাই যোদ্ধা আশরাফুল (৩২)। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর দেশে এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়, যেখানে তিনি ১৪ মাস নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ফেরানো হয়। দেশে ফেরার পরপরই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জানা গেছে, শহিদ আশরাফুলের জানাজা নামাজ আজ দুপুর ২.৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে।
মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর হার মানলেন জুলাই যোদ্ধা আশরাফুল (৩২)। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর দেশে এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়, যেখানে তিনি ১৪ মাস নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ফেরানো হয়। দেশে ফেরার পরপরই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জানা গেছে, শহিদ আশরাফুলের জানাজা নামাজ আজ দুপুর ২.৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.