Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পরিচালনা নিয়ে চরম প্রশাসনিক সংকটে পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পন্থায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা উপজেলায় মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের জন্য ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৮টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৪৯৬ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, সমবায়, মাধ্যমিক শিক্ষা, সমাজসেবা বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এসব দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, আবার কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তারা নিজ নিজ মূল কর্মস্থলে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
এ ছাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ না হলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গ্রেড বিবেচনায় সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা পছন্দের প্রার্থী থাকার অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত একটি সভা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিতর্কমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য একটি প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পরিচালনা নিয়ে চরম প্রশাসনিক সংকটে পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পন্থায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা উপজেলায় মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের জন্য ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৮টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৪৯৬ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, সমবায়, মাধ্যমিক শিক্ষা, সমাজসেবা বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এসব দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, আবার কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তারা নিজ নিজ মূল কর্মস্থলে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
এ ছাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ না হলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গ্রেড বিবেচনায় সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা পছন্দের প্রার্থী থাকার অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত একটি সভা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিতর্কমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য একটি প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ভিডিওটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌখিক বক্তব্যে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, গত দুই দিন আগে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) নিয়োগে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি তার কাছে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য সুপারিশ চেয়ে আসেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, কোনো সুপারিশের ভিত্তিতে নয় বরং যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে। এরপরও তারা বারবার অনুরোধ করেন এবং এক পর্যায়ে তার নিকট কিছু টাকা রেখে চলে যান।
পরবর্তীতে পরদিন তিনি ওই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দিয়ে দেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দেন যে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে। তিনি আরও জানান, এ নিয়োগ প্রক্রিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।
চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, ওই কথোপকথন ও টাকা দেওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে, যার মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃত ঘটনা তদন্তের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, তিনি হাতপাখা নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে একটি পক্ষ ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরমধ্যে তাকে অনাস্থা দেয়ারও ঘটনা ঘটেছে। যা ডিসির হস্তক্ষেপে সমাধান করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন একেরপর এক ষড়যন্ত্র করে আসলেও ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি। এবারও সফল হবে না।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৩৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি ইঞ্জিন চালিত জেলে নৌকা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আগুনে নৌকা ও নৌকায় থাকা জাল, ইঞ্জিন পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। ১১ মার্চ (বুধবার) তারাবির নামাজের সময় সৈকতের ঝাউবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, কেন দিয়েছে তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
জানাগেছে, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পুর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ছোট্ট ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে প্রতিদিনের মত মাছ শিকার শেষে বুধবার বিকেলে সৈকতে রেখে বাসায় চলে যায় জেলে কালাম সহ অন্যান্যরা। তারাবির নামাজ শেষে তারা জানতে পারেন কে বা কারা নৌকায় আগুন দিয়েছে। পরে গিয়ে দেখতে পান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নৌকার মালিক মহিবুল মল্লিক জানান, রাতে তিনি সমুদ্রে মশারী জাল দিয়ে চিংড়ি রেনু ধরছিল। হঠাৎ দেখতে পান নৌকায় আগুন জ্বলছে। দৌড়ে গিয়ে অন্য জেলেদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় নৌকার পাশে একটি পেট্রোলের খালি বোতল পাওয়া গেছে।
মহিবুল আরো জানান, নৌকাটি তিনি মাসিক হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া মালিক কালাম এ নৌকায় ইলিশ সহ সামুদ্রিক অন্যান্য মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এ ঘটনায় নৌকা, জাল ও ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে তাদের এমন ক্ষতি কিভাবে পুষিয়ে নিবেন তা নিয়ে চিন্তিত ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সমুদ্র সৈকতে মাছধরা নিয়ে জেলেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে মারামারির ঘটনা ঘটলেও নৌকা জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা তারা এই প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে তারা অবাক হয়েছেন।
কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু তার সম্পদ এভাবে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মত জঘন্য কাজ আর হতে পারে না। এতে নিঃশ্ব হয়ে গেছে কয়েকটি জেলে পরিবার। আমরা এদের ধিক্কার জানাই।
ক্ষতিগ্রস্ত নৌকাটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফ আলী সিকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ভিডিওটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌখিক বক্তব্যে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, গত দুই দিন আগে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) নিয়োগে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি তার কাছে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য সুপারিশ চেয়ে আসেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, কোনো সুপারিশের ভিত্তিতে নয় বরং যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে। এরপরও তারা বারবার অনুরোধ করেন এবং এক পর্যায়ে তার নিকট কিছু টাকা রেখে চলে যান।
পরবর্তীতে পরদিন তিনি ওই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দিয়ে দেন এবং তাদেরকে জানিয়ে দেন যে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে। তিনি আরও জানান, এ নিয়োগ প্রক্রিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।
চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, ওই কথোপকথন ও টাকা দেওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে, যার মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃত ঘটনা তদন্তের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, তিনি হাতপাখা নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে একটি পক্ষ ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরমধ্যে তাকে অনাস্থা দেয়ারও ঘটনা ঘটেছে। যা ডিসির হস্তক্ষেপে সমাধান করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন একেরপর এক ষড়যন্ত্র করে আসলেও ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি। এবারও সফল হবে না।
কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক নারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে মোসাঃ নার্গিস বেগম (৩৫) নামের এক নারী গুরুতর আহত হয়ে তার দুই হাত ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ১ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর ধরে নার্গিস বেগম ও তার পরিবার নিয়ে ওয়াপদার পাশে একটি খাস জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় বিএনপি ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সোহেল হালাদার ও যুবদল প্রচার সম্পাদক আল-আমিন ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে নার্গিস বেগমের পরিবারকে বসতভিটা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন । গত এক সপ্তাহ ধরে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে, হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বসতভিটা ছাড়তে অপারগতা প্রকাশ করলে মঙ্গলবার দুপুরে সোহেল ও আল-আমিনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়, সোহেল মেম্বারের ছেলে ছাত্রদল নেতা জিসান হাওলাদার, নাইম মৃধা, রুবেল খন্দকার, ফেরদাউস হাওলাদার ও একলাস ঘরামি সহ আরো একাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা ।
হামলাকারীরা বাড়িতে প্রবেশ করে অতর্কিত এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন, এতে আহত হন নার্গিস বেগম (৩৫), সাজেদা বেগম (৫০) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা (১১)-কে গুরুতর আহত করে। এসময় হামলার ভিডিওধারণ করায় তাদের ২ টি টাচ মোবাইল ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
হামলায় নার্গিস বেগম মারাত্মকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হামলার সময় তার দুই হাত ভেঙে যায়।
অন্য আহতরা বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নার্গিস বলেন, আমি ঢাকায় গার্মেন্টস করি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি, বেশ কয়েকদিন ধরে সোহেল মেম্বার আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। আমার কোন ভিটা বাড়ি নাই। তাই আমি ঐ জায়গা ছেড়ে যেতে চাইনি, গতকাল সোহেল মেম্বারের ছেলে সহ কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে পিটিয়ে আহত করে এবং আমার দুটি হাত ভেঙে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় আমি কিছুই জানি না এবং আমার নেতৃত্বে কেউ ওখানে যায়নি। মারামারির ঘটনাটা শুনেছি তবে কারা জড়িত এ বিষয়ে আমি জানি না।
মহিপুর থানা যুবদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। তবে ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে সত্যতা পেলে দ্রুত তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি জেনেছি। এখন পর্যন্ত লিখিত কেউ অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক নারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে মোসাঃ নার্গিস বেগম (৩৫) নামের এক নারী গুরুতর আহত হয়ে তার দুই হাত ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ১ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর ধরে নার্গিস বেগম ও তার পরিবার নিয়ে ওয়াপদার পাশে একটি খাস জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় বিএনপি ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সোহেল হালাদার ও যুবদল প্রচার সম্পাদক আল-আমিন ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে নার্গিস বেগমের পরিবারকে বসতভিটা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন । গত এক সপ্তাহ ধরে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে, হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বসতভিটা ছাড়তে অপারগতা প্রকাশ করলে মঙ্গলবার দুপুরে সোহেল ও আল-আমিনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়, সোহেল মেম্বারের ছেলে ছাত্রদল নেতা জিসান হাওলাদার, নাইম মৃধা, রুবেল খন্দকার, ফেরদাউস হাওলাদার ও একলাস ঘরামি সহ আরো একাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা ।
হামলাকারীরা বাড়িতে প্রবেশ করে অতর্কিত এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন, এতে আহত হন নার্গিস বেগম (৩৫), সাজেদা বেগম (৫০) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা (১১)-কে গুরুতর আহত করে। এসময় হামলার ভিডিওধারণ করায় তাদের ২ টি টাচ মোবাইল ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
হামলায় নার্গিস বেগম মারাত্মকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হামলার সময় তার দুই হাত ভেঙে যায়।
অন্য আহতরা বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নার্গিস বলেন, আমি ঢাকায় গার্মেন্টস করি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি, বেশ কয়েকদিন ধরে সোহেল মেম্বার আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। আমার কোন ভিটা বাড়ি নাই। তাই আমি ঐ জায়গা ছেড়ে যেতে চাইনি, গতকাল সোহেল মেম্বারের ছেলে সহ কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে পিটিয়ে আহত করে এবং আমার দুটি হাত ভেঙে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় আমি কিছুই জানি না এবং আমার নেতৃত্বে কেউ ওখানে যায়নি। মারামারির ঘটনাটা শুনেছি তবে কারা জড়িত এ বিষয়ে আমি জানি না।
মহিপুর থানা যুবদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। তবে ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে সত্যতা পেলে দ্রুত তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি জেনেছি। এখন পর্যন্ত লিখিত কেউ অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১