Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:৩৯
বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দশতলা ভবনে লিফট সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আদালত চলাকালীন সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুইটি লিফটের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শত শত মানুষকে। ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোট ১১টি কোর্টে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসব আদালতে আইনজীবী, পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ জনগণকে একই ভবনের দুইটি লিফটেই উঠানামা করতে হয়। প্রতিটি লিফটের ধারণক্ষমতা ১৩ জন হলেও একসঙ্গে ১৭১৮ জন পর্যন্ত উঠতে দেখা যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সৃষ্টি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলার।
বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, “আমরা পুরুষদের সঙ্গে গাদাগাদি করে লিফটে উঠতে পারি না। আলাদা লিফট না থাকায় প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছি।” বিচারপ্রার্থী সালমা বলেন, আমি মামলার বাদি। দীর্ঘ সময় লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ভিড় ঠেলে উঠতে পারছি না। আমি ৯ তালায় উঠবো। পুরুষদের সঙ্গে ভিড় ঠেলে গাদাগাদি করে উঠতে তো সমস্যাই হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা লিফট প্রয়োজন।” একজন সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ বিচারপ্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, হাঁটুর ব্যথায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু লিফটে এমন ভিড় যে, উঠতেই পারি না। অনেক সময় আদালতের সময়ই পেরিয়ে যায়।” ভবনের দুটি লিফটই প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন আদালত ভবন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চীফ জুডিশিয়াল, সিনিয়র জুডিশিয়ালসহ মোট ১১টি কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এই ভবনে। মহানগর আদালত, অতিরিক্ত মহানগর আদালত, সন্ত্রাস দমন একই লিফটে আসামি, পুলিশ, সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা একসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ওঠানামা করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমও সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভিড় চলছে।” এখানে ঠেলে আসামি আদালতে নেওয়া অনেক কষ্টকর।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এসএম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, “বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা জানান, কারাগার থেকে আদালতে সকল আসামী হাজির করার জন্য আনা হয়। এ সময় লিফট সংকটে হিমশিম খেতে হয়। সীমিত জায়গার কারণে একসঙ্গে আসামি ও পুলিশ সদস্য ওঠানোও কঠিন হয়ে পড়ে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে আসামি পুলিশ সদস্যদের নিরাপদভাবে ওঠানামা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।” আইনজীবী ইসরাত জাহান সুমা বলেন, “আদালতের নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত হতে অনেক সময় বিলম্ব হয় লিফটের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে। এতে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হয় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।”
ডিপার্টমেন্ট মাত্র দুইটি লিফট স্থাপন করার কারণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য এটি এখন বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিফট সংকটের কারণে আদালতের বিচার কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতি পূর্বে আমাদের মাঝে প্রধান বিচারপতি মহোদয় এসেছিলেন, আমি তার কাছে বিষয়টি ব্যক্ত করার পর তিনি আরও দুটি লিফট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।”
বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দশতলা ভবনে লিফট সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আদালত চলাকালীন সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুইটি লিফটের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শত শত মানুষকে। ভবনটিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মোট ১১টি কোর্টে মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এসব আদালতে আইনজীবী, পুলিশ, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ জনগণকে একই ভবনের দুইটি লিফটেই উঠানামা করতে হয়। প্রতিটি লিফটের ধারণক্ষমতা ১৩ জন হলেও একসঙ্গে ১৭১৮ জন পর্যন্ত উঠতে দেখা যায়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সৃষ্টি হয় তীব্র ভিড় ও বিশৃঙ্খলার।
বিচারপ্রার্থী এক নারী বলেন, “আমরা পুরুষদের সঙ্গে গাদাগাদি করে লিফটে উঠতে পারি না। আলাদা লিফট না থাকায় প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছি।” বিচারপ্রার্থী সালমা বলেন, আমি মামলার বাদি। দীর্ঘ সময় লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ভিড় ঠেলে উঠতে পারছি না। আমি ৯ তালায় উঠবো। পুরুষদের সঙ্গে ভিড় ঠেলে গাদাগাদি করে উঠতে তো সমস্যাই হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা লিফট প্রয়োজন।” একজন সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ বিচারপ্রার্থী জসিম উদ্দিন জানান, হাঁটুর ব্যথায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু লিফটে এমন ভিড় যে, উঠতেই পারি না। অনেক সময় আদালতের সময়ই পেরিয়ে যায়।” ভবনের দুটি লিফটই প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন আদালত ভবন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফটে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চীফ জুডিশিয়াল, সিনিয়র জুডিশিয়ালসহ মোট ১১টি কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এই ভবনে। মহানগর আদালত, অতিরিক্ত মহানগর আদালত, সন্ত্রাস দমন একই লিফটে আসামি, পুলিশ, সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা একসঙ্গে ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ওঠানামা করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। লিগ্যাল এইডের কার্যক্রমও সাধারণ বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভিড় চলছে।” এখানে ঠেলে আসামি আদালতে নেওয়া অনেক কষ্টকর।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এসএম সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, “বিচার বিভাগের জুডিশিয়াল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা জানান, কারাগার থেকে আদালতে সকল আসামী হাজির করার জন্য আনা হয়। এ সময় লিফট সংকটে হিমশিম খেতে হয়। সীমিত জায়গার কারণে একসঙ্গে আসামি ও পুলিশ সদস্য ওঠানোও কঠিন হয়ে পড়ে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে আসামি পুলিশ সদস্যদের নিরাপদভাবে ওঠানামা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।” আইনজীবী ইসরাত জাহান সুমা বলেন, “আদালতের নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত হতে অনেক সময় বিলম্ব হয় লিফটের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে। এতে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হয় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।”
ডিপার্টমেন্ট মাত্র দুইটি লিফট স্থাপন করার কারণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য এটি এখন বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিফট সংকটের কারণে আদালতের বিচার কার্যক্রম বিভিন্নভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতি পূর্বে আমাদের মাঝে প্রধান বিচারপতি মহোদয় এসেছিলেন, আমি তার কাছে বিষয়টি ব্যক্ত করার পর তিনি আরও দুটি লিফট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।”

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯