
২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৩
উত্তরের জেলাগুলোর খুব কাছেই হিমালয়। ফলে এ জেলাগুলোয় শীত অনুভূত হয় একটু আগেভাগেই। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা, ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর হালকা কুয়াশায় ঘাস-পাতার ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু এখানে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাই শুরু হয়েছে শীত নিবারণের প্রস্তুতিও।
এরসঙ্গে ব্যাস্ততা বেড়েছে লেপ-তোষক কারিগর ও বিক্রেতাদের।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার শীত নেমেছে একটু আগে থেকেই। তাই শীত নিবারণে জমে উঠছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। শীত মোকাবেলায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছুটছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে।
তাই লেপ-তোষকের কারিগর ও বিক্রেতারা এখন ভীষণ ব্যস্ত। শীতের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে পুরো বছরের খোড়াক যোগনোর চেষ্টা কারিগরদের। কিন্তু বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সস্তুষ্ট নন তারা।
লেপ কারিগর আব্দুল মোতাল্লেব বলেন, শীতের সময় নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস ছাড়া বছরের অন্য সময় তেমন কাজ থাকে না। সারা বছর বসেই থাকতে হয়। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে একটি লেপ তৈরির পারিশ্রমিক ছিল ২০০ টাকা। আর বর্তমানেও একটি লেপ তৈরি করে ২০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়।
আরেক কারিগর প্রণয় বর্মণ বলেন, ‘বাজারে সব জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পারিশ্রমিক তেমন বাড়েনি। বর্তমানে যে মজুরি পাই তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও সংসারের সারা মাসের খরচ কুলানো যায় না।’
নাজমুল ইসলাম নামের এক কারিগর আক্ষেপ করে বলেন, দেশে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শ্রমিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় নাই। এখনও আগের মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। এই মৌসুমে বাজার ভালো থাকলে সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ তৈরি করতে পারি। তিন মাস কাজ করে কিছু টাকা সঞ্চয় করি, তা দিয়ে বছরের অন্য সময় এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করি। মালিকরা যদি মজুরি একটু বাড়াতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় পছন্দের লেপ-তোষক কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানে। তবে অভিযোগ, দাম বেশি নিচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। আর ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন তাঁদের সীমাবদ্ধতার কথা।
সদর উপজেলা নিশ্চিন্তপুরের বাসিন্দা নূরে আলম বলেন, উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলায় শীত একটু অগ্রিম শুরু হয়। তাই তিনি শীতের ঠাণ্ডা মোকাবেলায় লেপ তৈরি করতে এসেছেন। তবে এবছর লেপের দাম অনেক বেশি নিচ্ছেন দোকানিরা।
পৌর শহরের বাজার পাড়ার ইসরাফিল জানান, গত বছর পুরনো লেপ নতুন করে ধোলাই ও নতুন কাপড় দিয়ে শেলাই করতে খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। কিন্তু এবছর সেই একই লেপে খরচ পড়েছে সাড়ে ১২০০ টাকা। হাজিপাড়ার বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, সাত-পাঁচ হাতের একটি নতুন লেপ তৈরি করাতে গত বছর খরচ হয়েছে ১৪০০ টাকা। এবছর একই মাপের লেপ তৈরি করতে লাগছে ২২০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লেপে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
ক্রেতাদের এসব অভিযোগ স্বীকার করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজালাল ক্লথস্টোরের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর সব ধরনের তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই একটু দাম বাড়িয়েছেন তারা। তাছাড়া লেপ তৈরির কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়। এতে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়েছে। তার পরও একটি লেপ বিক্রি করে মাত্র লাভ থাকে দেড় শ থেকে ২০০ টাকা।
একই কথা বলেন পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার লেপ ব্যবসায়ী নবী ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছর এই মৌসুমে বেচাকেনা তেমন হয়নি। এ বছর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে শীত কতদিন স্থায়ী হবে। এখন পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে ব্যবসা ভালোই হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, জিনিসপত্রের দাম ও কারিগরদের মজুরি দিয়ে লেপ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ হয় না। ক্রেতারা যেন সাধ্যের মধ্যে লেপ কিনতে পারেন, সেজন্য লেপ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সীমিত লাভেই লেপ বিক্রি করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথা জানালেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কম্বল পাওয়া গেছে। ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নপর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
উত্তরের জেলাগুলোর খুব কাছেই হিমালয়। ফলে এ জেলাগুলোয় শীত অনুভূত হয় একটু আগেভাগেই। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা, ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর হালকা কুয়াশায় ঘাস-পাতার ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু এখানে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাই শুরু হয়েছে শীত নিবারণের প্রস্তুতিও।
এরসঙ্গে ব্যাস্ততা বেড়েছে লেপ-তোষক কারিগর ও বিক্রেতাদের।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার শীত নেমেছে একটু আগে থেকেই। তাই শীত নিবারণে জমে উঠছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। শীত মোকাবেলায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছুটছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে।
তাই লেপ-তোষকের কারিগর ও বিক্রেতারা এখন ভীষণ ব্যস্ত। শীতের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে পুরো বছরের খোড়াক যোগনোর চেষ্টা কারিগরদের। কিন্তু বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সস্তুষ্ট নন তারা।
লেপ কারিগর আব্দুল মোতাল্লেব বলেন, শীতের সময় নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস ছাড়া বছরের অন্য সময় তেমন কাজ থাকে না। সারা বছর বসেই থাকতে হয়। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে একটি লেপ তৈরির পারিশ্রমিক ছিল ২০০ টাকা। আর বর্তমানেও একটি লেপ তৈরি করে ২০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়।
আরেক কারিগর প্রণয় বর্মণ বলেন, ‘বাজারে সব জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পারিশ্রমিক তেমন বাড়েনি। বর্তমানে যে মজুরি পাই তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও সংসারের সারা মাসের খরচ কুলানো যায় না।’
নাজমুল ইসলাম নামের এক কারিগর আক্ষেপ করে বলেন, দেশে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শ্রমিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় নাই। এখনও আগের মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। এই মৌসুমে বাজার ভালো থাকলে সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ তৈরি করতে পারি। তিন মাস কাজ করে কিছু টাকা সঞ্চয় করি, তা দিয়ে বছরের অন্য সময় এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করি। মালিকরা যদি মজুরি একটু বাড়াতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় পছন্দের লেপ-তোষক কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানে। তবে অভিযোগ, দাম বেশি নিচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। আর ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন তাঁদের সীমাবদ্ধতার কথা।
সদর উপজেলা নিশ্চিন্তপুরের বাসিন্দা নূরে আলম বলেন, উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলায় শীত একটু অগ্রিম শুরু হয়। তাই তিনি শীতের ঠাণ্ডা মোকাবেলায় লেপ তৈরি করতে এসেছেন। তবে এবছর লেপের দাম অনেক বেশি নিচ্ছেন দোকানিরা।
পৌর শহরের বাজার পাড়ার ইসরাফিল জানান, গত বছর পুরনো লেপ নতুন করে ধোলাই ও নতুন কাপড় দিয়ে শেলাই করতে খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। কিন্তু এবছর সেই একই লেপে খরচ পড়েছে সাড়ে ১২০০ টাকা। হাজিপাড়ার বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, সাত-পাঁচ হাতের একটি নতুন লেপ তৈরি করাতে গত বছর খরচ হয়েছে ১৪০০ টাকা। এবছর একই মাপের লেপ তৈরি করতে লাগছে ২২০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লেপে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
ক্রেতাদের এসব অভিযোগ স্বীকার করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজালাল ক্লথস্টোরের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর সব ধরনের তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই একটু দাম বাড়িয়েছেন তারা। তাছাড়া লেপ তৈরির কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়। এতে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়েছে। তার পরও একটি লেপ বিক্রি করে মাত্র লাভ থাকে দেড় শ থেকে ২০০ টাকা।
একই কথা বলেন পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার লেপ ব্যবসায়ী নবী ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছর এই মৌসুমে বেচাকেনা তেমন হয়নি। এ বছর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে শীত কতদিন স্থায়ী হবে। এখন পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে ব্যবসা ভালোই হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, জিনিসপত্রের দাম ও কারিগরদের মজুরি দিয়ে লেপ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ হয় না। ক্রেতারা যেন সাধ্যের মধ্যে লেপ কিনতে পারেন, সেজন্য লেপ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সীমিত লাভেই লেপ বিক্রি করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথা জানালেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কম্বল পাওয়া গেছে। ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নপর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৪
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩০
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’