
২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৩
উত্তরের জেলাগুলোর খুব কাছেই হিমালয়। ফলে এ জেলাগুলোয় শীত অনুভূত হয় একটু আগেভাগেই। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা, ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর হালকা কুয়াশায় ঘাস-পাতার ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু এখানে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাই শুরু হয়েছে শীত নিবারণের প্রস্তুতিও।
এরসঙ্গে ব্যাস্ততা বেড়েছে লেপ-তোষক কারিগর ও বিক্রেতাদের।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার শীত নেমেছে একটু আগে থেকেই। তাই শীত নিবারণে জমে উঠছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। শীত মোকাবেলায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছুটছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে।
তাই লেপ-তোষকের কারিগর ও বিক্রেতারা এখন ভীষণ ব্যস্ত। শীতের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে পুরো বছরের খোড়াক যোগনোর চেষ্টা কারিগরদের। কিন্তু বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সস্তুষ্ট নন তারা।
লেপ কারিগর আব্দুল মোতাল্লেব বলেন, শীতের সময় নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস ছাড়া বছরের অন্য সময় তেমন কাজ থাকে না। সারা বছর বসেই থাকতে হয়। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে একটি লেপ তৈরির পারিশ্রমিক ছিল ২০০ টাকা। আর বর্তমানেও একটি লেপ তৈরি করে ২০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়।
আরেক কারিগর প্রণয় বর্মণ বলেন, ‘বাজারে সব জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পারিশ্রমিক তেমন বাড়েনি। বর্তমানে যে মজুরি পাই তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও সংসারের সারা মাসের খরচ কুলানো যায় না।’
নাজমুল ইসলাম নামের এক কারিগর আক্ষেপ করে বলেন, দেশে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শ্রমিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় নাই। এখনও আগের মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। এই মৌসুমে বাজার ভালো থাকলে সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ তৈরি করতে পারি। তিন মাস কাজ করে কিছু টাকা সঞ্চয় করি, তা দিয়ে বছরের অন্য সময় এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করি। মালিকরা যদি মজুরি একটু বাড়াতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় পছন্দের লেপ-তোষক কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানে। তবে অভিযোগ, দাম বেশি নিচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। আর ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন তাঁদের সীমাবদ্ধতার কথা।
সদর উপজেলা নিশ্চিন্তপুরের বাসিন্দা নূরে আলম বলেন, উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলায় শীত একটু অগ্রিম শুরু হয়। তাই তিনি শীতের ঠাণ্ডা মোকাবেলায় লেপ তৈরি করতে এসেছেন। তবে এবছর লেপের দাম অনেক বেশি নিচ্ছেন দোকানিরা।
পৌর শহরের বাজার পাড়ার ইসরাফিল জানান, গত বছর পুরনো লেপ নতুন করে ধোলাই ও নতুন কাপড় দিয়ে শেলাই করতে খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। কিন্তু এবছর সেই একই লেপে খরচ পড়েছে সাড়ে ১২০০ টাকা। হাজিপাড়ার বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, সাত-পাঁচ হাতের একটি নতুন লেপ তৈরি করাতে গত বছর খরচ হয়েছে ১৪০০ টাকা। এবছর একই মাপের লেপ তৈরি করতে লাগছে ২২০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লেপে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
ক্রেতাদের এসব অভিযোগ স্বীকার করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজালাল ক্লথস্টোরের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর সব ধরনের তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই একটু দাম বাড়িয়েছেন তারা। তাছাড়া লেপ তৈরির কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়। এতে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়েছে। তার পরও একটি লেপ বিক্রি করে মাত্র লাভ থাকে দেড় শ থেকে ২০০ টাকা।
একই কথা বলেন পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার লেপ ব্যবসায়ী নবী ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছর এই মৌসুমে বেচাকেনা তেমন হয়নি। এ বছর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে শীত কতদিন স্থায়ী হবে। এখন পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে ব্যবসা ভালোই হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, জিনিসপত্রের দাম ও কারিগরদের মজুরি দিয়ে লেপ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ হয় না। ক্রেতারা যেন সাধ্যের মধ্যে লেপ কিনতে পারেন, সেজন্য লেপ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সীমিত লাভেই লেপ বিক্রি করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথা জানালেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কম্বল পাওয়া গেছে। ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নপর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
উত্তরের জেলাগুলোর খুব কাছেই হিমালয়। ফলে এ জেলাগুলোয় শীত অনুভূত হয় একটু আগেভাগেই। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা, ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর হালকা কুয়াশায় ঘাস-পাতার ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু এখানে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাই শুরু হয়েছে শীত নিবারণের প্রস্তুতিও।
এরসঙ্গে ব্যাস্ততা বেড়েছে লেপ-তোষক কারিগর ও বিক্রেতাদের।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার শীত নেমেছে একটু আগে থেকেই। তাই শীত নিবারণে জমে উঠছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। শীত মোকাবেলায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছুটছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে।
তাই লেপ-তোষকের কারিগর ও বিক্রেতারা এখন ভীষণ ব্যস্ত। শীতের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে পুরো বছরের খোড়াক যোগনোর চেষ্টা কারিগরদের। কিন্তু বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সস্তুষ্ট নন তারা।
লেপ কারিগর আব্দুল মোতাল্লেব বলেন, শীতের সময় নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস ছাড়া বছরের অন্য সময় তেমন কাজ থাকে না। সারা বছর বসেই থাকতে হয়। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে একটি লেপ তৈরির পারিশ্রমিক ছিল ২০০ টাকা। আর বর্তমানেও একটি লেপ তৈরি করে ২০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়।
আরেক কারিগর প্রণয় বর্মণ বলেন, ‘বাজারে সব জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পারিশ্রমিক তেমন বাড়েনি। বর্তমানে যে মজুরি পাই তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও সংসারের সারা মাসের খরচ কুলানো যায় না।’
নাজমুল ইসলাম নামের এক কারিগর আক্ষেপ করে বলেন, দেশে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শ্রমিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় নাই। এখনও আগের মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। এই মৌসুমে বাজার ভালো থাকলে সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ তৈরি করতে পারি। তিন মাস কাজ করে কিছু টাকা সঞ্চয় করি, তা দিয়ে বছরের অন্য সময় এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করি। মালিকরা যদি মজুরি একটু বাড়াতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় পছন্দের লেপ-তোষক কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানে। তবে অভিযোগ, দাম বেশি নিচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। আর ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন তাঁদের সীমাবদ্ধতার কথা।
সদর উপজেলা নিশ্চিন্তপুরের বাসিন্দা নূরে আলম বলেন, উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলায় শীত একটু অগ্রিম শুরু হয়। তাই তিনি শীতের ঠাণ্ডা মোকাবেলায় লেপ তৈরি করতে এসেছেন। তবে এবছর লেপের দাম অনেক বেশি নিচ্ছেন দোকানিরা।
পৌর শহরের বাজার পাড়ার ইসরাফিল জানান, গত বছর পুরনো লেপ নতুন করে ধোলাই ও নতুন কাপড় দিয়ে শেলাই করতে খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। কিন্তু এবছর সেই একই লেপে খরচ পড়েছে সাড়ে ১২০০ টাকা। হাজিপাড়ার বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, সাত-পাঁচ হাতের একটি নতুন লেপ তৈরি করাতে গত বছর খরচ হয়েছে ১৪০০ টাকা। এবছর একই মাপের লেপ তৈরি করতে লাগছে ২২০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লেপে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
ক্রেতাদের এসব অভিযোগ স্বীকার করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজালাল ক্লথস্টোরের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর সব ধরনের তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই একটু দাম বাড়িয়েছেন তারা। তাছাড়া লেপ তৈরির কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়। এতে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়েছে। তার পরও একটি লেপ বিক্রি করে মাত্র লাভ থাকে দেড় শ থেকে ২০০ টাকা।
একই কথা বলেন পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার লেপ ব্যবসায়ী নবী ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছর এই মৌসুমে বেচাকেনা তেমন হয়নি। এ বছর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে শীত কতদিন স্থায়ী হবে। এখন পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে ব্যবসা ভালোই হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, জিনিসপত্রের দাম ও কারিগরদের মজুরি দিয়ে লেপ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ হয় না। ক্রেতারা যেন সাধ্যের মধ্যে লেপ কিনতে পারেন, সেজন্য লেপ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সীমিত লাভেই লেপ বিক্রি করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথা জানালেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কম্বল পাওয়া গেছে। ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নপর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৯

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:২০
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।