বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন ভোলা জেলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার ছেলে মোঃ শাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ তিনি অর্জন করেছেন ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’ খেতাব।
খালিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ এবং আশা গ্রুপ ইউএসএ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ হোটেলিয়ার, রন্ধনশিল্পী ও আতিথেয়তা পেশাজীবীরা একত্রিত হন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই আয়োজনে ১৮টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়, যেখানে শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি এবং আতিথেয়তা শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
শাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ভোলা জেলার মেঘনা বেস্টিত দ্বীপ মনপুরা উপজেলায়। তিনি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক মোঃ শাজাহান মাষ্টারের জেষ্ঠ্য পুত্র। শৈশবে তিনি এখানেই বেড়ে ওঠেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শেষ করে তিনি উপজেলার হাজীর হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। পরবর্তিতে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় পাড়ি জমান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাফল্যের সাথে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেন। এবং চাকরি জীবনে প্রবেশ করেন।
শাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় হোটেলসমূহ—দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, শেরাটন ঢাকা এবং হানসা: আ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স—এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আতিথেয়তা শিল্পে ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশন ও পরিচালন দক্ষতায় তার বৈপ্লবিক অবদান দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
করপোরেট নেতৃত্বের পাশাপাশি শাখাওয়াত হোসেন একাডেমিক অঙ্গনেও সমানভাবে উজ্জ্বল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পিএইচডি করছেন এবং একই বিভাগে অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।
তার উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক অর্জনের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ – এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশন, ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া ২০২৪ – সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস, বাংলাদেশের সেরা হোটেলিয়ার – হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্স, আন্তর্জাতিক বিচারক, শেফস ক্যুলিনারি কাপ, কোরিয়া ২০২৪–২৫ পুরস্কার। এছাড়াও বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল’, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ার্ডস থেকে ‘হোটেলিয়ার অব দ্য ইয়ার-২০২৪ পুরস্কার’, ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘হসপিটালিটি প্রফেশনাল অব বাংলাদেশ-২০২৪’, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্সের পক্ষ থেকে ‘বেস্ট হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ’ পুরস্কার।
বর্তমানে তিনি শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা, ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক (ঢাকা চ্যাপ্টার)-এর পরিচালক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।
গত ২৪ মে নিউইয়র্কের কুইন্সে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর শেখ রহমান তার হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৩
ভোলার লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার বাঙ্গটিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা বেগম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আছাদুজ্জামান খান অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালমা ডাওরী বাজারের বাস স্টান থেকে তাদের আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৫
ভোলায় অটোরিকশা ও নছিমনের সংঘর্ষে রাশেদ হাওলাদার (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা শহরের পিটিআই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের চর ছিফলী গ্রামের শাহাজামাল হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
দুপুরে ভোলার পিটিআই এলাকায় অটোরিকশা ও নছিমনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় রাশেদ নসিমনের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৩

১১ জুন, ২০২৫ ১৭:৫৭
বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন ভোলা জেলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার ছেলে মোঃ শাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ তিনি অর্জন করেছেন ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’ খেতাব।
খালিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ এবং আশা গ্রুপ ইউএসএ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ হোটেলিয়ার, রন্ধনশিল্পী ও আতিথেয়তা পেশাজীবীরা একত্রিত হন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই আয়োজনে ১৮টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়, যেখানে শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি এবং আতিথেয়তা শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
শাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ভোলা জেলার মেঘনা বেস্টিত দ্বীপ মনপুরা উপজেলায়। তিনি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক মোঃ শাজাহান মাষ্টারের জেষ্ঠ্য পুত্র। শৈশবে তিনি এখানেই বেড়ে ওঠেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শেষ করে তিনি উপজেলার হাজীর হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। পরবর্তিতে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় পাড়ি জমান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাফল্যের সাথে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেন। এবং চাকরি জীবনে প্রবেশ করেন।
শাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় হোটেলসমূহ—দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, শেরাটন ঢাকা এবং হানসা: আ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স—এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আতিথেয়তা শিল্পে ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশন ও পরিচালন দক্ষতায় তার বৈপ্লবিক অবদান দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
করপোরেট নেতৃত্বের পাশাপাশি শাখাওয়াত হোসেন একাডেমিক অঙ্গনেও সমানভাবে উজ্জ্বল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পিএইচডি করছেন এবং একই বিভাগে অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।
তার উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক অর্জনের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ – এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশন, ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া ২০২৪ – সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস, বাংলাদেশের সেরা হোটেলিয়ার – হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্স, আন্তর্জাতিক বিচারক, শেফস ক্যুলিনারি কাপ, কোরিয়া ২০২৪–২৫ পুরস্কার। এছাড়াও বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল’, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ার্ডস থেকে ‘হোটেলিয়ার অব দ্য ইয়ার-২০২৪ পুরস্কার’, ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘হসপিটালিটি প্রফেশনাল অব বাংলাদেশ-২০২৪’, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্সের পক্ষ থেকে ‘বেস্ট হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ’ পুরস্কার।
বর্তমানে তিনি শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা, ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক (ঢাকা চ্যাপ্টার)-এর পরিচালক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।
গত ২৪ মে নিউইয়র্কের কুইন্সে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর শেখ রহমান তার হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন।
ভোলার লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার বাঙ্গটিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা বেগম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আছাদুজ্জামান খান অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালমা ডাওরী বাজারের বাস স্টান থেকে তাদের আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভোলায় অটোরিকশা ও নছিমনের সংঘর্ষে রাশেদ হাওলাদার (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা শহরের পিটিআই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের চর ছিফলী গ্রামের শাহাজামাল হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
দুপুরে ভোলার পিটিআই এলাকায় অটোরিকশা ও নছিমনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় রাশেদ নসিমনের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬