Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৮
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ২ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া বরগুনার ১৭ জন জেলের সন্ধান মিলেছে। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্রে জানা গেছে, তারা বর্তমানে ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এ খবরে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে থাকা পরিবারগুলোর মাঝে ফিরেছে আশার আলো।
২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী এলাকা থেকে ‘এফবি এলাহী ভরসা’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে ১৭ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। ১৭ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে ট্রলারটি নিখোঁজ হয়। এরপর দীর্ঘ দুই বছর তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।
বরগুনা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার জেলা ইন্টেলিজেন্স অফিসার (ওয়ান) মো. কামরুজ্জামান জানান, সম্প্রতি এসবিতে পাঠানো এক তথ্যে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ বরগুনার ১৭ জন জেলে ভারতের গুজরাটের একটি কারাগারে বন্দি আছেন।
ওই তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ঢাকায় এসবিতে পাঠানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিখোঁজ ১৭ জেলের মধ্যে ১৬ জনের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। নলটোনা ইউনিয়নের গাজী মাহমুদ গ্রামের সাতজন হলেন : আবদুর রব মিয়া, মনির হোসেন, খলিলুর রহমান, লিটন হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, মো. কালুমিয়া এবং সিদ্দিক মৃধা।
ঢলুয়া ইউনিয়নের মরখালী গ্রামের নয়জন হলেন : আবদুল খালেক বয়াতি, আউয়াল বিশ্বাস, আল আমিন, নান্টুখান, মো. ইউনুস, মো. সোবাহান খান, মো. মাহতাব, মো. কামাল ও মো. ফারুক। অপর একজন পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা এলাকার বাসিন্দা।
গুজরাট কারাগারে বন্দি জেলে ইউনুস সরদারের মা তারাবানু (৭০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শুনছি আমার পোলাডা ভারতের কারাগারে আটক আছে। দুই বছর ধরে নিখোঁজ ছিল। এই খবর শোনার পর শূন্য বুকটা ভরে উঠছে। কখন পোলাডা বাড়ি ফিরবে, কখন ওর মুখটা ছুঁয়ে দেখব, এই অপেক্ষায় আছি। ছেলেটা নিখোঁজ হওয়ার পর ওর বাবা মারা গেছে। আমরা অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকমে দিন কাটাই।
আরেক জেলে আল আমিনের স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, দুই বছর তিন মাস পর জানতে পারলাম আমার স্বামী জীবিত, কিন্তু ভারতের কারাগারে বন্দি। পুলিশ আমাদের নাম-ঠিকানা নিয়েছে। সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত তারা দেশে ফিরতে পারবেন এই আশায় প্রতিদিন পথ চেয়ে থাকি।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ ওই ট্রলারের সব জেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা গুজরাট কারাগারে আছেন। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, সরকার দ্রুত উদ্যোগ নেবে।
নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুজ্জামান মাহফুজ জানান, তার ইউনিয়নের সাতজন জেলে ওই ঘটনায় নিখোঁজ হন। সম্প্রতি তাদের খোঁজ পাওয়ায় পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
দীর্ঘ দুই বছর পর প্রিয়জনদের জীবিত থাকার খবরে নিখোঁজ পরিবারগুলোর চোখে-মুখে এখন একটাই প্রত্যাশা দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগে দ্রুত যেন তাদের স্বজনরা দেশে ফিরতে পারেন।’
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ২ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া বরগুনার ১৭ জন জেলের সন্ধান মিলেছে। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্রে জানা গেছে, তারা বর্তমানে ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এ খবরে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও শোকের মধ্যে থাকা পরিবারগুলোর মাঝে ফিরেছে আশার আলো।
২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী এলাকা থেকে ‘এফবি এলাহী ভরসা’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে ১৭ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। ১৭ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে ট্রলারটি নিখোঁজ হয়। এরপর দীর্ঘ দুই বছর তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।
বরগুনা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার জেলা ইন্টেলিজেন্স অফিসার (ওয়ান) মো. কামরুজ্জামান জানান, সম্প্রতি এসবিতে পাঠানো এক তথ্যে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ বরগুনার ১৭ জন জেলে ভারতের গুজরাটের একটি কারাগারে বন্দি আছেন।
ওই তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ঢাকায় এসবিতে পাঠানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিখোঁজ ১৭ জেলের মধ্যে ১৬ জনের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। নলটোনা ইউনিয়নের গাজী মাহমুদ গ্রামের সাতজন হলেন : আবদুর রব মিয়া, মনির হোসেন, খলিলুর রহমান, লিটন হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, মো. কালুমিয়া এবং সিদ্দিক মৃধা।
ঢলুয়া ইউনিয়নের মরখালী গ্রামের নয়জন হলেন : আবদুল খালেক বয়াতি, আউয়াল বিশ্বাস, আল আমিন, নান্টুখান, মো. ইউনুস, মো. সোবাহান খান, মো. মাহতাব, মো. কামাল ও মো. ফারুক। অপর একজন পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা এলাকার বাসিন্দা।
গুজরাট কারাগারে বন্দি জেলে ইউনুস সরদারের মা তারাবানু (৭০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শুনছি আমার পোলাডা ভারতের কারাগারে আটক আছে। দুই বছর ধরে নিখোঁজ ছিল। এই খবর শোনার পর শূন্য বুকটা ভরে উঠছে। কখন পোলাডা বাড়ি ফিরবে, কখন ওর মুখটা ছুঁয়ে দেখব, এই অপেক্ষায় আছি। ছেলেটা নিখোঁজ হওয়ার পর ওর বাবা মারা গেছে। আমরা অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোরকমে দিন কাটাই।
আরেক জেলে আল আমিনের স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, দুই বছর তিন মাস পর জানতে পারলাম আমার স্বামী জীবিত, কিন্তু ভারতের কারাগারে বন্দি। পুলিশ আমাদের নাম-ঠিকানা নিয়েছে। সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত তারা দেশে ফিরতে পারবেন এই আশায় প্রতিদিন পথ চেয়ে থাকি।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে নিখোঁজ ওই ট্রলারের সব জেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা গুজরাট কারাগারে আছেন। প্রয়োজনীয় তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, সরকার দ্রুত উদ্যোগ নেবে।
নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুজ্জামান মাহফুজ জানান, তার ইউনিয়নের সাতজন জেলে ওই ঘটনায় নিখোঁজ হন। সম্প্রতি তাদের খোঁজ পাওয়ায় পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
দীর্ঘ দুই বছর পর প্রিয়জনদের জীবিত থাকার খবরে নিখোঁজ পরিবারগুলোর চোখে-মুখে এখন একটাই প্রত্যাশা দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগে দ্রুত যেন তাদের স্বজনরা দেশে ফিরতে পারেন।’

১৩ জুন, ২০২৬ ১০:৫০
বরগুনা সদর উপজেলায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম হোসেন কালু। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি স্থানীয়ভাবে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম হোসেন কালু সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
এই ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালুর মৃত্যু হয়। এ সময় তার সহযোগী তৌহিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত কালুর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ১৩–১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েই তিনি ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করেন, এরপর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু।

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনা সদর উপজেলায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম হোসেন কালু। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি স্থানীয়ভাবে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম হোসেন কালু সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
এই ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালুর মৃত্যু হয়। এ সময় তার সহযোগী তৌহিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত কালুর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ১৩–১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েই তিনি ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করেন, এরপর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
১৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২০
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫