
১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০০:০৭
কেন্দ্রীয় নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর বেশ কয়েকটি বেফাঁস মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেতা একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মী-সমর্থকদের চাঁদাবাজির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিজে স্বীকার করেন। তার এই বেফাঁস মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়, যা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য সান্টুর ওপর সংক্ষুব্ধ হয়েছেন বরিশাল জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এবং দলের দায়িত্বশীল নেতার এমন আচরণে বিব্রত বিএনপির হাইকমান্ড। এই তথ্য বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এবং ঢাকার একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে।
স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের অভিযোগ, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরফুদ্দিন সান্টু বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে কখনও মাঠে ছিলেন না। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করে বিদেশে নিরাপদে থেকেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং নিজের সংসদীয় এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়ায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন।
এই নেতার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে গত এক বছরে বিভিন্ন দখলসন্ত্রাসসহ নানামুখী অপরাধে জড়িয়ে আলোচনায় আছেন। নেতাকর্মীদের এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নেপথ্য শক্তি হিসেবে এতদিন সরফুদ্দিন সান্টু নিজেই কাজ করেছেন, যা তিনি স্বীকারও করেছেন। বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সান্টুর বক্তব্যের একটি ভিডিও বেশকদিন ধরে সমাজপাতায় ঘুরছে, যেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির নেতার এমন বেফাঁস মন্তব্যে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। এবং এই বিষয়টিকে তার প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আবার সার্বক্ষণিক আলোচনায় রাখছেন। বিশেষ করে ইস্যুটি নিয়ে একই আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের অনুগত অনুসারীরা সান্টুকে বিতর্কিত করতে নানা কৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ছাড়াও সরফুদ্দিন সান্টু আরও বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ড করে নিজেকে আলোচনায় রাখেন। গত ১৯ জুলাই উজিরপুর ও ২০ জুলাই বানারীপাড়া উপজেলা এবং পৌর বিএনপির সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকা’ দিয়ে বিএনপির রাজনীতি করার কথা বলেছেন। এছাড়া ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলালের মনোনয়ন এনে দিয়ে ভোটে জেতানোর কথা বলেছেন সান্টু। তার এই দুটি বেফাঁস মন্তব্যের পরে এবার আলোচনায় এসেছে কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করানোর বিষয়টি, যা খোদ বিএনপি নেতা নিজের মুখেই স্বীকার করে রীতিমত আলোচনার খোরাক হয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির একটি সূত্র নিশ্চিত করে কর্মী-সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার সুযোগ দেওয়া সংক্রান্ত যে ভিডিওটি দুদিন পূর্বে ভাইরাল হয়, তা চলতি বছরের জুলাই মাসে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের। নতুন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কর্মীদের উদ্দেশ করে এমন বেসামাল কথা বলেন। ধারনা করা হচ্ছে, তার বক্তব্যের ভিডিওটি দলীয় ঘরনার রাজনৈতিক কারও কাছে সংরক্ষিত ছিল, তিনি সময় বুঝে প্রকাশ করেছেন।
এই ভিডিও ক্লিপে সান্টুকে বলতে শোনা যায়, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতা-কর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন। এবং কেন দিয়েছেন তার যুক্তিও খন্ডন করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর নেতাকর্মীরা কিছু খায় নায়। অবস্থা কিন্তু ভালো না, আমি থাকি আর না থাকি, আপনারা এক থাকেন। বিএনপি ক্ষমতায় না এলে কিন্তু কিছু পাবেন না। এবং নেতাকর্মীদের পকেটে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে সমস্যা হলে আমার কাছে আসেন, ইত্যাদি...।
উপজেলাপর্যায়ের শীর্ষ নেতার এই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের হাতাশ এবং সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব। তিনি বলেন, উজিরপুরের গুঠিয়ায় সান্টুর মালিকানাধীন বাইতুল ভিউ কনভেনশন হলে আয়োজিত একটি বৈঠকে তিনি বেফাঁস মন্তব্যটি করেছেন। তবে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা ওই ভিডিও বক্তব্যকে কাটপিস বলে দাবি করেছেন। এবং তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ভিডিওটি দেখে মনে হয়েছে এটি কাটপিস করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওটি যে সুপার এডিট করা নয়, তা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সান্টুর এমন বেফাঁস মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু। এই নেতা সাংবাদিকদের বলছেন, দায়িত্বশীল নেতা হয়ে সান্টু দলের ক্ষতি করছেন। তার এই ধরনের বক্তব্যে দলীয় হাইকমান্ড পুরোপুরি বিব্রত এবং তৃণমূল বিএনপিকে তিনি সন্ত্রাসী বানিয়ে ফেলেছেন।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সান্টু শুধু বেফাঁস মন্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি, তিনি এর আগে বরিশাল অঞ্চলের প্রবীণ বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের তিনবারের এমপি সরোয়ারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সান্টু বলেছিলেন, ‘সেই দিন ভুলে যান, আমারে আঙুল দিয়েন না। আমি কিন্তু বরিশালে একবার ভোট করেছি, আবারও করে দেখাব। নেতা সরোয়ারকে নিয়ে তার এমন বিষাদগারমূলক এমন বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করে। এনিয়ে সরোয়ার অনুসারী নেতাকর্মীদের ক্ষোভে ফুসে উঠলেও রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে পরিশেষে চেপে যেতে দেখা যায়।
প্রতাপশালী বিএনপি নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য পর্যায়ক্রমে প্রকাশ্যে আসা এবং সেগুলো সমাজপাতায় ভাইরাল হওয়া নিয়ে তার কর্মী-অনুসারীরা বেশ টেনশনে রয়েছেন। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী সান্টুর বক্তব্য না পাওয়া গেলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার অনুগত একাধিক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, বয়সের ভারে নুহ্য নেতা বক্তব্য রাখতে গিয়ে খানিকটা তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। পরবর্তীতে সেগুলো দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক, বিশেষ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা ভাইরাল করে তাকে বিতর্কিত করতে তোড়জোড় চালিয়ে যাচ্ছেন।
সান্টুর এই ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য যে সামগ্রিকভাবে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তা বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীনও স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বুধবার সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে আলোচনা হয়েছে, সান্টু এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তাছাড়া তিনি নির্বাহী কমিটির সদস্য, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে হাইকমান্ডও কথা বলেছেন।’
কেন্দ্রীয় নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর বেশ কয়েকটি বেফাঁস মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেতা একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মী-সমর্থকদের চাঁদাবাজির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিজে স্বীকার করেন। তার এই বেফাঁস মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়, যা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য সান্টুর ওপর সংক্ষুব্ধ হয়েছেন বরিশাল জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এবং দলের দায়িত্বশীল নেতার এমন আচরণে বিব্রত বিএনপির হাইকমান্ড। এই তথ্য বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এবং ঢাকার একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে।
স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের অভিযোগ, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরফুদ্দিন সান্টু বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে কখনও মাঠে ছিলেন না। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করে বিদেশে নিরাপদে থেকেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং নিজের সংসদীয় এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়ায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন।
এই নেতার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে গত এক বছরে বিভিন্ন দখলসন্ত্রাসসহ নানামুখী অপরাধে জড়িয়ে আলোচনায় আছেন। নেতাকর্মীদের এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নেপথ্য শক্তি হিসেবে এতদিন সরফুদ্দিন সান্টু নিজেই কাজ করেছেন, যা তিনি স্বীকারও করেছেন। বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সান্টুর বক্তব্যের একটি ভিডিও বেশকদিন ধরে সমাজপাতায় ঘুরছে, যেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির নেতার এমন বেফাঁস মন্তব্যে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। এবং এই বিষয়টিকে তার প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আবার সার্বক্ষণিক আলোচনায় রাখছেন। বিশেষ করে ইস্যুটি নিয়ে একই আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের অনুগত অনুসারীরা সান্টুকে বিতর্কিত করতে নানা কৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ছাড়াও সরফুদ্দিন সান্টু আরও বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ড করে নিজেকে আলোচনায় রাখেন। গত ১৯ জুলাই উজিরপুর ও ২০ জুলাই বানারীপাড়া উপজেলা এবং পৌর বিএনপির সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকা’ দিয়ে বিএনপির রাজনীতি করার কথা বলেছেন। এছাড়া ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলালের মনোনয়ন এনে দিয়ে ভোটে জেতানোর কথা বলেছেন সান্টু। তার এই দুটি বেফাঁস মন্তব্যের পরে এবার আলোচনায় এসেছে কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করানোর বিষয়টি, যা খোদ বিএনপি নেতা নিজের মুখেই স্বীকার করে রীতিমত আলোচনার খোরাক হয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির একটি সূত্র নিশ্চিত করে কর্মী-সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার সুযোগ দেওয়া সংক্রান্ত যে ভিডিওটি দুদিন পূর্বে ভাইরাল হয়, তা চলতি বছরের জুলাই মাসে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের। নতুন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কর্মীদের উদ্দেশ করে এমন বেসামাল কথা বলেন। ধারনা করা হচ্ছে, তার বক্তব্যের ভিডিওটি দলীয় ঘরনার রাজনৈতিক কারও কাছে সংরক্ষিত ছিল, তিনি সময় বুঝে প্রকাশ করেছেন।
এই ভিডিও ক্লিপে সান্টুকে বলতে শোনা যায়, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতা-কর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন। এবং কেন দিয়েছেন তার যুক্তিও খন্ডন করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর নেতাকর্মীরা কিছু খায় নায়। অবস্থা কিন্তু ভালো না, আমি থাকি আর না থাকি, আপনারা এক থাকেন। বিএনপি ক্ষমতায় না এলে কিন্তু কিছু পাবেন না। এবং নেতাকর্মীদের পকেটে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে সমস্যা হলে আমার কাছে আসেন, ইত্যাদি...।
উপজেলাপর্যায়ের শীর্ষ নেতার এই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের হাতাশ এবং সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব। তিনি বলেন, উজিরপুরের গুঠিয়ায় সান্টুর মালিকানাধীন বাইতুল ভিউ কনভেনশন হলে আয়োজিত একটি বৈঠকে তিনি বেফাঁস মন্তব্যটি করেছেন। তবে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা ওই ভিডিও বক্তব্যকে কাটপিস বলে দাবি করেছেন। এবং তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ভিডিওটি দেখে মনে হয়েছে এটি কাটপিস করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওটি যে সুপার এডিট করা নয়, তা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সান্টুর এমন বেফাঁস মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু। এই নেতা সাংবাদিকদের বলছেন, দায়িত্বশীল নেতা হয়ে সান্টু দলের ক্ষতি করছেন। তার এই ধরনের বক্তব্যে দলীয় হাইকমান্ড পুরোপুরি বিব্রত এবং তৃণমূল বিএনপিকে তিনি সন্ত্রাসী বানিয়ে ফেলেছেন।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সান্টু শুধু বেফাঁস মন্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি, তিনি এর আগে বরিশাল অঞ্চলের প্রবীণ বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের তিনবারের এমপি সরোয়ারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সান্টু বলেছিলেন, ‘সেই দিন ভুলে যান, আমারে আঙুল দিয়েন না। আমি কিন্তু বরিশালে একবার ভোট করেছি, আবারও করে দেখাব। নেতা সরোয়ারকে নিয়ে তার এমন বিষাদগারমূলক এমন বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করে। এনিয়ে সরোয়ার অনুসারী নেতাকর্মীদের ক্ষোভে ফুসে উঠলেও রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে পরিশেষে চেপে যেতে দেখা যায়।
প্রতাপশালী বিএনপি নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য পর্যায়ক্রমে প্রকাশ্যে আসা এবং সেগুলো সমাজপাতায় ভাইরাল হওয়া নিয়ে তার কর্মী-অনুসারীরা বেশ টেনশনে রয়েছেন। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী সান্টুর বক্তব্য না পাওয়া গেলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার অনুগত একাধিক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, বয়সের ভারে নুহ্য নেতা বক্তব্য রাখতে গিয়ে খানিকটা তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। পরবর্তীতে সেগুলো দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক, বিশেষ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা ভাইরাল করে তাকে বিতর্কিত করতে তোড়জোড় চালিয়ে যাচ্ছেন।
সান্টুর এই ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য যে সামগ্রিকভাবে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তা বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীনও স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বুধবার সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে আলোচনা হয়েছে, সান্টু এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তাছাড়া তিনি নির্বাহী কমিটির সদস্য, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে হাইকমান্ডও কথা বলেছেন।’

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৫
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
১৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২০
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫