Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৩
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ সকল অসুস্থ রাজনৈতিকদের নীরোগতা কামনা
সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো বরিশালে বড় ধরনের সমাবেশ করল ইসলাম ধর্মভিত্তিক ৮ টি রাজনৈতিক দল। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত সমাবেশকে ঘিরে দলগুলোর লাখ লাখ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বাদ যোহর মূল আয়োজন শুরুর আগেই সাড়ে ৯ একর আয়তনের মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। এমনকি জনতার স্রোত এত প্রবল হয়ে ওঠে যে বেলসপার্কসংলগ্ন বান্দরোড, রাজা-বাহাদুরসহ বিভিন্ন সড়কে ইসলামপন্থীদের মিছিলের দীর্ঘ সারি নিয়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
জনসাধরণের এই বাধাভাঙা স্রোত বিমোহিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিমকে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি নিয়ে সন্তোস প্রকাশ করে বলেছেন, বরিশালের মাটি ইসলামের খাঁটি মাটি।
চরমোনাই পির অভিযোগ করেন, ‘জুলাই আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে অনেকে চোখ হারিয়েছেন, পরিবার হারিয়েছে আপনজন। এই ‘জুলাই শহীদদের সঙ্গে বেঈমানি যারা করবে, তাদের জায়গা বাংলাদেশে নেই। ভোটের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের উৎখাত করা হবে।
সমাবেশ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ইসলামপন্থী ৮টি রাজনৈতিক দলের ঘোষিত ৫ দফা বাস্তবায়নে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৫৩ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, উন্নয়নের নামে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই সমাবেশের মাধ্যমে আমরা স্পষ্ট করতে চাই দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজদের ঠাঁই বাংলাদেশে আর হবে না। জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে চরমোনাই পির আরও বলেন, সাবেক সরকারগুলো দুর্নীতি, অর্থপাচার ও জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে। তাদের মধ্যেকার অন্যতম শেখ হাসিনা, তিনি বলেছিলেন, পালান না! ‘কিন্তু দুর্ভাগ্য ভাত পাক করে রেখে গেছেন, খেতেও পারেননি। দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। ইসলামী দলগুলোর জোট ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হবে।’
চরমোনাই পিরের এসব বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অসুস্থ রাজনৈতিক নেতাদের জন্য দোয়া কামনা করেন। এই বিষয়টি বরিশালের রাজনৈতিক অন্দরমহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিশেষ করে এনিয়ে পিরকে সাধুবাদ জানিয়ে সমাজপাতা ফেসবুকে কমবেশি লেখালেখি করছেন বিএনপিসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবার ইসলামপন্থী ৮টি দলের আয়োজনকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে থাকতে দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। এর আগে সোমবার রাত থেকে সমাবেশস্থলে অবস্থান নিতে থাকেন দলগুলো কর্মী-সমর্থকেরা। তবে সমাবেশ শুরুর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে লঞ্চ, বাস এবং ট্রাকযোগে বরিশালের আশপাশের ৫টি জেলা ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর এবং বরগুনা থেকে হাজার হাজার মানুষ আসতে থাকেন।
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে গোটা বরিশাল শহরে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। প্রথমবারের মতো সমাবেশে এত নেতাকর্মীর উপস্থিতি ইসলামের পক্ষে গণজোয়ার বলে মন্তব্য করেন চরমোনাই পির।’
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ সকল অসুস্থ রাজনৈতিকদের নীরোগতা কামনা
সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো বরিশালে বড় ধরনের সমাবেশ করল ইসলাম ধর্মভিত্তিক ৮ টি রাজনৈতিক দল। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত সমাবেশকে ঘিরে দলগুলোর লাখ লাখ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বাদ যোহর মূল আয়োজন শুরুর আগেই সাড়ে ৯ একর আয়তনের মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। এমনকি জনতার স্রোত এত প্রবল হয়ে ওঠে যে বেলসপার্কসংলগ্ন বান্দরোড, রাজা-বাহাদুরসহ বিভিন্ন সড়কে ইসলামপন্থীদের মিছিলের দীর্ঘ সারি নিয়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
জনসাধরণের এই বাধাভাঙা স্রোত বিমোহিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিমকে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি নিয়ে সন্তোস প্রকাশ করে বলেছেন, বরিশালের মাটি ইসলামের খাঁটি মাটি।
চরমোনাই পির অভিযোগ করেন, ‘জুলাই আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে অনেকে চোখ হারিয়েছেন, পরিবার হারিয়েছে আপনজন। এই ‘জুলাই শহীদদের সঙ্গে বেঈমানি যারা করবে, তাদের জায়গা বাংলাদেশে নেই। ভোটের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের উৎখাত করা হবে।
সমাবেশ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ইসলামপন্থী ৮টি রাজনৈতিক দলের ঘোষিত ৫ দফা বাস্তবায়নে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৫৩ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, উন্নয়নের নামে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই সমাবেশের মাধ্যমে আমরা স্পষ্ট করতে চাই দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজদের ঠাঁই বাংলাদেশে আর হবে না। জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে চরমোনাই পির আরও বলেন, সাবেক সরকারগুলো দুর্নীতি, অর্থপাচার ও জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে। তাদের মধ্যেকার অন্যতম শেখ হাসিনা, তিনি বলেছিলেন, পালান না! ‘কিন্তু দুর্ভাগ্য ভাত পাক করে রেখে গেছেন, খেতেও পারেননি। দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। ইসলামী দলগুলোর জোট ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হবে।’
চরমোনাই পিরের এসব বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অসুস্থ রাজনৈতিক নেতাদের জন্য দোয়া কামনা করেন। এই বিষয়টি বরিশালের রাজনৈতিক অন্দরমহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিশেষ করে এনিয়ে পিরকে সাধুবাদ জানিয়ে সমাজপাতা ফেসবুকে কমবেশি লেখালেখি করছেন বিএনপিসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবার ইসলামপন্থী ৮টি দলের আয়োজনকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে থাকতে দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। এর আগে সোমবার রাত থেকে সমাবেশস্থলে অবস্থান নিতে থাকেন দলগুলো কর্মী-সমর্থকেরা। তবে সমাবেশ শুরুর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে লঞ্চ, বাস এবং ট্রাকযোগে বরিশালের আশপাশের ৫টি জেলা ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর এবং বরগুনা থেকে হাজার হাজার মানুষ আসতে থাকেন।
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে গোটা বরিশাল শহরে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। প্রথমবারের মতো সমাবেশে এত নেতাকর্মীর উপস্থিতি ইসলামের পক্ষে গণজোয়ার বলে মন্তব্য করেন চরমোনাই পির।’

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯