
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৫০
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ২৭৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে ফেল থেকে পাস করেছে ২৬ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন শিক্ষার্থী।
রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এই ফল প্রকাশ করা হয়। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জি এম শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বছর ১৩ হাজার ২৬৪ জন পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৩৮ হাজার ৪৩৭টি আবেদন করেছিল।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার বরিশাল বোর্ডের অধীনে বিভাগের ছয় জেলার ১ হাজার ৫০২টি স্কুল থেকে ৮৪ হাজার ৭০২ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এরমধ্যে ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮২ হাজার ৯৩১ জন। পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন। সেই হিসেবে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ২৭৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে ফেল থেকে পাস করেছে ২৬ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ জন শিক্ষার্থী।
রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এই ফল প্রকাশ করা হয়। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জি এম শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বছর ১৩ হাজার ২৬৪ জন পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৩৮ হাজার ৪৩৭টি আবেদন করেছিল।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার বরিশাল বোর্ডের অধীনে বিভাগের ছয় জেলার ১ হাজার ৫০২টি স্কুল থেকে ৮৪ হাজার ৭০২ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এরমধ্যে ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮২ হাজার ৯৩১ জন। পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৫৮ জন। সেই হিসেবে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮