
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পেতে প্রচার-প্রচরণায় ব্যস্ত বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের ১২৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী। বিপুল সংখ্যক এ প্রার্থীর ভিড়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার-প্রচারণায় মাঠে অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছেন মাত্র তিনজন নারী।
যাদের মধ্যে দুইজন দুটি দলের মনোনীত এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আর এরমধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন।
জানা গেছে, ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
প্রায় ৬০ বছর বয়সী এ নারী নেত্রী ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার স্বামী প্রয়াত জুলফিকার আলী ভুট্টোও ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য। ইলেন ভুট্টোর শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস।
হলফনামা বলছে, ইলেন ভুট্টোর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
নগদ রয়েছে ২১ লাখ ৩১ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটি প্রাইভেটকার ও ৩০ তোলা সোনা রয়েছে। কৃষি ও অকৃষি জমির মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রাজধানীর উত্তরায় একটি বাড়িও রয়েছে তার।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ছয় লাখ ৭৩ হাজার টাকা এবং ঘোষিত ব্যয় ১৫ লাখ টাকা। নিজের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় বহন করছেন তিনি।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। ব্যক্তিগত উদ্যোগ আর স্বজনদের সহায়তার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ৩৫ বছর বয়সী বামপন্থি এ নারী রাজনীতিকের প্রচারণা। সীমিত সম্পদ, পরিচিতজনের সহযোগিতা, আর মাটির ব্যাংকে শ্রমজীবীদের জমানো অল্পস্বল্প টাকায় এগোচ্ছে এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. মনীষার নির্বাচনী প্রচারণা। বড় ব্যানার, শোভাযাত্রা বা গাড়ি কিছু নেই তার। তবে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে হেঁটে মানুষের সঙ্গে কথা বলা আর শ্রমজীবী মানুষের ওপর আস্থাই তার নির্বাচনের বড় শক্তি।
হলফনামায় ডা. মনীষা অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। এরমধ্যে নগদ ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ব্যাংকে চার লাখ ৬৪ হাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী আমানত পাঁচ লাখ টাকা। রয়েছে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ৬৯ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা। চিকিৎসা পেশা ও ব্যাংকের মুনাফা মিলিয়ে মাসিক আয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ২২ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী নির্ভর করছেন পারিবারিক ও সামাজিক সহায়তার ওপর। বোন তন্দ্রা চক্রবর্ত্তী ধার দেবেন তিন লাখ টাকা, কাকাতো ভাই দুই লাখ টাকা। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্ত্তী দেবেন ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমজীবী মানুষের মাটির ব্যাংকে জমানো টাকাও উৎসর্গ করা হয়েছে তার নির্বাচনি ব্যয়ে।
দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪.৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। সেখান থেকে পদত্যাগ করে প্রার্থী হয়েছেন সংসদ নির্বাচনে।
আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির রাজনীতি করতেন তাসলিমা বেগম। তখন দৌলতখান থানা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উত্তর জয়নগর ইউনিয়ন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ভোলা জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে তার পেশা ছিল আইনজীবী সহকারী। ২০২৪ এর পরে তিনি দলের পদ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
৮ম শ্রেণি পাস এই নারী সমাজকর্মীর স্বামী দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি তিন ছেলে এবং তিন মেয়েসহ ছয় সন্তানের জননী। হলফনামায় তিনি তার বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছেন দর্জির কাজ। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। এ টাকায় তিনি ব্যয় করবেন নির্বাচনে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পেতে প্রচার-প্রচরণায় ব্যস্ত বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের ১২৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী। বিপুল সংখ্যক এ প্রার্থীর ভিড়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার-প্রচারণায় মাঠে অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছেন মাত্র তিনজন নারী।
যাদের মধ্যে দুইজন দুটি দলের মনোনীত এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আর এরমধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন।
জানা গেছে, ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
প্রায় ৬০ বছর বয়সী এ নারী নেত্রী ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার স্বামী প্রয়াত জুলফিকার আলী ভুট্টোও ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য। ইলেন ভুট্টোর শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস।
হলফনামা বলছে, ইলেন ভুট্টোর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
নগদ রয়েছে ২১ লাখ ৩১ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটি প্রাইভেটকার ও ৩০ তোলা সোনা রয়েছে। কৃষি ও অকৃষি জমির মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রাজধানীর উত্তরায় একটি বাড়িও রয়েছে তার।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ছয় লাখ ৭৩ হাজার টাকা এবং ঘোষিত ব্যয় ১৫ লাখ টাকা। নিজের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় বহন করছেন তিনি।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। ব্যক্তিগত উদ্যোগ আর স্বজনদের সহায়তার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ৩৫ বছর বয়সী বামপন্থি এ নারী রাজনীতিকের প্রচারণা। সীমিত সম্পদ, পরিচিতজনের সহযোগিতা, আর মাটির ব্যাংকে শ্রমজীবীদের জমানো অল্পস্বল্প টাকায় এগোচ্ছে এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. মনীষার নির্বাচনী প্রচারণা। বড় ব্যানার, শোভাযাত্রা বা গাড়ি কিছু নেই তার। তবে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে হেঁটে মানুষের সঙ্গে কথা বলা আর শ্রমজীবী মানুষের ওপর আস্থাই তার নির্বাচনের বড় শক্তি।
হলফনামায় ডা. মনীষা অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। এরমধ্যে নগদ ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ব্যাংকে চার লাখ ৬৪ হাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী আমানত পাঁচ লাখ টাকা। রয়েছে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ৬৯ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা। চিকিৎসা পেশা ও ব্যাংকের মুনাফা মিলিয়ে মাসিক আয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ২২ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী নির্ভর করছেন পারিবারিক ও সামাজিক সহায়তার ওপর। বোন তন্দ্রা চক্রবর্ত্তী ধার দেবেন তিন লাখ টাকা, কাকাতো ভাই দুই লাখ টাকা। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্ত্তী দেবেন ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমজীবী মানুষের মাটির ব্যাংকে জমানো টাকাও উৎসর্গ করা হয়েছে তার নির্বাচনি ব্যয়ে।
দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪.৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। সেখান থেকে পদত্যাগ করে প্রার্থী হয়েছেন সংসদ নির্বাচনে।
আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির রাজনীতি করতেন তাসলিমা বেগম। তখন দৌলতখান থানা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উত্তর জয়নগর ইউনিয়ন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ভোলা জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে তার পেশা ছিল আইনজীবী সহকারী। ২০২৪ এর পরে তিনি দলের পদ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
৮ম শ্রেণি পাস এই নারী সমাজকর্মীর স্বামী দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি তিন ছেলে এবং তিন মেয়েসহ ছয় সন্তানের জননী। হলফনামায় তিনি তার বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছেন দর্জির কাজ। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। এ টাকায় তিনি ব্যয় করবেন নির্বাচনে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৫
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে তার নির্বাচনি জনসভা ও সফর কর্মসূচি।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা থাকলেও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেই তারিখও বাতিল করা হয়। ফলে কবে নাগাদ তিনি বরিশাল সফরে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সফরের দিন নির্ধারিত থাকলে সেটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা সেরে ফেলেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি জানান, শুরুতে ২৬ জানুয়ারি সফরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে সফরের মাত্র দুদিন আগে সেই কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বিলকিস আক্তার আরও বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং বিকল্প পথে বরিশাল ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে সামগ্রিক শিডিউল সমন্বয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সফরটি পেছাতে হয়েছে। যদিও সফর বাতিল হয়নি, নতুন তারিখ পরে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এবার দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরের কথা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলের বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দলীয় চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। তিনি বরিশালে আসলে নেতাকর্মীরা আরও কয়েকগুণ চাঙা হবেন।
দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের পথ চেয়ে বরিশালবাসী।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে তার নির্বাচনি জনসভা ও সফর কর্মসূচি।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা থাকলেও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেই তারিখও বাতিল করা হয়। ফলে কবে নাগাদ তিনি বরিশাল সফরে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সফরের দিন নির্ধারিত থাকলে সেটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা সেরে ফেলেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি জানান, শুরুতে ২৬ জানুয়ারি সফরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে সফরের মাত্র দুদিন আগে সেই কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বিলকিস আক্তার আরও বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং বিকল্প পথে বরিশাল ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে সামগ্রিক শিডিউল সমন্বয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সফরটি পেছাতে হয়েছে। যদিও সফর বাতিল হয়নি, নতুন তারিখ পরে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এবার দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরের কথা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলের বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দলীয় চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। তিনি বরিশালে আসলে নেতাকর্মীরা আরও কয়েকগুণ চাঙা হবেন।
দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের পথ চেয়ে বরিশালবাসী।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। রোববার সকাল থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের সব উপকরণ। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হয় ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিশিয়াল সিলসহ নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদিগুলো এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। ঢাকা থেকে নিয়ে এসে এগুলো রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা কিছু পণ্য সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালে নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। রোববার সকাল থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের সব উপকরণ। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হয় ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিশিয়াল সিলসহ নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদিগুলো এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। ঢাকা থেকে নিয়ে এসে এগুলো রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা কিছু পণ্য সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালে নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়বে আমীর ও বরিশাল ৫ আসনের এমপি প্রার্থী শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ শোনেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম বিপদের মুখে পড়ে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো দ্রুত তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়বে আমীর ও বরিশাল ৫ আসনের এমপি প্রার্থী শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ শোনেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম বিপদের মুখে পড়ে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো দ্রুত তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।