বরিশালের উজিরপুরের জল্লা ইউনিয়নে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রিপন মোল্লা (৪০) ওরফে চোরা রিপন। সে ওই ইউপির বাহেরঘাট গ্রামের জোড়া ব্রীজ সংলগ্ন মোল্লাবাড়ির মৃত. মালেক মোল্লার ছেলে।
উজিরপুরসহ আশপাশের থানাগুলোতে তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলও খেটেছেন অনেকবার। জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযানে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল র্যাবের গুলিতে নিহত হয়েছে মাদক ব্যবসায়ী রিপনের ছেলে কলেজছাত্র সিয়াম মোল্লা (১৭)। নিহত সিয়াম কোনো মাদকের সাথে জড়িত ছিলো না।
কিন্তু তার মাদক ব্যবসায়ী বাবা রিপনের কারণে নিহতের পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিশোর সিয়ামকে মাদক ব্যবসায়ী তকমা লাগিয়েছিলো। তবে এলাকাবাসী তার প্রতিবাদ জানিয়ে সিয়াম নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধনও করেছিলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রিপন অনেক বছর ধরে এলাকায় গাঁজা, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছে। স্থানীয় রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রচ্ছায়ায় এই ব্যবসা করে আসছিলো।
চলতি বছরের এপ্রিলে রিপনের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সিয়াম মোল্লা র্যাবের গুলিতে নিহত হওয়ার পরে কিছুদিন রিপনের মাদক ব্যবসা বন্ধ ছিলো। সম্প্রতি আগের চেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক বিক্রেতা রিপন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিপন প্রায় দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এর আগে এলাকায় বেশ কয়েকবার চুরি করে গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়েছিলো। যার কারণে নিজ এলাকায় চোরা রিপন নামে বেশি পরিচিত মাদক বিক্রেতা রিপন মোল্লা।
উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রিপন মোল্লার বিরুদ্ধে মাদক মামলায় আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। পুলিশ রিপনকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নটি পাশ্ববর্তী আগৈলঝাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী। আর রিপনের বসতবাড়ি দুই উপজেলার সীমান্ত বাহেরঘাট গ্রামের জোড়া ব্রীজ সংলগ্ন মোল্লাবাড়ি।
এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদক বিক্রেতা রিপন দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোকে মাদকের অভয়ারন্য বানিয়ে ফেলেছে। এসব এলাকার বয়স্ক থেকে শুরু করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।
মাদক কারবারি রিপনের কয়েকজন প্রতিবেশি জানিয়েছেন, রিপন অনেক আগে থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন। এছাড়া স্ত্রীর উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতো, যার কারণে দুটি সন্তানসহ স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছিলো।
রিপনের সাবেক স্ত্রীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান, রিপন পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত ছিলো। নিজ গ্রামের এক নারীর সাথে রিপন দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেম চালিয়ে আসছিলো। আর সেই পরকীয়া প্রেমের প্রতিবাদ করায় অনেকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি। রিপনের অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে দুটি সন্তান নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিবাহ বিচ্ছেদে বাধ্য হই।
রিপনের মাদক ব্যবসার বিষয়ে তিনি বলেন, মাদকের মামলায় গ্রেফতার হয়ে অনেকদিন জেল খেটেছেন রিপন। তিনি মানুষের মুখে রিপনের মাদক বিক্রির কথা শুনেছেন, তবে তিনি কখনও দেখেননি।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সরকারি মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে থানার উপ-পরিদর্শক জ্যোতিন্ময় জানান, মাদক কারবারি রিপন মোল্লার বিরুদ্ধে মোট কয়টি মামলা রয়েছে এবং কোন মামলায় আদালতের ওয়ারেন্ট রয়েছে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৬
মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত দুই মাসে পুলিশের ২৭ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। পুলিশ সদস্যদের অপরাধ দমনে নিজেদের ঘর আগে পরিষ্কার করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘আগে ঘর পরিষ্কার হোক, তারপরে আপনারা পরিষ্কার হবেন।’
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে মাদকসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে পুলিশপ্রধান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এসব কমিটি কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন কার ছেলে কী করে। তাই আপনাদের তথ্যের মাধ্যমেই কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলাম। এতে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত দুই মাসে পুলিশের ২৭ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। পুলিশ সদস্যদের অপরাধ দমনে নিজেদের ঘর আগে পরিষ্কার করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘আগে ঘর পরিষ্কার হোক, তারপরে আপনারা পরিষ্কার হবেন।’
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে মাদকসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে পুলিশপ্রধান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এসব কমিটি কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন কার ছেলে কী করে। তাই আপনাদের তথ্যের মাধ্যমেই কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলাম। এতে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১
বরিশালের মুলাদীতে বিস্ফোরণে ছয় যুবক আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে। তবে পুলিশ এ তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করেনি।
আহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের দাদন হাওলাদারের ছেলে ইয়াকুব হাওলাদার (২২) এবং বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে সালমান (২১)। বাকি চারজনের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিস্ফোরণের পর আহতদের স্বজন ও সহযোগীরা তাঁদের ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে একাধিক হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে কোন হাসপাতালে তাঁরা ভর্তি রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এলাকার এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে বিভিন্ন পক্ষের অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগও করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ উত্তর বালিয়াতলী এলাকা পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে তথ্য দিচ্ছেন না। আহত ব্যক্তিরা গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের সন্ধান চলছে।
বরিশালের মুলাদীতে বিস্ফোরণে ছয় যুবক আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে। তবে পুলিশ এ তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করেনি।
আহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের দাদন হাওলাদারের ছেলে ইয়াকুব হাওলাদার (২২) এবং বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে সালমান (২১)। বাকি চারজনের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিস্ফোরণের পর আহতদের স্বজন ও সহযোগীরা তাঁদের ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে একাধিক হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে কোন হাসপাতালে তাঁরা ভর্তি রয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এলাকার এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে বিভিন্ন পক্ষের অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগও করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ উত্তর বালিয়াতলী এলাকা পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে তথ্য দিচ্ছেন না। আহত ব্যক্তিরা গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের সন্ধান চলছে।

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১০
২৮ অক্টোবর অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে, বাড়তে পারে বরিশালসহ উপকূলে বৃষ্টি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য এই পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিষয়ক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৬টায় নিম্নচাপটি পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। পরে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে ২৮ অক্টোবরের দিকে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে এর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের পর সারা দেশে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে।'
২৮ অক্টোবর অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে, বাড়তে পারে বরিশালসহ উপকূলে বৃষ্টি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য এই পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিষয়ক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৬টায় নিম্নচাপটি পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। পরে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে ২৮ অক্টোবরের দিকে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে এর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের পর সারা দেশে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে।'

০৭ জুলাই, ২০২৫ ১২:০৫
বরিশালের উজিরপুরের জল্লা ইউনিয়নে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রিপন মোল্লা (৪০) ওরফে চোরা রিপন। সে ওই ইউপির বাহেরঘাট গ্রামের জোড়া ব্রীজ সংলগ্ন মোল্লাবাড়ির মৃত. মালেক মোল্লার ছেলে।
উজিরপুরসহ আশপাশের থানাগুলোতে তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলও খেটেছেন অনেকবার। জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযানে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল র্যাবের গুলিতে নিহত হয়েছে মাদক ব্যবসায়ী রিপনের ছেলে কলেজছাত্র সিয়াম মোল্লা (১৭)। নিহত সিয়াম কোনো মাদকের সাথে জড়িত ছিলো না।
কিন্তু তার মাদক ব্যবসায়ী বাবা রিপনের কারণে নিহতের পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিশোর সিয়ামকে মাদক ব্যবসায়ী তকমা লাগিয়েছিলো। তবে এলাকাবাসী তার প্রতিবাদ জানিয়ে সিয়াম নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধনও করেছিলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রিপন অনেক বছর ধরে এলাকায় গাঁজা, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছে। স্থানীয় রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রচ্ছায়ায় এই ব্যবসা করে আসছিলো।
চলতি বছরের এপ্রিলে রিপনের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সিয়াম মোল্লা র্যাবের গুলিতে নিহত হওয়ার পরে কিছুদিন রিপনের মাদক ব্যবসা বন্ধ ছিলো। সম্প্রতি আগের চেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক বিক্রেতা রিপন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিপন প্রায় দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এর আগে এলাকায় বেশ কয়েকবার চুরি করে গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়েছিলো। যার কারণে নিজ এলাকায় চোরা রিপন নামে বেশি পরিচিত মাদক বিক্রেতা রিপন মোল্লা।
উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রিপন মোল্লার বিরুদ্ধে মাদক মামলায় আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। পুলিশ রিপনকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নটি পাশ্ববর্তী আগৈলঝাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী। আর রিপনের বসতবাড়ি দুই উপজেলার সীমান্ত বাহেরঘাট গ্রামের জোড়া ব্রীজ সংলগ্ন মোল্লাবাড়ি।
এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদক বিক্রেতা রিপন দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোকে মাদকের অভয়ারন্য বানিয়ে ফেলেছে। এসব এলাকার বয়স্ক থেকে শুরু করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।
মাদক কারবারি রিপনের কয়েকজন প্রতিবেশি জানিয়েছেন, রিপন অনেক আগে থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন। এছাড়া স্ত্রীর উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতো, যার কারণে দুটি সন্তানসহ স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছিলো।
রিপনের সাবেক স্ত্রীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান, রিপন পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত ছিলো। নিজ গ্রামের এক নারীর সাথে রিপন দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেম চালিয়ে আসছিলো। আর সেই পরকীয়া প্রেমের প্রতিবাদ করায় অনেকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি। রিপনের অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে দুটি সন্তান নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিবাহ বিচ্ছেদে বাধ্য হই।
রিপনের মাদক ব্যবসার বিষয়ে তিনি বলেন, মাদকের মামলায় গ্রেফতার হয়ে অনেকদিন জেল খেটেছেন রিপন। তিনি মানুষের মুখে রিপনের মাদক বিক্রির কথা শুনেছেন, তবে তিনি কখনও দেখেননি।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সরকারি মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে থানার উপ-পরিদর্শক জ্যোতিন্ময় জানান, মাদক কারবারি রিপন মোল্লার বিরুদ্ধে মোট কয়টি মামলা রয়েছে এবং কোন মামলায় আদালতের ওয়ারেন্ট রয়েছে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭