
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯
ভোলার লালমোহন উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি চুরি, ইভটিজিং, মাদক বিক্রি ও অবৈধ দখলের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, দিনে-দুপুরেও এখন আর নিরাপদ বোধ করা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের চরকচুয়াখালী এলাকায় মো. আবু বক্কর (৫৫) নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশের এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড দালাল বাজার এলাকায় দিনে দুপুরে একটি অটোরিকশা চুরি হয়। যদিও পরবর্তীতে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ ঐ অটোরিকশাসহ চোরকে আটক করেন । এছাড়া কালমা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড লেজ ছকিনা গ্রামে পৃথক দুটি অটোরিকশা চুরির ঘটনাও ঘটে। চরভুতা ইউনিয়নের বাংলাবাজারে ৩ জানুয়ারি ভোর রাতে কীটনাশকের সার্টারের তালা ভেঙ্গে দোকানের ক্যাশ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও ৩ লাখ টাকার কীটনাশক নিয়ে যায় চোরচক্র।
গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ২৬ ডিসেম্বর বদরপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড হাজিরহাট এলাকায় রহমান সিউলির বাড়িতে খাবারে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ দেড় লাখ টাকা লুট করা হয়। পরদিন একই এলাকার জমাদার বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার সুপারি চুরি হয়। ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কামাল হাওলাদারের ঘরে নেশাজাতীয় স্প্রে ব্যবহার করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। একই তারিখে ২নং ওয়ার্ডে প্রতিবন্ধী জাকিরের একটি ছাগল চুরি হয় এবং ৯নং ওয়ার্ডে তৈয়ব মাওলানার নয় বস্তা সিদ্ধ ধান চুরি এছাড়া ৯নং ওয়ার্ডে হেলার মাঝির নৌকা থেকে সোলার ব্যাটারি চুরি । ২৯ ডিসেম্বর ওই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পুলিশ ক্যাম্পের পাশে মোসলেহ উদ্দিন মিয়ার বাড়ি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়।
অন্যদিকে শুক্রবার (২ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চর উমেদ গ্রামের আজাহার রোড এলাকার আফির উদ্দিন বাড়ীর মৃত বাবুলের বসত ঘরে, ওমর আলী হাজী বাড়ীর মাকসুদ উল্লাহ মিয়ার ঘরে প্রবেশ করে তার ছেলে সেকান্তর ও তার স্ত্রীর নগদ টাকা, স্বর্নের চেইন, একই বাড়ীর মিজান খলিফা, বিডিপি প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম এবং জামায়াতের উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুল হকের গ্রামের বাড়ির বসতঘরে সিঁধেল কেটে হানা দেয় চোরের দল।
এছাড়া লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। লালমোহন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের করিম রোড, থানার মোড় ও আশপাশ এবং লালমোহন করিমুন্নেছা–হাফিজ মহিলা কলেজের সামনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়েও ইভটিজিংয়ের অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুলছাত্রী বলেন, সকালে বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যাওয়ার সময় করিম রোডের সামনে ঠিক থানার অপজিটে কিশোর গ্যাংয়ের একটি দল মেয়েদের উত্যক্ত করেন, সেদিন আমার আম্মুকেও ওরা উত্যক্ত করা থেকে বিরত থাকেনি।
এছাড়া ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের সিন্নিখোলা, বাতিরখাল এলাকা, আজহাররোড ও চতলা বাজার সড়কের মধ্যবর্তী কালভার্টে প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভার সাবেক পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সড়ক, মডেল সমজিদসংলগ্ন পৌরসভার গেট এলাকায়, ভুইল্লালাগো কান্দি, নয়ানীগ্রাম, আড়াই আনি সড়ক, লেংগার দোকান, বর্নালী সড়ক, গুচ্ছ গ্রাম, হাইস্কুল মাঠ, কল্লাকাটা রোড, পাটওয়ারী কান্দি, পৌরসভার গোল মার্কেটের ছাদের ওপর, পলিটেকনিক্যাল কলেজের পিছনের রোড়, জেলেপাড়া, পাকার মাথাসহ বিভিন্ন স্পটে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। একই চিত্র দেখা মেলে কালমা ইউনিয়নের তরুল্যা সেন্টার ও ডাওরী বাজারের দক্ষিণ পূর্ব পাশে চরলক্ষী এলাকায়, চরছকিনা, আলম বাজার, ফরাজির দোকান, মেম্বারের দোকান এলাকায় মাদক বেচাকেনা চলছে অহরহ। লালমোহন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর ফুলবাগিচা এলাকায় গুচ্চগ্রামে মাদক প্যাকেটজাত, সেবন ও বিক্রি হচ্ছে নিয়মিত।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, লালমোহন থানার সোর্স যারা রয়েছেন তাদের মাধ্যমে লালমোহনের দায়িত্বরত এসআই ও এএসআইদের একটি চক্র এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, থানায় সাধারণ ডায়েরি বা অভিযোগ করতে গেলে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলে আলাদাভাবে বাদী ও বিবাধেী থেকে ২-৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর থানার ভেতর ও আশপাশে সালিশ বাণিজ্য চলার কথাও উঠে এসেছে।
স্থানীয় এক সমাজ কর্মী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, লালমোহন থানায় গেলে দেখবেন এসআই ও এএসআইদের নেতৃত্বে থানার গোল ঘরে সন্ধ্যায় পর থেকে চলে রমরমা সালিশ বাণিজ্য, তারা নারী ও শিশু ডেস্কটিও সালিশ বাণিজ্যে ব্যবহার করেন। থানায় এই সালিশ বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে এক শ্রেণির দালাল সার্ভেয়ার। এদের মধ্যে রয়েছে যুবলীগ নেতা সার্ভেয়ার কবির, শরিফসহ কয়েকজন। তিনি আরও জানান, থানায় একটি জিডি বা অভিযোগ লিখতে হলে দিতে হয় ২০০ থেকে ৫০০ টাকা।
সূত্র জানায়, পূর্বের ওসি সিরাজুল ইসলাম এই সালিশ বাণিজ্যে রুখে দিয়েছিলেন। তিনি থানা থেকে সালিশের টুলটেবিল গুলো অপসারণ করেছিল।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত টহল, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সমাজে চরম বিশৃঙ্খলতা দেখা দিবে।
আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, চুরি, মাদক ও থানায় সালিশ বাণিজ্য এবং ইভটিজিং সংক্রান্ত বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলার অবনির মতো কোন ধরনের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে চুরির ঘটনা বেড়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অটো রিকশা চালককে হত্যার ঘটনাটি উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। থানার মধ্যে সালিশ বাণিজ্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। থানায় অভিযোগ বা জিডি এবং ঘটনার তদন্ত করতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তোভোগী অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দু:খের বিষয় হলো অধিকাংশ ঘটনার ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতে অনিহা প্রকাশ করেন। আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত যে কোন ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের ব্যাপারে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স হিসেবে কাজ করছি, তবে কাজের গতিটা আরও বাড়ানো দরকার।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি চুরি, ইভটিজিং, মাদক বিক্রি ও অবৈধ দখলের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, দিনে-দুপুরেও এখন আর নিরাপদ বোধ করা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের চরকচুয়াখালী এলাকায় মো. আবু বক্কর (৫৫) নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশের এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড দালাল বাজার এলাকায় দিনে দুপুরে একটি অটোরিকশা চুরি হয়। যদিও পরবর্তীতে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ ঐ অটোরিকশাসহ চোরকে আটক করেন । এছাড়া কালমা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড লেজ ছকিনা গ্রামে পৃথক দুটি অটোরিকশা চুরির ঘটনাও ঘটে। চরভুতা ইউনিয়নের বাংলাবাজারে ৩ জানুয়ারি ভোর রাতে কীটনাশকের সার্টারের তালা ভেঙ্গে দোকানের ক্যাশ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও ৩ লাখ টাকার কীটনাশক নিয়ে যায় চোরচক্র।
গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ২৬ ডিসেম্বর বদরপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড হাজিরহাট এলাকায় রহমান সিউলির বাড়িতে খাবারে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ দেড় লাখ টাকা লুট করা হয়। পরদিন একই এলাকার জমাদার বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার সুপারি চুরি হয়। ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কামাল হাওলাদারের ঘরে নেশাজাতীয় স্প্রে ব্যবহার করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। একই তারিখে ২নং ওয়ার্ডে প্রতিবন্ধী জাকিরের একটি ছাগল চুরি হয় এবং ৯নং ওয়ার্ডে তৈয়ব মাওলানার নয় বস্তা সিদ্ধ ধান চুরি এছাড়া ৯নং ওয়ার্ডে হেলার মাঝির নৌকা থেকে সোলার ব্যাটারি চুরি । ২৯ ডিসেম্বর ওই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পুলিশ ক্যাম্পের পাশে মোসলেহ উদ্দিন মিয়ার বাড়ি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়।
অন্যদিকে শুক্রবার (২ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চর উমেদ গ্রামের আজাহার রোড এলাকার আফির উদ্দিন বাড়ীর মৃত বাবুলের বসত ঘরে, ওমর আলী হাজী বাড়ীর মাকসুদ উল্লাহ মিয়ার ঘরে প্রবেশ করে তার ছেলে সেকান্তর ও তার স্ত্রীর নগদ টাকা, স্বর্নের চেইন, একই বাড়ীর মিজান খলিফা, বিডিপি প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম এবং জামায়াতের উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুল হকের গ্রামের বাড়ির বসতঘরে সিঁধেল কেটে হানা দেয় চোরের দল।
এছাড়া লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বেড়েছে। লালমোহন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের করিম রোড, থানার মোড় ও আশপাশ এবং লালমোহন করিমুন্নেছা–হাফিজ মহিলা কলেজের সামনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়েও ইভটিজিংয়ের অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুলছাত্রী বলেন, সকালে বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যাওয়ার সময় করিম রোডের সামনে ঠিক থানার অপজিটে কিশোর গ্যাংয়ের একটি দল মেয়েদের উত্যক্ত করেন, সেদিন আমার আম্মুকেও ওরা উত্যক্ত করা থেকে বিরত থাকেনি।
এছাড়া ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের সিন্নিখোলা, বাতিরখাল এলাকা, আজহাররোড ও চতলা বাজার সড়কের মধ্যবর্তী কালভার্টে প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভার সাবেক পল্লীবিদ্যুৎ অফিস সড়ক, মডেল সমজিদসংলগ্ন পৌরসভার গেট এলাকায়, ভুইল্লালাগো কান্দি, নয়ানীগ্রাম, আড়াই আনি সড়ক, লেংগার দোকান, বর্নালী সড়ক, গুচ্ছ গ্রাম, হাইস্কুল মাঠ, কল্লাকাটা রোড, পাটওয়ারী কান্দি, পৌরসভার গোল মার্কেটের ছাদের ওপর, পলিটেকনিক্যাল কলেজের পিছনের রোড়, জেলেপাড়া, পাকার মাথাসহ বিভিন্ন স্পটে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ রয়েছে। একই চিত্র দেখা মেলে কালমা ইউনিয়নের তরুল্যা সেন্টার ও ডাওরী বাজারের দক্ষিণ পূর্ব পাশে চরলক্ষী এলাকায়, চরছকিনা, আলম বাজার, ফরাজির দোকান, মেম্বারের দোকান এলাকায় মাদক বেচাকেনা চলছে অহরহ। লালমোহন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর ফুলবাগিচা এলাকায় গুচ্চগ্রামে মাদক প্যাকেটজাত, সেবন ও বিক্রি হচ্ছে নিয়মিত।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, লালমোহন থানার সোর্স যারা রয়েছেন তাদের মাধ্যমে লালমোহনের দায়িত্বরত এসআই ও এএসআইদের একটি চক্র এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, থানায় সাধারণ ডায়েরি বা অভিযোগ করতে গেলে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলে আলাদাভাবে বাদী ও বিবাধেী থেকে ২-৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর থানার ভেতর ও আশপাশে সালিশ বাণিজ্য চলার কথাও উঠে এসেছে।
স্থানীয় এক সমাজ কর্মী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, লালমোহন থানায় গেলে দেখবেন এসআই ও এএসআইদের নেতৃত্বে থানার গোল ঘরে সন্ধ্যায় পর থেকে চলে রমরমা সালিশ বাণিজ্য, তারা নারী ও শিশু ডেস্কটিও সালিশ বাণিজ্যে ব্যবহার করেন। থানায় এই সালিশ বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে এক শ্রেণির দালাল সার্ভেয়ার। এদের মধ্যে রয়েছে যুবলীগ নেতা সার্ভেয়ার কবির, শরিফসহ কয়েকজন। তিনি আরও জানান, থানায় একটি জিডি বা অভিযোগ লিখতে হলে দিতে হয় ২০০ থেকে ৫০০ টাকা।
সূত্র জানায়, পূর্বের ওসি সিরাজুল ইসলাম এই সালিশ বাণিজ্যে রুখে দিয়েছিলেন। তিনি থানা থেকে সালিশের টুলটেবিল গুলো অপসারণ করেছিল।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত টহল, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সমাজে চরম বিশৃঙ্খলতা দেখা দিবে।
আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, চুরি, মাদক ও থানায় সালিশ বাণিজ্য এবং ইভটিজিং সংক্রান্ত বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলার অবনির মতো কোন ধরনের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে চুরির ঘটনা বেড়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অটো রিকশা চালককে হত্যার ঘটনাটি উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। থানার মধ্যে সালিশ বাণিজ্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। থানায় অভিযোগ বা জিডি এবং ঘটনার তদন্ত করতে টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তোভোগী অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দু:খের বিষয় হলো অধিকাংশ ঘটনার ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতে অনিহা প্রকাশ করেন। আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত যে কোন ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের ব্যাপারে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স হিসেবে কাজ করছি, তবে কাজের গতিটা আরও বাড়ানো দরকার।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৪
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯