
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারাবাহিক জামিনে মুক্তি দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র বুধবার বরিশালে উত্তেজনাকর একটি দিন পার হলো।
একদিন আগের সেই ঘটনায় বুধবার বেলা ১০টার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারকের কারাগারে প্রেরণ আদেশ উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বমুখী করে তোলে। বিশেষ করে বরিশাল আদালত চত্ত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের। কিন্তু তাদের কোনো লাভ হয়নি, বরং বারের সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষের একটি হট্টগোলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষের এই ধরনের বিশৃঙ্খল ভিডিও নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত থেকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া হয়। গত সোমবার একই আদালত থেকে একটি আলোচিত মামলায় জামিনে মুক্তি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি তালুকদার মো. ইউনুস। শীর্ষস্থানীয় নেতা ইউনুস জামিনে মুক্তি প্রাপ্তির পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা।
এর প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার আদালত বর্জন করেন এবং বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করে দেন। মূলত সেই ঘটনায় আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য এই ভিডিওর সাথে নেতিবাচক শিরোনামজুড়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক থেকেও প্রচার করা হয়। এবং সেই ভিডিওর নিচে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নেতিবাচক কমেন্টও লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এজলাস কক্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয় পুলিশসংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বেলা ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আইনজীবী কক্ষ থেকে আটক করে এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারে পাঠানোর খবর সংক্ষুব্ধ করে তোলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের। এই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকেই তারা আদালত বর্জন করাসহ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি সভাপতির মুক্তির দাবিতে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তখন সাদিকুর রহমান লিংকন আদালত ভবনের নিতে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
নেতাকে মুক্ত করতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভে আদালত চত্ত্বরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ করেন।
বলা যায়, সেনা বাহিনী-পুলিশ এবং র্যাব আদালত কম্পাউন্ডে এক ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। কিন্তু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের কারণে সাদিকুর রহমানকে কিছুতেই আদালতের হাজতখানা থেকে বাহির করা যাচ্ছিল না।
ফলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও আদালতে এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সবশেষ বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলী পদক্ষেপ রাখায় বিএনপি নেতাকে কারাগারে যাওয়া থেকে আর রক্ষা করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালতের একাধিক সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে, আদালতের এজলাসে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বুধবার দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়।
অবশ্য এই মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ তাকে আদালত চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়, এমনকি কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও তোলে।
পরে তাকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে বিকেলে তার জামিন আবেদন করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং আগামী ২ মার্চ এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ ধার্য রাখেন। আদালত থেকে সবশেষ এই সিদ্ধান্ত আসার পরে সেনাবাহিনী- পুলিশ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মুখ কর্ডন করে আসামী বহনকারী প্রিজনভ্যানে করে সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারের অভিমুখে নিয়ে যায়।
সভাপতিকে কারাগারে পাঠানোর এই ঘটনায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বৃহস্পতিবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা সাংবাদিকদের দিয়ে রেখেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ নামধারী ১২জনকে অভিযুক্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এই মামলায় আরও চারজন অজ্ঞাত আসামি আছেন। বুধবার সভাপতিকে আটকের পরে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে বিচারক কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন। বিকেলে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে তার মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। এই গোটা ঘটনায় আদালত প্রশাসন কোনো রূপ মন্তব্য না করলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দাবি, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক শরীয়তউল্লাহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দিয়ে তার প্রমাণ দিয়েছেন।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনপ্রাপ্ত অন্য দুজন হচ্ছেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এবং বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান।
আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিনের ধারাবাহিকতা বহাল থাকা এবং তাদের নেতাকে মামলায় কারাগারে পাঠানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী এইচএম আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, বিচারক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বরিশাল আদালতে একটি কালো অধ্যয় তৈরি তৈরি করলেন, যা খুব খারাপ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কি রাখবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারাবাহিক জামিনে মুক্তি দেওয়ার প্রতিবাদে বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র বুধবার বরিশালে উত্তেজনাকর একটি দিন পার হলো।
একদিন আগের সেই ঘটনায় বুধবার বেলা ১০টার দিকে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান লিংকনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করলে বিচারকের কারাগারে প্রেরণ আদেশ উত্তেজনার পারদ আরও উর্ধ্বমুখী করে তোলে। বিশেষ করে বরিশাল আদালত চত্ত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা যায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের। কিন্তু তাদের কোনো লাভ হয়নি, বরং বারের সভাপতিকে শেষ পর্যন্ত কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষের একটি হট্টগোলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষের এই ধরনের বিশৃঙ্খল ভিডিও নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত থেকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া হয়। গত সোমবার একই আদালত থেকে একটি আলোচিত মামলায় জামিনে মুক্তি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের সাবেক এমপি তালুকদার মো. ইউনুস। শীর্ষস্থানীয় নেতা ইউনুস জামিনে মুক্তি প্রাপ্তির পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা।
এর প্রতিবাদে তারা মঙ্গলবার আদালত বর্জন করেন এবং বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোল শুরু করে দেন। মূলত সেই ঘটনায় আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। অবশ্য এই ভিডিওর সাথে নেতিবাচক শিরোনামজুড়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক থেকেও প্রচার করা হয়। এবং সেই ভিডিওর নিচে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের নেতিবাচক কমেন্টও লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এজলাস কক্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয় পুলিশসংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। বেলা ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে আইনজীবী কক্ষ থেকে আটক করে এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারে পাঠানোর খবর সংক্ষুব্ধ করে তোলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের। এই ঘটনায় বুধবার সকাল থেকেই তারা আদালত বর্জন করাসহ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ দাবি করেন। পাশাপাশি সভাপতির মুক্তির দাবিতে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তখন সাদিকুর রহমান লিংকন আদালত ভবনের নিতে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
নেতাকে মুক্ত করতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভে আদালত চত্ত্বরের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য সেখানে অবস্থান নেন। এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কাজ করেন।
বলা যায়, সেনা বাহিনী-পুলিশ এবং র্যাব আদালত কম্পাউন্ডে এক ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। কিন্তু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের কারণে সাদিকুর রহমানকে কিছুতেই আদালতের হাজতখানা থেকে বাহির করা যাচ্ছিল না।
ফলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও আদালতে এই ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করে এবং সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সবশেষ বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলী পদক্ষেপ রাখায় বিএনপি নেতাকে কারাগারে যাওয়া থেকে আর রক্ষা করা যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আদালতের একাধিক সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে, আদালতের এজলাসে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বুধবার দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা হয়।
অবশ্য এই মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ তাকে আদালত চত্ত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেয়, এমনকি কিছুক্ষণের মধ্যে আদালতেও তোলে।
পরে তাকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে বিকেলে তার জামিন আবেদন করে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং আগামী ২ মার্চ এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ ধার্য রাখেন। আদালত থেকে সবশেষ এই সিদ্ধান্ত আসার পরে সেনাবাহিনী- পুলিশ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মুখ কর্ডন করে আসামী বহনকারী প্রিজনভ্যানে করে সাদিকুর রহমান লিংকনকে কারাগারের অভিমুখে নিয়ে যায়।
সভাপতিকে কারাগারে পাঠানোর এই ঘটনায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বৃহস্পতিবারও আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। এবং সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা সাংবাদিকদের দিয়ে রেখেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লিংকনসহ নামধারী ১২জনকে অভিযুক্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এই মামলায় আরও চারজন অজ্ঞাত আসামি আছেন। বুধবার সভাপতিকে আটকের পরে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে বিচারক কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন। বিকেলে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে তার মুক্তির দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। এই গোটা ঘটনায় আদালত প্রশাসন কোনো রূপ মন্তব্য না করলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দাবি, বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক শরীয়তউল্লাহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দিয়ে তার প্রমাণ দিয়েছেন।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল ৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিনপ্রাপ্ত অন্য দুজন হচ্ছেন, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এবং বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান।
আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিনের ধারাবাহিকতা বহাল থাকা এবং তাদের নেতাকে মামলায় কারাগারে পাঠানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী এইচএম আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, বিচারক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বরিশাল আদালতে একটি কালো অধ্যয় তৈরি তৈরি করলেন, যা খুব খারাপ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা কি রাখবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.