
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৬
ঝালকাঠি জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক শত মানুষ ভিড় করলেও মিলছে না সরকারি খরচে ভ্যাকসিন সেবা।
দোকান থেকে কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দরিদ্র মানুষ। কর্তৃপক্ষ বলছে, জাতীয় ভাবেই সরবরাহ কম থাকায় তৈরি হয়েছে এমন অবস্থা। তবে জরুরি ও দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতালের স্টক থেকে সাধ্যমত সেবা দেয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পোষা কুকুর বা বিড়ালের কামড় কিংবা আঁচড় নিয়ে প্রতিদিনই ঝালকাঠি জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা গুলোতে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। গত এক মাস ধরে এমন অবস্থা বেড়েই চলছে। দু’মাস আগে জেলা শহরের এক যুবক বিড়ালের আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্কে মারা যান।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানায়, প্রতিদিন শিশু বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ হাসপাতালে ভিড় করছেন। বেশিরভাগই আক্রান্ত হয়েছেন নিজেদের পোষা বিড়ালের দ্বারা। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষা করেও মিলছে না ভ্যাকসিন।
সরবরাহ কম থাকায় বাইরে থেকে রোগী কিংবা স্বজনকে ভ্যাকসিন কিনতে পাঠাতে হচ্ছে বলে হাসপাতালে নিয়োজিত সেবিকাদের দাবী। কিন্তু ফার্মেসি থেকে ৫শ থেকে ৬শ টাকায় ভ্যাকসিন কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তার ওপর ফার্মেসিগুলোতে মাঝেমধ্যে সরবরাহ কম থাকায় তৈরি হয় ভ্যাকসিনের তীব্র তীব্র সংকট।
এ অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্তন্যপায়ী প্রাণীদের পোষার ব্যাপারে সবাইকে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে। অপরদিকে জাতীয় ভাবেই ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে জানিয়ে জরুরি ও দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতালের স্বল্প স্টক থেকে সাধ্যমত সেবা দেয়া হচ্ছে বলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়।
সদর হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. আবুয়াল হাসান বলেন, ঝালকাঠি জেলা সদর ও অন্য তিনটি উপজেলা নিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২’শত মানুষ হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসছেন। জাতীয়ভাবেই আমাদের মজুদ কম আছে। তবুও আমাদের সদর হাসপাতালে যে পরিমাণে মজুদ আছে তা দিয়ে অতিদরিদ্র, যাদের দোকান থেকে ভ্যাকসিন ক্রয় করার সক্ষমতা নেই তাদেরকে দেয়া হয়।
ঝালকাঠি জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক শত মানুষ ভিড় করলেও মিলছে না সরকারি খরচে ভ্যাকসিন সেবা।
দোকান থেকে কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দরিদ্র মানুষ। কর্তৃপক্ষ বলছে, জাতীয় ভাবেই সরবরাহ কম থাকায় তৈরি হয়েছে এমন অবস্থা। তবে জরুরি ও দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতালের স্টক থেকে সাধ্যমত সেবা দেয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পোষা কুকুর বা বিড়ালের কামড় কিংবা আঁচড় নিয়ে প্রতিদিনই ঝালকাঠি জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা গুলোতে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষের। গত এক মাস ধরে এমন অবস্থা বেড়েই চলছে। দু’মাস আগে জেলা শহরের এক যুবক বিড়ালের আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্কে মারা যান।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানায়, প্রতিদিন শিশু বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ হাসপাতালে ভিড় করছেন। বেশিরভাগই আক্রান্ত হয়েছেন নিজেদের পোষা বিড়ালের দ্বারা। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষা করেও মিলছে না ভ্যাকসিন।
সরবরাহ কম থাকায় বাইরে থেকে রোগী কিংবা স্বজনকে ভ্যাকসিন কিনতে পাঠাতে হচ্ছে বলে হাসপাতালে নিয়োজিত সেবিকাদের দাবী। কিন্তু ফার্মেসি থেকে ৫শ থেকে ৬শ টাকায় ভ্যাকসিন কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তার ওপর ফার্মেসিগুলোতে মাঝেমধ্যে সরবরাহ কম থাকায় তৈরি হয় ভ্যাকসিনের তীব্র তীব্র সংকট।
এ অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্তন্যপায়ী প্রাণীদের পোষার ব্যাপারে সবাইকে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে। অপরদিকে জাতীয় ভাবেই ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে জানিয়ে জরুরি ও দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতালের স্বল্প স্টক থেকে সাধ্যমত সেবা দেয়া হচ্ছে বলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়।
সদর হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. আবুয়াল হাসান বলেন, ঝালকাঠি জেলা সদর ও অন্য তিনটি উপজেলা নিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২’শত মানুষ হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসছেন। জাতীয়ভাবেই আমাদের মজুদ কম আছে। তবুও আমাদের সদর হাসপাতালে যে পরিমাণে মজুদ আছে তা দিয়ে অতিদরিদ্র, যাদের দোকান থেকে ভ্যাকসিন ক্রয় করার সক্ষমতা নেই তাদেরকে দেয়া হয়।

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৮
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৭
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৮
২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:৪৫