
১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৯
রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণ করতে বারণ, চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতি বিমুখ রাখতে নড়েচড়ে বসেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) প্রশাসন। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো এমনকি বিশেষ কোনো নেতার সাথে ক্যামেরাবন্দি ছবি সমাজপাতায় প্রকাশ-প্রচারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বারণ করা হয়েছে। এবং এনিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করে বিসিসি প্রশাসন অফিস আদেশও জারি করেছে। বিসিসি প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে রাজনীতিবিদেরা স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখলেও অভিজ্ঞ মহলের পাশাপাশি সমাজকর্মীরা বিষয়টিকে ইতিবাচক এবং সমপোযোগী বলছেন।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের গত ১৬ বছরের শাসনামলে সরকারি দপ্তরসমূহে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ লক্ষ্যণীয় ছিল। চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে অধিকাংশ দপ্তরের ‘টপ টু বটম’ কর্মকর্তা-কর্মচারী দলবাজ হয়ে পড়েছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে প্রত্যাশা ছিল অন্তত সরকারি দপ্তরসমূহ দলবাজমুক্ত হবে। কিন্তু মোটেও তা হয়নি, বরং আগের ন্যায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করছেন। এমনকি দলীয় পদ-পদবি বহন করাসহ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে কর্মে ফাঁকি দিয়ে সেবাগ্রহিতাদের বিড়াম্বনায় ফেলছেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই প্রবনতা বেশিমাত্রায় দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা যায়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানিয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের লেজুড়বৃত্তি করে শহরের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, ব্যানার সাটানোসহ দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীর মধ্যে সমালোচনা হয়। এবং কেউ কেউ রাজনৈতিক নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে ছবি তুলে তা ব্যক্তিগত ফেসবুকেও পোস্ট করেন, যা চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘনের সামিল। এই বিষয়টি নজরে আসার পরে প্রশাসক রায়হান কাওসার ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।
সূত্র নিশ্চিত করেছে, গত ৯ নভেম্বর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে কর্মকর্তা-কর্মচারীকে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, ‘সিটি করপোরেশনের কিছু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশে অংশগ্রহণ করছেন, যা চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থী অপরাধ। এ অবস্থায় সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ, মিছিলে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।
জনস্বার্থে বিসিসি প্রশাসনের এই নড়েচড়ে বসায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বিষয়টির বিরোধীতা করছে। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, অফিস শেষে বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিলে বিসিসি বাধা দিতে পারে না। এটা যে কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, এভাবে রাজনীতিতে বাধা দেওয়া ঠিক না।
বাসদের জেলা সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তীও বিষয়টি নিয়ে বিএনপি নেতার মত অনুরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এবং রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে। অফিস সময়ের বাইরে রাজনীতি করার স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করা ঠিক হবে না।
তবে বরিশাল সিটি কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি নুর খান বলছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে সকলে আইনে মানতে বাধ্য। কিন্তু অনেকে কর্মস্থল ফাঁকি দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়াসহ দলীয় নেতাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করে সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে প্রভাব বিস্তার করছেন। বিষয়টি নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে নেতিবাচক আলোচনা হয় এবং তা বিসিসি প্রশাসনের কানেও এসেছে। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের ছবিসংবলিত ব্যানার পোস্টার সাটানোর বিষয়টি খোদ প্রশাসক রায়হান কাওসারের নজরে আসলে তিনি বিব্রতবোধ করেন।
বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, চাকরি আইনে অনেক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিসিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতিতে জড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আইন লঙ্ঘন করে অনেকে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তির ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন, বিষয়টি নজরে আসার পরে গত ৯ নভেম্বর আদেশ জারি করে এগুলো করতে বারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কেউ এমন চাকরিপরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল সিটির প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওসার ইতিমধ্যে সরকারি প্রতিটি দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাকে তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে রাজনীতিতে জড়াতে বারণ করেছেন। এরপরেও যদি কেউ এই ধরনের কর্মকান্ডে জড়িয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সমালোচিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন তিনি। সেক্ষেত্রে দলবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি হারানোর ঝুঁকিও থাকছে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীলমহল। এনিয়ে শহরের কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা সমাজকর্মী কাজী এনায়েত হোসেন শিবলুর অভিব্যক্তি হচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি গ্রুপ আওয়ামী লীগের শাসনামলে রাজনীতিতে জড়িয়ে খেসারত হিসেবে অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, আবার অনেকের মাথায় শাস্তির খড়গ ঝুলছে। কিন্তু এরপরেও তারা দলবাজি ছাড়তে চাইছেন না, যা জনসাধারণের জন্য অস্বস্তিকর। তবে এবার বরিশাল সিটির প্রশাসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতি থেকে বিরত রাখতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা আসলেই প্রশংসার দাবি রাখে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবায়ন হয়, সেটা এখন দেখতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’
রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণ করতে বারণ, চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতি বিমুখ রাখতে নড়েচড়ে বসেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) প্রশাসন। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো এমনকি বিশেষ কোনো নেতার সাথে ক্যামেরাবন্দি ছবি সমাজপাতায় প্রকাশ-প্রচারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বারণ করা হয়েছে। এবং এনিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করে বিসিসি প্রশাসন অফিস আদেশও জারি করেছে। বিসিসি প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে রাজনীতিবিদেরা স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখলেও অভিজ্ঞ মহলের পাশাপাশি সমাজকর্মীরা বিষয়টিকে ইতিবাচক এবং সমপোযোগী বলছেন।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের গত ১৬ বছরের শাসনামলে সরকারি দপ্তরসমূহে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ লক্ষ্যণীয় ছিল। চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে অধিকাংশ দপ্তরের ‘টপ টু বটম’ কর্মকর্তা-কর্মচারী দলবাজ হয়ে পড়েছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে প্রত্যাশা ছিল অন্তত সরকারি দপ্তরসমূহ দলবাজমুক্ত হবে। কিন্তু মোটেও তা হয়নি, বরং আগের ন্যায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করছেন। এমনকি দলীয় পদ-পদবি বহন করাসহ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে কর্মে ফাঁকি দিয়ে সেবাগ্রহিতাদের বিড়াম্বনায় ফেলছেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই প্রবনতা বেশিমাত্রায় দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা যায়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানিয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের লেজুড়বৃত্তি করে শহরের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, ব্যানার সাটানোসহ দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীর মধ্যে সমালোচনা হয়। এবং কেউ কেউ রাজনৈতিক নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে ছবি তুলে তা ব্যক্তিগত ফেসবুকেও পোস্ট করেন, যা চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘনের সামিল। এই বিষয়টি নজরে আসার পরে প্রশাসক রায়হান কাওসার ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।
সূত্র নিশ্চিত করেছে, গত ৯ নভেম্বর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে কর্মকর্তা-কর্মচারীকে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, ‘সিটি করপোরেশনের কিছু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশে অংশগ্রহণ করছেন, যা চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থী অপরাধ। এ অবস্থায় সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ, মিছিলে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।
জনস্বার্থে বিসিসি প্রশাসনের এই নড়েচড়ে বসায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বিষয়টির বিরোধীতা করছে। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, অফিস শেষে বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিলে বিসিসি বাধা দিতে পারে না। এটা যে কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, এভাবে রাজনীতিতে বাধা দেওয়া ঠিক না।
বাসদের জেলা সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তীও বিষয়টি নিয়ে বিএনপি নেতার মত অনুরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এবং রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে। অফিস সময়ের বাইরে রাজনীতি করার স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করা ঠিক হবে না।
তবে বরিশাল সিটি কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি নুর খান বলছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে সকলে আইনে মানতে বাধ্য। কিন্তু অনেকে কর্মস্থল ফাঁকি দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়াসহ দলীয় নেতাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করে সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে প্রভাব বিস্তার করছেন। বিষয়টি নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে নেতিবাচক আলোচনা হয় এবং তা বিসিসি প্রশাসনের কানেও এসেছে। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের ছবিসংবলিত ব্যানার পোস্টার সাটানোর বিষয়টি খোদ প্রশাসক রায়হান কাওসারের নজরে আসলে তিনি বিব্রতবোধ করেন।
বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, চাকরি আইনে অনেক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিসিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতিতে জড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আইন লঙ্ঘন করে অনেকে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তির ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন, বিষয়টি নজরে আসার পরে গত ৯ নভেম্বর আদেশ জারি করে এগুলো করতে বারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কেউ এমন চাকরিপরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল সিটির প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওসার ইতিমধ্যে সরকারি প্রতিটি দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাকে তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে রাজনীতিতে জড়াতে বারণ করেছেন। এরপরেও যদি কেউ এই ধরনের কর্মকান্ডে জড়িয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সমালোচিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন তিনি। সেক্ষেত্রে দলবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি হারানোর ঝুঁকিও থাকছে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীলমহল। এনিয়ে শহরের কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা সমাজকর্মী কাজী এনায়েত হোসেন শিবলুর অভিব্যক্তি হচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি গ্রুপ আওয়ামী লীগের শাসনামলে রাজনীতিতে জড়িয়ে খেসারত হিসেবে অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, আবার অনেকের মাথায় শাস্তির খড়গ ঝুলছে। কিন্তু এরপরেও তারা দলবাজি ছাড়তে চাইছেন না, যা জনসাধারণের জন্য অস্বস্তিকর। তবে এবার বরিশাল সিটির প্রশাসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতি থেকে বিরত রাখতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা আসলেই প্রশংসার দাবি রাখে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবায়ন হয়, সেটা এখন দেখতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১