Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৫১
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ছাত্রসংসদ নির্বাচন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর)বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশ করেছে। খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশিত হবার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত খসড়া গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ টি এবং প্রত্যেকটি হল সংসদে ১৫টি করে পদ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ববিতে হল রয়েছে চারটি। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, হল সংসদে ১৫টি পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে হল প্রভোস্ট পদাধিকার বলে সভাপতি হবেন।
খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। তবে দ্বিতীয় বা তার অধিক স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
এছাড়া, সান্ধ্যকালীন, নির্বাহী, বিশেষ মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি, ডিপ্লোমা বা ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
এদিকে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের খবরে বর্তমানে ববিতে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অসংখ্য শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এসব ছাত্র সংগঠনের মধ্যে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভোট বাগাতে কৌশলে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে। এরমধ্যে পাঠচক্র, ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটগ্রহণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ দাবি আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্যদিয়ে নিজ দলের পরিচিতি বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
জমজমাট হয়ে উঠছে ববির ক্যাফেটেরিয়াসহ চায়ের দোকান থেকে পড়ার টেবিল। ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফেসবুক আইডিসহ ববি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে চলছে আলোচনা।
ছাত্রসংসদ নির্বাচনের প্যানেল দেওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ববির ছাত্রদল নেতা মো.মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ছাত্রদল সব সময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে চলেছি।আমাদের কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেওয়াসহ নিজেরা আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিত মুখ দিয়েই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার সাথে সংগতি রেখে বিগত দিনে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যারা সক্রিয় ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও যারা শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে যারা লড়াই করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।এমন একদল কমিটেড মানুষ নিয়ে আমরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাসিবুল হোসেন বলেন, আমরা প্যানেল নিয়ে নির্বাচনে যাবো।আমাদের প্যানেলে সংগঠন বা সংগঠনের বাহিরের যারা শিক্ষার্থীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ তাদেরকেও যুক্ত করব। শুধু নিজেদের সংগঠনের নয়। এমনকি নারী শিক্ষার্থীরাও আমাদের প্যানেলে থেকে নির্বাচন করতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আমিনুল ইসলামের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোকাব্বেল শেখ বলেন, ইনক্লুসিভ প্যানেল হবে।যেখানে সবাই থাকবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ছাত্রসংসদ নির্বাচন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর)বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশ করেছে। খসড়া গঠনতন্ত্র প্রকাশিত হবার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত খসড়া গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫ টি এবং প্রত্যেকটি হল সংসদে ১৫টি করে পদ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ববিতে হল রয়েছে চারটি। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদাধিকার বলে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, হল সংসদে ১৫টি পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে হল প্রভোস্ট পদাধিকার বলে সভাপতি হবেন।
খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। তবে দ্বিতীয় বা তার অধিক স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
এছাড়া, সান্ধ্যকালীন, নির্বাহী, বিশেষ মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি, ডিপ্লোমা বা ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
এদিকে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের খবরে বর্তমানে ববিতে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অসংখ্য শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এসব ছাত্র সংগঠনের মধ্যে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভোট বাগাতে কৌশলে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে। এরমধ্যে পাঠচক্র, ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটগ্রহণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ দাবি আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্যদিয়ে নিজ দলের পরিচিতি বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
জমজমাট হয়ে উঠছে ববির ক্যাফেটেরিয়াসহ চায়ের দোকান থেকে পড়ার টেবিল। ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফেসবুক আইডিসহ ববি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে চলছে আলোচনা।
ছাত্রসংসদ নির্বাচনের প্যানেল দেওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ববির ছাত্রদল নেতা মো.মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ছাত্রদল সব সময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে চলেছি।আমাদের কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেওয়াসহ নিজেরা আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিত মুখ দিয়েই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার সাথে সংগতি রেখে বিগত দিনে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যারা সক্রিয় ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও যারা শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে যারা লড়াই করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।এমন একদল কমিটেড মানুষ নিয়ে আমরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি হাসিবুল হোসেন বলেন, আমরা প্যানেল নিয়ে নির্বাচনে যাবো।আমাদের প্যানেলে সংগঠন বা সংগঠনের বাহিরের যারা শিক্ষার্থীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ তাদেরকেও যুক্ত করব। শুধু নিজেদের সংগঠনের নয়। এমনকি নারী শিক্ষার্থীরাও আমাদের প্যানেলে থেকে নির্বাচন করতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আমিনুল ইসলামের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোকাব্বেল শেখ বলেন, ইনক্লুসিভ প্যানেল হবে।যেখানে সবাই থাকবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৮
পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে বাগবিতন্ডার জেরধরে বরিশাল নগরীতে আব্দুল বারেক হাজী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর পোর্ট রোডের পিয়াজপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল বারেক হাজী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী দাঁড়িয়াল এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
আটকৃতরা হলেন, শুভ, কাওছার হোসেন, সুইটি বেগম ও মাকসুদা বেগম। শুভ, কাওছার ও সুইটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া ইলিয়াছ হোসেনের সন্তান। মাকসুদা ইলিয়াছের স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ইলিয়াছ পলাতক রয়েছে। তারা সবাই পোর্ট রোড পিয়াজপট্টি এলাকার মুসলিম হাওলাদারের বাসার ভাড়াটিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে দুই ভাড়াটিয়া পরিবারের নারীদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতন্ডা হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক হাজীর ওপর হামলা চালানো হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে বাগবিতন্ডার জেরধরে বরিশাল নগরীতে আব্দুল বারেক হাজী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর পোর্ট রোডের পিয়াজপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল বারেক হাজী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী দাঁড়িয়াল এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
আটকৃতরা হলেন, শুভ, কাওছার হোসেন, সুইটি বেগম ও মাকসুদা বেগম। শুভ, কাওছার ও সুইটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া ইলিয়াছ হোসেনের সন্তান। মাকসুদা ইলিয়াছের স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ইলিয়াছ পলাতক রয়েছে। তারা সবাই পোর্ট রোড পিয়াজপট্টি এলাকার মুসলিম হাওলাদারের বাসার ভাড়াটিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে দুই ভাড়াটিয়া পরিবারের নারীদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতন্ডা হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক হাজীর ওপর হামলা চালানো হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩