
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৫
নানামুখি সংকট আর সীমাবদ্ধতার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব সহ উদাসীনতায় বরিশালে সংক্রামক রোগের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধীর বিস্তার অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি তৈরী করলেও তা থেকে উত্তরণের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। সদ্য সমাপ্ত বছরে বরিশাল বিভাগের শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও ভর্তিকৃত প্রায় ২২ হাজার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয় বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এসময়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এরমধ্যে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই সরকারি হাসপাতালে সাড়ে ৮ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয় বলে জানাগেছে। সরকারি হাসপাতালে এখনো এধরনের রোগীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগের জেলা সদর সহ ৪২টি উপজেলায় ১২ শতাধিক চিকিৎসক পদের বিপরিতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৭০ জনের মত। যা অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মীর মঞ্জুরী এখনো আগের অবস্থানেই আছে। উপরন্তু কয়েকটি জেলা সদরের হাসপাতালগুলোকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক সহ অন্যসব জনবল পূর্বের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু পূর্বের জনবলেরও দুই-তৃতীয়াংশ চিকিৎসক নেই। খোদ বরিশাল বিভাগীয় সদরের জেনারেল হাসপাতালটি কাগজেপত্রে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেখানে চিকিৎসক ও নার্স সহ জনবল মঞ্জুরী এখনো ৫০ শয্যার। এক-তৃতীয়াংশ পদে চিকিৎসক নেই।
পুরনো জনবল দিয়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বাড়তি রোগী ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পদতো বাড়েইনি, উল্টো আগের জনবলের দুই-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য থাকায় পুরো বরিশাল অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে।
এরসাথে প্রতিবছরই ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে চিকিৎসক সংকট, অপরদিকে জনসচেতনতার অভাব সহ স্বাস্থ্য বিধি প্রয়োগে প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব রোগব্যাধী চরম সংকট তৈরী করছে। গত বছরজুড়েই বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগীর ভীড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরী পরিস্থিতির তৈরী করে। এর সাথে সেখানে হাজার হাজার ডায়রিয়া রোগী পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তোলে। শীত মৌসুম শুরুর সাথেই নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর ভীড় শুরু হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলাতে। ফলে এ অঞ্চলের কোন হাসপাতালের মেঝেতেও এখন রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না।
বছরজুড়ে এডিস মশা পুরো বরিশালে দাপিয়ে বেড়ালেও এ অঞ্চলে মশক নিধনে কোন নিবিড় কর্মসূচী গ্রহণ করেনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো । এমনকি গত বছরজুড়ে বরিশালের গ্রাম-গঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও ছিলো অনেক। শুধু সরকারি হাসপাতালেই ২২ হাজার ভর্তিকৃত রোগীর ৫১ জনের মৃত্যু হয়। তবে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো কয়েকগুন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
গতবছর বরিশালে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এ অঞ্চলে এখনো ডায়রিয়া প্রতিরোধে তেমন কোন কর্মকান্ড দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। মূলত পথ খাবারের দোকান আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পুরো বরিশাল অঞ্চলে ডায়রিয়া সহ পেটের পীড়ার বিস্তৃতিকে আরো তড়ান্বিত করলেও তা থেকে উত্তরণের কোন উদ্যোগ নেই। পথ খাবারের দোকান বরিশাল মহানগরী সহ এ অঞ্চলের সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও সেখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে সিটি করপোরেশন সহ পৌরসভাগুলো এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ নেই।
অপরদিকে, গতবছরের শুরু থেকে মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত পুরো বরিশাল অঞ্চলজুড়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের সাথে ডায়রিয়ার বিস্তৃতি ছিল ব্যাপক। আবার শীত মৌসুম শুরুর সাথে নভেম্বর থেকেই এসব রোগ পুনরায় জেকে বসে। শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে। এসব বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যমল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন-চিকিৎসকদের পদ শূন্য থাকার মধ্যেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি হাসপাতাল থেকে যেন কেউ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের বিষয়ে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন-জনসচেতনতা এসব সংক্রমক ও অসংক্রমক রোগ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি সমাজকেও রক্ষা করতে সক্ষম।
নানামুখি সংকট আর সীমাবদ্ধতার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব সহ উদাসীনতায় বরিশালে সংক্রামক রোগের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমশ মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল পর্যায়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই। ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধীর বিস্তার অনেকটাই খারাপ পরিস্থিতি তৈরী করলেও তা থেকে উত্তরণের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। সদ্য সমাপ্ত বছরে বরিশাল বিভাগের শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতেই প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও ভর্তিকৃত প্রায় ২২ হাজার ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয় বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এসময়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধীতে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এরমধ্যে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই সরকারি হাসপাতালে সাড়ে ৮ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয় বলে জানাগেছে। সরকারি হাসপাতালে এখনো এধরনের রোগীর উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।
কিন্তু চিকিৎসকের অভাবে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালেই মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান কষ্টকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে বরিশাল বিভাগের জেলা সদর সহ ৪২টি উপজেলায় ১২ শতাধিক চিকিৎসক পদের বিপরিতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৭০ জনের মত। যা অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।
বরিশাল অঞ্চলের প্রায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৩১শয্যা থেকে ৫০শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও নার্স সহ স্বাস্থ্যকর্মীর মঞ্জুরী এখনো আগের অবস্থানেই আছে। উপরন্তু কয়েকটি জেলা সদরের হাসপাতালগুলোকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক সহ অন্যসব জনবল পূর্বের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু পূর্বের জনবলেরও দুই-তৃতীয়াংশ চিকিৎসক নেই। খোদ বরিশাল বিভাগীয় সদরের জেনারেল হাসপাতালটি কাগজেপত্রে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও সেখানে চিকিৎসক ও নার্স সহ জনবল মঞ্জুরী এখনো ৫০ শয্যার। এক-তৃতীয়াংশ পদে চিকিৎসক নেই।
পুরনো জনবল দিয়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বাড়তি রোগী ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের পদতো বাড়েইনি, উল্টো আগের জনবলের দুই-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য থাকায় পুরো বরিশাল অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের কবলে।
এরসাথে প্রতিবছরই ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে চিকিৎসক সংকট, অপরদিকে জনসচেতনতার অভাব সহ স্বাস্থ্য বিধি প্রয়োগে প্রশাসনিক উদাসীনতায় এসব রোগব্যাধী চরম সংকট তৈরী করছে। গত বছরজুড়েই বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গু রোগীর ভীড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরী পরিস্থিতির তৈরী করে। এর সাথে সেখানে হাজার হাজার ডায়রিয়া রোগী পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তোলে। শীত মৌসুম শুরুর সাথেই নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগীর ভীড় শুরু হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলাতে। ফলে এ অঞ্চলের কোন হাসপাতালের মেঝেতেও এখন রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না।
বছরজুড়ে এডিস মশা পুরো বরিশালে দাপিয়ে বেড়ালেও এ অঞ্চলে মশক নিধনে কোন নিবিড় কর্মসূচী গ্রহণ করেনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো । এমনকি গত বছরজুড়ে বরিশালের গ্রাম-গঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও ছিলো অনেক। শুধু সরকারি হাসপাতালেই ২২ হাজার ভর্তিকৃত রোগীর ৫১ জনের মৃত্যু হয়। তবে প্রকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরো কয়েকগুন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
গতবছর বরিশালে সাম্প্রতিককালের সর্বোচ্চ প্রায় ৮৮ হাজার ডায়রিয়া রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এ অঞ্চলে এখনো ডায়রিয়া প্রতিরোধে তেমন কোন কর্মকান্ড দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। মূলত পথ খাবারের দোকান আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পুরো বরিশাল অঞ্চলে ডায়রিয়া সহ পেটের পীড়ার বিস্তৃতিকে আরো তড়ান্বিত করলেও তা থেকে উত্তরণের কোন উদ্যোগ নেই। পথ খাবারের দোকান বরিশাল মহানগরী সহ এ অঞ্চলের সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও সেখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। এমনকি স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগে সিটি করপোরেশন সহ পৌরসভাগুলো এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ নেই।
অপরদিকে, গতবছরের শুরু থেকে মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত পুরো বরিশাল অঞ্চলজুড়ে নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের সাথে ডায়রিয়ার বিস্তৃতি ছিল ব্যাপক। আবার শীত মৌসুম শুরুর সাথে নভেম্বর থেকেই এসব রোগ পুনরায় জেকে বসে। শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০ হাজার নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগী ভর্তি হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে। এসব বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যমল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন-চিকিৎসকদের পদ শূন্য থাকার মধ্যেও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি হাসপাতাল থেকে যেন কেউ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ও নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের বিষয়ে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন-জনসচেতনতা এসব সংক্রমক ও অসংক্রমক রোগ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ের পাশাপাশি সমাজকেও রক্ষা করতে সক্ষম।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও কোরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ গঠন করব যেখানে সকলে তার অধিকার পাবে। জনগণের এক টাকাও চুরি হবে না। যারা চাঁদাবাজ এবং শরিয়াহ আইন চায় না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদর রোড এলাকায় হাতপাখার সমর্থনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জ আসনে হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
ভোটারদের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আমাকে বিজয় করে ১৩ তারিখ থেকে দরজা খোলা রেখে শান্তিতে ঘুমাবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় কোনো মিথ্যা মামলা থাকবে না, কোউ জুলুমের শিকার হবে না ইনশাআল্লাহ।
পথসভা শেষে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও কোরআন সুন্নাহভিত্তিক সমাজ গঠন করব যেখানে সকলে তার অধিকার পাবে। জনগণের এক টাকাও চুরি হবে না। যারা চাঁদাবাজ এবং শরিয়াহ আইন চায় না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদর রোড এলাকায় হাতপাখার সমর্থনে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুফতি ফয়জুল করীম বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জ আসনে হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
ভোটারদের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আমাকে বিজয় করে ১৩ তারিখ থেকে দরজা খোলা রেখে শান্তিতে ঘুমাবেন। আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় কোনো মিথ্যা মামলা থাকবে না, কোউ জুলুমের শিকার হবে না ইনশাআল্লাহ।
পথসভা শেষে পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম আল আমিন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন রোকন ডাকুয়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন মুফতি ফয়জুল করীম। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছেন সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬২ ইবি ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর ফয়সল হকের নেতৃত্বে পরিত্যক্ত দোকান ও বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বকশিচর গ্রামের মৃত রহিম হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (কালা) (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা আক্তার (৩০) এবং একাই এলাকার মাদক সেবনকারী মোঃ হোসেন ঢালী (৩৩)। সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাঁদের বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুই ঘণ্টার অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রাম দা, দুইটি দা, দুইটি চা পাতি, তিনটি চাকু/ছুরি, একটি হ্যামার, একটি সিজার, একটি প্লাস, পাঁচটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার সেনা সদস্যরা তিনজনকে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
বরিশালের বাবুগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছেন সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বকশিচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬২ ইবি ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর ফয়সল হকের নেতৃত্বে পরিত্যক্ত দোকান ও বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন- বকশিচর গ্রামের মৃত রহিম হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (কালা) (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা আক্তার (৩০) এবং একাই এলাকার মাদক সেবনকারী মোঃ হোসেন ঢালী (৩৩)। সেনাবাহিনীর বাবুগঞ্জ অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাঁদের বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুই ঘণ্টার অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি রাম দা, দুইটি দা, দুইটি চা পাতি, তিনটি চাকু/ছুরি, একটি হ্যামার, একটি সিজার, একটি প্লাস, পাঁচটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার সেনা সদস্যরা তিনজনকে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক কনসার্টে বুথ বসিয়ে সিগারেট বিক্রি ও ফ্রি লাইটার বিতরণের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কনসার্টস্থলের পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে ‘স্মোক জোন’ তৈরি করে পাশাপাশি বসিয়ে সিগারেটের সঙ্গে বিনা মূল্যে লাইটার বিতরণ করা হয়েছে।
কনসার্টটির আয়োজক ছিল তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী ‘রিয়াল ডায়মন্ড’ নামের একটি সিগারেট কম্পানি। আয়োজক পক্ষের ব্যানারে বসানো বুথে সিগারেট কিনলে লাইটার ফ্রি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কনসার্টস্থলে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও প্রচারের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এটি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনের ধারা ৫(খ) অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনামূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। একই আইনের ধারা ৫(গ)-তে বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোনো দান, পুরস্কার, বৃত্তি প্রদান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করা সাংস্কৃতিক সংগঠক শুভংকর চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির সঙ্গে এমন স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কম্পানিকে স্পন্সর হিসেবে গ্রহণ করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম নিজে বুথে গিয়ে সিগারেট বিক্রির অনুমতির বিষয়ে জানতে চান। সেখানে থাকা দুই নারী বিক্রয় প্রতিনিধিকে বলতে শোনা যায়, প্রক্টরের অনুমতিতেই তারা বুথ স্থাপন করেছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বুথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘স্পন্সর হিসেবে কাদের রাখা হয়েছে, সে বিষয়টি ওরিয়েন্টেশন কমিটি জানে। তবে ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তৎপর থাকবে।’
ওরিয়েন্টেশন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সানজিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আয়োজনটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক কনসার্টে বুথ বসিয়ে সিগারেট বিক্রি ও ফ্রি লাইটার বিতরণের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কনসার্টস্থলের পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে ‘স্মোক জোন’ তৈরি করে পাশাপাশি বসিয়ে সিগারেটের সঙ্গে বিনা মূল্যে লাইটার বিতরণ করা হয়েছে।
কনসার্টটির আয়োজক ছিল তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী ‘রিয়াল ডায়মন্ড’ নামের একটি সিগারেট কম্পানি। আয়োজক পক্ষের ব্যানারে বসানো বুথে সিগারেট কিনলে লাইটার ফ্রি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কনসার্টস্থলে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও প্রচারের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এটি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনের ধারা ৫(খ) অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনামূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। একই আইনের ধারা ৫(গ)-তে বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোনো দান, পুরস্কার, বৃত্তি প্রদান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করা সাংস্কৃতিক সংগঠক শুভংকর চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির সঙ্গে এমন স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কম্পানিকে স্পন্সর হিসেবে গ্রহণ করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম নিজে বুথে গিয়ে সিগারেট বিক্রির অনুমতির বিষয়ে জানতে চান। সেখানে থাকা দুই নারী বিক্রয় প্রতিনিধিকে বলতে শোনা যায়, প্রক্টরের অনুমতিতেই তারা বুথ স্থাপন করেছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বুথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘স্পন্সর হিসেবে কাদের রাখা হয়েছে, সে বিষয়টি ওরিয়েন্টেশন কমিটি জানে। তবে ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তৎপর থাকবে।’
ওরিয়েন্টেশন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সানজিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আয়োজনটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮