বরিশালের বিতর্কিত ছাত্রদল নেতা সবুজ আকনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে হাইকমান্ড। স্ত্রীর বড় বোনোর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ তাকে বহিষ্কার করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে বরিশালের এই আলোচিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কোন যুক্তিতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না করলেও বলা হয়েছে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সবুজ আকনকে বহিষ্কার করা হয়। এনিয়ে বরিশাল ছাত্রদলের নেতাদের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও অনেকে বলছেন, সবুজের অপকর্মের ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। কেন্দ্রীয় সংসদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের প্রমাণ পেয়েই কার্যকর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সূত্র নিশ্চিত করে, বাবুগঞ্জের বাসিন্দা সবুজ আকন বিগত দিনে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক ভূমিকা রাখলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে তিনি অসংখ্য বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে সরকারি ভূমি দখল নেওয়াসহ চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
বাবুগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে তাদের দোসর আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসা-বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নেয় ছাত্রদল নেতা সবুজ আকন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ঘরনার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে। এছাড়াও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির চেয়ার দখল করেছেন, যা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এসব কর্মকান্ডে আলোচনা-সমালোচনা চলামান থাকার মধ্যেই এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীর বোনের ১৪ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত ২০ মে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা আত্মপক্ষ সমর্থনে একদিন বাদে অর্থাৎ ২১ মে বরিশাল প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগসমূহ অস্বীকার করেন এবং মামলাটি হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। তখন তিনি ধর্ষণ মামলার বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে সবুজ কোন অকাট্ট প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
ধর্ষণকান্ডে জড়িয়ে পড়ার খবরটি মোটা দাগে ফলাও করে প্রকাশ করে স্থানীয়সহ দেশের প্রথম শ্রেণির গণমাধ্যমগুলো, যা নিয়ে কদিন বরিশালে সরব আলোচনা-সমালোচনা শোনা যায়। তখনই ধারনা করা যায়, বিতর্কিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শাস্তির খড়গ আসছে। তাছাড়া শত্রুভাবাপন্ন জেলা ছাত্রদলের একটি অংশও চাচ্ছিলেন সবুজের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড যেনো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিছুটা বিলম্বে হলেও সবুজকে বহিষ্কারের খবরে সেই বিরোধী অংশটিকে রোববার আত্মতৃপ্তির ঢেকুর গিলতে দেখা গেছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রদলের একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, দলীয় প্রভাব বিস্তার করে সবুজ আকন নিজের গ্রাম বাবুগঞ্জে গত বছরের ৫ আগস্টের পরে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। এবং একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে নিজেকে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে গেছেন। সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় শীর্ষস্থানীয় নেতারা আর নিরব-নিশ্চুপ থাকতে পারলেন না।
সূত্রগুলো নিশ্চিত করে, ধর্ষণের অভিযোগসহ সবুজ আকনের সকল অপরাধের ফিরিস্তি ছাত্রদলের প্রতিপক্ষ অংশটি হাইকমান্ডের কাছে পৌঁছে দেয়। সেই অভিযোগ প্রাথমিক তদন্ত করতেই তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অপকর্মের প্রমাণ পায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ, যার প্রেক্ষিতে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অভিন্ন তথ্য দিয়ে ঢাকার একটি সূত্র জানায়, সবুজের বিরুদ্ধে উত্থ্যাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তদন্তের স্বার্থে তাকে আপাতত বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে বাকি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়াতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।
অবশ্য ইতিমধ্যেই এই নেতার সাথে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির রোববার তাদের বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন দেন।
তবে ধর্ষণ-চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সবুজ আকন। এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি বলছেন, কিছুদিন পরে জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা হবে, এনিয়ে দলীয় একটি অংশ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এছাড়া স্ত্রীর বোনের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। জমি সংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে রাজনৈতিকভাবে শায়েস্তা করতে এমন অভিযোগ এনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২৬ মে, ২০২৫ ০১:৪৬
বরিশালের বিতর্কিত ছাত্রদল নেতা সবুজ আকনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে হাইকমান্ড। স্ত্রীর বড় বোনোর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ তাকে বহিষ্কার করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে বরিশালের এই আলোচিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কোন যুক্তিতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না করলেও বলা হয়েছে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সবুজ আকনকে বহিষ্কার করা হয়। এনিয়ে বরিশাল ছাত্রদলের নেতাদের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও অনেকে বলছেন, সবুজের অপকর্মের ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। কেন্দ্রীয় সংসদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের প্রমাণ পেয়েই কার্যকর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সূত্র নিশ্চিত করে, বাবুগঞ্জের বাসিন্দা সবুজ আকন বিগত দিনে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক ভূমিকা রাখলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে তিনি অসংখ্য বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে সরকারি ভূমি দখল নেওয়াসহ চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
বাবুগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে তাদের দোসর আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসা-বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নেয় ছাত্রদল নেতা সবুজ আকন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ঘরনার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে। এছাড়াও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির চেয়ার দখল করেছেন, যা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এসব কর্মকান্ডে আলোচনা-সমালোচনা চলামান থাকার মধ্যেই এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীর বোনের ১৪ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত ২০ মে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা আত্মপক্ষ সমর্থনে একদিন বাদে অর্থাৎ ২১ মে বরিশাল প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগসমূহ অস্বীকার করেন এবং মামলাটি হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। তখন তিনি ধর্ষণ মামলার বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে সবুজ কোন অকাট্ট প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
ধর্ষণকান্ডে জড়িয়ে পড়ার খবরটি মোটা দাগে ফলাও করে প্রকাশ করে স্থানীয়সহ দেশের প্রথম শ্রেণির গণমাধ্যমগুলো, যা নিয়ে কদিন বরিশালে সরব আলোচনা-সমালোচনা শোনা যায়। তখনই ধারনা করা যায়, বিতর্কিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শাস্তির খড়গ আসছে। তাছাড়া শত্রুভাবাপন্ন জেলা ছাত্রদলের একটি অংশও চাচ্ছিলেন সবুজের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড যেনো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিছুটা বিলম্বে হলেও সবুজকে বহিষ্কারের খবরে সেই বিরোধী অংশটিকে রোববার আত্মতৃপ্তির ঢেকুর গিলতে দেখা গেছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রদলের একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, দলীয় প্রভাব বিস্তার করে সবুজ আকন নিজের গ্রাম বাবুগঞ্জে গত বছরের ৫ আগস্টের পরে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। এবং একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে নিজেকে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে গেছেন। সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় শীর্ষস্থানীয় নেতারা আর নিরব-নিশ্চুপ থাকতে পারলেন না।
সূত্রগুলো নিশ্চিত করে, ধর্ষণের অভিযোগসহ সবুজ আকনের সকল অপরাধের ফিরিস্তি ছাত্রদলের প্রতিপক্ষ অংশটি হাইকমান্ডের কাছে পৌঁছে দেয়। সেই অভিযোগ প্রাথমিক তদন্ত করতেই তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অপকর্মের প্রমাণ পায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ, যার প্রেক্ষিতে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অভিন্ন তথ্য দিয়ে ঢাকার একটি সূত্র জানায়, সবুজের বিরুদ্ধে উত্থ্যাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তদন্তের স্বার্থে তাকে আপাতত বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে বাকি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়াতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।
অবশ্য ইতিমধ্যেই এই নেতার সাথে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির রোববার তাদের বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন দেন।
তবে ধর্ষণ-চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সবুজ আকন। এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি বলছেন, কিছুদিন পরে জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা হবে, এনিয়ে দলীয় একটি অংশ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এছাড়া স্ত্রীর বোনের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। জমি সংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে রাজনৈতিকভাবে শায়েস্তা করতে এমন অভিযোগ এনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।’
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫