Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৩
বরিশালের মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলের জয়ন্তী নদীর অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন তাঁরা। জমির মালিকানা দাবি করে বাঁশ দিয়ে দখলকারীরা নদীতে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান হাওলাদার জানান, বন্দরের ব্যবসায়ীরা ঢাকা-বরিশাল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য নয়াভাঙনী ও জয়ন্তী নদী ব্যবহার করে থাকেন।
নদীতে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচলে কিছুটা ব্যাহত হলেও জোয়ার-ভাটা হিসাব করে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহন করেন। কয়েক দিন ধরে চরডিক্রী এলাকার হারুন হাওলাদার, রাজ্জাক সিকদার, মোবারক খান ও তাঁদের লোকজন কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী নদীতে বাঁশ দিয়ে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা ট্রলার নিয়ে জয়ন্তী নদীতে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সড়কপথে পরিবহন করতে হবে।
মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, মুলাদী বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ও কাঠবাজারের লোকজন ট্রলারে পণ্য পরিবহন করে থাকেন।
প্রভাবশালীরা নদী দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ দিয়ে পুরো নদী দখল করছেন। এ ছাড়া নদীর পশ্চিম পাশের অংশ দখল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিপন্ন হবে। তাই নদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
মুলাদী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি এফ এম মাইনুল ইসলাম বলেন, নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ তুলনামূলক কম। নদীতে নৌযান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়বেন। সরকারি জমি ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক সিকদার নদী দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে পাইলিং করে ভবন নির্মাণ করছি। এতে নদীতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই। এ ছাড়া জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলে চর জেগে ওঠায় বর্ষা মৌসুম ছাড়া নৌযান চলাচল করতে পারে না।’
মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা বলেন, সরকারি ও নদী দখলের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে নদী দখলের সত্যতা পাওয়া গেছে। সার্ভেয়ার দিয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজনে স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি ও নদী রক্ষা করা হবে।
মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলের জয়ন্তী নদীর অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন তাঁরা। জমির মালিকানা দাবি করে বাঁশ দিয়ে দখলকারীরা নদীতে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান হাওলাদার জানান, বন্দরের ব্যবসায়ীরা ঢাকা-বরিশাল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য নয়াভাঙনী ও জয়ন্তী নদী ব্যবহার করে থাকেন।
নদীতে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচলে কিছুটা ব্যাহত হলেও জোয়ার-ভাটা হিসাব করে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহন করেন। কয়েক দিন ধরে চরডিক্রী এলাকার হারুন হাওলাদার, রাজ্জাক সিকদার, মোবারক খান ও তাঁদের লোকজন কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী নদীতে বাঁশ দিয়ে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা ট্রলার নিয়ে জয়ন্তী নদীতে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সড়কপথে পরিবহন করতে হবে।
মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, মুলাদী বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ও কাঠবাজারের লোকজন ট্রলারে পণ্য পরিবহন করে থাকেন।
প্রভাবশালীরা নদী দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ দিয়ে পুরো নদী দখল করছেন। এ ছাড়া নদীর পশ্চিম পাশের অংশ দখল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিপন্ন হবে। তাই নদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
মুলাদী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি এফ এম মাইনুল ইসলাম বলেন, নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ তুলনামূলক কম। নদীতে নৌযান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়বেন। সরকারি জমি ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক সিকদার নদী দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে পাইলিং করে ভবন নির্মাণ করছি। এতে নদীতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই। এ ছাড়া জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলে চর জেগে ওঠায় বর্ষা মৌসুম ছাড়া নৌযান চলাচল করতে পারে না।’
মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা বলেন, সরকারি ও নদী দখলের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে নদী দখলের সত্যতা পাওয়া গেছে। সার্ভেয়ার দিয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজনে স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি ও নদী রক্ষা করা হবে।
মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস