১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৪
ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।
শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়ে তিনি তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে, আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় খুলে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্যের ঝড় ওঠে।
ভিডিওতে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, ‘সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা আবু দাউদ প্রধান যে কাজটি করেছেন, তা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের প্রতি এবং আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রাণের সংগঠন, চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে তিনি আজ তালামুক্ত করেছেন।’
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের নামে মিথ্যে মামলা হয়েছে। সেখান থেকে যেন আমাদের রক্ষা করা হয়, সেই অনুরোধ জানাচ্ছি আমার মামা আবু দাউদ প্রধানের কাছে।’
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আনিসুজ্জমান স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যদি কেউ ছিনিবিনির চেষ্টা করে, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই পরাজিত শক্তিকে আবারও নস্যাৎ করবো। দলমত নির্বিশেষে সবাই আমরা এলাকায় থাকতে চাই।’
বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমি জানলাম আওয়ামী লীগের অফিসে তালা দেওয়া আছে। আগে জানলে আগেই ব্যবস্থা নিতাম। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমাদের বিজয় হয়েছে।
স্বাধীনতার উভয়পক্ষের শক্তিগুলো এক হয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে। যার কারণে আমরা রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়েছি সারা বাংলাদেশে। আমি উভয় দলের নেতাকর্মীদের বলব—প্রত্যেক দলে কম-বেশি দুষ্ট প্রকৃতির লোক আছে। তাদের দল থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোনো অবস্থাতেই আমাদের এলাকার শৃঙ্খলা কেউ যেন ভঙ্গ করতে না পারে। আওয়ামী লীগের ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনারা কোনো প্রকার অন্যায় করবেন না। যদি কেউ অন্যায় করে, আমাকে জানাবেন। আমি কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, ‘এই অফিসটি জামায়াতের লোকেরা তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আজ আমরা আবু দাউদ প্রধানসহ এলাকায় অনেক মানুষ নিয়ে অফিসটি খুলেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা চলছে। এই অফিসটি আপাতত আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করব। আওয়ামী লীগের কোনো কার্যক্রম আপাতত এখানে হবে না।’
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘এটা আমার দলের সিদ্ধান্ত নয়। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ না করে শান্তিপূর্ণ রাখার জন্যই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়েছি। এর আগে জামায়াত এই অফিসটি তালাবদ্ধ করে রেখেছিল।’
ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।
শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়ে তিনি তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে, আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় খুলে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্যের ঝড় ওঠে।
ভিডিওতে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, ‘সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা আবু দাউদ প্রধান যে কাজটি করেছেন, তা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের প্রতি এবং আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রাণের সংগঠন, চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে তিনি আজ তালামুক্ত করেছেন।’
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের নামে মিথ্যে মামলা হয়েছে। সেখান থেকে যেন আমাদের রক্ষা করা হয়, সেই অনুরোধ জানাচ্ছি আমার মামা আবু দাউদ প্রধানের কাছে।’
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আনিসুজ্জমান স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যদি কেউ ছিনিবিনির চেষ্টা করে, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই পরাজিত শক্তিকে আবারও নস্যাৎ করবো। দলমত নির্বিশেষে সবাই আমরা এলাকায় থাকতে চাই।’
বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমি জানলাম আওয়ামী লীগের অফিসে তালা দেওয়া আছে। আগে জানলে আগেই ব্যবস্থা নিতাম। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমাদের বিজয় হয়েছে।
স্বাধীনতার উভয়পক্ষের শক্তিগুলো এক হয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে। যার কারণে আমরা রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়েছি সারা বাংলাদেশে। আমি উভয় দলের নেতাকর্মীদের বলব—প্রত্যেক দলে কম-বেশি দুষ্ট প্রকৃতির লোক আছে। তাদের দল থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোনো অবস্থাতেই আমাদের এলাকার শৃঙ্খলা কেউ যেন ভঙ্গ করতে না পারে। আওয়ামী লীগের ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনারা কোনো প্রকার অন্যায় করবেন না। যদি কেউ অন্যায় করে, আমাকে জানাবেন। আমি কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, ‘এই অফিসটি জামায়াতের লোকেরা তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আজ আমরা আবু দাউদ প্রধানসহ এলাকায় অনেক মানুষ নিয়ে অফিসটি খুলেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা চলছে। এই অফিসটি আপাতত আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করব। আওয়ামী লীগের কোনো কার্যক্রম আপাতত এখানে হবে না।’
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘এটা আমার দলের সিদ্ধান্ত নয়। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ না করে শান্তিপূর্ণ রাখার জন্যই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়েছি। এর আগে জামায়াত এই অফিসটি তালাবদ্ধ করে রেখেছিল।’

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৬ হাজার ভোটের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের ও অসংগতির অভিযোগ তুলে আইনি ভিত্তি পাওয়া গেলে ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটিক সিস্টেম এবং পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ডেমোক্র্যাসিতে নির্বাচনই হচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বৈধ পথ। এজন্য আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। এবারের নির্বাচনকেও আমরা সেভাবেই গ্রহণ করেছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বচ্ছ, অবাধ নির্বাচনের জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যদিও চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি, তবুও বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, দুই উপজেলার ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ভোট গণনার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের অফিসের ফলাফলের মধ্যে কিছু অসংগতি লক্ষ করেছেন নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানের কারণে আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। আইনি ভিত্তি পেলে পুনর্গণনার আবেদন করার চিন্তা করছি।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, প্রায় ৬ হাজারের বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব ভোট যৌক্তিক কারণে ও বিধি অনুযায়ী বাতিল হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যালটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করার আবেদন করার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কোথাও ওভাররাইটিং, ভোটের অঙ্ক লেখায় ভুল বা গণনার ত্রুটি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পুনর্গণনার মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় দেড় লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অল্প ব্যবধানে ফলাফল হওয়ায় বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন তৈরি করছে। সামান্য এক হাজারের মতো ভোটের ব্যবধান, এটা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। হয় ৬ হাজার বাতিল ভোট পরীক্ষা করা দরকার, অথবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনা হওয়া দরকার।
ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মনোবল হারানোর কিছু নেই। জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ হলেও তিনি নিজেকে নৈতিকভাবে পরাজিত মনে করেন না। আমি কোনো অন্যায় করিনি, অসৎ পথ অবলম্বন করিনি, মানুষের ওপর জুলুম করিনি, কালো টাকা বা শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের রায় নেওয়ার চেষ্টা করিনি, সেই দিক থেকে আমি বিজয়ী।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৬ হাজার ভোটের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের ও অসংগতির অভিযোগ তুলে আইনি ভিত্তি পাওয়া গেলে ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটিক সিস্টেম এবং পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ডেমোক্র্যাসিতে নির্বাচনই হচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বৈধ পথ। এজন্য আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। এবারের নির্বাচনকেও আমরা সেভাবেই গ্রহণ করেছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বচ্ছ, অবাধ নির্বাচনের জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যদিও চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি, তবুও বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, দুই উপজেলার ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ভোট গণনার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের অফিসের ফলাফলের মধ্যে কিছু অসংগতি লক্ষ করেছেন নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানের কারণে আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। আইনি ভিত্তি পেলে পুনর্গণনার আবেদন করার চিন্তা করছি।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, প্রায় ৬ হাজারের বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব ভোট যৌক্তিক কারণে ও বিধি অনুযায়ী বাতিল হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যালটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করার আবেদন করার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কোথাও ওভাররাইটিং, ভোটের অঙ্ক লেখায় ভুল বা গণনার ত্রুটি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পুনর্গণনার মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় দেড় লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অল্প ব্যবধানে ফলাফল হওয়ায় বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন তৈরি করছে। সামান্য এক হাজারের মতো ভোটের ব্যবধান, এটা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। হয় ৬ হাজার বাতিল ভোট পরীক্ষা করা দরকার, অথবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনা হওয়া দরকার।
ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মনোবল হারানোর কিছু নেই। জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ হলেও তিনি নিজেকে নৈতিকভাবে পরাজিত মনে করেন না। আমি কোনো অন্যায় করিনি, অসৎ পথ অবলম্বন করিনি, মানুষের ওপর জুলুম করিনি, কালো টাকা বা শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের রায় নেওয়ার চেষ্টা করিনি, সেই দিক থেকে আমি বিজয়ী।
বরিশাল টাইমস

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র বরিশাল টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। এ লক্ষ্যে এবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যদিও এটি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান হোসেন বেসরকারিভাবে ১ লাখ ৩২ হাজার ৫০৩ ভোট পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র বরিশাল টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। এ লক্ষ্যে এবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যদিও এটি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান হোসেন বেসরকারিভাবে ১ লাখ ৩২ হাজার ৫০৩ ভোট পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:২০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। আখতার আহমেদ বলেন, সারা দেশে মোট ২৯৯টি সংসদীয় আসনে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক গণনা শেষে কমিশন নিশ্চিত হয়েছে, এবারের নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
ইসি সচিব বলেন, ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত হওয়ায় সেগুলোর গেজেট আজই প্রকাশ করা হবে। বাকি দুটি আসনের বিষয়ে আইনগত বা কারিগরি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে কি না– সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। আখতার আহমেদ বলেন, সারা দেশে মোট ২৯৯টি সংসদীয় আসনে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক গণনা শেষে কমিশন নিশ্চিত হয়েছে, এবারের নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
তিনি বলেন, ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
ইসি সচিব বলেন, ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত হওয়ায় সেগুলোর গেজেট আজই প্রকাশ করা হবে। বাকি দুটি আসনের বিষয়ে আইনগত বা কারিগরি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে কি না– সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.