Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৪
ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।
শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়ে তিনি তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে, আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় খুলে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্যের ঝড় ওঠে।
ভিডিওতে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, ‘সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা আবু দাউদ প্রধান যে কাজটি করেছেন, তা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের প্রতি এবং আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রাণের সংগঠন, চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে তিনি আজ তালামুক্ত করেছেন।’
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের নামে মিথ্যে মামলা হয়েছে। সেখান থেকে যেন আমাদের রক্ষা করা হয়, সেই অনুরোধ জানাচ্ছি আমার মামা আবু দাউদ প্রধানের কাছে।’
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আনিসুজ্জমান স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যদি কেউ ছিনিবিনির চেষ্টা করে, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই পরাজিত শক্তিকে আবারও নস্যাৎ করবো। দলমত নির্বিশেষে সবাই আমরা এলাকায় থাকতে চাই।’
বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমি জানলাম আওয়ামী লীগের অফিসে তালা দেওয়া আছে। আগে জানলে আগেই ব্যবস্থা নিতাম। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমাদের বিজয় হয়েছে।
স্বাধীনতার উভয়পক্ষের শক্তিগুলো এক হয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে। যার কারণে আমরা রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়েছি সারা বাংলাদেশে। আমি উভয় দলের নেতাকর্মীদের বলব—প্রত্যেক দলে কম-বেশি দুষ্ট প্রকৃতির লোক আছে। তাদের দল থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোনো অবস্থাতেই আমাদের এলাকার শৃঙ্খলা কেউ যেন ভঙ্গ করতে না পারে। আওয়ামী লীগের ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনারা কোনো প্রকার অন্যায় করবেন না। যদি কেউ অন্যায় করে, আমাকে জানাবেন। আমি কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, ‘এই অফিসটি জামায়াতের লোকেরা তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আজ আমরা আবু দাউদ প্রধানসহ এলাকায় অনেক মানুষ নিয়ে অফিসটি খুলেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা চলছে। এই অফিসটি আপাতত আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করব। আওয়ামী লীগের কোনো কার্যক্রম আপাতত এখানে হবে না।’
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘এটা আমার দলের সিদ্ধান্ত নয়। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ না করে শান্তিপূর্ণ রাখার জন্যই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়েছি। এর আগে জামায়াত এই অফিসটি তালাবদ্ধ করে রেখেছিল।’
ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।
শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়ে তিনি তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে, আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় খুলে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্যের ঝড় ওঠে।
ভিডিওতে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, ‘সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা আবু দাউদ প্রধান যে কাজটি করেছেন, তা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের প্রতি এবং আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রাণের সংগঠন, চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে তিনি আজ তালামুক্ত করেছেন।’
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের নামে মিথ্যে মামলা হয়েছে। সেখান থেকে যেন আমাদের রক্ষা করা হয়, সেই অনুরোধ জানাচ্ছি আমার মামা আবু দাউদ প্রধানের কাছে।’
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আনিসুজ্জমান স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যদি কেউ ছিনিবিনির চেষ্টা করে, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই পরাজিত শক্তিকে আবারও নস্যাৎ করবো। দলমত নির্বিশেষে সবাই আমরা এলাকায় থাকতে চাই।’
বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমি জানলাম আওয়ামী লীগের অফিসে তালা দেওয়া আছে। আগে জানলে আগেই ব্যবস্থা নিতাম। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমাদের বিজয় হয়েছে।
স্বাধীনতার উভয়পক্ষের শক্তিগুলো এক হয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে। যার কারণে আমরা রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়েছি সারা বাংলাদেশে। আমি উভয় দলের নেতাকর্মীদের বলব—প্রত্যেক দলে কম-বেশি দুষ্ট প্রকৃতির লোক আছে। তাদের দল থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোনো অবস্থাতেই আমাদের এলাকার শৃঙ্খলা কেউ যেন ভঙ্গ করতে না পারে। আওয়ামী লীগের ভাইদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনারা কোনো প্রকার অন্যায় করবেন না। যদি কেউ অন্যায় করে, আমাকে জানাবেন। আমি কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, ‘এই অফিসটি জামায়াতের লোকেরা তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আজ আমরা আবু দাউদ প্রধানসহ এলাকায় অনেক মানুষ নিয়ে অফিসটি খুলেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা চলছে। এই অফিসটি আপাতত আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করব। আওয়ামী লীগের কোনো কার্যক্রম আপাতত এখানে হবে না।’
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘এটা আমার দলের সিদ্ধান্ত নয়। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ না করে শান্তিপূর্ণ রাখার জন্যই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়েছি। এর আগে জামায়াত এই অফিসটি তালাবদ্ধ করে রেখেছিল।’

০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মোটরসাইকেল মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি বুধবার (১ জুলাই) ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কালাইয়া বেইলি ব্রিজ থেকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ৩০-৩৫ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আযম চৌধুরী বলেন, হামলার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ছাত্রশিবিরের কর্মীও সরাসরি জড়িত ছিলেন। তারা এক সময় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় বিএনপির ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার ঘটনায় দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন বাদী হয়ে ৩৯ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাউফল থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে। ইমরান কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার, যিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই কর্মকর্তাকে বুধবার (০১ জুলাই) বরিশালে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে বরিশালে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
তবে বরিশালের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনকে সরিয়ে কোথায় নেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিগত সময়ে দৈনিক আমার দেশসহ একাধিক পত্রিকায় মোটাদাগে তার আর্থিক দুর্নীতির খবর প্রকাশ পায়।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
গল্পের থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানাল বাস্তবের এই ঘটনা। চুরির দায়ে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে খালের ঠাণ্ডা পানিতে, কচুরিপানার নিচে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু নাকটুকু জাগিয়ে লুকিয়ে রইলেন এক যুবক। কিন্তু বিধিবাম! প্রকৃতির নিয়মে শরীর সায় না দিলেও, শেষ রক্ষা আর হলো না। অবশেষে বুধবার ভোরে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামে। আটক যুবকের নাম সুজন হাওলাদার (৩২)।
ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের ব্যবসায়ী ইউনুস হাওলাদারের বন্ধ দোকানের টিনের বেড়া সন্তর্পণে কাটতে শুরু করে সুজন। ভেবেছিল কাজ সেরে নির্বিঘ্নে কেটে পড়বে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হাওলাদার তা টের পেয়ে যান। তাঁর এক চিৎকারেই যেন পুরো গ্রামের ঘুম ভেঙে যায়।
জেগে ওঠা গ্রামবাসীদের মারমুখী তাড়া খেয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড় দেয় সুজন। পালানোর পথ না পেয়ে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের পাশের এক খালে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে খালের ঘন কচুরিপানার নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দেয় সুজন। শুধু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য নাকটুকু পানির ওপর জাগিয়ে রাখে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৩টা।
এদিকে গ্রামবাসীও দমবার পাত্র নন। চোরের খোঁজে টর্চের আলো ফেলে খালের চারপাশে চলে চিরুনি তল্লাশি। ওদিকে পানির নিচে শীতে ও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সময়ের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে সুজন। অবশেষে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টার লুকোচুরি শেষে, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কচুরিপানার জঙ্গল থেকে তাকে খুঁজে বের করে জলজ্যান্ত আবিষ্কার করে গ্রামবাসী। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় সুজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। গণপিটুনি না দিয়ে গ্রামবাসী দেখাল মানবিকতা।
স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, "যুবকের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তার বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই; সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি এখনো থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মোটরসাইকেল মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি বুধবার (১ জুলাই) ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কালাইয়া বেইলি ব্রিজ থেকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ৩০-৩৫ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আযম চৌধুরী বলেন, হামলার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ছাত্রশিবিরের কর্মীও সরাসরি জড়িত ছিলেন। তারা এক সময় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় বিএনপির ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার ঘটনায় দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন বাদী হয়ে ৩৯ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাউফল থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে। ইমরান কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মামুন খন্দকার, যিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই কর্মকর্তাকে বুধবার (০১ জুলাই) বরিশালে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে বরিশালে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
তবে বরিশালের বিতর্কিত জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনকে সরিয়ে কোথায় নেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিগত সময়ে দৈনিক আমার দেশসহ একাধিক পত্রিকায় মোটাদাগে তার আর্থিক দুর্নীতির খবর প্রকাশ পায়।
গল্পের থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানাল বাস্তবের এই ঘটনা। চুরির দায়ে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে খালের ঠাণ্ডা পানিতে, কচুরিপানার নিচে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু নাকটুকু জাগিয়ে লুকিয়ে রইলেন এক যুবক। কিন্তু বিধিবাম! প্রকৃতির নিয়মে শরীর সায় না দিলেও, শেষ রক্ষা আর হলো না। অবশেষে বুধবার ভোরে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামে। আটক যুবকের নাম সুজন হাওলাদার (৩২)।
ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের ব্যবসায়ী ইউনুস হাওলাদারের বন্ধ দোকানের টিনের বেড়া সন্তর্পণে কাটতে শুরু করে সুজন। ভেবেছিল কাজ সেরে নির্বিঘ্নে কেটে পড়বে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হাওলাদার তা টের পেয়ে যান। তাঁর এক চিৎকারেই যেন পুরো গ্রামের ঘুম ভেঙে যায়।
জেগে ওঠা গ্রামবাসীদের মারমুখী তাড়া খেয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড় দেয় সুজন। পালানোর পথ না পেয়ে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের পাশের এক খালে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে খালের ঘন কচুরিপানার নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দেয় সুজন। শুধু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য নাকটুকু পানির ওপর জাগিয়ে রাখে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৩টা।
এদিকে গ্রামবাসীও দমবার পাত্র নন। চোরের খোঁজে টর্চের আলো ফেলে খালের চারপাশে চলে চিরুনি তল্লাশি। ওদিকে পানির নিচে শীতে ও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সময়ের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে সুজন। অবশেষে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টার লুকোচুরি শেষে, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কচুরিপানার জঙ্গল থেকে তাকে খুঁজে বের করে জলজ্যান্ত আবিষ্কার করে গ্রামবাসী। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় সুজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। গণপিটুনি না দিয়ে গ্রামবাসী দেখাল মানবিকতা।
স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, "যুবকের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তার বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই; সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি এখনো থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৬