Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন আলী শরীফ বীর প্রতীকের রাজসিক কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা রাকুদিয়া গ্রামে বীর প্রতীকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে ওই কুলখানি ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
এসময় সেখানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে বরিশাল এয়ার (রাডার) বেইজ স্টেশনের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মেহরাব আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বীর প্রতীকের পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ। এসময় অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় সেখানে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাক্তার তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিলন খান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিমানবাহিনী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। কুলখানিতে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূরুদ্দীন খান ও মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
উল্লেখ্য, বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং মুক্তিবাহিনী গঠন করেন। তিনি এপ্রিল মাসে প্রথম বাবুগঞ্জ থানা থেকে দুইটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের অধীনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর অঞ্চলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃসাহসিক যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের কাছে ৪৭৩টি অস্ত্র জমা দেন। তাঁর এসব বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে, যা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।
বীর প্রতীক রত্তন শরীফ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন করার পরে বিমানবাহিনীর ফ্লাইট সার্জেন্ট পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বমি এবং পেটের পীড়াজনিত অসুস্থতায় তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ভিআইপি ৫০০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে বমি এবং পাতলা পায়খানার সাথে তাঁর প্রেসার ও ডায়াবেটিস বেড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি বারবার ডাকার পরেও সারাদিনে কাছে আসেনি কোনো ডাক্তার। ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিনা চিকিৎসায় শেবাচিম হাসপাতালের কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বাধীনতার সূর্যসন্তান বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বাদ জোহর উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের সরকারি আবুল কালাম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন আলী শরীফ বীর প্রতীকের রাজসিক কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা রাকুদিয়া গ্রামে বীর প্রতীকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে ওই কুলখানি ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
এসময় সেখানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে বরিশাল এয়ার (রাডার) বেইজ স্টেশনের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মেহরাব আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বীর প্রতীকের পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ। এসময় অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় সেখানে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাক্তার তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিলন খান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিমানবাহিনী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। কুলখানিতে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূরুদ্দীন খান ও মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
উল্লেখ্য, বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং মুক্তিবাহিনী গঠন করেন। তিনি এপ্রিল মাসে প্রথম বাবুগঞ্জ থানা থেকে দুইটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের অধীনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর অঞ্চলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃসাহসিক যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের কাছে ৪৭৩টি অস্ত্র জমা দেন। তাঁর এসব বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে, যা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।
বীর প্রতীক রত্তন শরীফ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন করার পরে বিমানবাহিনীর ফ্লাইট সার্জেন্ট পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বমি এবং পেটের পীড়াজনিত অসুস্থতায় তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ভিআইপি ৫০০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে বমি এবং পাতলা পায়খানার সাথে তাঁর প্রেসার ও ডায়াবেটিস বেড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি বারবার ডাকার পরেও সারাদিনে কাছে আসেনি কোনো ডাক্তার। ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিনা চিকিৎসায় শেবাচিম হাসপাতালের কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বাধীনতার সূর্যসন্তান বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বাদ জোহর উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের সরকারি আবুল কালাম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। #

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০