
২৭ মে, ২০২৫ ১৬:৩০
সরকারি বিভিন্ন সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে অনলাইনে ‘এক ঠিকানায় সকল নাগরিক সেবা’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করেছে নাগরিক সেবা বাংলাদেশ।
সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্প শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রশিক্ষিত নাগরিক সেবা উদ্যোক্তগণ এই সেবাগুলো নাগরিক সেবা কেন্দ্র থেকে সাধারণ নাগরিকদের প্রদান করবেন।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর গুলশান, উত্তরা ও নীলক্ষেত এলাকায় নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গুলশান ও উত্তরার কেন্দ্র ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে নীলক্ষেত কেন্দ্রও কার্যক্রম শুরু করবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং সরকারের আইসিটি বিভাগের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই সেবার উদ্বোধন করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে, নানাবিধ হয়রানি রোধে ও ভোগান্তিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”
একইভাবে সেবার সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এক ঠিকানায় প্রয়োজনীয় সকল সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে উদ্যোগ নিতেও আইসিটি বিভাগকে নির্দেশনা দেন তিনি।
এই সেবার আওতায় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টির জন্য নিয়মিতভাবে সেবার আপডেট ও সমন্বয়ের বিষয়ে জোর দেন তিনি।
তিনি বলেন, “সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য। আমাদের চেষ্টা হচ্ছে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে যতগুলে সেবা এর আওতায় আনা যায় সবগুলোকে দ্রুত নিয়ে আসা।”
এসময় বিভিন্ন নাগরিক সেবার প্রসঙ্গ টেনে প্রফেসর ইউনূস বলেন, “এমন ব্যবস্থা আমাদেরকে অবশ্যই দাঁড় করাতে হবে যাতে জন্ম গ্রহণ করা মাত্রই শিশুরা জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়ে যায়। এটাই যেন হয় তার নাগরিক স্বীকৃতি।”
নাগরিক সেবা কেন্দ্রের পরিচালনা ও মালিকানা সম্পর্কে তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা জায়গার মালিকদের সাথে চুক্তি করে ভাড়া পরিশোধ করবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাড়া হ্রাসকৃত হারে নির্ধারিত হবে। উদ্যোক্তারা নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ইউটিলিটির দায়িত্ব নিবেন। সেবা মান বজায় না রাখলে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
তিনি বলেন, "নাগরিক সেবা বাংলাদেশ শুধুমাত্র একটি সেবা প্রদানের প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার একটি আন্দোলন—যার ভিত্তি প্রযুক্তি এবং চালিকা শক্তি স্থানীয় উদ্যোক্তাবৃন্দ। অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সম্প্রসারণশীল এই উদ্যোগ সারাদেশে নাগরিক সেবার আকর্ষণীয় রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হবে।”
আইসিটি বিভাগের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, শূণ্য বাজেটে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের বিদ্যমান সম্পদ বব্যাবহার করেই সামনে এগিয়ে চলা সম্ভব।
তিনি বলেন, নাগরিক সেবা বাংলাদেশ" শীর্ষক এই উদ্যোগের মাধ্যমে পোস্ট অফিসসহ অব্যবহৃত সরকারি স্থাপনাগুলোকে রূপান্তর করে আধুনিক কো-ওয়ার্কিং স্পেসে পরিণত করা হবে এবং সেগুলো স্থানীয় উদ্যোক্তা দ্বারা পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, নাগরিকদের জন্য হাঁটা-দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত এই নাগরিক সেবা কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় উদ্যোক্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, কর ফাইলিংসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা প্রদান করবেন।
এই মডেলটি যেমন সরকারি সেবা নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য করবে, তেমনি দেশের যুবসমাজ ও নারীদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে জানিয়ে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, “সামাজিক ব্যবসার নীতিমালায় অনুপ্রাণিত ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চালিত এই উদ্যোগ হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং নাগরিক ক্ষমতায়নের প্রতিচ্ছবি।”
তিনি বলেন, এই সেবার লক্ষ্য হচ্ছে একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যা নাগরিকদের জন্য কার্যকর এবং সহজলভ্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করবে এবং একই সাথে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, নাগরিক সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হবার জন্য প্রথম ধাপে আবেদনকারীদের মধ্য কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০০ জন নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয়। তাদের ডিজিটাল লিটারেসি, গ্রাহক সেবা ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে নিবিড় প্রশিক্ষণ শেষে ১০০ জন উদ্যোক্তাকে (৫০ জন নারী ও ৫০ জন পুরুষ) সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ নূরুল আনোয়ার এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
সরকারি বিভিন্ন সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে অনলাইনে ‘এক ঠিকানায় সকল নাগরিক সেবা’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করেছে নাগরিক সেবা বাংলাদেশ।
সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্প শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রশিক্ষিত নাগরিক সেবা উদ্যোক্তগণ এই সেবাগুলো নাগরিক সেবা কেন্দ্র থেকে সাধারণ নাগরিকদের প্রদান করবেন।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর গুলশান, উত্তরা ও নীলক্ষেত এলাকায় নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গুলশান ও উত্তরার কেন্দ্র ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে নীলক্ষেত কেন্দ্রও কার্যক্রম শুরু করবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং সরকারের আইসিটি বিভাগের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই সেবার উদ্বোধন করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে, নানাবিধ হয়রানি রোধে ও ভোগান্তিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”
একইভাবে সেবার সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এক ঠিকানায় প্রয়োজনীয় সকল সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে উদ্যোগ নিতেও আইসিটি বিভাগকে নির্দেশনা দেন তিনি।
এই সেবার আওতায় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টির জন্য নিয়মিতভাবে সেবার আপডেট ও সমন্বয়ের বিষয়ে জোর দেন তিনি।
তিনি বলেন, “সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য। আমাদের চেষ্টা হচ্ছে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে যতগুলে সেবা এর আওতায় আনা যায় সবগুলোকে দ্রুত নিয়ে আসা।”
এসময় বিভিন্ন নাগরিক সেবার প্রসঙ্গ টেনে প্রফেসর ইউনূস বলেন, “এমন ব্যবস্থা আমাদেরকে অবশ্যই দাঁড় করাতে হবে যাতে জন্ম গ্রহণ করা মাত্রই শিশুরা জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়ে যায়। এটাই যেন হয় তার নাগরিক স্বীকৃতি।”
নাগরিক সেবা কেন্দ্রের পরিচালনা ও মালিকানা সম্পর্কে তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা জায়গার মালিকদের সাথে চুক্তি করে ভাড়া পরিশোধ করবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাড়া হ্রাসকৃত হারে নির্ধারিত হবে। উদ্যোক্তারা নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ইউটিলিটির দায়িত্ব নিবেন। সেবা মান বজায় না রাখলে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
তিনি বলেন, "নাগরিক সেবা বাংলাদেশ শুধুমাত্র একটি সেবা প্রদানের প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার একটি আন্দোলন—যার ভিত্তি প্রযুক্তি এবং চালিকা শক্তি স্থানীয় উদ্যোক্তাবৃন্দ। অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সম্প্রসারণশীল এই উদ্যোগ সারাদেশে নাগরিক সেবার আকর্ষণীয় রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হবে।”
আইসিটি বিভাগের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, শূণ্য বাজেটে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের বিদ্যমান সম্পদ বব্যাবহার করেই সামনে এগিয়ে চলা সম্ভব।
তিনি বলেন, নাগরিক সেবা বাংলাদেশ" শীর্ষক এই উদ্যোগের মাধ্যমে পোস্ট অফিসসহ অব্যবহৃত সরকারি স্থাপনাগুলোকে রূপান্তর করে আধুনিক কো-ওয়ার্কিং স্পেসে পরিণত করা হবে এবং সেগুলো স্থানীয় উদ্যোক্তা দ্বারা পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, নাগরিকদের জন্য হাঁটা-দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত এই নাগরিক সেবা কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় উদ্যোক্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, কর ফাইলিংসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা প্রদান করবেন।
এই মডেলটি যেমন সরকারি সেবা নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য করবে, তেমনি দেশের যুবসমাজ ও নারীদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে জানিয়ে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, “সামাজিক ব্যবসার নীতিমালায় অনুপ্রাণিত ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চালিত এই উদ্যোগ হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং নাগরিক ক্ষমতায়নের প্রতিচ্ছবি।”
তিনি বলেন, এই সেবার লক্ষ্য হচ্ছে একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যা নাগরিকদের জন্য কার্যকর এবং সহজলভ্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করবে এবং একই সাথে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, নাগরিক সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হবার জন্য প্রথম ধাপে আবেদনকারীদের মধ্য কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০০ জন নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয়। তাদের ডিজিটাল লিটারেসি, গ্রাহক সেবা ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে নিবিড় প্রশিক্ষণ শেষে ১০০ জন উদ্যোক্তাকে (৫০ জন নারী ও ৫০ জন পুরুষ) সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ নূরুল আনোয়ার এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৪
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৬
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ জন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার পদমর্যাদার জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারকে অনারারি লেফটেন্যান্ট পদে অনারারি কমিশন প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ জন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার পদমর্যাদার জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার থেকে অনারারি লেফটেন্যান্ট পদে কমিশনপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন (আর্মার্ড); মো. আ. কাইয়ুম (আর্টিলারি); মো. মোহাররম হোসেন (আর্টিলারি); মো. সাইফুল ইসলাম (ইঞ্জিনিয়ার্স); মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শিকদার (ইঞ্জিনিয়ার্স); মো. ইসমাইল হোসেন (ইঞ্জিনিয়ার্স); মো. শহিদুল ইসলাম (ইঞ্জিনিয়ার্স); মো. আবদুল কাদের (সিগন্যালস); কাজী মোকাররম হোসেন (ইস্ট বেঙ্গল); মো. হাবিবুর রহমান (ইস্ট বেঙ্গল); মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম (ইস্ট বেঙ্গল); মোহাম্মদ কিবরিয়া কামাল (ইস্ট বেঙ্গল); মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (ইস্ট বেঙ্গল); মো. খালেদ মোর্শেদ নীরব, বীর; শেখ কামাল উদ্দিন (এএসসি); ওবায়দুর রহমান সেখ (ইএমই); মো. আবুল হাশেম (ইএমই); মো. আব্দুল কাদের (সিএমপি)।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেনাবাহিনীর এ অনারারি কমিশন ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
বরিশাল টাইমস
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ জন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার পদমর্যাদার জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারকে অনারারি লেফটেন্যান্ট পদে অনারারি কমিশন প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ জন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার পদমর্যাদার জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার থেকে অনারারি লেফটেন্যান্ট পদে কমিশনপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন (আর্মার্ড); মো. আ. কাইয়ুম (আর্টিলারি); মো. মোহাররম হোসেন (আর্টিলারি); মো. সাইফুল ইসলাম (ইঞ্জিনিয়ার্স); মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শিকদার (ইঞ্জিনিয়ার্স); মো. ইসমাইল হোসেন (ইঞ্জিনিয়ার্স); মো. শহিদুল ইসলাম (ইঞ্জিনিয়ার্স); মো. আবদুল কাদের (সিগন্যালস); কাজী মোকাররম হোসেন (ইস্ট বেঙ্গল); মো. হাবিবুর রহমান (ইস্ট বেঙ্গল); মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম (ইস্ট বেঙ্গল); মোহাম্মদ কিবরিয়া কামাল (ইস্ট বেঙ্গল); মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (ইস্ট বেঙ্গল); মো. খালেদ মোর্শেদ নীরব, বীর; শেখ কামাল উদ্দিন (এএসসি); ওবায়দুর রহমান সেখ (ইএমই); মো. আবুল হাশেম (ইএমই); মো. আব্দুল কাদের (সিএমপি)।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেনাবাহিনীর এ অনারারি কমিশন ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.