Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিয়াউর রহমানের সফল উদ্যোগ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে টেকসই ও আধুনিকভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। তবে বাস্তবায়নে পড়তে হবে চ্যালেঞ্জে।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বর্ষকালের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা লক্ষ্য ছিল।
সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে জিয়াউর রহমান চালু করেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
দিনাজপুরের কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী । ছবি : সংগৃহীত
বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিয়াউর রহমানের সফল উদ্যোগ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে টেকসই ও আধুনিকভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। তবে বাস্তবায়নে পড়তে হবে চ্যালেঞ্জে।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বর্ষকালের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা লক্ষ্য ছিল।
সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে জিয়াউর রহমান চালু করেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৮
সংবাদ প্রকাশের জেরে আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ প্রকাশ করাতে সাংবাদিক সায়েরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে সাংবাদিক সায়েরও নিজের পেশাগত অবস্থান তুলে ধরে খলিলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এমন আলাপচারিতা একসময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে রূপ নেয়।
সম্প্রতি খলিলের যুক্তরাজ্য সফরকালে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে। উভয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
গত সপ্তাহে কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরও তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এই সফরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে অংশ নেন জুলকারনাইন সায়ের এবং খলিলুর রহমান।
প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, এই অনুষ্ঠানে একই টেবিলে বসেছিলেন সায়ের ও খলিল। বসা অবস্থায় দুই জনের আলাপচারিতার এক পর্যায়ে দুজনকে উত্তেজিত অবস্থায় একে অপরের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়।
জাওয়াদ নির্ঝর ভিডিও’র পোস্টে দাবি করেন যে, সায়েরকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, ‘আপনার চুক্তি ফাঁসের কারণে আমি ৩ দিন ঘুমাতে পারি নাই। আপনার নামে ক্রিমিনাল কেস হওয়া উচিত।’ তখন পালটা জবাবে সায়ের বলেন, ‘জনস্বার্থে ফাঁস করা বিষয়ে মামলা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পারলে কিছু করেন গা।’
এ বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে গতবছর বিতর্কিত এই চুক্তিটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি প্রকাশ করি, সম্পূর্ণ জনস্বার্থে। আর এ ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস আমি হরহামেশাই করি। খলিলুর সাহেব আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে এই চুক্তি ফাঁসের কারণে তাকে অনেক সাফার করতে হয়েছে এবং আমার এই কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে এটা নাকি একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের মতো অপরাধ হয়েছে। আমিও তাকে আমার পেশাগত অবস্থান ব্যাখা করি এবং স্পষ্ট করেই জানাই পেশাগত অবস্থান থেকে আমি পেশাদারিত্বের বিষয়ে আপসহীন। এ ধরনের কাজ আমি বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ও করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেছি, বর্তমান সরকারের সময়ও করব, আর যতদিন এই পেশার সাথে জড়িত থাকব ততদিন করে যাব।’
সংবাদ প্রকাশের জেরে আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ প্রকাশ করাতে সাংবাদিক সায়েরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে সাংবাদিক সায়েরও নিজের পেশাগত অবস্থান তুলে ধরে খলিলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এমন আলাপচারিতা একসময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে রূপ নেয়।
সম্প্রতি খলিলের যুক্তরাজ্য সফরকালে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে। উভয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
গত সপ্তাহে কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরও তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এই সফরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে অংশ নেন জুলকারনাইন সায়ের এবং খলিলুর রহমান।
প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, এই অনুষ্ঠানে একই টেবিলে বসেছিলেন সায়ের ও খলিল। বসা অবস্থায় দুই জনের আলাপচারিতার এক পর্যায়ে দুজনকে উত্তেজিত অবস্থায় একে অপরের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়।
জাওয়াদ নির্ঝর ভিডিও’র পোস্টে দাবি করেন যে, সায়েরকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, ‘আপনার চুক্তি ফাঁসের কারণে আমি ৩ দিন ঘুমাতে পারি নাই। আপনার নামে ক্রিমিনাল কেস হওয়া উচিত।’ তখন পালটা জবাবে সায়ের বলেন, ‘জনস্বার্থে ফাঁস করা বিষয়ে মামলা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পারলে কিছু করেন গা।’
এ বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে গতবছর বিতর্কিত এই চুক্তিটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি প্রকাশ করি, সম্পূর্ণ জনস্বার্থে। আর এ ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস আমি হরহামেশাই করি। খলিলুর সাহেব আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে এই চুক্তি ফাঁসের কারণে তাকে অনেক সাফার করতে হয়েছে এবং আমার এই কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে এটা নাকি একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের মতো অপরাধ হয়েছে। আমিও তাকে আমার পেশাগত অবস্থান ব্যাখা করি এবং স্পষ্ট করেই জানাই পেশাগত অবস্থান থেকে আমি পেশাদারিত্বের বিষয়ে আপসহীন। এ ধরনের কাজ আমি বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ও করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেছি, বর্তমান সরকারের সময়ও করব, আর যতদিন এই পেশার সাথে জড়িত থাকব ততদিন করে যাব।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৪
রংপুরে সার কালোবাজারির ঘটনায় বিএডিসি কর্মকর্তাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নগরীর পান্ডারদিঘী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এরা হলেন- বিএডিসি কালিবাড়ী কেল্লাবন্দ সার গোডাউনের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান (৪১), সার গুদাম শ্রমিক সর্দার আশরাফ ওরফে কাল্লু (৫৫), মাহিগঞ্জ নাছনেয়া এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে মমদেল হোসেন (৫২) ও ডিমলা ধুমকাটিয়া এলাকার স্বদেশ কুমার রায়ের ছেলে লিটন কুমার রায় (৫০)।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ১৯ জানুয়ারি পরশুরাম থানার গেটের সামনে অভিযান চালিয়ে ট্রাকে পরিবহন করা ২১৪ বস্তা সরকারি সারসহ চালক মানিক মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরশুরাম থানায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা হলে গ্রেপ্তার হওয়া মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদসহ সার কালোবাজারি সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
রোববার (১৫ মার্চ) অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে গত ৮ মার্চ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বেলকা এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মানিক মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট আসামিরা আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসমিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রংপুরে সার কালোবাজারির ঘটনায় বিএডিসি কর্মকর্তাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নগরীর পান্ডারদিঘী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এরা হলেন- বিএডিসি কালিবাড়ী কেল্লাবন্দ সার গোডাউনের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান (৪১), সার গুদাম শ্রমিক সর্দার আশরাফ ওরফে কাল্লু (৫৫), মাহিগঞ্জ নাছনেয়া এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে মমদেল হোসেন (৫২) ও ডিমলা ধুমকাটিয়া এলাকার স্বদেশ কুমার রায়ের ছেলে লিটন কুমার রায় (৫০)।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ১৯ জানুয়ারি পরশুরাম থানার গেটের সামনে অভিযান চালিয়ে ট্রাকে পরিবহন করা ২১৪ বস্তা সরকারি সারসহ চালক মানিক মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরশুরাম থানায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা হলে গ্রেপ্তার হওয়া মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদসহ সার কালোবাজারি সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
রোববার (১৫ মার্চ) অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে গত ৮ মার্চ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বেলকা এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মানিক মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট আসামিরা আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসমিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি এমন কাজগুলো করে, যে কাজ করলে দেশের মানুষের উপকার হয় ও ভালো থাকে। দেশের কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল খননের পর দুপাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে দেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। বর্ষার পানিকে কৃষকের কাজে ব্যবহার করতে হবে, এ জন্য বর্ষার পানি ধরে রাখতে হবে। আল্লাহ ধান, চালসহ মৌলিক খাবার আমাদের দেশে উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা ৩৭ হাজার মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। মায়েদের যেমন ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি, কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা কৃষকদের ভালো রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে বসে কৃষিনির্ভর আর কী কী শিল্প গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি এমন কাজগুলো করে, যে কাজ করলে দেশের মানুষের উপকার হয় ও ভালো থাকে। দেশের কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল খননের পর দুপাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে দেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। বর্ষার পানিকে কৃষকের কাজে ব্যবহার করতে হবে, এ জন্য বর্ষার পানি ধরে রাখতে হবে। আল্লাহ ধান, চালসহ মৌলিক খাবার আমাদের দেশে উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা ৩৭ হাজার মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। মায়েদের যেমন ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি, কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা কৃষকদের ভালো রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে বসে কৃষিনির্ভর আর কী কী শিল্প গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।