
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৬
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে রাশিকুল আলম রাশু নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
দৌলতপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত যুবক দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, রাশু রাজনীতির পাশাপাশি কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের পাশে ইট বালুর ব্যবসা করতেন। সোমবার সকালে তিনি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আশরাফ রাশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দৌলতপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, আনুমানিক ১২টার দিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। তাদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে আটক করতে আমরা তৎপর।
ছবি : সংগৃহীত
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে রাশিকুল আলম রাশু নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
দৌলতপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত যুবক দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, রাশু রাজনীতির পাশাপাশি কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের পাশে ইট বালুর ব্যবসা করতেন। সোমবার সকালে তিনি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আশরাফ রাশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দৌলতপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, আনুমানিক ১২টার দিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। তাদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে আটক করতে আমরা তৎপর।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৮
সংবাদ প্রকাশের জেরে আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ প্রকাশ করাতে সাংবাদিক সায়েরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে সাংবাদিক সায়েরও নিজের পেশাগত অবস্থান তুলে ধরে খলিলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এমন আলাপচারিতা একসময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে রূপ নেয়।
সম্প্রতি খলিলের যুক্তরাজ্য সফরকালে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে। উভয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
গত সপ্তাহে কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরও তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এই সফরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে অংশ নেন জুলকারনাইন সায়ের এবং খলিলুর রহমান।
প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, এই অনুষ্ঠানে একই টেবিলে বসেছিলেন সায়ের ও খলিল। বসা অবস্থায় দুই জনের আলাপচারিতার এক পর্যায়ে দুজনকে উত্তেজিত অবস্থায় একে অপরের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়।
জাওয়াদ নির্ঝর ভিডিও’র পোস্টে দাবি করেন যে, সায়েরকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, ‘আপনার চুক্তি ফাঁসের কারণে আমি ৩ দিন ঘুমাতে পারি নাই। আপনার নামে ক্রিমিনাল কেস হওয়া উচিত।’ তখন পালটা জবাবে সায়ের বলেন, ‘জনস্বার্থে ফাঁস করা বিষয়ে মামলা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পারলে কিছু করেন গা।’
এ বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে গতবছর বিতর্কিত এই চুক্তিটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি প্রকাশ করি, সম্পূর্ণ জনস্বার্থে। আর এ ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস আমি হরহামেশাই করি। খলিলুর সাহেব আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে এই চুক্তি ফাঁসের কারণে তাকে অনেক সাফার করতে হয়েছে এবং আমার এই কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে এটা নাকি একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের মতো অপরাধ হয়েছে। আমিও তাকে আমার পেশাগত অবস্থান ব্যাখা করি এবং স্পষ্ট করেই জানাই পেশাগত অবস্থান থেকে আমি পেশাদারিত্বের বিষয়ে আপসহীন। এ ধরনের কাজ আমি বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ও করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেছি, বর্তমান সরকারের সময়ও করব, আর যতদিন এই পেশার সাথে জড়িত থাকব ততদিন করে যাব।’
সংবাদ প্রকাশের জেরে আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ প্রকাশ করাতে সাংবাদিক সায়েরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে সাংবাদিক সায়েরও নিজের পেশাগত অবস্থান তুলে ধরে খলিলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এমন আলাপচারিতা একসময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে রূপ নেয়।
সম্প্রতি খলিলের যুক্তরাজ্য সফরকালে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে। উভয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
গত সপ্তাহে কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরও তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এই সফরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে অংশ নেন জুলকারনাইন সায়ের এবং খলিলুর রহমান।
প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, এই অনুষ্ঠানে একই টেবিলে বসেছিলেন সায়ের ও খলিল। বসা অবস্থায় দুই জনের আলাপচারিতার এক পর্যায়ে দুজনকে উত্তেজিত অবস্থায় একে অপরের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়।
জাওয়াদ নির্ঝর ভিডিও’র পোস্টে দাবি করেন যে, সায়েরকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, ‘আপনার চুক্তি ফাঁসের কারণে আমি ৩ দিন ঘুমাতে পারি নাই। আপনার নামে ক্রিমিনাল কেস হওয়া উচিত।’ তখন পালটা জবাবে সায়ের বলেন, ‘জনস্বার্থে ফাঁস করা বিষয়ে মামলা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পারলে কিছু করেন গা।’
এ বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে গতবছর বিতর্কিত এই চুক্তিটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি প্রকাশ করি, সম্পূর্ণ জনস্বার্থে। আর এ ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস আমি হরহামেশাই করি। খলিলুর সাহেব আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে এই চুক্তি ফাঁসের কারণে তাকে অনেক সাফার করতে হয়েছে এবং আমার এই কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে এটা নাকি একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের মতো অপরাধ হয়েছে। আমিও তাকে আমার পেশাগত অবস্থান ব্যাখা করি এবং স্পষ্ট করেই জানাই পেশাগত অবস্থান থেকে আমি পেশাদারিত্বের বিষয়ে আপসহীন। এ ধরনের কাজ আমি বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ও করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেছি, বর্তমান সরকারের সময়ও করব, আর যতদিন এই পেশার সাথে জড়িত থাকব ততদিন করে যাব।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৪
রংপুরে সার কালোবাজারির ঘটনায় বিএডিসি কর্মকর্তাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নগরীর পান্ডারদিঘী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এরা হলেন- বিএডিসি কালিবাড়ী কেল্লাবন্দ সার গোডাউনের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান (৪১), সার গুদাম শ্রমিক সর্দার আশরাফ ওরফে কাল্লু (৫৫), মাহিগঞ্জ নাছনেয়া এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে মমদেল হোসেন (৫২) ও ডিমলা ধুমকাটিয়া এলাকার স্বদেশ কুমার রায়ের ছেলে লিটন কুমার রায় (৫০)।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ১৯ জানুয়ারি পরশুরাম থানার গেটের সামনে অভিযান চালিয়ে ট্রাকে পরিবহন করা ২১৪ বস্তা সরকারি সারসহ চালক মানিক মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরশুরাম থানায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা হলে গ্রেপ্তার হওয়া মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদসহ সার কালোবাজারি সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
রোববার (১৫ মার্চ) অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে গত ৮ মার্চ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বেলকা এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মানিক মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট আসামিরা আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসমিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রংপুরে সার কালোবাজারির ঘটনায় বিএডিসি কর্মকর্তাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নগরীর পান্ডারদিঘী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এরা হলেন- বিএডিসি কালিবাড়ী কেল্লাবন্দ সার গোডাউনের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান (৪১), সার গুদাম শ্রমিক সর্দার আশরাফ ওরফে কাল্লু (৫৫), মাহিগঞ্জ নাছনেয়া এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে মমদেল হোসেন (৫২) ও ডিমলা ধুমকাটিয়া এলাকার স্বদেশ কুমার রায়ের ছেলে লিটন কুমার রায় (৫০)।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ১৯ জানুয়ারি পরশুরাম থানার গেটের সামনে অভিযান চালিয়ে ট্রাকে পরিবহন করা ২১৪ বস্তা সরকারি সারসহ চালক মানিক মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরশুরাম থানায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা হলে গ্রেপ্তার হওয়া মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদসহ সার কালোবাজারি সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
রোববার (১৫ মার্চ) অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে গত ৮ মার্চ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বেলকা এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মানিক মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট আসামিরা আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসমিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.