
১৬ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৮
সংবাদ প্রকাশের জেরে আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ প্রকাশ করাতে সাংবাদিক সায়েরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে সাংবাদিক সায়েরও নিজের পেশাগত অবস্থান তুলে ধরে খলিলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এমন আলাপচারিতা একসময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে রূপ নেয়।
সম্প্রতি খলিলের যুক্তরাজ্য সফরকালে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে। উভয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
গত সপ্তাহে কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরও তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এই সফরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে অংশ নেন জুলকারনাইন সায়ের এবং খলিলুর রহমান।
প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, এই অনুষ্ঠানে একই টেবিলে বসেছিলেন সায়ের ও খলিল। বসা অবস্থায় দুই জনের আলাপচারিতার এক পর্যায়ে দুজনকে উত্তেজিত অবস্থায় একে অপরের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়।
জাওয়াদ নির্ঝর ভিডিও’র পোস্টে দাবি করেন যে, সায়েরকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, ‘আপনার চুক্তি ফাঁসের কারণে আমি ৩ দিন ঘুমাতে পারি নাই। আপনার নামে ক্রিমিনাল কেস হওয়া উচিত।’ তখন পালটা জবাবে সায়ের বলেন, ‘জনস্বার্থে ফাঁস করা বিষয়ে মামলা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পারলে কিছু করেন গা।’
এ বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে গতবছর বিতর্কিত এই চুক্তিটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি প্রকাশ করি, সম্পূর্ণ জনস্বার্থে। আর এ ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস আমি হরহামেশাই করি। খলিলুর সাহেব আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে এই চুক্তি ফাঁসের কারণে তাকে অনেক সাফার করতে হয়েছে এবং আমার এই কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে এটা নাকি একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের মতো অপরাধ হয়েছে। আমিও তাকে আমার পেশাগত অবস্থান ব্যাখা করি এবং স্পষ্ট করেই জানাই পেশাগত অবস্থান থেকে আমি পেশাদারিত্বের বিষয়ে আপসহীন। এ ধরনের কাজ আমি বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ও করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেছি, বর্তমান সরকারের সময়ও করব, আর যতদিন এই পেশার সাথে জড়িত থাকব ততদিন করে যাব।’
ছবি: সংগৃহীত
সংবাদ প্রকাশের জেরে আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির কিছু অংশ প্রকাশ করাতে সাংবাদিক সায়েরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে সাংবাদিক সায়েরও নিজের পেশাগত অবস্থান তুলে ধরে খলিলের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এমন আলাপচারিতা একসময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে রূপ নেয়।
সম্প্রতি খলিলের যুক্তরাজ্য সফরকালে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই ঘটনা ঘটে। উভয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
গত সপ্তাহে কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরও তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এই সফরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে অংশ নেন জুলকারনাইন সায়ের এবং খলিলুর রহমান।
প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, এই অনুষ্ঠানে একই টেবিলে বসেছিলেন সায়ের ও খলিল। বসা অবস্থায় দুই জনের আলাপচারিতার এক পর্যায়ে দুজনকে উত্তেজিত অবস্থায় একে অপরের উদ্দেশে কথা বলতে দেখা যায়।
জাওয়াদ নির্ঝর ভিডিও’র পোস্টে দাবি করেন যে, সায়েরকে উদ্দেশ্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল বলেন, ‘আপনার চুক্তি ফাঁসের কারণে আমি ৩ দিন ঘুমাতে পারি নাই। আপনার নামে ক্রিমিনাল কেস হওয়া উচিত।’ তখন পালটা জবাবে সায়ের বলেন, ‘জনস্বার্থে ফাঁস করা বিষয়ে মামলা করে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পারলে কিছু করেন গা।’
এ বিষয়ে সাংবাদিক সায়ের রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে গতবছর বিতর্কিত এই চুক্তিটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি প্রকাশ করি, সম্পূর্ণ জনস্বার্থে। আর এ ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস আমি হরহামেশাই করি। খলিলুর সাহেব আমাকে বলার চেষ্টা করছিলেন যে এই চুক্তি ফাঁসের কারণে তাকে অনেক সাফার করতে হয়েছে এবং আমার এই কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে এটা নাকি একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের মতো অপরাধ হয়েছে। আমিও তাকে আমার পেশাগত অবস্থান ব্যাখা করি এবং স্পষ্ট করেই জানাই পেশাগত অবস্থান থেকে আমি পেশাদারিত্বের বিষয়ে আপসহীন। এ ধরনের কাজ আমি বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ও করেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করেছি, বর্তমান সরকারের সময়ও করব, আর যতদিন এই পেশার সাথে জড়িত থাকব ততদিন করে যাব।’

২১ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৪
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাবা, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে সপরিবারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত করবেন তিনি।
জানা গেছে, বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া শেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেওয়ার পর তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফিরে আসেন।
সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ঢল নামে যমুনা প্রাঙ্গণে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ব্যক্তিদের জন্য সকাল সাড়ে আটটায় মূল ফটক উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনস্রোতে রূপ নেয়।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন, তার সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অত্যন্ত হাসিমুখে আগত অতিথিদের সঙ্গে হাত মেলান এবং ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
বরিশাল টাইমস
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাবা, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে সপরিবারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত করবেন তিনি।
জানা গেছে, বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া শেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেওয়ার পর তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফিরে আসেন।
সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ঢল নামে যমুনা প্রাঙ্গণে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ব্যক্তিদের জন্য সকাল সাড়ে আটটায় মূল ফটক উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনস্রোতে রূপ নেয়।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন, তার সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অত্যন্ত হাসিমুখে আগত অতিথিদের সঙ্গে হাত মেলান এবং ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
বরিশাল টাইমস

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১০
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ওসির গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) রাত ৮টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলংগীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আফজাল হোসেনের চাচাতো ভাই আনোয়ারের সঙ্গে আরেক চাচাতো ভাই শিপলুর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হলে এমপি পুলিশকে খবর দেয়।
রাত ৮টার দিকে কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এলংগীপাড়া যান। তখন পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে এমপির চাচাতো ভাই আনোয়ার ও শিপলু এবং তাদের লোকজন রেললাইনের পাথর এলোপাতাড়িভাবে নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়।
রাত ৯টার দিকে কুমারখালী থানা চত্বরে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, পুলিশের ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাস ভাঙা।
এ সময় কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, সংসদ সদস্যের স্বজনদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এমপির ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তখন পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে রেললাইনের পাথর নিক্ষেপ করতে থাকেন উভয়পক্ষের লোকজন। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে এমপির মুখপাত্র ও ভাতিজা আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় এমপি বাড়িতে ছিলেন না। তখন পারিবারিক বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এলাকায় এলে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আমরা চেষ্টা করছি।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ওসির গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) রাত ৮টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলংগীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আফজাল হোসেনের চাচাতো ভাই আনোয়ারের সঙ্গে আরেক চাচাতো ভাই শিপলুর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হলে এমপি পুলিশকে খবর দেয়।
রাত ৮টার দিকে কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এলংগীপাড়া যান। তখন পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে এমপির চাচাতো ভাই আনোয়ার ও শিপলু এবং তাদের লোকজন রেললাইনের পাথর এলোপাতাড়িভাবে নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়।
রাত ৯টার দিকে কুমারখালী থানা চত্বরে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, পুলিশের ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাস ভাঙা।
এ সময় কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, সংসদ সদস্যের স্বজনদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এমপির ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তখন পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে রেললাইনের পাথর নিক্ষেপ করতে থাকেন উভয়পক্ষের লোকজন। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে এমপির মুখপাত্র ও ভাতিজা আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় এমপি বাড়িতে ছিলেন না। তখন পারিবারিক বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এলাকায় এলে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আমরা চেষ্টা করছি।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৫৮
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাটির চুলা থেকে মরিয়ম (৪) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মারুয়াখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মরিয়ম ওই গ্রামের মিজানুর রহমান ও রিমা আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশু মরিয়ম। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
একই দিন ইফতারের আগে বাড়ির পাশের একটি মাটির চুলা থেকে মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মরিয়মের মামা হাবিবুর রহমান বলেন, আমার ভাগনির জন্য ঈদের নতুন জামাকাপড় কিনেছিলেন তার বাবা-মা। আমিও নতুন জামা কিনতে মার্কেটে গিয়েছিলাম। এমন সময় খবর আসে, মরিয়মকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, মরিয়মের গলায় একটি রূপার চেইন ছিল। সেই চেইন ছিনতাই করার সময় চিৎকার শুরু করে মরিয়ম। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ চুলার ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। আমরা নিষ্পাপ শিশু হত্যার বিচার চাই।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই এলাকার ইয়াছিন মিয়াকে (১৬) আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইয়াছিনের বাবা সাদ্দাম মিয়াকেও (৩৮) হেফাজতে নেয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. রবিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশু মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির গলায় থাকা রূপার চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় ইয়াছিন মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার বাবাকেও পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মাটির চুলা থেকে মরিয়ম (৪) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মারুয়াখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মরিয়ম ওই গ্রামের মিজানুর রহমান ও রিমা আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশু মরিয়ম। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
একই দিন ইফতারের আগে বাড়ির পাশের একটি মাটির চুলা থেকে মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মরিয়মের মামা হাবিবুর রহমান বলেন, আমার ভাগনির জন্য ঈদের নতুন জামাকাপড় কিনেছিলেন তার বাবা-মা। আমিও নতুন জামা কিনতে মার্কেটে গিয়েছিলাম। এমন সময় খবর আসে, মরিয়মকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, মরিয়মের গলায় একটি রূপার চেইন ছিল। সেই চেইন ছিনতাই করার সময় চিৎকার শুরু করে মরিয়ম। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ চুলার ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। আমরা নিষ্পাপ শিশু হত্যার বিচার চাই।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই এলাকার ইয়াছিন মিয়াকে (১৬) আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইয়াছিনের বাবা সাদ্দাম মিয়াকেও (৩৮) হেফাজতে নেয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. রবিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশু মরিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির গলায় থাকা রূপার চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় ইয়াছিন মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার বাবাকেও পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.