
২০ মার্চ, ২০২৬ ০০:২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক এবং ইউটিউবের জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের নিজেদের প্ল্যাটফর্মে টানতে বড় অংকের অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক। 'কন্টেন্ট ফাস্ট ট্র্যাক' প্রোগ্রামের আওতায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতি মাসে ৩ হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। গতকাল বৃহস্পতিবার মেটার এক বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসি এসব তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, ৩০০ কোটির বেশি ব্যবহারকারীর প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক জানিয়েছে যে, যাদের টিকটক বা ইউটিউবের মতো অন্য ভিডিও সাইটে ১০ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে, তাদের জন্য নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালে বিভিন্ন মনেটাইজেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে ক্রিয়েটরদের প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে মেটা।
মেটা বলছে, নতুন 'ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক' প্রোগ্রামটি মূলত ফেসবুকে নতুন কিংবা দীর্ঘ বিরতির পর ফিরতে চান এমন প্রতিষ্ঠিত ক্রিয়েটরদের জন্য নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্রিয়েটররা এই সুযোগ পাবেন।
আবেদনকারীকে টিকটক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে অন্তত ১০ লাখ ফলোয়ার থাকার প্রমাণ দিতে হবে এবং মাসে অন্তত ১৫টি রিলস বা ছোট ভিডিও পোস্ট করতে হবে।
ক্রিয়েটরদের মধ্যে যাদের ফলোয়ার ১০ লাখের কম, তারা মাসে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক এবং ইউটিউবের জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের নিজেদের প্ল্যাটফর্মে টানতে বড় অংকের অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক। 'কন্টেন্ট ফাস্ট ট্র্যাক' প্রোগ্রামের আওতায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতি মাসে ৩ হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। গতকাল বৃহস্পতিবার মেটার এক বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসি এসব তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, ৩০০ কোটির বেশি ব্যবহারকারীর প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক জানিয়েছে যে, যাদের টিকটক বা ইউটিউবের মতো অন্য ভিডিও সাইটে ১০ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে, তাদের জন্য নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালে বিভিন্ন মনেটাইজেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে ক্রিয়েটরদের প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে মেটা।
মেটা বলছে, নতুন 'ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক' প্রোগ্রামটি মূলত ফেসবুকে নতুন কিংবা দীর্ঘ বিরতির পর ফিরতে চান এমন প্রতিষ্ঠিত ক্রিয়েটরদের জন্য নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্রিয়েটররা এই সুযোগ পাবেন।
আবেদনকারীকে টিকটক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে অন্তত ১০ লাখ ফলোয়ার থাকার প্রমাণ দিতে হবে এবং মাসে অন্তত ১৫টি রিলস বা ছোট ভিডিও পোস্ট করতে হবে।
ক্রিয়েটরদের মধ্যে যাদের ফলোয়ার ১০ লাখের কম, তারা মাসে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।’

২৫ জুন, ২০২৫ ১৯:৫৩
ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বেগম আইটি জগতের বিপ্লব সাধন করছে ই লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায় নিজস্ব ক্যাম্পাসে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্রিল্যান্সিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে চলছে প্রশিক্ষণ।
যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তরের যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় বরিশাল জেলায় জানুয়ারি থেকে জুন সেশানে এখন আরতির মধ্যেই ইতোমধ্যে ৮০% প্রশিক্ষণার্থী সফলভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
এদের মধ্যে গত মার্চ থেকে জুন তিন মাসের প্রশিক্ষণে জুবায়ের রহমান শানু ২০০ ডলারের ওয়েবসাইট সার্ভিস চুক্তি সম্পন্ন করেছেন।
জুবায়ের বর্তমানে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে বরিশাল ব্রাঞ্চে অধ্যয়নরত। শুরুতে তিনি অনলাইনে নিজের দক্ষতা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও হাতে-কলমে শেখানোর পদ্ধতির ফলে অল্প সময়েই তিনি বাস্তব মার্কেটের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠেন।
এছাড়াও অনিক চন্দ্র সেন ১৩০ ডলার,মো: শাহেদ ২০০ ডলার, সাইফুল ইসলাম নাঈম লোকাল মার্কেট থেকে দশ হাজার টাকা, নাবিলা ইসলাম ১০ ডলার সহ লোগো ডিজাইন, পেইজ সেটআপ, এসইও, টি শার্ট ডিজাইন এর কাজ করে ৮০ জন প্রশিক্ষণের টি সফলভাবে জীবিকার পথে এগিয়ে চলছে।
প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ইউরোপ-আমেরিকার ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করছেন সম্পূর্ণ দূরবর্তীভাবে।
প্রতিষ্ঠানের অনেক সফল শিক্ষার্থী এখন নিজের ডিজিটাল এজেন্সি পরিচালনা করছেন এবং নতুনদের ট্রেনিং ও গাইড করছেন। এতে গড়ে উঠছে প্রান্তিক উদ্যোক্তা এবং তৈরি হচ্ছে স্থানীয় কর্মসংস্থানের নেটওয়ার্ক।
প্রতিষ্ঠানটির বিভাগীয় প্রধান কিশোর চন্দ্র বালা জানান, “আমরা শুধুমাত্র কোর্স শেষ করাই না, প্রতিটি প্রশিক্ষণার্থীকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা, মানসিক প্রস্তুতি এবং বিশ্বের বাস্তবতা সম্পর্কে প্রস্তুত করে তুলি। এটাই আমাদের ভিন্নতা।”
ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বেগম আইটি জগতের বিপ্লব সাধন করছে ই লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায় নিজস্ব ক্যাম্পাসে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্রিল্যান্সিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে চলছে প্রশিক্ষণ।
যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তরের যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় বরিশাল জেলায় জানুয়ারি থেকে জুন সেশানে এখন আরতির মধ্যেই ইতোমধ্যে ৮০% প্রশিক্ষণার্থী সফলভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
এদের মধ্যে গত মার্চ থেকে জুন তিন মাসের প্রশিক্ষণে জুবায়ের রহমান শানু ২০০ ডলারের ওয়েবসাইট সার্ভিস চুক্তি সম্পন্ন করেছেন।
জুবায়ের বর্তমানে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে বরিশাল ব্রাঞ্চে অধ্যয়নরত। শুরুতে তিনি অনলাইনে নিজের দক্ষতা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও হাতে-কলমে শেখানোর পদ্ধতির ফলে অল্প সময়েই তিনি বাস্তব মার্কেটের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠেন।
এছাড়াও অনিক চন্দ্র সেন ১৩০ ডলার,মো: শাহেদ ২০০ ডলার, সাইফুল ইসলাম নাঈম লোকাল মার্কেট থেকে দশ হাজার টাকা, নাবিলা ইসলাম ১০ ডলার সহ লোগো ডিজাইন, পেইজ সেটআপ, এসইও, টি শার্ট ডিজাইন এর কাজ করে ৮০ জন প্রশিক্ষণের টি সফলভাবে জীবিকার পথে এগিয়ে চলছে।
প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে ইউরোপ-আমেরিকার ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করছেন সম্পূর্ণ দূরবর্তীভাবে।
প্রতিষ্ঠানের অনেক সফল শিক্ষার্থী এখন নিজের ডিজিটাল এজেন্সি পরিচালনা করছেন এবং নতুনদের ট্রেনিং ও গাইড করছেন। এতে গড়ে উঠছে প্রান্তিক উদ্যোক্তা এবং তৈরি হচ্ছে স্থানীয় কর্মসংস্থানের নেটওয়ার্ক।
প্রতিষ্ঠানটির বিভাগীয় প্রধান কিশোর চন্দ্র বালা জানান, “আমরা শুধুমাত্র কোর্স শেষ করাই না, প্রতিটি প্রশিক্ষণার্থীকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা, মানসিক প্রস্তুতি এবং বিশ্বের বাস্তবতা সম্পর্কে প্রস্তুত করে তুলি। এটাই আমাদের ভিন্নতা।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.