Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:০৬
চলতি মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চলতি মাসে দেশে কয়েক দফা কালবৈশাখী, বজ্রঝড় ও তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসও দিয়েছে সংস্থাটি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, মে মাসের ১৫ তারিখের পর বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা শেষে এ পূর্বাভাস প্রকাশ করা হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মমিনুল ইসলাম জানান, মে মাসে দেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে।
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে। সেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৪০ থেকে ৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার, রংপুর বিভাগে ২৬০ থেকে ২৮০ মিলিমিটার এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। বরিশাল বিভাগে ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার এবং খুলনা বিভাগে ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
তাপমাত্রা পরিস্থিতি সম্পর্কে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১ থেকে ৩ দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু সময়ের জন্য নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে।
কৃষি আবহাওয়া সম্পর্কিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল সাড়ে ৫ ঘণ্টা থেকে সাড়ে ৭ ঘণ্টা থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমান বৃষ্টিপাত ও মাটির আর্দ্রতার পরিস্থিতি চলতি মৌসুমের কৃষিকাজের জন্য সহায়ক হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রায় সব বিভাগেই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের বিচ্যুতি দেখা গেছে বরিশাল বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৬৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে ১০৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদরা জানান, পশ্চিমা লঘুচাপ ও পূবালী বায়ুপ্রবাহের সংযোগের কারণে এপ্রিলের বিভিন্ন সময়ে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বিশেষ করে ৬ থেকে ৯ এপ্রিল এবং ২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বয়ে যায়। অনেক এলাকায় শিলাবৃষ্টিও হয়েছে।
এপ্রিল মাসে দেশের সর্বোচ্চ একদিনের বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় কিশোরগঞ্জের নিকলীতে। গত ২৮ এপ্রিল সেখানে ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। একই মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে, যেখানে ২২ এপ্রিল তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাঙ্গামাটিতে, ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চলতি মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চলতি মাসে দেশে কয়েক দফা কালবৈশাখী, বজ্রঝড় ও তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসও দিয়েছে সংস্থাটি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, মে মাসের ১৫ তারিখের পর বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা শেষে এ পূর্বাভাস প্রকাশ করা হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মমিনুল ইসলাম জানান, মে মাসে দেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে।
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে। সেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৪০ থেকে ৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার, রংপুর বিভাগে ২৬০ থেকে ২৮০ মিলিমিটার এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। বরিশাল বিভাগে ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার এবং খুলনা বিভাগে ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে দেশে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
তাপমাত্রা পরিস্থিতি সম্পর্কে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১ থেকে ৩ দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।
নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু সময়ের জন্য নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে।
কৃষি আবহাওয়া সম্পর্কিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল সাড়ে ৫ ঘণ্টা থেকে সাড়ে ৭ ঘণ্টা থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমান বৃষ্টিপাত ও মাটির আর্দ্রতার পরিস্থিতি চলতি মৌসুমের কৃষিকাজের জন্য সহায়ক হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। প্রায় সব বিভাগেই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের বিচ্যুতি দেখা গেছে বরিশাল বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৬৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে ১০৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদরা জানান, পশ্চিমা লঘুচাপ ও পূবালী বায়ুপ্রবাহের সংযোগের কারণে এপ্রিলের বিভিন্ন সময়ে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বিশেষ করে ৬ থেকে ৯ এপ্রিল এবং ২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়া বয়ে যায়। অনেক এলাকায় শিলাবৃষ্টিও হয়েছে।
এপ্রিল মাসে দেশের সর্বোচ্চ একদিনের বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় কিশোরগঞ্জের নিকলীতে। গত ২৮ এপ্রিল সেখানে ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। একই মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে, যেখানে ২২ এপ্রিল তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাঙ্গামাটিতে, ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২
হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে এক শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল তিন শিশুর। চার শিশুর সবাই ঢাকায় মারা গেছে।
এ সময়ে সারা দেশে আরও ৯৭২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ শিশুর। মোট আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৬ শিশু।
সোমবার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৫৬৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। মোট মারা গেছে ৬৫৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৮৬ হাজার ৯২৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজার ৪৬৭ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬৭ হাজার ৮৭৮ শিশু বাড়ি ফিরেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৮ জন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৩৭ জন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:০০
রংপুরের মিঠাপুকুরে চালককে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মিশুক ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের এক নারী সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। গত রবিবার (১৪ জুন) রাতে উপজেলার বালারহাট ইউনিয়নের কয়েরমারী এলাকায় এ দুর্ধর্ষ ঘটনা ঘটে।
আটক নারী ছিনতাইকারী আপি বেগম (২৬) উপজেলার আলীপুর নয়ারহাট গ্রামের মোঃ লোকমান হোসেনের স্ত্রী। এ ঘটনায় গুরুতর আহত মিশুক চালক মোঃ আক্তার হোসেনকে (৩৮) আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ৮টার দিকে বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সেরুডাঙ্গা বাজার থেকে আটক নারীসহ তিন ছিনতাইকারী যাত্রী বেশে আক্তার হোসেনের মিশুকে ওঠেন। গাড়িটি বালারহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে কয়েরমারী গ্রামের উল্লাগাড়ী পাথারের বটগাছের নিচে পৌঁছামাত্রই ছিনতাইকারীরা চালকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত আঘাত করে।
চালক আক্তার হোসেন নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে ছিনতাইকারীরা ধারালো ছোরা দিয়ে তার মাথা, ঘাড় ও বাম হাতের আঙুলে উপর্যুপরি কোপায়। রক্তাক্ত অবস্থায় চালকের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করেন।
প্রায় ৪০০ গজ দূর থেকে ছিনতাই হওয়া মিশুক গাড়িটিসহ নারী ছিনতাইকারী আপি বেগমকে হাতেনাতে ধরে ফেলে জনতা। তবে সুযোগ বুঝে তার অপর দুই সহযোগী মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৩) ও মোঃ রিয়াদ (২৩) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এদিকে নারী ছিনতাইকারী আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়দের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আটক নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক মাস ধরে মিঠাপুকুর উপজেলায় ধারাবাহিক অটো ও মিশুক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। পুলিশের একাধিক টিম মাঠে থাকলেও এই চক্রটিকে ধরা যাচ্ছিল না। এই নারী সদস্য আটকের পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদ আহমেদ জানান, আটক নারী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অটো ও মিশুক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত।
ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে এক শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল তিন শিশুর। চার শিশুর সবাই ঢাকায় মারা গেছে।
এ সময়ে সারা দেশে আরও ৯৭২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ শিশুর। মোট আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৬ শিশু।
সোমবার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৫৬৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। মোট মারা গেছে ৬৫৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৮৬ হাজার ৯২৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজার ৪৬৭ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬৭ হাজার ৮৭৮ শিশু বাড়ি ফিরেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৮ জন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৩৭ জন।
সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে দুই বছর পুরোনো এক ‘ক্লুলেস’ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই), চট্টগ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির ছেলে বেলাল হোসেনকে।
পিবিআই জানায়, নিহত মীর মুজিবুর রহমান (৬০) ছিলেন পেশায় একজন বাবুর্চি। জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের অধিকাংশ জমি বিক্রি করে দেন তিনি। শেষ বয়সে তার অবশিষ্ট ছিল কেবল বসতভিটার একটি ছোট অংশ। এই ভিটেমাটিই পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান যখন শেষ সম্বলটুকুও বিক্রির উদ্যোগ নেন, তখন বিষয়টি জানতে পারেন তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষা হয় বলে দাবি করছে তদন্ত সংস্থা।
পিবিআই আরও জানায়, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেলাল একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করান। ওই নারী ফোনালাপের মাধ্যমে মীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি ২০২৪ সালের ৭ জুন চট্টগ্রামে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বাকলিয়া এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল উপস্থিত ছিলেন বলে জানায় পিবিআই। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
অচেতন অবস্থায় মুজিবুর রহমানকে প্রথমে সিএনজি অটোরিকশায় করে সিআরবি এলাকায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে হালিশহর আউটার রিংরোড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত অনুযায়ী, চলন্ত মাইক্রোবাসেই গামছা পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ সময় বেলাল ও আবদুল জলিল ঘটনাটিতে সরাসরি অংশ নেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।
হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধার করে। পরনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং গলায় গামছা থাকলেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে অবশেষে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে পিবিআই। সোমবার চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে সহযোগীদের ভূমিকা নিয়েও আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে দুই বছর পুরোনো এক ‘ক্লুলেস’ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই), চট্টগ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির ছেলে বেলাল হোসেনকে।
পিবিআই জানায়, নিহত মীর মুজিবুর রহমান (৬০) ছিলেন পেশায় একজন বাবুর্চি। জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের অধিকাংশ জমি বিক্রি করে দেন তিনি। শেষ বয়সে তার অবশিষ্ট ছিল কেবল বসতভিটার একটি ছোট অংশ। এই ভিটেমাটিই পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান যখন শেষ সম্বলটুকুও বিক্রির উদ্যোগ নেন, তখন বিষয়টি জানতে পারেন তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষা হয় বলে দাবি করছে তদন্ত সংস্থা।
পিবিআই আরও জানায়, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেলাল একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করান। ওই নারী ফোনালাপের মাধ্যমে মীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি ২০২৪ সালের ৭ জুন চট্টগ্রামে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বাকলিয়া এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল উপস্থিত ছিলেন বলে জানায় পিবিআই। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
অচেতন অবস্থায় মুজিবুর রহমানকে প্রথমে সিএনজি অটোরিকশায় করে সিআরবি এলাকায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে হালিশহর আউটার রিংরোড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত অনুযায়ী, চলন্ত মাইক্রোবাসেই গামছা পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ সময় বেলাল ও আবদুল জলিল ঘটনাটিতে সরাসরি অংশ নেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।
হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধার করে। পরনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং গলায় গামছা থাকলেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে অবশেষে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে পিবিআই। সোমবার চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে সহযোগীদের ভূমিকা নিয়েও আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
রংপুরের মিঠাপুকুরে চালককে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মিশুক ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের এক নারী সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। গত রবিবার (১৪ জুন) রাতে উপজেলার বালারহাট ইউনিয়নের কয়েরমারী এলাকায় এ দুর্ধর্ষ ঘটনা ঘটে।
আটক নারী ছিনতাইকারী আপি বেগম (২৬) উপজেলার আলীপুর নয়ারহাট গ্রামের মোঃ লোকমান হোসেনের স্ত্রী। এ ঘটনায় গুরুতর আহত মিশুক চালক মোঃ আক্তার হোসেনকে (৩৮) আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ৮টার দিকে বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সেরুডাঙ্গা বাজার থেকে আটক নারীসহ তিন ছিনতাইকারী যাত্রী বেশে আক্তার হোসেনের মিশুকে ওঠেন। গাড়িটি বালারহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে কয়েরমারী গ্রামের উল্লাগাড়ী পাথারের বটগাছের নিচে পৌঁছামাত্রই ছিনতাইকারীরা চালকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত আঘাত করে।
চালক আক্তার হোসেন নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে ছিনতাইকারীরা ধারালো ছোরা দিয়ে তার মাথা, ঘাড় ও বাম হাতের আঙুলে উপর্যুপরি কোপায়। রক্তাক্ত অবস্থায় চালকের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করেন।
প্রায় ৪০০ গজ দূর থেকে ছিনতাই হওয়া মিশুক গাড়িটিসহ নারী ছিনতাইকারী আপি বেগমকে হাতেনাতে ধরে ফেলে জনতা। তবে সুযোগ বুঝে তার অপর দুই সহযোগী মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৩) ও মোঃ রিয়াদ (২৩) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এদিকে নারী ছিনতাইকারী আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়দের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আটক নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক মাস ধরে মিঠাপুকুর উপজেলায় ধারাবাহিক অটো ও মিশুক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। পুলিশের একাধিক টিম মাঠে থাকলেও এই চক্রটিকে ধরা যাচ্ছিল না। এই নারী সদস্য আটকের পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদ আহমেদ জানান, আটক নারী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অটো ও মিশুক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত।
ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:১৮