
১৪ মে, ২০২৬ ১২:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়ায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেল ওরফে ল্যাংটা সোহেলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোররাত ৪ টা ৫০ মিনিটের সময় বানারীপাড়া পৌরসভার সীমান্তবর্তী উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা গ্রামের বাড়িতে থানার ওসির নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক আঃ বারেকের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৭৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মাদক ব্যবসায়ী ল্যাংটা সোহেলের গ্রেপ্তারের খবরে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করে ওসিসহ থানা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, উপজেলাজুড়ে থানা পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বানারীপাড়াসহ দক্ষিণাঞ্চলের মাদক সম্রাট সোহেল অস্ত্র ,নারী নির্যাতন ও মাদক আইনে ২৪টি মামলার আসামী।
বিভিন্ন সময় র ্যাব- পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ সে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাসের পর জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও মাদক ব্যবসা অব্যাহত রাখে। তার মাদক ব্যবসার কারনে এলাকার কিশোর ও যুবসমাজ মাদকে আসক্ত হয়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে । মাদকাসক্তদের পরিবারে বইছে অশান্তির দাবানল।
বরিশালের বানারীপাড়ায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেল ওরফে ল্যাংটা সোহেলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোররাত ৪ টা ৫০ মিনিটের সময় বানারীপাড়া পৌরসভার সীমান্তবর্তী উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা গ্রামের বাড়িতে থানার ওসির নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক আঃ বারেকের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৭৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মাদক ব্যবসায়ী ল্যাংটা সোহেলের গ্রেপ্তারের খবরে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করে ওসিসহ থানা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, উপজেলাজুড়ে থানা পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোহেলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বানারীপাড়াসহ দক্ষিণাঞ্চলের মাদক সম্রাট সোহেল অস্ত্র ,নারী নির্যাতন ও মাদক আইনে ২৪টি মামলার আসামী।
বিভিন্ন সময় র ্যাব- পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ সে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাসের পর জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও মাদক ব্যবসা অব্যাহত রাখে। তার মাদক ব্যবসার কারনে এলাকার কিশোর ও যুবসমাজ মাদকে আসক্ত হয়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে । মাদকাসক্তদের পরিবারে বইছে অশান্তির দাবানল।

১৪ মে, ২০২৬ ১৩:১৬

১৩ মে, ২০২৬ ২০:৫৪

১৩ মে, ২০২৬ ২০:০৮
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সভায় এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম।
সম্মাননা ক্রেস্ট পাওয়া মো. জামাল উদ্দিন ফকির নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. ইব্রাহীম মাদক নির্মূল কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও জনমুখী করতে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদক সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
ইউএনও মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদক নির্মূল শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকেই সন্তানদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ২০০ টাকা বকশিশ না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার দুই মিনিটেই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে মৃত নারীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
মারা যাওয়া রোগী দিপালী সিকদার (৪০) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের শংকর শিকদারের স্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
দিপালীর স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে দিপালীকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসক তাকে দ্রুত ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তর করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে টানা ২ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শয্যা সংকট ও অক্সিজেন পয়েন্টের অব্যবস্থাপনার কারণে তাকে একটি ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।
দিপালীর ভাই মিলন হাওলাদার অভিযোগ করেন, দিপালী যখন অক্সিজেনের সহায়তায় বাঁচার লড়াই করছিলেন, ঠিক তখনই মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী সোহেল সেখানে হাজির হন।
পাশের অন্য এক রোগীর স্বজনরা ট্রলিটি নেওয়ার জন্য সোহেলকে ২০০ টাকা দেয়। টাকার লোভে সোহেল আমার বোনের ছটফটানি উপেক্ষা করেই অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমরা হাত-পা ধরলেও সে শোনেনি। অক্সিজেন খোলার ঠিক দুই মিনিটের মাথায় বোন মারা যায়।
এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, আমার বোনকে খুন করা হয়েছে।দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে টেনেহিঁচড়ে, মারধর করেন।
এ সময় হাসপাতালের অন্য স্টাফরা সোহেলের পক্ষ নিয়ে দিপালীর স্বজনদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ান তারা। পরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দায়িত্বরত আনসার সদস্য নিঠু রঞ্জন জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত স্বজনরা সোহেল নামের ওই কর্মচারীকে বেদম মারধর করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আমরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করি এবং তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি শান্ত করি।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বরিশালটাইমসকে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তার বেতন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ২০০ টাকা বকশিশ না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার দুই মিনিটেই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে মৃত নারীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
মারা যাওয়া রোগী দিপালী সিকদার (৪০) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের শংকর শিকদারের স্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
দিপালীর স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে দিপালীকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসক তাকে দ্রুত ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তর করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে টানা ২ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শয্যা সংকট ও অক্সিজেন পয়েন্টের অব্যবস্থাপনার কারণে তাকে একটি ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।
দিপালীর ভাই মিলন হাওলাদার অভিযোগ করেন, দিপালী যখন অক্সিজেনের সহায়তায় বাঁচার লড়াই করছিলেন, ঠিক তখনই মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী সোহেল সেখানে হাজির হন।
পাশের অন্য এক রোগীর স্বজনরা ট্রলিটি নেওয়ার জন্য সোহেলকে ২০০ টাকা দেয়। টাকার লোভে সোহেল আমার বোনের ছটফটানি উপেক্ষা করেই অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমরা হাত-পা ধরলেও সে শোনেনি। অক্সিজেন খোলার ঠিক দুই মিনিটের মাথায় বোন মারা যায়।
এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, আমার বোনকে খুন করা হয়েছে।দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে টেনেহিঁচড়ে, মারধর করেন।
এ সময় হাসপাতালের অন্য স্টাফরা সোহেলের পক্ষ নিয়ে দিপালীর স্বজনদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ান তারা। পরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দায়িত্বরত আনসার সদস্য নিঠু রঞ্জন জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত স্বজনরা সোহেল নামের ওই কর্মচারীকে বেদম মারধর করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আমরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করি এবং তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি শান্ত করি।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বরিশালটাইমসকে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তার বেতন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সভায় এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম।
সম্মাননা ক্রেস্ট পাওয়া মো. জামাল উদ্দিন ফকির নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও মো. ইব্রাহীম মাদক নির্মূল কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও জনমুখী করতে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদক সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানকারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।
ইউএনও মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদক নির্মূল শুধু প্রশাসনের একক দায়িত্ব নয়। এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকেই সন্তানদের সচেতন করে তুলতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।