পরলোকগত স্বজনদের স্মরণ, আত্মার শান্তি কামনা ও সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে বরিশালে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বার্ষিক ‘কবর আশীর্বাদ পর্ব’ পালিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন কবরস্থানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেন ক্যাথলিক, ব্যাপ্টিস্ট ও প্রটেস্ট্যান্ট মণ্ডলির অনুসারীরা।
সকাল ৯টায় নগরীর সদর রোডের সাহেবের কবরস্থানে বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে বিকেল ৩টা থেকে অন্যান্য মণ্ডলির কবরস্থানেও পৃথকভাবে আশীর্বাদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায়ের অনুসারীরা অক্সফোর্ড মিশনের অভ্যন্তরীণ কবরস্থানে সমবেত হন। সেখানে বিশপ সৌরভ ফলিয়া, রেভারেন্ড আলবার্ট হালদার, ফাদার ফ্রান্সিস পান্ডে ও ফাদার জন বিশেষ খ্রিস্টযাগ পরিচালনা করেন।
অন্যদিকে, ব্যাপ্টিস্ট সম্প্রদায়ের অনুসারীরা পালক শুকান্ত বাড়ৈর পরিচালনায় সাগরদী মেডিকেলের সামনের কবরস্থানে প্রার্থনা করেন। এ সময় স্বজনদের সমাধিতে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। একই এলাকায় দক্ষিণ পাশের কবরস্থানে ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের অনুসারীরাও বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে প্রয়াত স্বজনদের স্মরণ করেন।
প্রতি বছর ২ নভেম্বর খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে কবর আশীর্বাদ পর্ব পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আগেই স্বজনেরা তাদের প্রিয়জনদের সমাধি পরিষ্কার ও সংস্কার করেন। পরে নির্ধারিত দিনে পুরোহিত ও ধর্মযাজকেরা পবিত্র জল ছিটিয়ে কবর আশীর্বাদ করেন এবং মৃতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করেন।
এ সময় স্বজনেরা সমাধিতে ফুল দিয়ে সাজান, মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালান। প্রার্থনা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে প্রিয়জন ও পূর্বপুরুষদের স্মরণ করেন তারা।
সম্পাদনা নোট: প্রকাশের আগে ‘ফাদার জন’-এর পূর্ণ নাম এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মযাজকদের পদবি যাচাই করে নেবেন। তারিখ ও বারও মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৬
সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল বন্ধের দাবিতে বরিশালের অভ্যন্তরীণ ছয়টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন বাস মালিক ও শ্রমিকেরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে চরকাউয়া বাস টার্মিনাল থেকে এসব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার যাত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বাস টার্মিনাল থেকে ডিসি রোড, লক্ষ্মীপাশা, লাহারহাট, কাটাদিয়া, হলতা ও সিদ্দিক বাজার রুটে প্রায় ৭০টি বাস চলাচল করে। এসব রুটে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যাত্রীরা।
বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী মোটরসাইকেল ও রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। এতে তাঁদের সময় ও অর্থ—দুই-ই বেশি ব্যয় হচ্ছে।
যাত্রী সোহরাব হোসেন হাওলাদার বলেন, তিনি বরিশাল থেকে নেহালগঞ্জ যাবেন। কিন্তু বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্প পথে যেতে তাঁর কাছে বাড়তি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে।
আমেনা খাতুন নামের আরেক যাত্রী বলেন, গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টার্মিনালে এসে বাস চলাচল বন্ধ দেখতে পান। এখন বিকল্প যানবাহনে যেতে হলে তাঁকে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১ নভেম্বর) চরকাউয়া বাস টার্মিনালে বাস, অটোরিকশা ও ইজিবাইক মালিকদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বাস মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের চলাচলের কারণে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষসহ বিভিন্ন ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এসব যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
চরকাউয়া বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. স্বপন হোসেন বলেন, সোমবার সকাল থেকে তাঁরা বাস চালানোর চেষ্টা করলেও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকচালকেরা বাধা দিচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, বিক্ষুব্ধ থ্রি-হুইলার ও অটোরিকশাচালকদের দাবি, তাঁরা নিয়ম মেনেই যানবাহন চালাচ্ছেন। বাসচালকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েক দিন পরপর তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলছেন।
এদিকে, দুই পক্ষের বিরোধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়লেও বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সমাধানের খবর পাওয়া যায়নি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করে ছয়টি রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল বন্ধের দাবিতে বরিশালের অভ্যন্তরীণ ছয়টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন বাস মালিক ও শ্রমিকেরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে চরকাউয়া বাস টার্মিনাল থেকে এসব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার যাত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বাস টার্মিনাল থেকে ডিসি রোড, লক্ষ্মীপাশা, লাহারহাট, কাটাদিয়া, হলতা ও সিদ্দিক বাজার রুটে প্রায় ৭০টি বাস চলাচল করে। এসব রুটে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যাত্রীরা।
বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী মোটরসাইকেল ও রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। এতে তাঁদের সময় ও অর্থ—দুই-ই বেশি ব্যয় হচ্ছে।
যাত্রী সোহরাব হোসেন হাওলাদার বলেন, তিনি বরিশাল থেকে নেহালগঞ্জ যাবেন। কিন্তু বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্প পথে যেতে তাঁর কাছে বাড়তি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে।
আমেনা খাতুন নামের আরেক যাত্রী বলেন, গন্তব্যে যাওয়ার জন্য টার্মিনালে এসে বাস চলাচল বন্ধ দেখতে পান। এখন বিকল্প যানবাহনে যেতে হলে তাঁকে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১ নভেম্বর) চরকাউয়া বাস টার্মিনালে বাস, অটোরিকশা ও ইজিবাইক মালিকদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বাস মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের চলাচলের কারণে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষসহ বিভিন্ন ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এসব যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
চরকাউয়া বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. স্বপন হোসেন বলেন, সোমবার সকাল থেকে তাঁরা বাস চালানোর চেষ্টা করলেও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকচালকেরা বাধা দিচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, বিক্ষুব্ধ থ্রি-হুইলার ও অটোরিকশাচালকদের দাবি, তাঁরা নিয়ম মেনেই যানবাহন চালাচ্ছেন। বাসচালকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েক দিন পরপর তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলছেন।
এদিকে, দুই পক্ষের বিরোধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়লেও বাস চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সমাধানের খবর পাওয়া যায়নি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করে ছয়টি রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৩৬
ডিজিটাল দুনিয়ায় এখন তরুণদের জয়জয়কার। সাধারণ একটি স্মার্টফোন আর এক বুক সৃজনশীলতা নিয়ে যারা বদলে দিচ্ছেন বিনোদন ও তথ্যের সংজ্ঞা, তাদেরই একজন বরিশালের তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রায়হান আবির। নিজের অনন্য নির্মাণশৈলী, চিন্তাভাবনা আর পরিশ্রমের জোরে তিনি এবার জায়গা করে নিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আয়োজিত জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’র ফাইনাল রাউন্ডে।
সারাদেশের হাজারো প্রতিভাবান কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পেছনে ফেলে সেরা ২৫ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাওয়া রায়হান আবিরের এই অর্জন কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বরিশালের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা।
বরিশালের স্থানীয় আবহাওয়া ও সংস্কৃতিতে বড় হওয়া রায়হান আবির সবসময় একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করতে ভালোবাসতেন। চারপাশের চেনা গল্পগুলোকে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার নেশাটা তার বেশ পুরোনো। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো বড় একাডেমি বা দামি গ্যাজেট ছাড়াই কেবল মেধা ও একাগ্রতাকে পুঁজি করে শুরু হয়েছিল তার এই যাত্রা। ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণের কঠিন প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।
দেশের সম্ভাবনাময় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের খুঁজে বের করতে এবং তাদের পেশাদারিত্বের আঙিনায় দক্ষ করে তুলতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আয়োজন করে এই রিয়েলিটি শো। কয়েক হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে ধাপে ধাপে বিভিন্ন জটিল টাস্ক বা ‘চ্যালেঞ্জ’ পার হয়ে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রাখেন আবির। স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং থেকে শুরু করে ক্যামেরার সামনে অনন্য উপস্থাপনা-সবখানেই বিচারকদের মন জয় করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন তিনি।
প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব নিয়ে দারুণ আশাবাদী রায়হান আবির। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি জানান, এটি তার জন্য একটি বড় পরীক্ষা এবং একই সাথে শেখার দারুণ এক সুযোগ। ফাইনাল রাউন্ডে আরও চমকপ্রদ ও সৃজনশীল কনটেন্ট উপহার দিয়ে তিনি কেবল বরিশাল নয়, পুরো দেশের দর্শকদের মন জয় করতে চান।
নিজের মেধা, সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের ডিজিটাল কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে আরও বড় পরিসরে অবদান রাখার প্রত্যাশা করছেন রায়হান আবির।
ডিজিটাল দুনিয়ায় এখন তরুণদের জয়জয়কার। সাধারণ একটি স্মার্টফোন আর এক বুক সৃজনশীলতা নিয়ে যারা বদলে দিচ্ছেন বিনোদন ও তথ্যের সংজ্ঞা, তাদেরই একজন বরিশালের তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রায়হান আবির। নিজের অনন্য নির্মাণশৈলী, চিন্তাভাবনা আর পরিশ্রমের জোরে তিনি এবার জায়গা করে নিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আয়োজিত জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’র ফাইনাল রাউন্ডে।
সারাদেশের হাজারো প্রতিভাবান কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পেছনে ফেলে সেরা ২৫ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাওয়া রায়হান আবিরের এই অর্জন কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বরিশালের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা।
বরিশালের স্থানীয় আবহাওয়া ও সংস্কৃতিতে বড় হওয়া রায়হান আবির সবসময় একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করতে ভালোবাসতেন। চারপাশের চেনা গল্পগুলোকে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার নেশাটা তার বেশ পুরোনো। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো বড় একাডেমি বা দামি গ্যাজেট ছাড়াই কেবল মেধা ও একাগ্রতাকে পুঁজি করে শুরু হয়েছিল তার এই যাত্রা। ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণের কঠিন প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।
দেশের সম্ভাবনাময় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের খুঁজে বের করতে এবং তাদের পেশাদারিত্বের আঙিনায় দক্ষ করে তুলতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ আয়োজন করে এই রিয়েলিটি শো। কয়েক হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে ধাপে ধাপে বিভিন্ন জটিল টাস্ক বা ‘চ্যালেঞ্জ’ পার হয়ে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রাখেন আবির। স্ক্রিপ্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং থেকে শুরু করে ক্যামেরার সামনে অনন্য উপস্থাপনা-সবখানেই বিচারকদের মন জয় করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন তিনি।
প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব নিয়ে দারুণ আশাবাদী রায়হান আবির। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি জানান, এটি তার জন্য একটি বড় পরীক্ষা এবং একই সাথে শেখার দারুণ এক সুযোগ। ফাইনাল রাউন্ডে আরও চমকপ্রদ ও সৃজনশীল কনটেন্ট উপহার দিয়ে তিনি কেবল বরিশাল নয়, পুরো দেশের দর্শকদের মন জয় করতে চান।
নিজের মেধা, সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের ডিজিটাল কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে আরও বড় পরিসরে অবদান রাখার প্রত্যাশা করছেন রায়হান আবির।

০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:১১
বিয়ের মাত্র ১৭ দিন। নতুন সংসার, নতুন স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ ঘিরে নানা প্রত্যাশা। এর মধ্যেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নববধূর। বরিশালের বাকেরগঞ্জে ওই নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁর দুলাভাই ও চাচা শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী গ্রামের মো. ইমরান প্যাদা ও রাকিব প্যাদা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর রাতে নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে নববধূকে বাজারে নিয়ে যান ইমরান প্যাদা। কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নির্জন স্থানে নিয়ে ইমরান ও রাকিব মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
এ ঘটনার পর আইনি প্রতিকার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন ওই নারী। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ৩০ অক্টোবর বাকেরগঞ্জ থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন তিনি।
মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে পুলিশের অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিয়ের অল্প দিনের মাথায় এমন অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নববধূর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
বিয়ের মাত্র ১৭ দিন। নতুন সংসার, নতুন স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ ঘিরে নানা প্রত্যাশা। এর মধ্যেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নববধূর। বরিশালের বাকেরগঞ্জে ওই নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁর দুলাভাই ও চাচা শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী গ্রামের মো. ইমরান প্যাদা ও রাকিব প্যাদা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর রাতে নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে নববধূকে বাজারে নিয়ে যান ইমরান প্যাদা। কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নির্জন স্থানে নিয়ে ইমরান ও রাকিব মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
এ ঘটনার পর আইনি প্রতিকার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন ওই নারী। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ৩০ অক্টোবর বাকেরগঞ্জ থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন তিনি।
মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে পুলিশের অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিয়ের অল্প দিনের মাথায় এমন অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নববধূর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৩২
পরলোকগত স্বজনদের স্মরণ, আত্মার শান্তি কামনা ও সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে বরিশালে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বার্ষিক ‘কবর আশীর্বাদ পর্ব’ পালিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন কবরস্থানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেন ক্যাথলিক, ব্যাপ্টিস্ট ও প্রটেস্ট্যান্ট মণ্ডলির অনুসারীরা।
সকাল ৯টায় নগরীর সদর রোডের সাহেবের কবরস্থানে বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে বিকেল ৩টা থেকে অন্যান্য মণ্ডলির কবরস্থানেও পৃথকভাবে আশীর্বাদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায়ের অনুসারীরা অক্সফোর্ড মিশনের অভ্যন্তরীণ কবরস্থানে সমবেত হন। সেখানে বিশপ সৌরভ ফলিয়া, রেভারেন্ড আলবার্ট হালদার, ফাদার ফ্রান্সিস পান্ডে ও ফাদার জন বিশেষ খ্রিস্টযাগ পরিচালনা করেন।
অন্যদিকে, ব্যাপ্টিস্ট সম্প্রদায়ের অনুসারীরা পালক শুকান্ত বাড়ৈর পরিচালনায় সাগরদী মেডিকেলের সামনের কবরস্থানে প্রার্থনা করেন। এ সময় স্বজনদের সমাধিতে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। একই এলাকায় দক্ষিণ পাশের কবরস্থানে ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের অনুসারীরাও বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে প্রয়াত স্বজনদের স্মরণ করেন।
প্রতি বছর ২ নভেম্বর খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে কবর আশীর্বাদ পর্ব পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আগেই স্বজনেরা তাদের প্রিয়জনদের সমাধি পরিষ্কার ও সংস্কার করেন। পরে নির্ধারিত দিনে পুরোহিত ও ধর্মযাজকেরা পবিত্র জল ছিটিয়ে কবর আশীর্বাদ করেন এবং মৃতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করেন।
এ সময় স্বজনেরা সমাধিতে ফুল দিয়ে সাজান, মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালান। প্রার্থনা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে প্রিয়জন ও পূর্বপুরুষদের স্মরণ করেন তারা।
সম্পাদনা নোট: প্রকাশের আগে ‘ফাদার জন’-এর পূর্ণ নাম এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মযাজকদের পদবি যাচাই করে নেবেন। তারিখ ও বারও মিলিয়ে নেওয়া ভালো।
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৩২
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩৫
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৩৬