বরিশাল মিডিয়ার নেতৃত্ব দেওয়ার নামে সেচ্ছাচারিতা ও বিরোধী মনোস্কদের কোনঠাসা করে দীর্ঘদিনে প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে তরুণরা ফুঁসে ওঠায় তাদের দমনে এখন নেওয়া হয়েছে দুই পরিকল্পনা। একদিকে মামলা দিয়ে দৌড়ের ওপর রাখা পাশাপাশি তরুণদের কর্মক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠান কর্ণধরদের দ্বারা চাকরিচ্যুৎ করার এই নীল নকশা বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
বরিশাল মিডিয়ার কথিত ‘ভগবান’ একজন সাংবাদিক নেতার মস্তিস্ক থেকে আবিস্কৃত ওই পরিকল্পনায় আজ সোমবার দুপুরে দুই তরুণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গল্প-কাহিনী সাজানো এই মামলার এজাহারে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, বিচার-বিশ্লেষণ করলে বাদী যে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে তা প্রতীয়মাণ হচ্ছে।
একদিন আগে রোববার বরিশালের একই আদালতে ‘নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল’র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক খন্দকার রাকিব বাদী হয়ে ৫ জনের নামোল্লেখ করে মামলা দায়েরের পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই কাউন্টার মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, সাংবাদিক হাসিব-রাকিবকে আসামি করে সোমবারে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী সোহরাব হোসেনের অভিযোগ হচ্ছে, তার পুত্র আল আমিন সাগরের কাছে চাঁদার প্রেক্ষাপটে তিনি এই আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
অথচ ঘটনার সূত্রপাত সেই ০১ সেপ্টেম্বর নগরীর স্বরোডে একজন নারীর অনুরোধে নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল’র সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার বাসার সামনে উপস্থিত হলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বিতর্কিত সাংবাদিক নেতা এসএম জাকির হোসেনর বেশ কয়েকজন অনুসারী অবরুদ্ধ করে। খবর পেয়ে খন্দকার রাকিব সেখানে যাওয়া মাত্রা তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়।
এই হামলার পেছনের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হয়েছে জাকিরসহ ৬ জনকে আসামি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে খন্দকার রাকিব মামলা করায় তাকে শায়েস্তা করতেই হাসিবকে ডেকে নিয়ে একটি ফাঁদ পাতা হয়েছিল। যাতে একদিকে হাসিবকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা অন্যদিকে রাকিবকে শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হামলায় অংশগ্রহণকারীরা জাকিরের অনুসারী হিসেবে চিহ্নিত এবং একজন যুবক ব্যতিত সকলে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ধ্যারাতের ওই ঘটনা গভীর রাতে সমাপ্তি টানার পরদিন জাকির তার নতুন সংগঠন প্রকাশক-সম্পাদক পরিষদের বৈঠক ডেকে দুই তরুণের বিরুদ্ধে নৈতিবাচক সংবাদ প্রকাশে সিদ্ধান্ত নেয়।
দেখা গেছে- পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের সমর্থিত বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের উল্লেখ করা হয়েছে তানিয়া নামক এক নারীরে একজন যুবকের পক্ষে চাপ সৃষ্টি করতেই হাসিব-রাকিবের সেখানে উপস্থিতি ঘটে। অথচ আজ সোমবার দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে ওই নারীর কাছে হাসিব-রাকিব ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে ব্যর্থ হয় আল আমিন সাগর নামক এক যুবক প্রতিবাদ করায়। একপর্যায়ে ওই যুবককে ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করলে সেখানে সংঘাতে সৃষ্টি হয়। এবং আল আমিন সাগরকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
মামলার এজাহারের সাথে ঘটনার পরদিন প্রকাশিত সংবাদের বেমিল খুঁজে পাওয়ায় অনেকের ধারণা খোড়া অজুহাতে থানায় মামলা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর আদালতে মিথ্যাচারের মাধ্যমে আইনে আশ্রয় নিতে কৌশল নিয়েছে প্রতিপক্ষ। সেখানে মামলার বাদী আল আমিন সাগরের পিতা সোহরাব হোসেন সমুলে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে আদালতের সাথে এক ধরনের প্রতারণা করল।
এদিকে খবর পাওয়া গেছে, বিদ্রোহী তরুণেরা জাকিরসহ কথিত সেই ‘ভগবান’র সাংবাদিকদের প্রতি অনাচারের কারণে মিডিয়ার মধ্যে চলমান বিভাজনে মূলত তরুণদের সাথে পেরে না ওঠায় এখন তাদের কর্মস্থল টার্গেট করে চাকরিচ্যুত করার আরেকটি পরিকল্পনায় হয়েছে। তার আলামত হচ্ছে, ওই দিনের ঘটনার সূত্রপাত টেনে সাংবাদিক নেতা জাকির প্রসঙ্গে দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকায় একটি তথ্যবহুল দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তার কৈফিয়ত চেয়ে উকিল নোটিস পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে ডাকযোগে আসা ওই নোটিসে প্রতিবেদক মো. আসাদুজ্জামানসহ পত্রিকা মালিকপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, নচেৎ তারা আইনের আশ্রয় নেওয়ার এক ধরনের সতর্ক বার্তা জানিয়েছে নোটিসদাতা এসএম জাকির হোসেনের পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান।
এদিকে আরেকটি সূত্র বলছে, হাসিবুল ইসলামের কর্মক্ষেত্র জাতীয় দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকা কর্তৃপক্ষের সাথেও ওই মহলটি যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, যাতে তাকে চাকরিচ্যুৎ করা যায়। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘ একটি অভিযোগপত্র সাজিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা মিসাইল আকারে ওই পত্রিকা দপ্তরে নিক্ষেপে সুযোগের অপেক্ষমান রয়েছে। উল্লেখ্য হাসিব ওই দৈনিক পত্রিকাটির প্রকাশলগ্ন থেকে বরিশাল ব্যুরো চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, প্রবীণদের সাথে নবীণদের এই নীতিগত দ্বন্দ্বে সামাজিক-প্রশাসনিক মহল বিস্মিত এবং মৌনভাবে নিন্দা প্রকাশ করলেও নেতৃত্ব ধরে রাখাসহ প্রতিশোধ নেওয়ার স্বার্থে তারা সমঝোতা বা নমনীয় হতে নারাজ। বরং কিভাবে বিদ্রোহী তরুণদের দমন করা যায়, এনিয়ে দফায় দফায় বৈঠক অব্যাহত রেখেছে কথিত ‘ভগবাগরুপী’ এক সাংবাদিক নেতার পত্রিকা কার্যালয়ে, যাকে কী না মাজার হিসেবে এখন আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
সেই সূত্রটি জানায়, আজ সন্ধ্যায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং আগামীর পরিকল্পনা কি হবে তা নিয়ে সেই মাজারে বৈঠক ডাকা হয়েছে। সম্ভবত অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে এসএম জাকিরের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত এজাহারটি থানায় মামলা গ্রহণ পরবর্তী যাতে আসামিদের হয়রানি না করা হয়, সে লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রভাবিত প্রাথমিক প্রস্তাব রয়েছে।
তাছাড়া তাদের পক্ষের মামলার দুই আসামি হাসিব-রাকিবকে যেকোন পন্থায় আটকে পুলিশকে চাপের মধ্যে রাখার ছক আঁকা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ, একদিনের ব্যবধানে পাল্টাপাল্টি দুটি মামলার এজাহার থানা পুলিশকে গ্রহণে বিচারকের নির্দেশনামা আজ বিকেল নাগাদ কাউনিয়া থানায় পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বরিশাল মিডিয়ার এই বিভাজনের লড়াই এবং নেতৃত্ব থাকা ব্যক্তি-বর্গের অতীত ইতিহাস অবগত ও স্বরোডের ওই হামলার ঘটনায় তারা বিব্রতকর পরিস্থিতির মাঝে কৌশলী পন্থা গ্রহণ করেছে। যাতে কোন পক্ষই নাখোশ না হয়। কিন্তু কথিত সেই ‘ভগবানরুপী’ সাংবাদিক নেতা লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যেমন যোগাযোগ রাখছেন, তেমনই তাদের স্বপক্ষে অন্তত ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় একটি অংশকে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে বিভিন্ন দরজায় কড়া নাড়ছেন।
তাদের ভেতরকার আরেকটি সূত্র আভাস দিয়ে বলছে, তরুণরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠার পেছনে কারা সাহস যুগিয়েছে এবং অর্থের যোগান কিভাবে আসছে তা নির্ণয় করে সেই পথ রোধে বেশ কয়েকজন গুপ্তচরকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এসব খবর আর গোপন থাকছে না। ফলে বরিশালের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও প্রগতিশীল ধারার সংবাদকর্মীরা এখন ক্রমান্বয়ে তরুণদের পক্ষে সমর্থন দিতে শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এভাবে বিভাজনের রেখা দীর্ঘায়িত হলে কলম রেখে সংঘাত-রক্তপাত অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে, এমনটিই চাচ্ছেন নেতৃত্ব অভিলাসী চক্রটি।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১০:০৩

২৯ মে, ২০২৫ ১৬:৩৫
বরিশাল মিডিয়ার নেতৃত্ব দেওয়ার নামে সেচ্ছাচারিতা ও বিরোধী মনোস্কদের কোনঠাসা করে দীর্ঘদিনে প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে তরুণরা ফুঁসে ওঠায় তাদের দমনে এখন নেওয়া হয়েছে দুই পরিকল্পনা। একদিকে মামলা দিয়ে দৌড়ের ওপর রাখা পাশাপাশি তরুণদের কর্মক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠান কর্ণধরদের দ্বারা চাকরিচ্যুৎ করার এই নীল নকশা বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
বরিশাল মিডিয়ার কথিত ‘ভগবান’ একজন সাংবাদিক নেতার মস্তিস্ক থেকে আবিস্কৃত ওই পরিকল্পনায় আজ সোমবার দুপুরে দুই তরুণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গল্প-কাহিনী সাজানো এই মামলার এজাহারে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, বিচার-বিশ্লেষণ করলে বাদী যে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে তা প্রতীয়মাণ হচ্ছে।
একদিন আগে রোববার বরিশালের একই আদালতে ‘নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল’র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক খন্দকার রাকিব বাদী হয়ে ৫ জনের নামোল্লেখ করে মামলা দায়েরের পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই কাউন্টার মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, সাংবাদিক হাসিব-রাকিবকে আসামি করে সোমবারে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী সোহরাব হোসেনের অভিযোগ হচ্ছে, তার পুত্র আল আমিন সাগরের কাছে চাঁদার প্রেক্ষাপটে তিনি এই আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
অথচ ঘটনার সূত্রপাত সেই ০১ সেপ্টেম্বর নগরীর স্বরোডে একজন নারীর অনুরোধে নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল’র সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার বাসার সামনে উপস্থিত হলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বিতর্কিত সাংবাদিক নেতা এসএম জাকির হোসেনর বেশ কয়েকজন অনুসারী অবরুদ্ধ করে। খবর পেয়ে খন্দকার রাকিব সেখানে যাওয়া মাত্রা তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়।
এই হামলার পেছনের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হয়েছে জাকিরসহ ৬ জনকে আসামি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে খন্দকার রাকিব মামলা করায় তাকে শায়েস্তা করতেই হাসিবকে ডেকে নিয়ে একটি ফাঁদ পাতা হয়েছিল। যাতে একদিকে হাসিবকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা অন্যদিকে রাকিবকে শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হামলায় অংশগ্রহণকারীরা জাকিরের অনুসারী হিসেবে চিহ্নিত এবং একজন যুবক ব্যতিত সকলে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ধ্যারাতের ওই ঘটনা গভীর রাতে সমাপ্তি টানার পরদিন জাকির তার নতুন সংগঠন প্রকাশক-সম্পাদক পরিষদের বৈঠক ডেকে দুই তরুণের বিরুদ্ধে নৈতিবাচক সংবাদ প্রকাশে সিদ্ধান্ত নেয়।
দেখা গেছে- পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের সমর্থিত বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের উল্লেখ করা হয়েছে তানিয়া নামক এক নারীরে একজন যুবকের পক্ষে চাপ সৃষ্টি করতেই হাসিব-রাকিবের সেখানে উপস্থিতি ঘটে। অথচ আজ সোমবার দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে ওই নারীর কাছে হাসিব-রাকিব ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে ব্যর্থ হয় আল আমিন সাগর নামক এক যুবক প্রতিবাদ করায়। একপর্যায়ে ওই যুবককে ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করলে সেখানে সংঘাতে সৃষ্টি হয়। এবং আল আমিন সাগরকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
মামলার এজাহারের সাথে ঘটনার পরদিন প্রকাশিত সংবাদের বেমিল খুঁজে পাওয়ায় অনেকের ধারণা খোড়া অজুহাতে থানায় মামলা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পর আদালতে মিথ্যাচারের মাধ্যমে আইনে আশ্রয় নিতে কৌশল নিয়েছে প্রতিপক্ষ। সেখানে মামলার বাদী আল আমিন সাগরের পিতা সোহরাব হোসেন সমুলে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে আদালতের সাথে এক ধরনের প্রতারণা করল।
এদিকে খবর পাওয়া গেছে, বিদ্রোহী তরুণেরা জাকিরসহ কথিত সেই ‘ভগবান’র সাংবাদিকদের প্রতি অনাচারের কারণে মিডিয়ার মধ্যে চলমান বিভাজনে মূলত তরুণদের সাথে পেরে না ওঠায় এখন তাদের কর্মস্থল টার্গেট করে চাকরিচ্যুত করার আরেকটি পরিকল্পনায় হয়েছে। তার আলামত হচ্ছে, ওই দিনের ঘটনার সূত্রপাত টেনে সাংবাদিক নেতা জাকির প্রসঙ্গে দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল পত্রিকায় একটি তথ্যবহুল দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তার কৈফিয়ত চেয়ে উকিল নোটিস পাঠানো হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে ডাকযোগে আসা ওই নোটিসে প্রতিবেদক মো. আসাদুজ্জামানসহ পত্রিকা মালিকপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, নচেৎ তারা আইনের আশ্রয় নেওয়ার এক ধরনের সতর্ক বার্তা জানিয়েছে নোটিসদাতা এসএম জাকির হোসেনের পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান।
এদিকে আরেকটি সূত্র বলছে, হাসিবুল ইসলামের কর্মক্ষেত্র জাতীয় দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকা কর্তৃপক্ষের সাথেও ওই মহলটি যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, যাতে তাকে চাকরিচ্যুৎ করা যায়। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘ একটি অভিযোগপত্র সাজিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা মিসাইল আকারে ওই পত্রিকা দপ্তরে নিক্ষেপে সুযোগের অপেক্ষমান রয়েছে। উল্লেখ্য হাসিব ওই দৈনিক পত্রিকাটির প্রকাশলগ্ন থেকে বরিশাল ব্যুরো চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, প্রবীণদের সাথে নবীণদের এই নীতিগত দ্বন্দ্বে সামাজিক-প্রশাসনিক মহল বিস্মিত এবং মৌনভাবে নিন্দা প্রকাশ করলেও নেতৃত্ব ধরে রাখাসহ প্রতিশোধ নেওয়ার স্বার্থে তারা সমঝোতা বা নমনীয় হতে নারাজ। বরং কিভাবে বিদ্রোহী তরুণদের দমন করা যায়, এনিয়ে দফায় দফায় বৈঠক অব্যাহত রেখেছে কথিত ‘ভগবাগরুপী’ এক সাংবাদিক নেতার পত্রিকা কার্যালয়ে, যাকে কী না মাজার হিসেবে এখন আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
সেই সূত্রটি জানায়, আজ সন্ধ্যায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং আগামীর পরিকল্পনা কি হবে তা নিয়ে সেই মাজারে বৈঠক ডাকা হয়েছে। সম্ভবত অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে এসএম জাকিরের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত এজাহারটি থানায় মামলা গ্রহণ পরবর্তী যাতে আসামিদের হয়রানি না করা হয়, সে লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রভাবিত প্রাথমিক প্রস্তাব রয়েছে।
তাছাড়া তাদের পক্ষের মামলার দুই আসামি হাসিব-রাকিবকে যেকোন পন্থায় আটকে পুলিশকে চাপের মধ্যে রাখার ছক আঁকা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ, একদিনের ব্যবধানে পাল্টাপাল্টি দুটি মামলার এজাহার থানা পুলিশকে গ্রহণে বিচারকের নির্দেশনামা আজ বিকেল নাগাদ কাউনিয়া থানায় পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বরিশাল মিডিয়ার এই বিভাজনের লড়াই এবং নেতৃত্ব থাকা ব্যক্তি-বর্গের অতীত ইতিহাস অবগত ও স্বরোডের ওই হামলার ঘটনায় তারা বিব্রতকর পরিস্থিতির মাঝে কৌশলী পন্থা গ্রহণ করেছে। যাতে কোন পক্ষই নাখোশ না হয়। কিন্তু কথিত সেই ‘ভগবানরুপী’ সাংবাদিক নেতা লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যেমন যোগাযোগ রাখছেন, তেমনই তাদের স্বপক্ষে অন্তত ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় একটি অংশকে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে বিভিন্ন দরজায় কড়া নাড়ছেন।
তাদের ভেতরকার আরেকটি সূত্র আভাস দিয়ে বলছে, তরুণরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠার পেছনে কারা সাহস যুগিয়েছে এবং অর্থের যোগান কিভাবে আসছে তা নির্ণয় করে সেই পথ রোধে বেশ কয়েকজন গুপ্তচরকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এসব খবর আর গোপন থাকছে না। ফলে বরিশালের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও প্রগতিশীল ধারার সংবাদকর্মীরা এখন ক্রমান্বয়ে তরুণদের পক্ষে সমর্থন দিতে শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এভাবে বিভাজনের রেখা দীর্ঘায়িত হলে কলম রেখে সংঘাত-রক্তপাত অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে, এমনটিই চাচ্ছেন নেতৃত্ব অভিলাসী চক্রটি।’
স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়ার, তাকে রুখবার সাধ্য কার? পাইলট হয়ে আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন তার। দেশের সম্মানকে নিয়ে যেতে চায় সে অনন্য উচ্চতায়। সেই স্বপ্ন জয়ের দুর্গম পথের প্রথম ধাপটি সফলতা এবং গৌরবের সাথেই অতিক্রম করেছে বাবুগঞ্জের আদিবা।
আদিবার পুরো নাম আদিবা ইসলাম আমেনা। সে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। ক্লাসেও তার রোল ছিল এক। সেরাদের সেরা এই অদম্য মেধাবী আদিবা ইসলাম আমেনা বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আজিজুল হক ও গৃহিণী অনামিকা আক্তার লিজা দম্পতির বড় সন্তান।
দেশের এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা সে পেয়েছে তার বাবার কাছ থেকেই। বাবা আজিজুল হকের বর্তমান পেশা শিক্ষকতা, সমাজসেবা এবং রাজনীতি। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য। রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিজেকে বিকশিত করার ক্ষমতা জন্মসূত্রেই পেয়েছে আদিবা। তাইতো ক্লাসেও সে অলরাউন্ডার।
পড়াশোনায় নাম্বার ওয়ান হওয়ার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা কিংবা খেলাধুলা, সবকিছুতেই সমান পারদর্শী আদিবা। প্রতিভাময়ী এই বালিকা স্বপ্ন দেখে বিমান নিয়ে আকাশে ডানা মেলার। আকাশের সীমানা অতিক্রম করার স্বপ্ন তার দু'চোখে। তাকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠী আর শিক্ষকমণ্ডলীও।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ আমিনা বলেন, 'আমার প্রিয় ছাত্রী আদিবা যেমন মেধাবী তেমনি পরিশ্রমী। সে পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শিক্ষকদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। সে তার প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে এবছর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে একদিন অনেক বড় হয়ে তার আকাশে ওড়ার স্বপ্ন জয় করবে এবং বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত উজ্জ্বল নক্ষত্র। আদিবাও একদিন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ের গৌরব হবে বলে বিশ্বাস করি।'
আদিবার বাবা সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুল হক বলেন, 'আমার দুই মেয়ের মধ্যে আদিবা বড়। সে এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এটা তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক অর্জনের স্বীকৃতি। এই অর্জনে তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকমণ্ডলীসহ যারা তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দোয়া করেছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সে বড় হয়ে বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চায়। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন তার স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারে।'
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী আদিবা ইসলাম আমেনা তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমার এই সাফল্যের অংশীদার আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। তাদের বিভিন্ন আদেশ-উপদেশ, পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনাই আমার সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি তাদের প্রতি চিরঋণী। আমি বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চাই। আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।' #
স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়ার, তাকে রুখবার সাধ্য কার? পাইলট হয়ে আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন তার। দেশের সম্মানকে নিয়ে যেতে চায় সে অনন্য উচ্চতায়। সেই স্বপ্ন জয়ের দুর্গম পথের প্রথম ধাপটি সফলতা এবং গৌরবের সাথেই অতিক্রম করেছে বাবুগঞ্জের আদিবা।
আদিবার পুরো নাম আদিবা ইসলাম আমেনা। সে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। ক্লাসেও তার রোল ছিল এক। সেরাদের সেরা এই অদম্য মেধাবী আদিবা ইসলাম আমেনা বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আজিজুল হক ও গৃহিণী অনামিকা আক্তার লিজা দম্পতির বড় সন্তান।
দেশের এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা সে পেয়েছে তার বাবার কাছ থেকেই। বাবা আজিজুল হকের বর্তমান পেশা শিক্ষকতা, সমাজসেবা এবং রাজনীতি। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য। রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিজেকে বিকশিত করার ক্ষমতা জন্মসূত্রেই পেয়েছে আদিবা। তাইতো ক্লাসেও সে অলরাউন্ডার।
পড়াশোনায় নাম্বার ওয়ান হওয়ার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা কিংবা খেলাধুলা, সবকিছুতেই সমান পারদর্শী আদিবা। প্রতিভাময়ী এই বালিকা স্বপ্ন দেখে বিমান নিয়ে আকাশে ডানা মেলার। আকাশের সীমানা অতিক্রম করার স্বপ্ন তার দু'চোখে। তাকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠী আর শিক্ষকমণ্ডলীও।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ আমিনা বলেন, 'আমার প্রিয় ছাত্রী আদিবা যেমন মেধাবী তেমনি পরিশ্রমী। সে পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শিক্ষকদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। সে তার প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে এবছর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে একদিন অনেক বড় হয়ে তার আকাশে ওড়ার স্বপ্ন জয় করবে এবং বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত উজ্জ্বল নক্ষত্র। আদিবাও একদিন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ের গৌরব হবে বলে বিশ্বাস করি।'
আদিবার বাবা সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুল হক বলেন, 'আমার দুই মেয়ের মধ্যে আদিবা বড়। সে এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এটা তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক অর্জনের স্বীকৃতি। এই অর্জনে তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকমণ্ডলীসহ যারা তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দোয়া করেছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সে বড় হয়ে বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চায়। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন তার স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারে।'
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী আদিবা ইসলাম আমেনা তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমার এই সাফল্যের অংশীদার আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। তাদের বিভিন্ন আদেশ-উপদেশ, পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনাই আমার সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি তাদের প্রতি চিরঋণী। আমি বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চাই। আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।' #
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
আবহমান বাংলার মধুমাস বলে খ্যাত জ্যৈষ্ঠের দেশীয় বিভিন্ন ফল দিয়ে বাবুগঞ্জে মধুমাস উৎসব-২০২৬'এর বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক পিএলসি'র বাবুগঞ্জ শাখার উদ্যোগে রোববার প্রধান অতিথি হিসেবে ওই মধুমাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অন্যতম সম্মানিত গ্রাহক বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের বরিশাল প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার ইব্রাহিম খলিল ও বাবুগঞ্জ শাখার ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদা আক্তার, সাধনা রায় চৌধুরী, শিশির কুমার চক্রবর্তী, আলী হাসান আকন, মাসুদ পারভেজ, মরিয়ম বেগম, ডেন্টিস্ট সোহেল রানা, ব্যবসায়ী ফয়েজ হোসেন, ইব্রাহিম খান প্রমুখ।
মধুমাস উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের স্বনামধন্য ও নির্ভরযোগ্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর প্রায় ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। ব্যাংকটির গত অর্ধশতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় নানান অর্জন রয়েছে। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যাংকটির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তাছাড়া গ্রাহকদের সম্মানে প্রতিবছর তারা দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের সমারোহে মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে। এমন উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করে। দেশের মাটি ও মানুষের আস্থার ব্যাংকে পরিনত হোক আইএফআইসি।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'গ্রাহক সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। সেবার মান ও গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে দেশে ১৪০০'এর অধিক শাখা-উপশাখা নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদের ব্যাংক। প্রতিবছর আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের সম্মানে আমরা মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের যেসব সম্মানিত গ্রাহকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে মধুমাস উৎসবকে সার্থক করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশাকরি এভাবেই সবাই পাশে থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের আগামীর গৌরবময় পথচলার সাথী হবেন।' #
আবহমান বাংলার মধুমাস বলে খ্যাত জ্যৈষ্ঠের দেশীয় বিভিন্ন ফল দিয়ে বাবুগঞ্জে মধুমাস উৎসব-২০২৬'এর বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক পিএলসি'র বাবুগঞ্জ শাখার উদ্যোগে রোববার প্রধান অতিথি হিসেবে ওই মধুমাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অন্যতম সম্মানিত গ্রাহক বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের বরিশাল প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার ইব্রাহিম খলিল ও বাবুগঞ্জ শাখার ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদা আক্তার, সাধনা রায় চৌধুরী, শিশির কুমার চক্রবর্তী, আলী হাসান আকন, মাসুদ পারভেজ, মরিয়ম বেগম, ডেন্টিস্ট সোহেল রানা, ব্যবসায়ী ফয়েজ হোসেন, ইব্রাহিম খান প্রমুখ।
মধুমাস উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের স্বনামধন্য ও নির্ভরযোগ্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর প্রায় ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। ব্যাংকটির গত অর্ধশতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় নানান অর্জন রয়েছে। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যাংকটির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তাছাড়া গ্রাহকদের সম্মানে প্রতিবছর তারা দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের সমারোহে মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে। এমন উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করে। দেশের মাটি ও মানুষের আস্থার ব্যাংকে পরিনত হোক আইএফআইসি।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'গ্রাহক সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। সেবার মান ও গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে দেশে ১৪০০'এর অধিক শাখা-উপশাখা নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদের ব্যাংক। প্রতিবছর আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের সম্মানে আমরা মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের যেসব সম্মানিত গ্রাহকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে মধুমাস উৎসবকে সার্থক করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশাকরি এভাবেই সবাই পাশে থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের আগামীর গৌরবময় পথচলার সাথী হবেন।' #
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮
১১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬