
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৪
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছয় মামলার আসামি মিজানুর রহমান রনিকে (৩৫) প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে- ঘটনার পর নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে একদল যুবক বাজারে মিষ্টি বিতরণ করেছে।
উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনে শনিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠক চলাকালে মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মী দাবি করেন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
পরে কালিরহাট বাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মুখ ও মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। ঘটনার পর তাকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
খবর পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি টিপ ছুরি পাওয়া গেছে।
নিহতের স্বজনরা বলেন, আমরা ছোট বেলা থেকে কষ্ট করে মানুষ হয়েছি। আমাদের আত্মীয় স্বজনরা জানে আমাদের কষ্টের কথা। অথচ মিজানকে এভাবে মেরেছে তা আমরা মানতে পারি না। তার পুরো মুখ থেতলে দিয়েছে। দেশে আইন আছে। যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।
হারুনুর রশীদ হারুন নামের স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা অফিসে বসে নির্বাচনী আলোচনা করছিলাম। এ সময় মিজান এলে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সে চলে যায়। এরপর কে বা কারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তায় ফেলে যায়। মিষ্টি বিতরণের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘পিটিয়ে হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। নিহতের পরিবার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছয় মামলার আসামি মিজানুর রহমান রনিকে (৩৫) প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে- ঘটনার পর নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে একদল যুবক বাজারে মিষ্টি বিতরণ করেছে।
উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনে শনিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠক চলাকালে মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মী দাবি করেন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
পরে কালিরহাট বাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মুখ ও মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। ঘটনার পর তাকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
খবর পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি টিপ ছুরি পাওয়া গেছে।
নিহতের স্বজনরা বলেন, আমরা ছোট বেলা থেকে কষ্ট করে মানুষ হয়েছি। আমাদের আত্মীয় স্বজনরা জানে আমাদের কষ্টের কথা। অথচ মিজানকে এভাবে মেরেছে তা আমরা মানতে পারি না। তার পুরো মুখ থেতলে দিয়েছে। দেশে আইন আছে। যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।
হারুনুর রশীদ হারুন নামের স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা অফিসে বসে নির্বাচনী আলোচনা করছিলাম। এ সময় মিজান এলে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সে চলে যায়। এরপর কে বা কারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তায় ফেলে যায়। মিষ্টি বিতরণের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘পিটিয়ে হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। নিহতের পরিবার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.