
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫১
জাতীয় পার্টি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ও কাজীরহাট থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ কমিটির সব নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগদান করেন।
এ উপলক্ষে শনিবার দুপুর ১২টায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মনোনীত বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী রাজিব আহসানের বাড়িতে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই রাজিব আহসানের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগদান করেন। একই এসময় জাতীয় পার্টির মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ও কাজীরহাট থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
বিএনপিতে যোগদান করা মিজানুর রহমান বলেন, জাতীয় পার্টি সাংগঠনিকভাবে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছেন। দলের কোনো কার্যক্রম না থাকায় আমরা সংগঠন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের আদর্শ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের নেতৃত্বের প্রতি ভালোলাগা থেকেই আজকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছি।’
জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের বরণ করে নিয়ে রাজিব আহসান বলেন, ‘আমাদের এই আসন (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) বিশেষ করে এই মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আমরা সবাই সবার পরিচিত। এখানে ভিন্ন মত থাকবে, আদর্শের ভিন্নতা থাকবে কিন্তু একটা জায়গায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো। সেটি হলো মেহেন্দিগঞ্জ এর নামের আগে যে অবহেলিত শব্দটা বলা হয় সেটি বাদ দিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।’
এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন দিপেন, সদস্য সচিব সিহাব আহমেদ সেলিম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী দিনু মিয়া প্রমুখ।
জাতীয় পার্টি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ও কাজীরহাট থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ কমিটির সব নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগদান করেন।
এ উপলক্ষে শনিবার দুপুর ১২টায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মনোনীত বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী রাজিব আহসানের বাড়িতে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই রাজিব আহসানের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগদান করেন। একই এসময় জাতীয় পার্টির মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ও কাজীরহাট থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
বিএনপিতে যোগদান করা মিজানুর রহমান বলেন, জাতীয় পার্টি সাংগঠনিকভাবে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছেন। দলের কোনো কার্যক্রম না থাকায় আমরা সংগঠন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের আদর্শ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের নেতৃত্বের প্রতি ভালোলাগা থেকেই আজকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছি।’
জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের বরণ করে নিয়ে রাজিব আহসান বলেন, ‘আমাদের এই আসন (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) বিশেষ করে এই মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আমরা সবাই সবার পরিচিত। এখানে ভিন্ন মত থাকবে, আদর্শের ভিন্নতা থাকবে কিন্তু একটা জায়গায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো। সেটি হলো মেহেন্দিগঞ্জ এর নামের আগে যে অবহেলিত শব্দটা বলা হয় সেটি বাদ দিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।’
এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন দিপেন, সদস্য সচিব সিহাব আহমেদ সেলিম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী দিনু মিয়া প্রমুখ।

১৭ জুন, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৩

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।