Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:১১
মাদক এবং অনলাইন জুয়ার টাকা জোগাড় করতে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন জামাতা। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামে বুধবার (১৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আটক হওয়া জামাইয়ের নাম ফারুক হোসেন (৩৩)। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। তিনি ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামের মাসুম মিয়ার মেয়ের জামাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া উপজেলার ফারুক হোসেনের সঙ্গে ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নের মাসুম মিয়ার মেয়ের কয়েক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে ফারুক মাদকাসক্ত ও জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত হওয়ায় পারিবারিক অশান্তি শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ফারুক নানান ধরনের মাদক গ্রহণ করেন এবং অনলাইনে জুয়ায় আসক্ত। এতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে টাকা জোগাড় করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। বুধবার রাত ৩টার দিকে ফারুক শ্বশুরবাড়ি এলাকার জোড়বহ গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে চুরির চেষ্টা চালান। সে সময় বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ফারুককে হাতেনাতে আটক করেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, চুরির উদ্দেশ্যে ফারুক প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করলে তাকে স্থানীয়রা আটক করেন। পরে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে সালিশ-বৈঠকের আয়োজন করলে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন। পরে চুরির মতো কাজে তিনি আর জড়িত হবেন না মর্মে মুচলেকা নিয়ে তাকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মোতালেব হোসেন বলেন, মাদক ও জুয়ার করাল গ্রাসে যুবসমাজকে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ঠেলে দিচ্ছে। এসব থেকে গ্রামগঞ্জের কিশোর যুবকরাও রেহাই পাচ্ছে না।
ধলাপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, ফারুক চুরি করতে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকলে তাকে আটক করা হয়। পরে সালিশ-বৈঠকে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং আর এই ধরনের কাজে জড়িত হবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে তার পরিবার সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মাদক এবং অনলাইন জুয়ার টাকা জোগাড় করতে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন জামাতা। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামে বুধবার (১৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আটক হওয়া জামাইয়ের নাম ফারুক হোসেন (৩৩)। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। তিনি ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামের মাসুম মিয়ার মেয়ের জামাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া উপজেলার ফারুক হোসেনের সঙ্গে ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নের মাসুম মিয়ার মেয়ের কয়েক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে ফারুক মাদকাসক্ত ও জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত হওয়ায় পারিবারিক অশান্তি শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ফারুক নানান ধরনের মাদক গ্রহণ করেন এবং অনলাইনে জুয়ায় আসক্ত। এতে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে টাকা জোগাড় করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। বুধবার রাত ৩টার দিকে ফারুক শ্বশুরবাড়ি এলাকার জোড়বহ গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে চুরির চেষ্টা চালান। সে সময় বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ফারুককে হাতেনাতে আটক করেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, চুরির উদ্দেশ্যে ফারুক প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করলে তাকে স্থানীয়রা আটক করেন। পরে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে সালিশ-বৈঠকের আয়োজন করলে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন। পরে চুরির মতো কাজে তিনি আর জড়িত হবেন না মর্মে মুচলেকা নিয়ে তাকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মোতালেব হোসেন বলেন, মাদক ও জুয়ার করাল গ্রাসে যুবসমাজকে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ঠেলে দিচ্ছে। এসব থেকে গ্রামগঞ্জের কিশোর যুবকরাও রেহাই পাচ্ছে না।
ধলাপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, ফারুক চুরি করতে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকলে তাকে আটক করা হয়। পরে সালিশ-বৈঠকে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং আর এই ধরনের কাজে জড়িত হবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে তার পরিবার সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৬
চট্টগ্রাম নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া এক লাখ ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে ইন্সপেক্টর জাহেদ নুরকে কোতোয়ালী থানার নতুন ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত ৯টার দিকে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) শীর্ষ একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওসি আফতাব উদ্দিনকে কোতোয়ালী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার সংবাদ প্রকাশ হয় যে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আনা এক লাখ ইয়াবার চালান উদ্ধারের পর তা জব্দ দেখিয়ে মামলা না করে আত্মসাৎ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় তৎকালীন বাকলিয়া থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা আদালতের এক বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন একটি লাগেজে করে এক লাখ ইয়াবা নিয়ে ঢাকাগামী বাসে চট্টগ্রামে আসছিলেন। কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু অতিক্রম করার পর বাকলিয়া এলাকায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করেন।
তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার হলেও তা আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ না করে নিজেদের দখলে নেওয়া হয় এবং বহনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্ত শেষে গত ২৯ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, এসআই আল–আমিন সরকার, এসআই আমির হোসেন, এএসআই সাদ্দাম হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও ঘটনায় এখনও কোনো নিয়মিত মামলা হয়নি। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবার চালানও উদ্ধার করা যায়নি।
তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত মোশাররফকে গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ হওয়া মাদক উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করার সুপারিশ করা হলেও সে বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। অভিযোগ প্রসঙ্গে ওসি আফতাব উদ্দিন দাবি করেন, তিনি ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত নন। ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:৩২
সাভারের আশুলিয়ায় মায়ের জন্য ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গিয়ে ১১ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ফার্মেসির মালিক সিয়াম মোল্লাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এরআগে দুপুরে আশুলিয়ার কুমকুমারি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত সিয়াম মোল্লা সাভারের আশুলিয়ার কুমকুমারি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, দুপুরে ভুক্তভোগী শিশু তার মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে আশুলিয়ার কুমকুমারি বাজারে ফার্মেসিতে আসে। কিন্তু র্দীঘ সময় পার হলেও শিশু বাসায় না ফিরলে তার মা ফার্মেসিতে খুঁজতে আসে। এসময় ফার্মেসির পিছনের কক্ষ থেকে মালিক বের হয়ে আসে। তখন ভুক্তভোগী শিশু চিৎকার করলে শিশুটির মা ওই কক্ষের ভেতরে গিয়ে তার মেয়েকে খুঁজে পান। পরে শিশুটি ধর্ষণের কথা জানালে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই ফার্মেসির মালিককে আটক করে জনতা। এরপরে স্থানীয়রা আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে ফার্মেসি মালিককে সোপর্দ করে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফার্মেসি থেকে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া এক লাখ ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে ইন্সপেক্টর জাহেদ নুরকে কোতোয়ালী থানার নতুন ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত ৯টার দিকে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) শীর্ষ একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওসি আফতাব উদ্দিনকে কোতোয়ালী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার সংবাদ প্রকাশ হয় যে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আনা এক লাখ ইয়াবার চালান উদ্ধারের পর তা জব্দ দেখিয়ে মামলা না করে আত্মসাৎ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় তৎকালীন বাকলিয়া থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা আদালতের এক বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন একটি লাগেজে করে এক লাখ ইয়াবা নিয়ে ঢাকাগামী বাসে চট্টগ্রামে আসছিলেন। কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু অতিক্রম করার পর বাকলিয়া এলাকায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করেন।
তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার হলেও তা আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ না করে নিজেদের দখলে নেওয়া হয় এবং বহনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্ত শেষে গত ২৯ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, এসআই আল–আমিন সরকার, এসআই আমির হোসেন, এএসআই সাদ্দাম হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও ঘটনায় এখনও কোনো নিয়মিত মামলা হয়নি। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবার চালানও উদ্ধার করা যায়নি।
তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়াবা সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত মোশাররফকে গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ হওয়া মাদক উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করার সুপারিশ করা হলেও সে বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। অভিযোগ প্রসঙ্গে ওসি আফতাব উদ্দিন দাবি করেন, তিনি ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত নন। ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন।
সাভারের আশুলিয়ায় মায়ের জন্য ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গিয়ে ১১ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ফার্মেসির মালিক সিয়াম মোল্লাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এরআগে দুপুরে আশুলিয়ার কুমকুমারি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত সিয়াম মোল্লা সাভারের আশুলিয়ার কুমকুমারি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, দুপুরে ভুক্তভোগী শিশু তার মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে আশুলিয়ার কুমকুমারি বাজারে ফার্মেসিতে আসে। কিন্তু র্দীঘ সময় পার হলেও শিশু বাসায় না ফিরলে তার মা ফার্মেসিতে খুঁজতে আসে। এসময় ফার্মেসির পিছনের কক্ষ থেকে মালিক বের হয়ে আসে। তখন ভুক্তভোগী শিশু চিৎকার করলে শিশুটির মা ওই কক্ষের ভেতরে গিয়ে তার মেয়েকে খুঁজে পান। পরে শিশুটি ধর্ষণের কথা জানালে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই ফার্মেসির মালিককে আটক করে জনতা। এরপরে স্থানীয়রা আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে ফার্মেসি মালিককে সোপর্দ করে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফার্মেসি থেকে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।