
১৮ জুন, ২০২৬ ০৪:২০
ডালাস স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে ২-২ গোলে সমতায় ছিল ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দাপট দেখায় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে টমাস টুখেলের দল। জোড়া গোল করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
বিশ্বকাপে হাইভোল্টেজ ম্যাচের নবম মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। রাইস ডান দিক থেকে আউটসুইং কর্নার নেন। আর এখানেই পেনাল্টির দাবি ওঠে! মদরিচ বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে মাদুয়েকেকে পেটে আঘাত করে নিচে ফেলে দেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
কিন্তু হ্যারি কেইন পেনাল্টি থেকে প্রথম চেষ্টায় গোল করতে পারেননি। কেইন বাঁ দিকে শট নেন, কিন্তু লিভাকোভিচ তা ঠেকিয়ে দেন। এরপর নাটকীয় মোড়!
গোলের আগে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার গভারদিওল পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন, লিভাকোভিচও গোললাইন থেকে কিছুটা আগে বেরিয়ে এসেছিলেন। তাই পেনাল্টি আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এবার আর ভুল করেননি হ্যারি কেইন। ডান দিকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান (১-০), আর গোলরক্ষক লিভাকোভিচ ভুল দিকে দেন ঝাঁপ।
৩১ মিনিটে অসাধারণ একটি আক্রমণ করে ইংল্যান্ড। কেইন দারুণভাবে বল বাড়িয়ে দেন মাদুয়েকের দিকে। মাদুয়েকের নিচু ক্রস ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। পেছন থেকে দৌড়ে এসে আক্রমণে যোগ দেন বেলিংহ্যাম, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি বলে ঠিকমতো পা ছোঁয়াতে পারেননি।
এর পাঁচ মিনিট পর (৩৬ মিনিটে) সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। সুসিচ দারুণ দক্ষতায় বল বাড়িয়ে দেন মার্টিন বাতুরিনার দিকে। ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার পোস্টের উপরের বাঁ কোণের দিকে শট নেন। পিকফোর্ড হাত লাগাতে সক্ষম হলেও শটের গতি এত বেশি ছিল যে, তিনি তা ঠেকাতে পারেননি। বল জড়িয়ে যায় জালের পেছনে (১-১)।
৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলদাতা সেই হ্যারি কেইন! রাইস ডান দিক থেকে আউটসুইং কর্নার নেন। কেইন পেছন থেকে দৌড়ে এসে দুর্দান্তভাবে হেড করেন এবং বল পাঠিয়ে দেন নিচের বাঁ কোণে (২-১)।
তবে সেই লিড প্রথমার্ধেই আবার হারায় ইংল্যান্ড। দারুণভাবে তৈরি করা একটি গোলে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। তবে এখানে ইংল্যান্ডের রক্ষণেরও দোষ আছে।
পাসালিচ চমৎকারভাবে বলটি উপর দিয়ে বাড়িয়ে দেন। পেরিসিচ হেড করে বল নামিয়ে দেন পিটার মুসার সামনে। মুসা ঠান্ডা মাথায় দুর্দান্ত ভলিতে শট নিয়ে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন (২-২)।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ৪৭ মিনিটে অ্যান্ডারসন দুর্দান্তভাবে বল বাড়িয়ে দেন মাদুয়েকেকে লক্ষ্য করে, কিন্তু বলের নিয়ন্ত্রণ নেন বেলিংহ্যাম।
রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা মিডফিল্ডার বল নিয়ে পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েন এবং দারুণ এক শটে লিভাকোভিচকে পরাস্ত করে বল পাঠিয়ে দেন নিচের বাঁ কোণে (৩-২)। পরের মিনিটে ২০ গজ দূর থেকে বেলিংহ্যামের জোরালো শট কোনোমতে আটকান ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক।
এগিয়ে থেকেও আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে ইংল্যান্ড। ক্রোয়েশিয়া অনেকটা সময় আটকে রেখেছিল থ্রি লায়ন্সদের। তবে ৮৫ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করে ফেলেন মার্কাস রাশফোর্ড।
ইংল্যান্ডের দারুণ একটি আক্রমণ থেকে গোলটি আসে। আক্রমণ শুরু করেন সাকা, যিনি রজার্সকে বল দেন। রজার্সের পাস ডিফ্লেক্ট হয়ে আবার সাকার কাছেই ফিরে আসে।
সাকা মাথা তুলে বাম পাশে ফাঁকা জায়গায় থাকা রাশফোর্ডকে খুঁজে নেন। রাশফোর্ড ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে ঠান্ডা মাথায় শট নেন এবং বল পাঠিয়ে দেন গোলবারের নিচের ডান কোণে। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ডালাস স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে ২-২ গোলে সমতায় ছিল ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দাপট দেখায় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে টমাস টুখেলের দল। জোড়া গোল করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
বিশ্বকাপে হাইভোল্টেজ ম্যাচের নবম মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। রাইস ডান দিক থেকে আউটসুইং কর্নার নেন। আর এখানেই পেনাল্টির দাবি ওঠে! মদরিচ বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে মাদুয়েকেকে পেটে আঘাত করে নিচে ফেলে দেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
কিন্তু হ্যারি কেইন পেনাল্টি থেকে প্রথম চেষ্টায় গোল করতে পারেননি। কেইন বাঁ দিকে শট নেন, কিন্তু লিভাকোভিচ তা ঠেকিয়ে দেন। এরপর নাটকীয় মোড়!
গোলের আগে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার গভারদিওল পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন, লিভাকোভিচও গোললাইন থেকে কিছুটা আগে বেরিয়ে এসেছিলেন। তাই পেনাল্টি আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এবার আর ভুল করেননি হ্যারি কেইন। ডান দিকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান (১-০), আর গোলরক্ষক লিভাকোভিচ ভুল দিকে দেন ঝাঁপ।
৩১ মিনিটে অসাধারণ একটি আক্রমণ করে ইংল্যান্ড। কেইন দারুণভাবে বল বাড়িয়ে দেন মাদুয়েকের দিকে। মাদুয়েকের নিচু ক্রস ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। পেছন থেকে দৌড়ে এসে আক্রমণে যোগ দেন বেলিংহ্যাম, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি বলে ঠিকমতো পা ছোঁয়াতে পারেননি।
এর পাঁচ মিনিট পর (৩৬ মিনিটে) সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। সুসিচ দারুণ দক্ষতায় বল বাড়িয়ে দেন মার্টিন বাতুরিনার দিকে। ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার পোস্টের উপরের বাঁ কোণের দিকে শট নেন। পিকফোর্ড হাত লাগাতে সক্ষম হলেও শটের গতি এত বেশি ছিল যে, তিনি তা ঠেকাতে পারেননি। বল জড়িয়ে যায় জালের পেছনে (১-১)।
৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলদাতা সেই হ্যারি কেইন! রাইস ডান দিক থেকে আউটসুইং কর্নার নেন। কেইন পেছন থেকে দৌড়ে এসে দুর্দান্তভাবে হেড করেন এবং বল পাঠিয়ে দেন নিচের বাঁ কোণে (২-১)।
তবে সেই লিড প্রথমার্ধেই আবার হারায় ইংল্যান্ড। দারুণভাবে তৈরি করা একটি গোলে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। তবে এখানে ইংল্যান্ডের রক্ষণেরও দোষ আছে।
পাসালিচ চমৎকারভাবে বলটি উপর দিয়ে বাড়িয়ে দেন। পেরিসিচ হেড করে বল নামিয়ে দেন পিটার মুসার সামনে। মুসা ঠান্ডা মাথায় দুর্দান্ত ভলিতে শট নিয়ে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন (২-২)।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ৪৭ মিনিটে অ্যান্ডারসন দুর্দান্তভাবে বল বাড়িয়ে দেন মাদুয়েকেকে লক্ষ্য করে, কিন্তু বলের নিয়ন্ত্রণ নেন বেলিংহ্যাম।
রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা মিডফিল্ডার বল নিয়ে পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েন এবং দারুণ এক শটে লিভাকোভিচকে পরাস্ত করে বল পাঠিয়ে দেন নিচের বাঁ কোণে (৩-২)। পরের মিনিটে ২০ গজ দূর থেকে বেলিংহ্যামের জোরালো শট কোনোমতে আটকান ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক।
এগিয়ে থেকেও আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে ইংল্যান্ড। ক্রোয়েশিয়া অনেকটা সময় আটকে রেখেছিল থ্রি লায়ন্সদের। তবে ৮৫ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করে ফেলেন মার্কাস রাশফোর্ড।
ইংল্যান্ডের দারুণ একটি আক্রমণ থেকে গোলটি আসে। আক্রমণ শুরু করেন সাকা, যিনি রজার্সকে বল দেন। রজার্সের পাস ডিফ্লেক্ট হয়ে আবার সাকার কাছেই ফিরে আসে।
সাকা মাথা তুলে বাম পাশে ফাঁকা জায়গায় থাকা রাশফোর্ডকে খুঁজে নেন। রাশফোর্ড ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে ঠান্ডা মাথায় শট নেন এবং বল পাঠিয়ে দেন গোলবারের নিচের ডান কোণে। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
বরিশাল টাইমস

১৭ জুন, ২০২৬ ১২:১০
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে আলোচনায় লিওনেল মেসি। নিজের হ্যাটট্রিকের সুবাদে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে নতুন কয়েকটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ১৭তম মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক চেষ্টা করেও শটটি ঠেকাতে পারেননি।
এই গোলের মধ্য দিয়ে মেসি বিশ্বকাপের পাঁচটি ভিন্ন আসরে গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। এর আগে একমাত্র পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোই পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েছিলেন। এবার সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
মেসি এর আগে ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও গোল করেছিলেন। শুধু ২০১০ বিশ্বকাপে তিনি গোলের দেখা পাননি। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই গোল করে তিনি আবারও নিজের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করলেন।
এদিন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও স্পর্শ করেন ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এর মাধ্যমে পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলা তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে নাম লেখালেন তিনি।
একই সঙ্গে ১০ নম্বর জার্সি গায়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নেমে এবং পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার আরও একটি কীর্তিকেও ছাড়িয়ে গেলেন লিওনেল মেসি। বিশ্বমঞ্চে তার নামের পাশে যোগ হলো আরও একাধিক ঐতিহাসিক অর্জন।
বরিশাল টাইমস
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে আলোচনায় লিওনেল মেসি। নিজের হ্যাটট্রিকের সুবাদে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে নতুন কয়েকটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ১৭তম মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক চেষ্টা করেও শটটি ঠেকাতে পারেননি।
এই গোলের মধ্য দিয়ে মেসি বিশ্বকাপের পাঁচটি ভিন্ন আসরে গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। এর আগে একমাত্র পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোই পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েছিলেন। এবার সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
মেসি এর আগে ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও গোল করেছিলেন। শুধু ২০১০ বিশ্বকাপে তিনি গোলের দেখা পাননি। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই গোল করে তিনি আবারও নিজের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করলেন।
এদিন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও স্পর্শ করেন ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এর মাধ্যমে পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলা তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে নাম লেখালেন তিনি।
একই সঙ্গে ১০ নম্বর জার্সি গায়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নেমে এবং পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার আরও একটি কীর্তিকেও ছাড়িয়ে গেলেন লিওনেল মেসি। বিশ্বমঞ্চে তার নামের পাশে যোগ হলো আরও একাধিক ঐতিহাসিক অর্জন।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ জুন, ২০২৬ ২০:০৮
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.