দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি ধানক্ষেত গিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ আবেদনের মতো হাত তুলে প্রতিবাদ জানান। পরে এ নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করতেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঘোষিত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন তাতে তার নাম ছিল না।
এদিকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের সেই মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আলাল উদ্দিন লিখেছেন, ‘নো ক্যাপশন।’ ওই ফেসবুক পোস্টে ফারুক আহম্মেদ নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, ‘আপনার এই ব্যতিক্রমী এবং অসাধারণ আবেদনকে স্যালুট জানাই।’ শেখ ফরিদ ভুইয়ান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার ছবিটাই ক্যাপশন৷’ সাফিম রহমান নামে অন্য আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে তখন ক্যাপশনের দরকার পড়ে না।’ এদিকে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবাদকে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।
আলালের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আলাল দলের সদস্যসচিব হিসেবে দলের যাবতীয় আদেশ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া তিনি বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এতে মনোনয়ন তার প্রাপ্য ছিল। যেখানে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে অনেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি দিচ্ছেন, সেখানে আলালের এমন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ প্রশংসার দাবি রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ফেনীর জয়নাল হাজারীর সময় সারাদেশে ‘লেবানন’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর নিজাম হাজারীর সময় নির্বাচনগুলো ‘ফেনী স্টাইল’ নামে সারাদেশে পরিচিত ছিল। আর এখন আমরা একটি পরিবর্তিত যুগে এসে প্রতিবাদের ভাষায় ভিন্নতা এনেছি। প্রতিবাদ ভিন্নভাবেও জানাতে পারে ফেনীর মানুষ।
তিনি আরও জানান, আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হলেও এটি দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে। আমিও চাই এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসনটি ‘রিভিউ’ করা হোক এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করে।
প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী জেলার ৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেনী-০১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ (সদর উপজেলা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভিপি, ফেনী-০৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন খ্যাতনামা শিল্পপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
এ নিয়ে মনোনয়ন দৌড়ে হেরে গিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ নতুন করে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ধানক্ষেতে গিয়ে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ এর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৮
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা, দোকানসহ নানা স্থাপনা বসানোর কারণে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতেই এসব দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির অন্যতম দখলকবলিত এলাকা ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত উন্মুক্ত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলমুক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ফার্মগেটসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখলে রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট দখলও সরানো হবে বলে জানান তিনি।
তার ভাষায়, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা প্রয়োজন, সেখানেই প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।
ফুটপাত দখলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিয়েছে। নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করছেন।
দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম সাময়িক নয়। পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ সময় কিছু মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের ভেতরে কিংবা বাইরে কেউ দুষ্কৃতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার খবর প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। এতে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।
নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা, দোকানসহ নানা স্থাপনা বসানোর কারণে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতেই এসব দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির অন্যতম দখলকবলিত এলাকা ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত উন্মুক্ত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলমুক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ফার্মগেটসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখলে রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট দখলও সরানো হবে বলে জানান তিনি।
তার ভাষায়, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা প্রয়োজন, সেখানেই প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।
ফুটপাত দখলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিয়েছে। নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করছেন।
দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম সাময়িক নয়। পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ সময় কিছু মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের ভেতরে কিংবা বাইরে কেউ দুষ্কৃতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার খবর প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। এতে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।
নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:৩৪
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি ধানক্ষেত গিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ আবেদনের মতো হাত তুলে প্রতিবাদ জানান। পরে এ নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করতেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঘোষিত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন তাতে তার নাম ছিল না।
এদিকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের সেই মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আলাল উদ্দিন লিখেছেন, ‘নো ক্যাপশন।’ ওই ফেসবুক পোস্টে ফারুক আহম্মেদ নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, ‘আপনার এই ব্যতিক্রমী এবং অসাধারণ আবেদনকে স্যালুট জানাই।’ শেখ ফরিদ ভুইয়ান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার ছবিটাই ক্যাপশন৷’ সাফিম রহমান নামে অন্য আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে তখন ক্যাপশনের দরকার পড়ে না।’ এদিকে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবাদকে সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।
আলালের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে আলাল দলের সদস্যসচিব হিসেবে দলের যাবতীয় আদেশ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া তিনি বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এতে মনোনয়ন তার প্রাপ্য ছিল। যেখানে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে অনেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি দিচ্ছেন, সেখানে আলালের এমন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ প্রশংসার দাবি রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ফেনীর জয়নাল হাজারীর সময় সারাদেশে ‘লেবানন’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর নিজাম হাজারীর সময় নির্বাচনগুলো ‘ফেনী স্টাইল’ নামে সারাদেশে পরিচিত ছিল। আর এখন আমরা একটি পরিবর্তিত যুগে এসে প্রতিবাদের ভাষায় ভিন্নতা এনেছি। প্রতিবাদ ভিন্নভাবেও জানাতে পারে ফেনীর মানুষ।
তিনি আরও জানান, আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের প্রতিবাদের ভাষা ভিন্ন হলেও এটি দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে। আমিও চাই এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসনটি ‘রিভিউ’ করা হোক এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি রিভিউ করে।
প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী জেলার ৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেনী-০১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ (সদর উপজেলা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভিপি, ফেনী-০৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন খ্যাতনামা শিল্পপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
এ নিয়ে মনোনয়ন দৌড়ে হেরে গিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ নতুন করে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ধানক্ষেতে গিয়ে আম্পায়ারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ’ এর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৪
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৪