
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০০:১৪
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য রেজওয়ানা নাসরিন মালার বিরুদ্ধে টিউবওয়েল দেয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ সিমা বেগম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুই বছর আগে ইউপি সদস্য টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে সিমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু দুই বছরেও টিউবওয়েল না পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানার পর ২০ হাজার টাকা ফেরত দিলেও বাকি ১০ হাজার টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ। এছাড়া সিমার প্রতিবন্ধী স্বামী মিরাজের ভাতার ১২ হাজার ৩০০ টাকাও ইউপি সদস্যের মোবাইল সিম নম্বর ব্যবহার করে তোলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সিমা বেগম বলেন, “টিউবওয়েল পাইনি, টাকা ফেরতও দেননি। স্বামীর ভাতার টাকাও দিচ্ছেন না।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়নে ভাতার কার্ডের নামে এমন অভিযোগ নতুন নয়। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রেজওয়ানা নাসরিন মালা ২৮ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “বরাদ্দ না পাওয়ায় টিউবওয়েল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে টাকা ফেরত দিয়েছি। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকাও যথাসময়ে তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন।”
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব বলেন, “পক্ষদ্বয়কে ডাকা হয়েছে। গ্রাম আদালতের নির্ধারিত তারিখে উভয়ের বক্তব্য শুনে অভিযোগের সুরাহার চেষ্টা করা হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য রেজওয়ানা নাসরিন মালার বিরুদ্ধে টিউবওয়েল দেয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ সিমা বেগম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুই বছর আগে ইউপি সদস্য টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে সিমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু দুই বছরেও টিউবওয়েল না পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানার পর ২০ হাজার টাকা ফেরত দিলেও বাকি ১০ হাজার টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ। এছাড়া সিমার প্রতিবন্ধী স্বামী মিরাজের ভাতার ১২ হাজার ৩০০ টাকাও ইউপি সদস্যের মোবাইল সিম নম্বর ব্যবহার করে তোলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সিমা বেগম বলেন, “টিউবওয়েল পাইনি, টাকা ফেরতও দেননি। স্বামীর ভাতার টাকাও দিচ্ছেন না।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়নে ভাতার কার্ডের নামে এমন অভিযোগ নতুন নয়। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রেজওয়ানা নাসরিন মালা ২৮ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “বরাদ্দ না পাওয়ায় টিউবওয়েল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে টাকা ফেরত দিয়েছি। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকাও যথাসময়ে তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন।”
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব বলেন, “পক্ষদ্বয়কে ডাকা হয়েছে। গ্রাম আদালতের নির্ধারিত তারিখে উভয়ের বক্তব্য শুনে অভিযোগের সুরাহার চেষ্টা করা হবে।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২১
পটুয়াখালীর বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. জিহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহাদ ওই গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিহাদ এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার রাতে তার কাছে ইয়াবার একটি চালান এসেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে তার ফুফু, স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা: রোকেয়া বেগমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমামুন বলেন, এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে জিহাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে এলাকা বাসী তাকে নজর দারিতে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাজব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. জিহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহাদ ওই গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিহাদ এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার রাতে তার কাছে ইয়াবার একটি চালান এসেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে তার ফুফু, স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা: রোকেয়া বেগমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমামুন বলেন, এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে জিহাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে এলাকা বাসী তাকে নজর দারিতে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাজব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী আদালতে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তের বিচার দাবি করেছেন।
ম্যানেজারের নাম মো.আব্বাস খান। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’পদক্ষেপ’এর বাউফল শাখা ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, মানবিক উন্নয়ন সংস্থা "পদক্ষেপ" বাউফল শাখা থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। ঋণ গ্রহণের পর থেকেই শাখা ম্যানেজার আব্বাস আলী খান বিভিন্ন অজুহাতে তার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। স্বামী বাড়িতে না থাকলে তিনি একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেন, রাজি না হলে কিস্তি নিয়ে হয়রানির হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে অভিযোগকারী বাড়ির সামনে অবস্থানকালে ম্যানেজার আব্বাস খান ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার পর তিনি থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে, তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের এমন আচরণে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্বাস আলী বলেন, সংস্থার টাকা চাওয়ায় তিনি আমার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা করেছেন। যা কোন ভাইে কাম্য না। আমি ন্যার বিচার চাই।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশ গুরুত্বসহকারে দেখে বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী আদালতে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তের বিচার দাবি করেছেন।
ম্যানেজারের নাম মো.আব্বাস খান। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’পদক্ষেপ’এর বাউফল শাখা ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, মানবিক উন্নয়ন সংস্থা "পদক্ষেপ" বাউফল শাখা থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। ঋণ গ্রহণের পর থেকেই শাখা ম্যানেজার আব্বাস আলী খান বিভিন্ন অজুহাতে তার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। স্বামী বাড়িতে না থাকলে তিনি একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেন, রাজি না হলে কিস্তি নিয়ে হয়রানির হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে অভিযোগকারী বাড়ির সামনে অবস্থানকালে ম্যানেজার আব্বাস খান ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার পর তিনি থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে, তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের এমন আচরণে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্বাস আলী বলেন, সংস্থার টাকা চাওয়ায় তিনি আমার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা করেছেন। যা কোন ভাইে কাম্য না। আমি ন্যার বিচার চাই।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশ গুরুত্বসহকারে দেখে বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

১২ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১২
তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি",এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালরি বাউফল উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬।
দিবসটি উপলক্ষে রোববার (১২ই জুলাই) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পরিচালক ও বাউফল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (আঃদাঃ) মোঃদ. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ হুমায়ুন কবির, ব্র্যাক প্রগ্রামার অফিসার, পবিত্র চন্দ্র, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ডাঃ মোঃ জসীম উদ্দিন, উপ-সহকারী কমিউনিটি অফিসার সুজন কুমার পাল,দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক আবু মোতালেব সহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কর্ম দক্ষতার ভিত্তিতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ৬জনকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ বছর যারা বাউফল উপজেলায় কাজের কর্মদক্ষতায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি নির্বাচিত হয়েছেন দাসপাড়া ২/খ ইউনিটের কামরুন্নাহার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদশিকা দাসপাড়া ইউনিয়ন ক্লিনিকের মরিয়ম বেগম, শ্রেষ্ঠ দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যান পরিদর্শক মোঃ আবু মোতালেব, শ্রেষ্ঠ নওমালা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার প্রভাকর রায় নয়ন, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, শ্রেষ্ঠ কাছিপাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে, কাছিপাড়, বাউফল, পটুয়াখালী।
তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি",এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালরি বাউফল উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬।
দিবসটি উপলক্ষে রোববার (১২ই জুলাই) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পরিচালক ও বাউফল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (আঃদাঃ) মোঃদ. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ হুমায়ুন কবির, ব্র্যাক প্রগ্রামার অফিসার, পবিত্র চন্দ্র, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ডাঃ মোঃ জসীম উদ্দিন, উপ-সহকারী কমিউনিটি অফিসার সুজন কুমার পাল,দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক আবু মোতালেব সহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কর্ম দক্ষতার ভিত্তিতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ৬জনকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ বছর যারা বাউফল উপজেলায় কাজের কর্মদক্ষতায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি নির্বাচিত হয়েছেন দাসপাড়া ২/খ ইউনিটের কামরুন্নাহার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদশিকা দাসপাড়া ইউনিয়ন ক্লিনিকের মরিয়ম বেগম, শ্রেষ্ঠ দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যান পরিদর্শক মোঃ আবু মোতালেব, শ্রেষ্ঠ নওমালা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার প্রভাকর রায় নয়ন, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, শ্রেষ্ঠ কাছিপাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে, কাছিপাড়, বাউফল, পটুয়াখালী।