ছবি: বরিশাল টাইমস
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক চিঠিতে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দুজনের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এক মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ভিন্ন। আদালতে বিচারাধীন এবং নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা বিএনপি।
নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছিল।
কারণ দর্শানোর সেই প্রক্রিয়ার পরই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে দুজনের পদ স্থগিত করা হলো। জেলা বিএনপির চিঠি অনুযায়ী, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেলা বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০০
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনায় জনবল, বোট ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সংকটে পড়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বোট ও জনবল না থাকায় কার্যকরভাবে টহল পরিচালনা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা-২০২৬-এ তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার অভিযানের জন্য বরাদ্দ কম। গত বছর কয়েকটি প্রকল্পের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও এবার সেই সুযোগ নেই।
তিনি জানান, গত বছর দুটি বোট ভাড়া করে পাঙ্গাশিয়া-আলগী ও পাতাবুনিয়া এলাকায় টহল পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার দুটি বোটের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা রয়েছে। অতিরিক্ত একটি বোটের জন্য জেলা পর্যায়ে রিক্যুইজিশন দেওয়া হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান বলেন, উপজেলার বিস্তৃত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ২০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অনেক কম। একই সঙ্গে থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনেরও সংকট রয়েছে।
নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে নামা জেলেদের নৌযানের তুলনায় অভিযানে ব্যবহৃত বোটের সক্ষমতাও কম বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৎস্য বিভাগের ব্যবহৃত বোট সাধারণত ১০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও অনেক জেলের বোট ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন। ফলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “আমাদের যা লজিস্টিক আছে, তা নিয়েই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে শুধু মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে এই অভিযান সফল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা এবং সচেতনতাও প্রয়োজন।”
জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার শতভাগ তালিকাভুক্ত জেলের জন্য সরকারি চাল সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ হাজার ৬০০ জেলে এ সহায়তার আওতায় থাকলেও এবার প্রায় ২ হাজার জেলেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, একই সময়ে উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নদীতেও ইলিশ রক্ষা অভিযানে পুলিশ ফোর্স দিতে হবে। ফলে সীমিত জনবল দিয়ে দুই ধরনের দায়িত্ব সামাল দিতে পুলিশকেও বেগ পেতে হবে।
এ সময় উপজেলার একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। গত বছর কয়েকটি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় কর্মকর্তাদের ওপর জেলেদের হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় মা ইলিশ সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ, জনপ্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনায় জনবল, বোট ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সংকটে পড়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বোট ও জনবল না থাকায় কার্যকরভাবে টহল পরিচালনা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা-২০২৬-এ তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার অভিযানের জন্য বরাদ্দ কম। গত বছর কয়েকটি প্রকল্পের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও এবার সেই সুযোগ নেই।
তিনি জানান, গত বছর দুটি বোট ভাড়া করে পাঙ্গাশিয়া-আলগী ও পাতাবুনিয়া এলাকায় টহল পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার দুটি বোটের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা রয়েছে। অতিরিক্ত একটি বোটের জন্য জেলা পর্যায়ে রিক্যুইজিশন দেওয়া হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান বলেন, উপজেলার বিস্তৃত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ২০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অনেক কম। একই সঙ্গে থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনেরও সংকট রয়েছে।
নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে নামা জেলেদের নৌযানের তুলনায় অভিযানে ব্যবহৃত বোটের সক্ষমতাও কম বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৎস্য বিভাগের ব্যবহৃত বোট সাধারণত ১০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও অনেক জেলের বোট ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন। ফলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “আমাদের যা লজিস্টিক আছে, তা নিয়েই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে শুধু মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে এই অভিযান সফল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা এবং সচেতনতাও প্রয়োজন।”
জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার শতভাগ তালিকাভুক্ত জেলের জন্য সরকারি চাল সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ হাজার ৬০০ জেলে এ সহায়তার আওতায় থাকলেও এবার প্রায় ২ হাজার জেলেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, একই সময়ে উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নদীতেও ইলিশ রক্ষা অভিযানে পুলিশ ফোর্স দিতে হবে। ফলে সীমিত জনবল দিয়ে দুই ধরনের দায়িত্ব সামাল দিতে পুলিশকেও বেগ পেতে হবে।
এ সময় উপজেলার একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। গত বছর কয়েকটি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় কর্মকর্তাদের ওপর জেলেদের হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় মা ইলিশ সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ, জনপ্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৪
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে বসতঘরের পেছনে চাষ করা তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ইউসুফ খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গুলিঠামৌজ গ্রামের খান বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। আটক ইউসুফ খান ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের শুরুতে বাড়ির পাশের রাজ্জাক মোল্লার দোকান থেকে ইউসুফ খানকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির পেছনে অভিযান চালিয়ে তিনটি গাঁজাগাছ শনাক্ত ও জব্দ করা হয়।
বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, তাঁরা আগে থেকেই ওই এলাকায় গাঁজাচাষের বিষয়ে জানতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক স্যামুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাঁজাগাছ দেখতে পান তাঁরা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ ও একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান, বসতবাড়ির আশপাশে গাঁজাসহ মাদকদ্রব্যের চাষ ও বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে বসতঘরের পেছনে চাষ করা তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ইউসুফ খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গুলিঠামৌজ গ্রামের খান বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। আটক ইউসুফ খান ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের শুরুতে বাড়ির পাশের রাজ্জাক মোল্লার দোকান থেকে ইউসুফ খানকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির পেছনে অভিযান চালিয়ে তিনটি গাঁজাগাছ শনাক্ত ও জব্দ করা হয়।
বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, তাঁরা আগে থেকেই ওই এলাকায় গাঁজাচাষের বিষয়ে জানতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক স্যামুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাঁজাগাছ দেখতে পান তাঁরা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ ও একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান, বসতবাড়ির আশপাশে গাঁজাসহ মাদকদ্রব্যের চাষ ও বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৭
পটুয়াখালীর দুমকি থেকে অপহরণের শিকার ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ঘটনার মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১০)। এ ঘটনায় মো. শাহা জামাল (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসআরবি-১০ সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দুমকি থানার শ্রীরামপুর এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম চিপস কেনার উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে যায়। পথিমধ্যে তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে মেয়েটির বাবা দুমকি থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরীকে উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এসআরবি-১০। প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান ও গোপন তথ্যের সমন্বয়ে অপহৃত কিশোরীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখান থেকে কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার এবং কথিত অপহরণকারী শাহা জামালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শাহা জামাল কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার দক্ষিণ পিরিজকরা এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক কার্যক্রম শেষে তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি-১০ জানিয়েছে, অপহরণসহ যেকোনো অপরাধসংক্রান্ত তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি থেকে অপহরণের শিকার ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ঘটনার মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১০)। এ ঘটনায় মো. শাহা জামাল (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসআরবি-১০ সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দুমকি থানার শ্রীরামপুর এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম চিপস কেনার উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে যায়। পথিমধ্যে তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে মেয়েটির বাবা দুমকি থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরীকে উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এসআরবি-১০। প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান ও গোপন তথ্যের সমন্বয়ে অপহৃত কিশোরীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখান থেকে কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার এবং কথিত অপহরণকারী শাহা জামালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শাহা জামাল কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার দক্ষিণ পিরিজকরা এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক কার্যক্রম শেষে তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি-১০ জানিয়েছে, অপহরণসহ যেকোনো অপরাধসংক্রান্ত তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক চিঠিতে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দুজনের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এক মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ভিন্ন। আদালতে বিচারাধীন এবং নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা বিএনপি।
নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছিল।
কারণ দর্শানোর সেই প্রক্রিয়ার পরই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে দুজনের পদ স্থগিত করা হলো। জেলা বিএনপির চিঠি অনুযায়ী, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেলা বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫২
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৫
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৩