ছবি:সংগ্রহীত
বরিশালের গৌরনদীতে চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফ (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার জামান শরীফ গৌরনদী পৌর যুবদলের পদবিহীন নেতা জসিম শরীফের ভাই। তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নানের ভাতিজা।
পুলিশ জানায়, জামান শরীফের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে উপজেলার উত্তর বিল্বগ্রাম এলাকার আঁখি বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় মামলাটি করেন। ওই মামলায় জামান শরীফকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পারভেজ হোসেন বলেন, আঁখি বেগমের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুত্র: সমকাল

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২০
বরিশালের বাবুগঞ্জে রোগী সেজে এক ভুয়া ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা নেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা। পরে তাদের সাথে নিয়ে সেখানে যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক ভুয়া চিকিৎসক ও একটি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। যৌথ অভিযানকালে ওই অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধবপাশা বাজারে তাসলিমা আক্তার আন্নি নামে এক নারী দীর্ঘদিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতো চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি কোনো এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশুদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিতেন। খবর পেয়ে ঘটনাটি যাচাই করতে এনএসআইয়ের সদস্যরা ছদ্মবেশে রোগী সেজে তাঁর চেম্বারে যান। এসময় তাঁর নিজস্ব ফার্মেসিতে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এসময় জরিমানার অর্থ আদায়সহ ভবিষ্যতের জন্য তাকে সতর্ক করা হয়।
পরে একই এলাকায় পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় সনদ ও প্যাথলজিস্ট ছাড়াই বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রতিবেদন দেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষাগারে যথাযথ পরিবেশ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. সাব্বির সরদারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
খবর পেয়ে এনএসআইয়ের সদস্যরা বেশ কিছুদিন ধরেই মাধবপাশার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ভুয়া চিকিৎসকের কার্যক্রম গোপনে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরে ছদ্মবেশে রোগী সেজে সত্যতা যাচাই করে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত ওই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা নেতৃত্বে এনএসআইয়ের সদস্য ছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তূর্য অধিকারী এবং বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তথ্য পেলে যাচাই করে সঙ্গেসঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে রোগী সেজে এক ভুয়া ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা নেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা। পরে তাদের সাথে নিয়ে সেখানে যৌথ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এসময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক ভুয়া চিকিৎসক ও একটি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। যৌথ অভিযানকালে ওই অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধবপাশা বাজারে তাসলিমা আক্তার আন্নি নামে এক নারী দীর্ঘদিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতো চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। তিনি কোনো এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশুদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিতেন। খবর পেয়ে ঘটনাটি যাচাই করতে এনএসআইয়ের সদস্যরা ছদ্মবেশে রোগী সেজে তাঁর চেম্বারে যান। এসময় তাঁর নিজস্ব ফার্মেসিতে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এসময় জরিমানার অর্থ আদায়সহ ভবিষ্যতের জন্য তাকে সতর্ক করা হয়।
পরে একই এলাকায় পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় সনদ ও প্যাথলজিস্ট ছাড়াই বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রতিবেদন দেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষাগারে যথাযথ পরিবেশ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক মো. সাব্বির সরদারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
খবর পেয়ে এনএসআইয়ের সদস্যরা বেশ কিছুদিন ধরেই মাধবপাশার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ভুয়া চিকিৎসকের কার্যক্রম গোপনে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরে ছদ্মবেশে রোগী সেজে সত্যতা যাচাই করে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত ওই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে। ওই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা নেতৃত্বে এনএসআইয়ের সদস্য ছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তূর্য অধিকারী এবং বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তথ্য পেলে যাচাই করে সঙ্গেসঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। #

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩২
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে। বোর্ডের অধীন ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর বরিশাল বোর্ডের অধীন বিভাগের ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৯১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৭৫৫ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ১৫৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন।
গত বছর (২০২৫) বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭২৪ জন।
শনিবার সকালে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল প্রকাশকালে তিনি বলেন, যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এবারের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটেছে।
তবে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারার বিষয়টি শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে। বোর্ডের অধীন ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর বরিশাল বোর্ডের অধীন বিভাগের ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৯১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৭৫৫ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ১৫৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন।
গত বছর (২০২৫) বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭২৪ জন।
শনিবার সকালে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল প্রকাশকালে তিনি বলেন, যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এবারের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটেছে।
তবে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারার বিষয়টি শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪৬
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। এ বছর বরিশাল বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার সারাদেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
অন্যদিকে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে গত ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
সারাদেশের বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে কম। এদিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন। বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারাদেশে এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার ফল শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বরিশাল বোর্ডে পাসের হার কমে যাওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ফলাফল নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। এ বছর বরিশাল বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন শিক্ষার্থী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার সারাদেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
অন্যদিকে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে গত ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
সারাদেশের বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে কম। এদিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন। বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারাদেশে এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার ফল শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বরিশাল বোর্ডে পাসের হার কমে যাওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ফলাফল নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৮
বরিশালের গৌরনদীতে চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফ (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার জামান শরীফ গৌরনদী পৌর যুবদলের পদবিহীন নেতা জসিম শরীফের ভাই। তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নানের ভাতিজা।
পুলিশ জানায়, জামান শরীফের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে উপজেলার উত্তর বিল্বগ্রাম এলাকার আঁখি বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় মামলাটি করেন। ওই মামলায় জামান শরীফকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পারভেজ হোসেন বলেন, আঁখি বেগমের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুত্র: সমকাল
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৮
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৩
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২০
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২৯