ছবি:সংগ্রহীত
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটিতে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একজন শিক্ষার্থীরও পাস করতে না পারার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আটজন শিক্ষক থাকলেও নেই নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান।
অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীসংকট কাটেনি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চারটি বিপন্ন পাহাড়ি বন্য বানর উদ্ধার করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালী। এ সময় বানর দিয়ে খেলা দেখানোর অভিযোগে চার বাজিকরকে আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী আটক বা লালন-পালন করবেন না—এমন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে কলাপাড়া শহরের ব্রিজসংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা বানরগুলোর আনুমানিক বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক, মো. লোকমান, মো. লিটন মীর ও মো. কামরুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এসব বন্য বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তাঁরা।
এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়োজিদ মুন্সী বলেন, উদ্ধার করা বানরগুলো বর্তমানে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া কোনো বন্যপ্রাণী আটক রাখা, কেনাবেচা কিংবা পরিবহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা বানরগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চারটি বিপন্ন পাহাড়ি বন্য বানর উদ্ধার করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালী। এ সময় বানর দিয়ে খেলা দেখানোর অভিযোগে চার বাজিকরকে আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী আটক বা লালন-পালন করবেন না—এমন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে কলাপাড়া শহরের ব্রিজসংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা বানরগুলোর আনুমানিক বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক, মো. লোকমান, মো. লিটন মীর ও মো. কামরুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এসব বন্য বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তাঁরা।
এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়োজিদ মুন্সী বলেন, উদ্ধার করা বানরগুলো বর্তমানে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া কোনো বন্যপ্রাণী আটক রাখা, কেনাবেচা কিংবা পরিবহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা বানরগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২২
খাল নেই, নেই চলাচলের সংযোগ সড়ক। আশপাশে নেই দৃশ্যমান কোনো জলপ্রবাহের চিহ্নও। অথচ প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি গার্ডার সেতু। পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় সরকারি অর্থায়নে চলমান এই সেতু নির্মাণকাজ ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তব প্রয়োজন ও জনসাধারণের সুবিধা বিবেচনা না করেই নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি শেষ পর্যন্ত কতটা জনকল্যাণে আসবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে নেওয়া প্রকল্পটির আওতায় ধূলাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছর কোরবানির ঈদের পর নির্মাণকাজ শুরু হয়। চলতি বছরের শেষ দিকে কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন সেতুটির আশপাশে কয়েকটি বসতঘর রয়েছে। তবে সেতুর দুই প্রান্তে দৃশ্যমান কোনো সংযোগ সড়ক কিংবা খালের অস্তিত্ব চোখে পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে সেতুটি নির্মাণের পর মানুষ কীভাবে সেখানে যাতায়াত করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সেতুটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পরিবর্তন হয়ে জসিম উদ্দিন খানের প্রতিষ্ঠানের হাতে যায়। তবে ঠিকাদার পরিবর্তন, কার্যাদেশ হস্তান্তর কিংবা এ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় উন্নয়ন হোক, এটা আমরা চাই। কিন্তু যেখানে খাল নেই, রাস্তা নেই, সেখানে এত টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা কী? সেতু নির্মাণের আগে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা ও জায়গার বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করা উচিত ছিল।’
স্থানীয় বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ‘সেতু হলে মানুষের উপকার হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে সেতুর দুই পাশে যাওয়ার মতো রাস্তা নেই। খালেরও অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না। তাহলে এই সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল করবে কীভাবে? প্রকল্পের টাকা খরচ হলেই তো উন্নয়ন হয় না, মানুষের কাজে আসতে হবে। আমাদের এলাকায় সেতুর চেয়ে একটি সাইক্লোন শেল্টার বেশি জরুরি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘সেতুর নির্মাণকাজের কারণে আশপাশের কয়েকটি পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। কেউ কেউ ঘরবাড়ি নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন। আমরা চাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে বিষয়টি দেখুক। জনগণের টাকায় এমন কোনো প্রকল্প হওয়া উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের কোনো উপকারেই আসবে না।’
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কয়েক দিন আগে এলাকায় খালের দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও ভেকু দিয়ে খালের নকশা তৈরির মতো কাজ করতে দেখা গেছে। তাঁদের প্রশ্ন, প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথভাবে স্থান পরিদর্শন, খালের অস্তিত্ব যাচাই এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়েছিল কি না।
এদিকে নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন খানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পের বাস্তবতা ও নির্মাণকাজের যৌক্তিকতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পের নথি ও জবাবদিহি চান স্থানীয়রা
প্রায় আড়াই কোটি টাকার এই প্রকল্পে সেতু নির্মাণের স্থান কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, অনুমোদনের আগে খাল ও সংযোগ সড়কের অস্তিত্ব যাচাই করা হয়েছিল কি না, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা কী—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব চান স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাঁদের দাবি, প্রকল্পের নকশা, প্রাক্কলন, কার্যাদেশ, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেতুটি স্থানীয়দের হাঁটাচলার সুবিধা দেবে। তবে প্রকল্পটির স্থান নির্বাচনের যৌক্তিকতা, নকশা, সম্ভাব্য উপকারভোগীর সংখ্যা, খালের অস্তিত্ব এবং পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এ সময় তিনিও সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
উন্নয়ন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা। কিন্তু যে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই, যে স্থানে খালের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে, সেই সেতুর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। প্রায় আড়াই কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো শেষ পর্যন্ত জনসাধারণের কী কাজে আসবে, নাকি এটি অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে—এখন সেই প্রশ্নের জবাব চান স্থানীয়রা।
খাল নেই, নেই চলাচলের সংযোগ সড়ক। আশপাশে নেই দৃশ্যমান কোনো জলপ্রবাহের চিহ্নও। অথচ প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি গার্ডার সেতু। পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় সরকারি অর্থায়নে চলমান এই সেতু নির্মাণকাজ ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তব প্রয়োজন ও জনসাধারণের সুবিধা বিবেচনা না করেই নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি শেষ পর্যন্ত কতটা জনকল্যাণে আসবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে নেওয়া প্রকল্পটির আওতায় ধূলাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গঙ্গামতি তেত্রিশকানি এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছর কোরবানির ঈদের পর নির্মাণকাজ শুরু হয়। চলতি বছরের শেষ দিকে কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন সেতুটির আশপাশে কয়েকটি বসতঘর রয়েছে। তবে সেতুর দুই প্রান্তে দৃশ্যমান কোনো সংযোগ সড়ক কিংবা খালের অস্তিত্ব চোখে পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে সেতুটি নির্মাণের পর মানুষ কীভাবে সেখানে যাতায়াত করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি সেতুটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পরিবর্তন হয়ে জসিম উদ্দিন খানের প্রতিষ্ঠানের হাতে যায়। তবে ঠিকাদার পরিবর্তন, কার্যাদেশ হস্তান্তর কিংবা এ-সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় উন্নয়ন হোক, এটা আমরা চাই। কিন্তু যেখানে খাল নেই, রাস্তা নেই, সেখানে এত টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা কী? সেতু নির্মাণের আগে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা ও জায়গার বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করা উচিত ছিল।’
স্থানীয় বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ‘সেতু হলে মানুষের উপকার হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে সেতুর দুই পাশে যাওয়ার মতো রাস্তা নেই। খালেরও অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে না। তাহলে এই সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল করবে কীভাবে? প্রকল্পের টাকা খরচ হলেই তো উন্নয়ন হয় না, মানুষের কাজে আসতে হবে। আমাদের এলাকায় সেতুর চেয়ে একটি সাইক্লোন শেল্টার বেশি জরুরি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘সেতুর নির্মাণকাজের কারণে আশপাশের কয়েকটি পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। কেউ কেউ ঘরবাড়ি নিয়েও সমস্যায় পড়েছেন। আমরা চাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে বিষয়টি দেখুক। জনগণের টাকায় এমন কোনো প্রকল্প হওয়া উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের কোনো উপকারেই আসবে না।’
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কয়েক দিন আগে এলাকায় খালের দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও ভেকু দিয়ে খালের নকশা তৈরির মতো কাজ করতে দেখা গেছে। তাঁদের প্রশ্ন, প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথভাবে স্থান পরিদর্শন, খালের অস্তিত্ব যাচাই এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়েছিল কি না।
এদিকে নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জসিম উদ্দিন খানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পের বাস্তবতা ও নির্মাণকাজের যৌক্তিকতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পের নথি ও জবাবদিহি চান স্থানীয়রা
প্রায় আড়াই কোটি টাকার এই প্রকল্পে সেতু নির্মাণের স্থান কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, অনুমোদনের আগে খাল ও সংযোগ সড়কের অস্তিত্ব যাচাই করা হয়েছিল কি না, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা কী—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব চান স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাঁদের দাবি, প্রকল্পের নকশা, প্রাক্কলন, কার্যাদেশ, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেতুটি স্থানীয়দের হাঁটাচলার সুবিধা দেবে। তবে প্রকল্পটির স্থান নির্বাচনের যৌক্তিকতা, নকশা, সম্ভাব্য উপকারভোগীর সংখ্যা, খালের অস্তিত্ব এবং পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এ সময় তিনিও সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
উন্নয়ন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা। কিন্তু যে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নেই, যে স্থানে খালের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে, সেই সেতুর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। প্রায় আড়াই কোটি টাকার সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামো শেষ পর্যন্ত জনসাধারণের কী কাজে আসবে, নাকি এটি অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে—এখন সেই প্রশ্নের জবাব চান স্থানীয়রা।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৩
নিজের ঠিকানা মনে করতে পারছেন না। মনে করতে পারছেন না কোথায় তাঁর বাড়ি, কোন গ্রামে ফেলে এসেছেন জীবনের চেনা মানুষগুলোকে। অথচ স্বামী, সন্তান ও স্বজনদের নামগুলো এখনো স্পষ্ট মনে আছে। তাই তো বারবার মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন আর আকুতি জানাচ্ছেন—‘আমি বাড়ি ফিরতে চাই।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পথে পথে ঘুরে বেড়ানো সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা কুলসুম বেগমের জীবনের গল্পটি এখন মানবিক সহায়তার অপেক্ষায়। তাঁর অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে দাঁড়াই’। আপাতত সংগঠনটির উদ্যোগে তাঁর থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর গ্রামে সংগঠনটির তত্ত্বাবধানে আশ্রয়ে রয়েছেন কুলসুম বেগম। স্বজনদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত তাঁর যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধা কুলসুম বেগমের বয়স আনুমানিক ৭০ বছর। তাঁর স্বামীর নাম মোক্তার সিকদার (কুদ্দুস)। চার সন্তানের জননী তিনি। তাঁর এক ছেলের নাম ইব্রাহিম এবং তিন মেয়ের নাম সুফিয়া, ফিরোজা ও পারুল। এ ছাড়া তাঁর তিন দেবরের নাম জব্বার, হামিদ ও সত্তার। স্বামী একসময় ধান-চালের ব্যবসা করতেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পরিবারের সদস্যদের নাম, স্বামীর পেশা ও পারিবারিক নানা তথ্য মনে থাকলেও নিজের গ্রামের নাম, ইউনিয়ন, উপজেলা কিংবা জেলার পরিচয় স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না কুলসুম বেগম। তবে কথার ফাঁকে বারবার তাঁর মুখে উচ্চারিত হচ্ছে ‘ঝিকরগাছা’ নামটি। ধারণা করা হচ্ছে, এটি তাঁর বাড়ির এলাকা হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়ার আকুতি নিয়ে বারবার বলছেন, ‘আমি বাড়ি ফিরতে চাই।’ তাঁর এই আকুতি এখন মানবিক মানুষের সহায়তার অপেক্ষায়।
বৃদ্ধা কুলসুম বেগমকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে দাঁড়াই’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ তাঁর স্বামী, সন্তান, আত্মীয়স্বজন কিংবা সম্ভাব্য বাড়ির ঠিকানা সম্পর্কে তথ্য জানলে সংগঠনটির সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নয়নাভিরাম গাইন বলেন, ‘বৃদ্ধা কুলসুম বেগমকে আমরা পথে পথে ঘুরতে দেখেছি। তাঁর অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে তাঁকে আশ্রয় দিয়েছি। থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যতদিন তাঁর স্বজনদের খোঁজ পাওয়া না যাবে, ততদিন তিনি আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকবেন।’
একজন অসহায় বৃদ্ধার একটাই চাওয়া—হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়া। হয়তো কারও একটি তথ্য, একটি ফোনকল কিংবা সামান্য সহযোগিতাই ফিরিয়ে দিতে পারে কুলসুম বেগমের জীবনের হারিয়ে যাওয়া ঠিকানা।
নিজের ঠিকানা মনে করতে পারছেন না। মনে করতে পারছেন না কোথায় তাঁর বাড়ি, কোন গ্রামে ফেলে এসেছেন জীবনের চেনা মানুষগুলোকে। অথচ স্বামী, সন্তান ও স্বজনদের নামগুলো এখনো স্পষ্ট মনে আছে। তাই তো বারবার মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন আর আকুতি জানাচ্ছেন—‘আমি বাড়ি ফিরতে চাই।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পথে পথে ঘুরে বেড়ানো সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা কুলসুম বেগমের জীবনের গল্পটি এখন মানবিক সহায়তার অপেক্ষায়। তাঁর অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে দাঁড়াই’। আপাতত সংগঠনটির উদ্যোগে তাঁর থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর গ্রামে সংগঠনটির তত্ত্বাবধানে আশ্রয়ে রয়েছেন কুলসুম বেগম। স্বজনদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত তাঁর যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধা কুলসুম বেগমের বয়স আনুমানিক ৭০ বছর। তাঁর স্বামীর নাম মোক্তার সিকদার (কুদ্দুস)। চার সন্তানের জননী তিনি। তাঁর এক ছেলের নাম ইব্রাহিম এবং তিন মেয়ের নাম সুফিয়া, ফিরোজা ও পারুল। এ ছাড়া তাঁর তিন দেবরের নাম জব্বার, হামিদ ও সত্তার। স্বামী একসময় ধান-চালের ব্যবসা করতেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পরিবারের সদস্যদের নাম, স্বামীর পেশা ও পারিবারিক নানা তথ্য মনে থাকলেও নিজের গ্রামের নাম, ইউনিয়ন, উপজেলা কিংবা জেলার পরিচয় স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না কুলসুম বেগম। তবে কথার ফাঁকে বারবার তাঁর মুখে উচ্চারিত হচ্ছে ‘ঝিকরগাছা’ নামটি। ধারণা করা হচ্ছে, এটি তাঁর বাড়ির এলাকা হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়ার আকুতি নিয়ে বারবার বলছেন, ‘আমি বাড়ি ফিরতে চাই।’ তাঁর এই আকুতি এখন মানবিক মানুষের সহায়তার অপেক্ষায়।
বৃদ্ধা কুলসুম বেগমকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাশে দাঁড়াই’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ তাঁর স্বামী, সন্তান, আত্মীয়স্বজন কিংবা সম্ভাব্য বাড়ির ঠিকানা সম্পর্কে তথ্য জানলে সংগঠনটির সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নয়নাভিরাম গাইন বলেন, ‘বৃদ্ধা কুলসুম বেগমকে আমরা পথে পথে ঘুরতে দেখেছি। তাঁর অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে তাঁকে আশ্রয় দিয়েছি। থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যতদিন তাঁর স্বজনদের খোঁজ পাওয়া না যাবে, ততদিন তিনি আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকবেন।’
একজন অসহায় বৃদ্ধার একটাই চাওয়া—হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়া। হয়তো কারও একটি তথ্য, একটি ফোনকল কিংবা সামান্য সহযোগিতাই ফিরিয়ে দিতে পারে কুলসুম বেগমের জীবনের হারিয়ে যাওয়া ঠিকানা।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটিতে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একজন শিক্ষার্থীরও পাস করতে না পারার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আটজন শিক্ষক থাকলেও নেই নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান।
অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীসংকট কাটেনি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৮
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৩
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২০
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২৯