বরিশালের ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ঘোষিত সদ্য কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই কমিটিতে স্বৈরাচারের দোসর ছাত্রলীগসহ অনেক অছাত্র স্থান পাওয়ায় পদবঞ্চিত একটি বৃহৎ অংশ সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, যা নিয়ে নেতিবাচক লেখালেখিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুদিন ধরে তোলপাড় চলছে। পাশাপাশি পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের ফেসবুকে তীর্যক মন্তব্যে তীব্র অসন্তোস এবং ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।
বঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নবগঠিত কমিটির অনেকে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে আবার কেউ জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন ছাত্রসমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। অনেকের আবার ছাত্রত্বও নেই। কিন্তু তারপরেও তাদের ছাত্রদলের কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে, যা তামাশার সামিল।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে বরিশাল সদর ব্যতিত ৯টি উপজেলার ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি ঘোষণা করে বরিশাল জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান এই কমিটি অনুমোদন করেন। মূলত এ কমিটির অনুলিপি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেই ফেসবুককে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়।
অভিযোগ আছে, বাবুগঞ্জ সরকারি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মল্লিক সাকিব, তিনি উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এমনকি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাথে তার ব্যাপক সখ্যতাও ছিল, যা নিয়ে ফেসবুকে দুদিন ধরে নেতিবাচক লেখালেখি হচ্ছে। এই অভিযোগ করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, কমিটি ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় নেতারা বাবুগঞ্জে কর্মিসভা করেছেন। সেখানে সাকিবের সাথে জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এরপরেও সেই বিতর্কিত ব্যক্তিকেই সভাপতি করা হয়েছে। ফলে ত্যাগিরা উপেক্ষিত রয়েছেন এবং তাদের যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়নি।
আত্মপক্ষ সমর্থনে সভাপতি সাকিব বলছেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যাচাই-বাছাই করেই তাকে পদ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ছাত্রদল নেতার দাবি, কোরামভিত্তিক জটিলতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মুলাদী উপজেলার চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নতুন কমিটির সহ-সভাপতি আল-আমিনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের পদে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ ওই কলেজের ছাত্র নন বলে জানা গেছে, যা নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা করছেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
চরকালেখান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন রূপালী বাংলাদেশের কাছে অভিযোগ করেন, কমিটিতে ত্যাগিদের রাখা হয়নি। এবং সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন, এমনকি তার ছাত্রত্বও নেই।
তবে আল-আমিন বলছেন, ‘তিনি ছাত্রদল করে অনেক নিপিড়নের শিকার হয়েছেন এবং আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিক মামলার আসামিও হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সমূলে মিথ্যে বলে দাবি করেন আল আমিন।
চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজে নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে জানিয়ে মুলাদী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঢালী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, কমিটির এই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলার কাশেমাবাদ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্রদলের কমিটিতে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রবিউল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গৌরনদীর আওয়ামী লীগের নেতা হারিছুর রহমান হারিছের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কমিটিতে তিনি স্থান পাওয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে। এছাড়া জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, উজিরপুর এবং বানারীপাড়ার বিভিন্ন কলেজের নতুন কমিটি নিয়েও একই ধরনের বিতর্ক চলমান রয়েছে।
পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বরিশালে কমিটি ঘোষিত ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৮, মেহেন্দিগঞ্জের ৯, হিজলার ৪, বানারীপাড়ার ৫, উজিরপুরের ৭, বাবুগঞ্জের ৪, মুলাদীর ৯, গৌরনদীর ৫ ও আগৈলঝাড়ার ৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটিতেই স্বৈরাচারের দোসর এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কমিটি ঘোষণার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকার কথা থাকলেও সেখানে জেলার নেতাদের নাম দেখা যাচ্ছে। ফলে এখানে গঠনতন্ত্র উপেক্ষিত রয়েছে, এই বিষয়টি অনেকেই সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তবে কমিটিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে দাবি করেছেন সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান।
নেতাদ্বয় রূপালী বাংলাদেশকে জানান, পক্ষকালের বেশি সময় ধরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রিয়াদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল এবং মো. আরিফুল ইসলাম বরিশালে অবস্থান করেন এবং তারাই সকলের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেছেন। এমনকি বরিশাল বিএনপির কার্যালয়ে প্রার্থীদের ডেকে সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলার নেতাদের সাথে সমন্বয় করে কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতৃত্ব চূড়ান্ত করেছেন। বলা যায়, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে স্বচ্ছতার সাথে, যেখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
কমিটি যদি স্বচ্ছতার সাথে দেওয়া হয় তাহলে এত বিতর্ক কেনো, এমন প্রশ্নে উত্তরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আরিফুর রহমান জানান, এক সঙ্গে এতগুলো কমিটি ঘোষণার অতীত উদাহরণ নেই বললেই চলে। ৭০০ কর্মীকে এক সাথে ছাত্রদলের পরিচয় দেওয়া হয়েছে, অনেকে বাদ পড়েছেন। তারাই সম্ভবত ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক পোস্ট করে চলছেন। কিন্তু কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো রূপ স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম করা হয়নি।’
ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক
স্থান পেয়েছেন ছাত্রলীগ-ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীরাসহ বিতর্কিতরাও
বরিশালের ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ঘোষিত সদ্য কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই কমিটিতে স্বৈরাচারের দোসর ছাত্রলীগসহ অনেক অছাত্র স্থান পাওয়ায় পদবঞ্চিত একটি বৃহৎ অংশ সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, যা নিয়ে নেতিবাচক লেখালেখিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুদিন ধরে তোলপাড় চলছে। পাশাপাশি পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের ফেসবুকে তীর্যক মন্তব্যে তীব্র অসন্তোস এবং ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।
বঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নবগঠিত কমিটির অনেকে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে আবার কেউ জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন ছাত্রসমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। অনেকের আবার ছাত্রত্বও নেই। কিন্তু তারপরেও তাদের ছাত্রদলের কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে, যা তামাশার সামিল।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে বরিশাল সদর ব্যতিত ৯টি উপজেলার ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি ঘোষণা করে বরিশাল জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান এই কমিটি অনুমোদন করেন। মূলত এ কমিটির অনুলিপি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেই ফেসবুককে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়।
অভিযোগ আছে, বাবুগঞ্জ সরকারি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মল্লিক সাকিব, তিনি উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এমনকি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাথে তার ব্যাপক সখ্যতাও ছিল, যা নিয়ে ফেসবুকে দুদিন ধরে নেতিবাচক লেখালেখি হচ্ছে। এই অভিযোগ করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, কমিটি ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় নেতারা বাবুগঞ্জে কর্মিসভা করেছেন। সেখানে সাকিবের সাথে জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এরপরেও সেই বিতর্কিত ব্যক্তিকেই সভাপতি করা হয়েছে। ফলে ত্যাগিরা উপেক্ষিত রয়েছেন এবং তাদের যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়নি।
আত্মপক্ষ সমর্থনে সভাপতি সাকিব বলছেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যাচাই-বাছাই করেই তাকে পদ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ছাত্রদল নেতার দাবি, কোরামভিত্তিক জটিলতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মুলাদী উপজেলার চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নতুন কমিটির সহ-সভাপতি আল-আমিনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের পদে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ ওই কলেজের ছাত্র নন বলে জানা গেছে, যা নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা করছেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
চরকালেখান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন রূপালী বাংলাদেশের কাছে অভিযোগ করেন, কমিটিতে ত্যাগিদের রাখা হয়নি। এবং সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন, এমনকি তার ছাত্রত্বও নেই।
তবে আল-আমিন বলছেন, ‘তিনি ছাত্রদল করে অনেক নিপিড়নের শিকার হয়েছেন এবং আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিক মামলার আসামিও হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সমূলে মিথ্যে বলে দাবি করেন আল আমিন।
চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজে নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে জানিয়ে মুলাদী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঢালী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, কমিটির এই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলার কাশেমাবাদ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্রদলের কমিটিতে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রবিউল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গৌরনদীর আওয়ামী লীগের নেতা হারিছুর রহমান হারিছের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কমিটিতে তিনি স্থান পাওয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে। এছাড়া জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, উজিরপুর এবং বানারীপাড়ার বিভিন্ন কলেজের নতুন কমিটি নিয়েও একই ধরনের বিতর্ক চলমান রয়েছে।
পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বরিশালে কমিটি ঘোষিত ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৮, মেহেন্দিগঞ্জের ৯, হিজলার ৪, বানারীপাড়ার ৫, উজিরপুরের ৭, বাবুগঞ্জের ৪, মুলাদীর ৯, গৌরনদীর ৫ ও আগৈলঝাড়ার ৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটিতেই স্বৈরাচারের দোসর এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কমিটি ঘোষণার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকার কথা থাকলেও সেখানে জেলার নেতাদের নাম দেখা যাচ্ছে। ফলে এখানে গঠনতন্ত্র উপেক্ষিত রয়েছে, এই বিষয়টি অনেকেই সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তবে কমিটিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে দাবি করেছেন সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান।
নেতাদ্বয় রূপালী বাংলাদেশকে জানান, পক্ষকালের বেশি সময় ধরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রিয়াদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল এবং মো. আরিফুল ইসলাম বরিশালে অবস্থান করেন এবং তারাই সকলের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেছেন। এমনকি বরিশাল বিএনপির কার্যালয়ে প্রার্থীদের ডেকে সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলার নেতাদের সাথে সমন্বয় করে কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতৃত্ব চূড়ান্ত করেছেন। বলা যায়, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে স্বচ্ছতার সাথে, যেখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
কমিটি যদি স্বচ্ছতার সাথে দেওয়া হয় তাহলে এত বিতর্ক কেনো, এমন প্রশ্নে উত্তরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আরিফুর রহমান জানান, এক সঙ্গে এতগুলো কমিটি ঘোষণার অতীত উদাহরণ নেই বললেই চলে। ৭০০ কর্মীকে এক সাথে ছাত্রদলের পরিচয় দেওয়া হয়েছে, অনেকে বাদ পড়েছেন। তারাই সম্ভবত ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক পোস্ট করে চলছেন। কিন্তু কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো রূপ স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম করা হয়নি।’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০১ জুন, ২০২৫ ১০:১৮
বরিশালের ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ঘোষিত সদ্য কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই কমিটিতে স্বৈরাচারের দোসর ছাত্রলীগসহ অনেক অছাত্র স্থান পাওয়ায় পদবঞ্চিত একটি বৃহৎ অংশ সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, যা নিয়ে নেতিবাচক লেখালেখিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুদিন ধরে তোলপাড় চলছে। পাশাপাশি পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের ফেসবুকে তীর্যক মন্তব্যে তীব্র অসন্তোস এবং ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।
বঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নবগঠিত কমিটির অনেকে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে আবার কেউ জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন ছাত্রসমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। অনেকের আবার ছাত্রত্বও নেই। কিন্তু তারপরেও তাদের ছাত্রদলের কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে, যা তামাশার সামিল।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে বরিশাল সদর ব্যতিত ৯টি উপজেলার ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি ঘোষণা করে বরিশাল জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান এই কমিটি অনুমোদন করেন। মূলত এ কমিটির অনুলিপি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেই ফেসবুককে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়।
অভিযোগ আছে, বাবুগঞ্জ সরকারি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মল্লিক সাকিব, তিনি উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এমনকি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাথে তার ব্যাপক সখ্যতাও ছিল, যা নিয়ে ফেসবুকে দুদিন ধরে নেতিবাচক লেখালেখি হচ্ছে। এই অভিযোগ করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, কমিটি ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় নেতারা বাবুগঞ্জে কর্মিসভা করেছেন। সেখানে সাকিবের সাথে জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এরপরেও সেই বিতর্কিত ব্যক্তিকেই সভাপতি করা হয়েছে। ফলে ত্যাগিরা উপেক্ষিত রয়েছেন এবং তাদের যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়নি।
আত্মপক্ষ সমর্থনে সভাপতি সাকিব বলছেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যাচাই-বাছাই করেই তাকে পদ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ছাত্রদল নেতার দাবি, কোরামভিত্তিক জটিলতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মুলাদী উপজেলার চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নতুন কমিটির সহ-সভাপতি আল-আমিনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের পদে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ ওই কলেজের ছাত্র নন বলে জানা গেছে, যা নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা করছেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
চরকালেখান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন রূপালী বাংলাদেশের কাছে অভিযোগ করেন, কমিটিতে ত্যাগিদের রাখা হয়নি। এবং সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন, এমনকি তার ছাত্রত্বও নেই।
তবে আল-আমিন বলছেন, ‘তিনি ছাত্রদল করে অনেক নিপিড়নের শিকার হয়েছেন এবং আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিক মামলার আসামিও হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সমূলে মিথ্যে বলে দাবি করেন আল আমিন।
চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজে নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে জানিয়ে মুলাদী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঢালী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, কমিটির এই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলার কাশেমাবাদ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্রদলের কমিটিতে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রবিউল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গৌরনদীর আওয়ামী লীগের নেতা হারিছুর রহমান হারিছের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কমিটিতে তিনি স্থান পাওয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে। এছাড়া জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, উজিরপুর এবং বানারীপাড়ার বিভিন্ন কলেজের নতুন কমিটি নিয়েও একই ধরনের বিতর্ক চলমান রয়েছে।
পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বরিশালে কমিটি ঘোষিত ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৮, মেহেন্দিগঞ্জের ৯, হিজলার ৪, বানারীপাড়ার ৫, উজিরপুরের ৭, বাবুগঞ্জের ৪, মুলাদীর ৯, গৌরনদীর ৫ ও আগৈলঝাড়ার ৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটিতেই স্বৈরাচারের দোসর এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কমিটি ঘোষণার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকার কথা থাকলেও সেখানে জেলার নেতাদের নাম দেখা যাচ্ছে। ফলে এখানে গঠনতন্ত্র উপেক্ষিত রয়েছে, এই বিষয়টি অনেকেই সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তবে কমিটিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে দাবি করেছেন সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান।
নেতাদ্বয় রূপালী বাংলাদেশকে জানান, পক্ষকালের বেশি সময় ধরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রিয়াদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল এবং মো. আরিফুল ইসলাম বরিশালে অবস্থান করেন এবং তারাই সকলের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেছেন। এমনকি বরিশাল বিএনপির কার্যালয়ে প্রার্থীদের ডেকে সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলার নেতাদের সাথে সমন্বয় করে কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতৃত্ব চূড়ান্ত করেছেন। বলা যায়, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে স্বচ্ছতার সাথে, যেখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
কমিটি যদি স্বচ্ছতার সাথে দেওয়া হয় তাহলে এত বিতর্ক কেনো, এমন প্রশ্নে উত্তরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আরিফুর রহমান জানান, এক সঙ্গে এতগুলো কমিটি ঘোষণার অতীত উদাহরণ নেই বললেই চলে। ৭০০ কর্মীকে এক সাথে ছাত্রদলের পরিচয় দেওয়া হয়েছে, অনেকে বাদ পড়েছেন। তারাই সম্ভবত ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক পোস্ট করে চলছেন। কিন্তু কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো রূপ স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম করা হয়নি।’
ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক
স্থান পেয়েছেন ছাত্রলীগ-ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীরাসহ বিতর্কিতরাও
বরিশালের ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ঘোষিত সদ্য কমিটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই কমিটিতে স্বৈরাচারের দোসর ছাত্রলীগসহ অনেক অছাত্র স্থান পাওয়ায় পদবঞ্চিত একটি বৃহৎ অংশ সংক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, যা নিয়ে নেতিবাচক লেখালেখিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুদিন ধরে তোলপাড় চলছে। পাশাপাশি পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের ফেসবুকে তীর্যক মন্তব্যে তীব্র অসন্তোস এবং ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।
বঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নবগঠিত কমিটির অনেকে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে আবার কেউ জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন ছাত্রসমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। অনেকের আবার ছাত্রত্বও নেই। কিন্তু তারপরেও তাদের ছাত্রদলের কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে, যা তামাশার সামিল।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে বরিশাল সদর ব্যতিত ৯টি উপজেলার ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি ঘোষণা করে বরিশাল জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান এই কমিটি অনুমোদন করেন। মূলত এ কমিটির অনুলিপি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেই ফেসবুককে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়।
অভিযোগ আছে, বাবুগঞ্জ সরকারি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মল্লিক সাকিব, তিনি উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রসমাজের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এমনকি স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাথে তার ব্যাপক সখ্যতাও ছিল, যা নিয়ে ফেসবুকে দুদিন ধরে নেতিবাচক লেখালেখি হচ্ছে। এই অভিযোগ করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, কমিটি ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় নেতারা বাবুগঞ্জে কর্মিসভা করেছেন। সেখানে সাকিবের সাথে জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এরপরেও সেই বিতর্কিত ব্যক্তিকেই সভাপতি করা হয়েছে। ফলে ত্যাগিরা উপেক্ষিত রয়েছেন এবং তাদের যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়নি।
আত্মপক্ষ সমর্থনে সভাপতি সাকিব বলছেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যাচাই-বাছাই করেই তাকে পদ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ছাত্রদল নেতার দাবি, কোরামভিত্তিক জটিলতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মুলাদী উপজেলার চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজের নতুন কমিটির সহ-সভাপতি আল-আমিনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের পদে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ ওই কলেজের ছাত্র নন বলে জানা গেছে, যা নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা করছেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
চরকালেখান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন রূপালী বাংলাদেশের কাছে অভিযোগ করেন, কমিটিতে ত্যাগিদের রাখা হয়নি। এবং সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন, এমনকি তার ছাত্রত্বও নেই।
তবে আল-আমিন বলছেন, ‘তিনি ছাত্রদল করে অনেক নিপিড়নের শিকার হয়েছেন এবং আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিক মামলার আসামিও হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সমূলে মিথ্যে বলে দাবি করেন আল আমিন।
চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজে নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়েছে জানিয়ে মুলাদী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঢালী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, কমিটির এই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলার কাশেমাবাদ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্রদলের কমিটিতে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রবিউল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গৌরনদীর আওয়ামী লীগের নেতা হারিছুর রহমান হারিছের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কমিটিতে তিনি স্থান পাওয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে। এছাড়া জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, উজিরপুর এবং বানারীপাড়ার বিভিন্ন কলেজের নতুন কমিটি নিয়েও একই ধরনের বিতর্ক চলমান রয়েছে।
পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বরিশালে কমিটি ঘোষিত ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৮, মেহেন্দিগঞ্জের ৯, হিজলার ৪, বানারীপাড়ার ৫, উজিরপুরের ৭, বাবুগঞ্জের ৪, মুলাদীর ৯, গৌরনদীর ৫ ও আগৈলঝাড়ার ৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটিতেই স্বৈরাচারের দোসর এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কমিটি ঘোষণার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকার কথা থাকলেও সেখানে জেলার নেতাদের নাম দেখা যাচ্ছে। ফলে এখানে গঠনতন্ত্র উপেক্ষিত রয়েছে, এই বিষয়টি অনেকেই সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তবে কমিটিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে দাবি করেছেন সভাপতি তারেক আল ইমরান এবং সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান।
নেতাদ্বয় রূপালী বাংলাদেশকে জানান, পক্ষকালের বেশি সময় ধরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রিয়াদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল এবং মো. আরিফুল ইসলাম বরিশালে অবস্থান করেন এবং তারাই সকলের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেছেন। এমনকি বরিশাল বিএনপির কার্যালয়ে প্রার্থীদের ডেকে সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলার নেতাদের সাথে সমন্বয় করে কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতৃত্ব চূড়ান্ত করেছেন। বলা যায়, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে স্বচ্ছতার সাথে, যেখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
কমিটি যদি স্বচ্ছতার সাথে দেওয়া হয় তাহলে এত বিতর্ক কেনো, এমন প্রশ্নে উত্তরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আরিফুর রহমান জানান, এক সঙ্গে এতগুলো কমিটি ঘোষণার অতীত উদাহরণ নেই বললেই চলে। ৭০০ কর্মীকে এক সাথে ছাত্রদলের পরিচয় দেওয়া হয়েছে, অনেকে বাদ পড়েছেন। তারাই সম্ভবত ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে নেতিবাচক পোস্ট করে চলছেন। কিন্তু কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো রূপ স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম করা হয়নি।’
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫