
২৩ জুন, ২০২৬ ১৩:২৭
ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী বিক্ষোভে বাধা দেন এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১২টার দিকে নগরের জিয়া সড়কে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব আল-আমিন মৃধার মধ্যে হাতাহাতি হয়। রাতুল বিএম কলেজের অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে থাকেন।
বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল বাশার দাবি করেন, দুপুরের ঘটনার জেরে সন্ধ্যার পর আল আমিন মৃধার নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা রাতুলসহ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।
খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে আরেকটি দল মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সময় তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। কাউকে মারধর করা হয়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুনুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী বিক্ষোভে বাধা দেন এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১২টার দিকে নগরের জিয়া সড়কে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব আল-আমিন মৃধার মধ্যে হাতাহাতি হয়। রাতুল বিএম কলেজের অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে থাকেন।
বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল বাশার দাবি করেন, দুপুরের ঘটনার জেরে সন্ধ্যার পর আল আমিন মৃধার নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা রাতুলসহ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।
খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে আরেকটি দল মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সময় তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। কাউকে মারধর করা হয়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুনুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ২৩:০৪
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৩ জুন, ২০২৬ ২২:৫৪
বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকায় বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসা (১৭) উপজেলার নিদ্রার চর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি চান মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির (৬) সঙ্গে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়ি ফিরে যায়। তার ধারণা ছিল, মুসাও বাড়িতে ফিরে গেছে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মুসার খোঁজ করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসাকে পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে উঠতে দেখেনি। সে ভেবেছিল মুসা হয়তো অন্য দিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছকিনা কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল, বেল্লালসহ কয়েকজন জেলে খালে জাল ফেলেন। পরে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকায় বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসা (১৭) উপজেলার নিদ্রার চর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি চান মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির (৬) সঙ্গে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়ি ফিরে যায়। তার ধারণা ছিল, মুসাও বাড়িতে ফিরে গেছে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মুসার খোঁজ করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসাকে পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে উঠতে দেখেনি। সে ভেবেছিল মুসা হয়তো অন্য দিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছকিনা কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল, বেল্লালসহ কয়েকজন জেলে খালে জাল ফেলেন। পরে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

২৩ জুন, ২০২৬ ২২:৩৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে ১৪ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পরেছে। মারাত্মক অসুস্থ ৩ জন শিক্ষার্থীকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
২৩ জুন মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী মারাত্মক অসুস্থ হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো বিথি আক্তার (১৪), মারুফ খান (১৪), তানজিলা আক্তার, সারা মনি (১৪), তাজু (১৪), মাহিন (১৪), সুমাইয়া (১৪), ইশরাত (১৪), সাদিয়া (১৪), লামিয়া (১৪), অন্তরা (১৪) ও জিসান (১৪)। বাকি দুই শিক্ষার্থীর নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, এবং তারা সবাই নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ব্যাগে থাকা ‘ওয়াইল্ড স্টোন (WILD STONE)’ ব্র্যান্ডের একটি বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে গিয়ে এবং ঘটনাটি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপসর্গে আক্রান্ত হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ খান জানান, তাদের সহপাঠী তাওসিফের ব্যাগে থাকা বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে আসা অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একে একে অসুস্থ হয়ে যায়।
শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নান মিয়া বলেন, “দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের দ্রুত বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক শিক্ষার্থী বডি স্প্রে ব্যবহারের পর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই অন্যদের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।”
বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুজিত চন্দ্র ঢালি বলেন, “শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হওয়ার উপসর্গ নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশকে চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। এর সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক বা সাইকোলজিক্যাল প্রভাব জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি চিকিৎসকরা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন।”
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। বাকেরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে ১৪ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পরেছে। মারাত্মক অসুস্থ ৩ জন শিক্ষার্থীকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
২৩ জুন মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী মারাত্মক অসুস্থ হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো বিথি আক্তার (১৪), মারুফ খান (১৪), তানজিলা আক্তার, সারা মনি (১৪), তাজু (১৪), মাহিন (১৪), সুমাইয়া (১৪), ইশরাত (১৪), সাদিয়া (১৪), লামিয়া (১৪), অন্তরা (১৪) ও জিসান (১৪)। বাকি দুই শিক্ষার্থীর নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, এবং তারা সবাই নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ব্যাগে থাকা ‘ওয়াইল্ড স্টোন (WILD STONE)’ ব্র্যান্ডের একটি বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে গিয়ে এবং ঘটনাটি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপসর্গে আক্রান্ত হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ খান জানান, তাদের সহপাঠী তাওসিফের ব্যাগে থাকা বডি স্প্রে ব্যবহার করার পর প্রথমে বিথি আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দেখতে আসা অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একে একে অসুস্থ হয়ে যায়।
শিবপুর পাবলিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নান মিয়া বলেন, “দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের দ্রুত বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক শিক্ষার্থী বডি স্প্রে ব্যবহারের পর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই অন্যদের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।”
বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুজিত চন্দ্র ঢালি বলেন, “শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও অজ্ঞান হওয়ার উপসর্গ নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে অধিকাংশকে চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি বডি স্প্রে ব্যবহারের কারণে একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। এর সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক বা সাইকোলজিক্যাল প্রভাব জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি চিকিৎসকরা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন।”
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। বাকেরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.