নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সেই ডুপ্লেক্স বাড়ির কেয়ারটেকার রতন মিয়া মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দুই বছর ধরে বেতন না পেয়ে পরিবার নিয়ে অভাবে দিন কাটছে।
আদালত কর্তৃক বাড়িটি জব্দ থাকলেও ৬ মাস ধরে সরকার পক্ষের কোনো নিরাপত্তা কর্মী নেই। ভয়ে ছাড়তেও পারছেন না দায়িত্ব। এককালীন পারিশ্রমিক পাওয়ার স্বপ্ন নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
রতন মিয়া ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার হরিরামপুর গ্রামের খাইরুল বাশারের ছেলে। তার পরিবার পার্শ্ববর্তী গুতিয়াব এলাকায় বসবাস করেন।
জানা গেছে, প্রায় দেড় যুগ আগে কাজের সন্ধানে রূপগঞ্জে চলে আসেন তিনি। দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় চার বছর আগে এই ডুপ্লেক্স বাড়িটি নির্মাণকাল থেকে এখানে কাজে যোগ দেন।
তিনি ১৫ হাজার টাকা বেতনে কেয়ারটেকারের দায়িত্ব পান। এরই মধ্যে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের হিসাব গোপন ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা হয়।
২৬ মে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ১১৯টি জমির দলিল, ২৩টি কোম্পানির শেয়ার ও গুলশানে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। সবমিলিয়ে ৬২৭ বিঘা জমি ক্রোক করা হয়েছে।
এর ভেতর এ বাড়িটিও ছিল। ২০২৪ সালে আদালত কর্তৃক বাড়িটি ক্রোক হওয়ার পরে পুরোপুরি রাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বাড়িটির সার্বিক দেখাশোনার দায়িত্ব নেন। তারপর থেকে কিছুদিন কেয়ারটেকার রতনের সঙ্গে সরকারিভাবে বাড়িটি দেখভালের জন্য একজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়।
এভাবে কিছুদিন চললেও চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে রিসিভার কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তা কর্মী দেওয়া বন্ধ রয়েছে। তবে বিশাল আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়িটি সরকারি হেফাজতেই রয়েছে।
কেয়ারটেকার রতন মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘২০২২ সালের দিকে তিনি ১৫ হাজার টাকা বেতনে কেয়ারটেকারের দায়িত্ব পান।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসের পর থেকে তার বেতন আটকে যায়। এরই মধ্যে ২৬ মে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামের সবমিলিয়ে ৬২৭ বিঘা জমি আদালত ক্রোক করা করে।
এর ভেতর এ বাড়িটিও ছিল। সেই থেকে কিছুদিন আমার সঙ্গে একজন সরকার পক্ষের নিরাপত্তা কর্মী ছিল।
কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সরকারি ভাবে নিরাপত্তা কর্মী দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এখন আমি একাই এ বাড়িটি দেখভাল করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই বছরের বেশি হলো আমি বেতন পাই না। আমাদের তিনজনের সংসার। ছেলেটা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। আমার স্ত্রী বাড়িতে কুটির শিল্পের কাজ করে। সেই আয় দিয়েই সংসার কোন মতো চলে।
পরিবার নিয়ে কষ্ট করে চললেও ভয়ে এ বাড়িটি ছাড়তে পারছি না। কারণ মালিকের সম্পদ নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পর এই বাড়িতে দুদকের লোকজন এসেছেন, আমার ছবি ও আইডি কার্ড নিয়েছেন। আমি চলে গেলে এ বাড়িতে যদি কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয় সেই ভয় থেকে ছেড়ে যাচ্ছি না।’
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজ কে বলেন, ‘বাংলো বাড়িটিতে আদালত থেকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে এটি দেখাশোনা করছি। কোর্ট তো আর টাকা দেয়নি, কোর্ট বলেছে ম্যানেজমেন্ট করেন।
গ্রাম পুলিশ সদস্যরা এখানে দেখাশোনা করছে। তাদের জন্য তো আমরা এক্সট্রা কোনো ফেসিলিটি কিংবা স্যালারি দিতে পারছি না। কোর্ট যেভাবে বলেছে সেভাবে কাজ করছি।

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৯
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৩
সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও কিশোরগঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জে শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িয়াগঞ্জ গ্রামের মো. মনসুর আলী (২৬)। অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি নৈশকোচ নলকা ওভারপাস এলাকায় পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ বাস ও ট্রাকটি আটক করেছে।
নাটোরে সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় আজ শনিবার বাস ও গবাদিপশুবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং চারজন আহত হন।
নিহতরা হলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মো. আব্দুর রহমান (৭০) ও মো. আক্কাস আলী (৬৩)।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রাক্টরে করে গবাদিপশু নিয়ে সিরাজগঞ্জের একটি হাটে যাচ্ছিলেন। নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কিশোরগঞ্জে আজ শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনন্যা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে সেলিম (৩৮) পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। অন্যজন মাহতাব উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল (৫)।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসটি বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজারের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক্টরের পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাক্টরের পাশে থাকা সাইকেল আরোহী রেনু মিয়াকে বাসটি চাপা দিরে তিনি আহত হন। পরে বাসটি বাজারে মো. মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে সেলিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত তিন থেকে চারজনকে স্থানীয়রা পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও কিশোরগঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জে শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িয়াগঞ্জ গ্রামের মো. মনসুর আলী (২৬)। অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি নৈশকোচ নলকা ওভারপাস এলাকায় পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ বাস ও ট্রাকটি আটক করেছে।
নাটোরে সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় আজ শনিবার বাস ও গবাদিপশুবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং চারজন আহত হন।
নিহতরা হলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মো. আব্দুর রহমান (৭০) ও মো. আক্কাস আলী (৬৩)।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রাক্টরে করে গবাদিপশু নিয়ে সিরাজগঞ্জের একটি হাটে যাচ্ছিলেন। নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কিশোরগঞ্জে আজ শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনন্যা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে সেলিম (৩৮) পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। অন্যজন মাহতাব উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল (৫)।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসটি বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজারের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক্টরের পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাক্টরের পাশে থাকা সাইকেল আরোহী রেনু মিয়াকে বাসটি চাপা দিরে তিনি আহত হন। পরে বাসটি বাজারে মো. মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে সেলিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত তিন থেকে চারজনকে স্থানীয়রা পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৬:৪৩
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সেই ডুপ্লেক্স বাড়ির কেয়ারটেকার রতন মিয়া মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দুই বছর ধরে বেতন না পেয়ে পরিবার নিয়ে অভাবে দিন কাটছে।
আদালত কর্তৃক বাড়িটি জব্দ থাকলেও ৬ মাস ধরে সরকার পক্ষের কোনো নিরাপত্তা কর্মী নেই। ভয়ে ছাড়তেও পারছেন না দায়িত্ব। এককালীন পারিশ্রমিক পাওয়ার স্বপ্ন নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
রতন মিয়া ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার হরিরামপুর গ্রামের খাইরুল বাশারের ছেলে। তার পরিবার পার্শ্ববর্তী গুতিয়াব এলাকায় বসবাস করেন।
জানা গেছে, প্রায় দেড় যুগ আগে কাজের সন্ধানে রূপগঞ্জে চলে আসেন তিনি। দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় চার বছর আগে এই ডুপ্লেক্স বাড়িটি নির্মাণকাল থেকে এখানে কাজে যোগ দেন।
তিনি ১৫ হাজার টাকা বেতনে কেয়ারটেকারের দায়িত্ব পান। এরই মধ্যে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের হিসাব গোপন ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা হয়।
২৬ মে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ১১৯টি জমির দলিল, ২৩টি কোম্পানির শেয়ার ও গুলশানে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। সবমিলিয়ে ৬২৭ বিঘা জমি ক্রোক করা হয়েছে।
এর ভেতর এ বাড়িটিও ছিল। ২০২৪ সালে আদালত কর্তৃক বাড়িটি ক্রোক হওয়ার পরে পুরোপুরি রাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বাড়িটির সার্বিক দেখাশোনার দায়িত্ব নেন। তারপর থেকে কিছুদিন কেয়ারটেকার রতনের সঙ্গে সরকারিভাবে বাড়িটি দেখভালের জন্য একজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়।
এভাবে কিছুদিন চললেও চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে রিসিভার কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তা কর্মী দেওয়া বন্ধ রয়েছে। তবে বিশাল আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়িটি সরকারি হেফাজতেই রয়েছে।
কেয়ারটেকার রতন মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘২০২২ সালের দিকে তিনি ১৫ হাজার টাকা বেতনে কেয়ারটেকারের দায়িত্ব পান।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসের পর থেকে তার বেতন আটকে যায়। এরই মধ্যে ২৬ মে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামের সবমিলিয়ে ৬২৭ বিঘা জমি আদালত ক্রোক করা করে।
এর ভেতর এ বাড়িটিও ছিল। সেই থেকে কিছুদিন আমার সঙ্গে একজন সরকার পক্ষের নিরাপত্তা কর্মী ছিল।
কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সরকারি ভাবে নিরাপত্তা কর্মী দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এখন আমি একাই এ বাড়িটি দেখভাল করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই বছরের বেশি হলো আমি বেতন পাই না। আমাদের তিনজনের সংসার। ছেলেটা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। আমার স্ত্রী বাড়িতে কুটির শিল্পের কাজ করে। সেই আয় দিয়েই সংসার কোন মতো চলে।
পরিবার নিয়ে কষ্ট করে চললেও ভয়ে এ বাড়িটি ছাড়তে পারছি না। কারণ মালিকের সম্পদ নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পর এই বাড়িতে দুদকের লোকজন এসেছেন, আমার ছবি ও আইডি কার্ড নিয়েছেন। আমি চলে গেলে এ বাড়িতে যদি কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয় সেই ভয় থেকে ছেড়ে যাচ্ছি না।’
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজ কে বলেন, ‘বাংলো বাড়িটিতে আদালত থেকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে এটি দেখাশোনা করছি। কোর্ট তো আর টাকা দেয়নি, কোর্ট বলেছে ম্যানেজমেন্ট করেন।
গ্রাম পুলিশ সদস্যরা এখানে দেখাশোনা করছে। তাদের জন্য তো আমরা এক্সট্রা কোনো ফেসিলিটি কিংবা স্যালারি দিতে পারছি না। কোর্ট যেভাবে বলেছে সেভাবে কাজ করছি।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮