
২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৩
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’

১৩ মে, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫২
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বানারীপাড়ায় গাঁজাসহ আটক ইসরাফিল (২০) ও রিফাত সরদার(২৩) নামের দুই যুবককে পুলিশ আটক করার পরে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ইসরাফিলকে তিন মাস জেল ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং রিফাত সরদারকে ১৫ দিনের জেল ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় থানার উপ-পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এসময় আটককৃত রাজশাহীর গােদাগাড়ী থানার কেশবপুর গ্রামের মুনিরুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিলের কাছ থেকে তিন পুড়িয়া ও বানারীপাড়ার চাখার ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রামের রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে .মোঃরিফাত সরদারের কাছ থেকে এক পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের এ সাজা দেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।