
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৫
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি ৫০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও, এখন পরিচালিত হচ্ছে ১৯ শয্যার ভবনে। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। রোগীর চাপ বাড়লেও ভবন সংকটে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে সীমিত পরিসরে। এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করে লাপাত্তা হওয়ায় বন্ধ আছে হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ।
সরেজমিন দেখা গেছে, ভবন নির্মাণের জন্য খোড়া গর্তে ময়লা আবর্জনা পড়ে পানি জমে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা বেড সংকটের কারণে হাসপাতালের ছাদে অস্থায়ী ভাবে নির্মাণ করা টিনসেড ও মেঝেতে সেবা নিচ্ছে। অবকাঠামোগত দুরাবস্থা ও প্রয়োজনীয় সেবা না থাকায় মানুষকে ন্যূনতম চিকিৎসার জন্যও ১শ কিলোমিটার দূরের জেলা শহরে ছুটতে হয়।
জানা গেছে, ১৯৬৪ সালে উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে আমাদী ইউনিয়নের জায়গীরমহল গ্রামে স্থাপিত হয় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেখানে ২০১১ সালে ১৯ শয্যার একটি ভবন নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেটা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।
পরে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট পুরোনো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ২০২২ সালে অপসারণ করা হয়। একই বছরের ১৬ আগস্ট ৩১ শয্যার তিনতলা ভবন নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল ট্রেডার্স ও মেসার্স শামীম আহসান ট্রেডার্স।
তিনতলা বিশিষ্ট এই ভবন নির্মাণকাজের ব্যয় ধরা হয় ৯ কোটি ৭৬ লাখ ৭৬ হাজার ৫৮০ টাকা। কাজের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের ১২ জুন। কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় গতি বাড়াতে বারবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
একপর্যায়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়। দুই দফা মেয়াদ শেষে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় কাজ বাতিলের সুপারিশ করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট। এ কাজ বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ৯ মাস। কার্যাদেশ পাওয়ার পর দুই বছর পার হলেও ১৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।
এই কাজের বিপরীতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা উঠিয়ে নিয়েছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সময়মতো কাজ না করায় ১৯ মার্চ কাজ বাতিলের সুপারিশ করে পত্র দেন খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী।
জানা যায়, মূলত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল ট্রেডার্স ও মেসার্স শামীম হাসান ট্রেডার্সের নামে বরাদ্দ হলেও কাজটি করতেন খুলনা-৬ আসনের সাবেক এমপি মো. আক্তারুজ্জামান বাবু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান তিনি। এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ২৯ জন চিকিৎক থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র ৯ জন। তার মধ্যে একজন ২ মাসের বুনিয়াদী প্রশিক্ষণে। চরম চিকিৎসক সংকট ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত দুরবস্থা ও প্রয়োজনীয় সেবা না থাকায় মানুষকে চিকিৎসাসেবা নিতে ছুটতে হয় ১শ কিলোমিটার দূরের জেলা শহরে।
দীর্ঘ তিন বছর ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ানসহ সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। নেই কোনো পরীক্ষা- নিরীক্ষার ব্যবস্থা। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়ন করা হলেও আবাসিক ভবনের সুব্যবস্থা না থাকার অজুহাতে কয়রায় অবস্থান করেন না। খুলনা শহর থেকে মাঝেমধ্যে দু-একদিন আসেন।
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, হাসপাতালের ৩১ শয্যার ভবনটি ভেঙে ফেলার পর থেকে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। সংকীর্ণ জায়গায় রোগীদের রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইখতেয়ার হোসেন বলেন, কাজে ধীরগতির জন্য কার্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজের মেয়াদও শেষ হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালের ভবন নির্মাণের কাজটির জন্য আমরা বার বার নতুন করে প্রস্তাব দিচ্ছি, কিন্তু এখনো পাস হয়নি।
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি ৫০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও, এখন পরিচালিত হচ্ছে ১৯ শয্যার ভবনে। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। রোগীর চাপ বাড়লেও ভবন সংকটে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে সীমিত পরিসরে। এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করে লাপাত্তা হওয়ায় বন্ধ আছে হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ।
সরেজমিন দেখা গেছে, ভবন নির্মাণের জন্য খোড়া গর্তে ময়লা আবর্জনা পড়ে পানি জমে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা বেড সংকটের কারণে হাসপাতালের ছাদে অস্থায়ী ভাবে নির্মাণ করা টিনসেড ও মেঝেতে সেবা নিচ্ছে। অবকাঠামোগত দুরাবস্থা ও প্রয়োজনীয় সেবা না থাকায় মানুষকে ন্যূনতম চিকিৎসার জন্যও ১শ কিলোমিটার দূরের জেলা শহরে ছুটতে হয়।
জানা গেছে, ১৯৬৪ সালে উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে আমাদী ইউনিয়নের জায়গীরমহল গ্রামে স্থাপিত হয় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেখানে ২০১১ সালে ১৯ শয্যার একটি ভবন নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তীতে সেটা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।
পরে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট পুরোনো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ২০২২ সালে অপসারণ করা হয়। একই বছরের ১৬ আগস্ট ৩১ শয্যার তিনতলা ভবন নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল ট্রেডার্স ও মেসার্স শামীম আহসান ট্রেডার্স।
তিনতলা বিশিষ্ট এই ভবন নির্মাণকাজের ব্যয় ধরা হয় ৯ কোটি ৭৬ লাখ ৭৬ হাজার ৫৮০ টাকা। কাজের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের ১২ জুন। কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় গতি বাড়াতে বারবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
একপর্যায়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়। দুই দফা মেয়াদ শেষে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় কাজ বাতিলের সুপারিশ করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট। এ কাজ বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ৯ মাস। কার্যাদেশ পাওয়ার পর দুই বছর পার হলেও ১৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।
এই কাজের বিপরীতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা উঠিয়ে নিয়েছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সময়মতো কাজ না করায় ১৯ মার্চ কাজ বাতিলের সুপারিশ করে পত্র দেন খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী।
জানা যায়, মূলত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল ট্রেডার্স ও মেসার্স শামীম হাসান ট্রেডার্সের নামে বরাদ্দ হলেও কাজটি করতেন খুলনা-৬ আসনের সাবেক এমপি মো. আক্তারুজ্জামান বাবু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান তিনি। এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ২৯ জন চিকিৎক থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র ৯ জন। তার মধ্যে একজন ২ মাসের বুনিয়াদী প্রশিক্ষণে। চরম চিকিৎসক সংকট ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত দুরবস্থা ও প্রয়োজনীয় সেবা না থাকায় মানুষকে চিকিৎসাসেবা নিতে ছুটতে হয় ১শ কিলোমিটার দূরের জেলা শহরে।
দীর্ঘ তিন বছর ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ানসহ সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। নেই কোনো পরীক্ষা- নিরীক্ষার ব্যবস্থা। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়ন করা হলেও আবাসিক ভবনের সুব্যবস্থা না থাকার অজুহাতে কয়রায় অবস্থান করেন না। খুলনা শহর থেকে মাঝেমধ্যে দু-একদিন আসেন।
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, হাসপাতালের ৩১ শয্যার ভবনটি ভেঙে ফেলার পর থেকে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। সংকীর্ণ জায়গায় রোগীদের রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইখতেয়ার হোসেন বলেন, কাজে ধীরগতির জন্য কার্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজের মেয়াদও শেষ হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালের ভবন নির্মাণের কাজটির জন্য আমরা বার বার নতুন করে প্রস্তাব দিচ্ছি, কিন্তু এখনো পাস হয়নি।

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৫০
সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আজকের নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৮টি সাধারণ বোর্ডের কেন্দ্রগুলোতে ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আরও ১৫ জন পরীক্ষার্থীকেও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে আজ দশটি বোর্ডে মোট বহিষ্কার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫ জনে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯ লাখ ৬ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ২৩ হাজার ৭৩৫ জন পরীক্ষার্থী। সাধারণ বোর্ডগুলোতে অনুপস্থিতির গড় হার ২.৬২ শতাংশ।
এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির হার ৬.৬৩ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩.৪৭ শতাংশ।
অন্যদিকে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে আজ বহিষ্কারের হার ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে সর্বোচ্চ ২০ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুরে ১৪ জন, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ জন করে, ঢাকা বোর্ডে ৯ জন, যশোরে ৮ জন, রাজশাহীতে ৭ জন এবং সিলেট বোর্ডে ২ জন পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আজকের নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৮টি সাধারণ বোর্ডের কেন্দ্রগুলোতে ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আরও ১৫ জন পরীক্ষার্থীকেও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে আজ দশটি বোর্ডে মোট বহিষ্কার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫ জনে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯ লাখ ৬ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ২৩ হাজার ৭৩৫ জন পরীক্ষার্থী। সাধারণ বোর্ডগুলোতে অনুপস্থিতির গড় হার ২.৬২ শতাংশ।
এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির হার ৬.৬৩ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩.৪৭ শতাংশ।
অন্যদিকে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে আজ বহিষ্কারের হার ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে সর্বোচ্চ ২০ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুরে ১৪ জন, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ জন করে, ঢাকা বোর্ডে ৯ জন, যশোরে ৮ জন, রাজশাহীতে ৭ জন এবং সিলেট বোর্ডে ২ জন পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৭
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে দলটি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত নোটিশে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র ও প্রযোজ্য সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী তাকে এনসিপির গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সকল পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ হতে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, ‘এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিগত ৩-৪ মাস ধরে সে গাজীপুরের বাইরে ছিলো বলে জানতে পেরেছি। এসময় দলে সে সক্রিয় ছিল না, দলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না।’
এর আগে, গতকাল রোববার (৫ জুলাই) যাত্রাবাড়ি কোনাপাড়া বালুর মাঠ এলাকা থেকে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।'
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে দলটি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত নোটিশে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র ও প্রযোজ্য সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী তাকে এনসিপির গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সকল পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ হতে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, ‘এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিগত ৩-৪ মাস ধরে সে গাজীপুরের বাইরে ছিলো বলে জানতে পেরেছি। এসময় দলে সে সক্রিয় ছিল না, দলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না।’
এর আগে, গতকাল রোববার (৫ জুলাই) যাত্রাবাড়ি কোনাপাড়া বালুর মাঠ এলাকা থেকে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।'

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫২
দেশের দক্ষিনাঞ্চলসহ রাতের মধ্যে ১৮ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
সোমবার (০৬ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক এর দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়ার অফিস জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বরিশাল টাইমস
দেশের দক্ষিনাঞ্চলসহ রাতের মধ্যে ১৮ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
সোমবার (০৬ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক এর দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়ার অফিস জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বরিশাল টাইমস
০৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:১৭
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৬
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫১