
০৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৩৬
পিরোজপুর নেছারাবাদের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে জনপ্রতিনিধি বা সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই বদলে যাচ্ছে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র। অবহেলিত জনপদের ভাঙাচোরা সড়ক ও অকেজো সেতু এখন স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত নতুন কাঠামোয় প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
বলদিয়া ইউনিয়নের ৩০ জন তরুণের উদ্যোগে ‘সবার আগে বলদিয়া’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অর্থায়নে এ পর্যন্ত ৩০টি সেতু সংস্কার করা হয়েছে। স্থানীয়দের মুখে মুখে তারা এখন পরিচিত ‘অদম্য যুবসমাজ’ নামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বলদিয়া ইউনিয়নের চামী ৩নং ওয়ার্ডের একতা বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত এলজিইডির অধীনে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কে তিনটি পুল দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ছিল। ওই রাস্তা দিয়ে কোনো রোগী পরিবহন বা পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করতে পারত না। রাস্তার ওই পুলসহ পুরো রাস্তার টেন্ডার হয়েছিল একবার। সরকার পরিবর্তনের পর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয়রা গাছ ও বাঁশের সাহায্যে পুল জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করত। শনিবার ‘সবার আগে বলদিয়া’ সংগঠনের সদস্যরা সারাদিন স্বেচ্ছাশ্রমে তিনটি পুল সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করেন। এতে ওই রাস্তা পুনরায় সচল হয়, হাসি ফোটে এলাকাবাসীর মুখে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বরাদ্দ না পাওয়ায় এতদিন কাজ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এই তরুণরা প্রমাণ করেছে, উন্নয়নের জন্য শুধু বরাদ্দ নয়, দরকার ইচ্ছা আর আগ্রহ।’
একই ইউনিয়নের বলদিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে ৬০ ফুট লম্বা একটি সেতুও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পার হতো। সংগঠনের উদ্যোগে সেটি সংস্কার করা হলে এখন শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে চলাচল করছে। বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বলেন, ‘আগে সেতু পার হতে ভয় লাগত, এখন মনে হয় নতুন রাস্তা পেয়েছি।’
উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সাগরকান্দা বাজার থেকে জিনুহার গ্রাম পর্যন্ত সড়কেও একই চিত্র। নাথপাড়া এলাকায় স্কুল, মসজিদ ও মন্দিরসংলগ্ন তিনটি পুল ১৫ বছর ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশের পর সংগঠনের নেতা মো. মাসুদ পারভেজ ও সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সেখানে নতুন করে তিনটি সেতু নির্মিত হয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন সাহেব তিনটি সেতু নির্মাণের জন্য অর্থ দিয়েছেন। আমরা সেই অর্থে পাঁচটি সেতু করেছি। এ ছাড়া আমরা আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে পূর্বে ২৭টি সেতু সংস্কার করেছি।’
সংগঠনের সভাপতি মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘প্রথমে নিজেদের অর্থায়নে ২২টি সেতু সংস্কার করেছি। পরে সোহেল মঞ্জুর সুমন সাহেবের সহায়তায় আরও পাঁচটি নতুন সেতু করেছি। শনিবার চামি গ্রামে আরও তিনটি সেতু সংস্কার শেষে আমাদের মোট কাজের সংখ্যা ৩০-এ পৌঁছেছে। শুরুতে সদস্য ছিল ৩০ জন, এখন শতাধিক তরুণ আমাদের সঙ্গে কাজ করছে।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, যুবকদের এমন কাজে প্রশংসার দাবিদার এবং দৃষ্টান্ত। তিনি এ কাজকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘অসাধারণ উদ্যোগ। অন্য ইউনিয়নের লোকগুলোও এগিয়ে আসতে পারেন এমনি করে নিজেদের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য।’
পিরোজপুর নেছারাবাদের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে জনপ্রতিনিধি বা সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই বদলে যাচ্ছে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র। অবহেলিত জনপদের ভাঙাচোরা সড়ক ও অকেজো সেতু এখন স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত নতুন কাঠামোয় প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
বলদিয়া ইউনিয়নের ৩০ জন তরুণের উদ্যোগে ‘সবার আগে বলদিয়া’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অর্থায়নে এ পর্যন্ত ৩০টি সেতু সংস্কার করা হয়েছে। স্থানীয়দের মুখে মুখে তারা এখন পরিচিত ‘অদম্য যুবসমাজ’ নামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বলদিয়া ইউনিয়নের চামী ৩নং ওয়ার্ডের একতা বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত এলজিইডির অধীনে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কে তিনটি পুল দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ছিল। ওই রাস্তা দিয়ে কোনো রোগী পরিবহন বা পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করতে পারত না। রাস্তার ওই পুলসহ পুরো রাস্তার টেন্ডার হয়েছিল একবার। সরকার পরিবর্তনের পর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয়রা গাছ ও বাঁশের সাহায্যে পুল জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করত। শনিবার ‘সবার আগে বলদিয়া’ সংগঠনের সদস্যরা সারাদিন স্বেচ্ছাশ্রমে তিনটি পুল সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করেন। এতে ওই রাস্তা পুনরায় সচল হয়, হাসি ফোটে এলাকাবাসীর মুখে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বরাদ্দ না পাওয়ায় এতদিন কাজ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এই তরুণরা প্রমাণ করেছে, উন্নয়নের জন্য শুধু বরাদ্দ নয়, দরকার ইচ্ছা আর আগ্রহ।’
একই ইউনিয়নের বলদিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে ৬০ ফুট লম্বা একটি সেতুও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পার হতো। সংগঠনের উদ্যোগে সেটি সংস্কার করা হলে এখন শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে চলাচল করছে। বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বলেন, ‘আগে সেতু পার হতে ভয় লাগত, এখন মনে হয় নতুন রাস্তা পেয়েছি।’
উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সাগরকান্দা বাজার থেকে জিনুহার গ্রাম পর্যন্ত সড়কেও একই চিত্র। নাথপাড়া এলাকায় স্কুল, মসজিদ ও মন্দিরসংলগ্ন তিনটি পুল ১৫ বছর ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশের পর সংগঠনের নেতা মো. মাসুদ পারভেজ ও সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সেখানে নতুন করে তিনটি সেতু নির্মিত হয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন সাহেব তিনটি সেতু নির্মাণের জন্য অর্থ দিয়েছেন। আমরা সেই অর্থে পাঁচটি সেতু করেছি। এ ছাড়া আমরা আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে পূর্বে ২৭টি সেতু সংস্কার করেছি।’
সংগঠনের সভাপতি মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘প্রথমে নিজেদের অর্থায়নে ২২টি সেতু সংস্কার করেছি। পরে সোহেল মঞ্জুর সুমন সাহেবের সহায়তায় আরও পাঁচটি নতুন সেতু করেছি। শনিবার চামি গ্রামে আরও তিনটি সেতু সংস্কার শেষে আমাদের মোট কাজের সংখ্যা ৩০-এ পৌঁছেছে। শুরুতে সদস্য ছিল ৩০ জন, এখন শতাধিক তরুণ আমাদের সঙ্গে কাজ করছে।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, যুবকদের এমন কাজে প্রশংসার দাবিদার এবং দৃষ্টান্ত। তিনি এ কাজকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘অসাধারণ উদ্যোগ। অন্য ইউনিয়নের লোকগুলোও এগিয়ে আসতে পারেন এমনি করে নিজেদের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য।’

০৫ মে, ২০২৬ ১৩:৫২
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।

০৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৮
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.