
০৫ মে, ২০২৬ ১৩:৫২
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১০
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ-সম্পৃক্ত ঠিকাদারদের ফেলে যাওয়া শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুব শিগগিরই পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে। এ খবরে মঠবাড়িয়ার জনপদে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এসব প্রকল্প দ্রুত চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে পিরোজপুর জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলাল এবং পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদুল ইসলাম, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন বিভাগের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন খানসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মঠবাড়িয়াসহ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এলজিইডির কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পিরোজপুরের সাবেক এমপি মহিউদ্দিন মহারাজ, তার ভাই মিরাজুল ইসলাম এবং এলজিইডি পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একাধিক মামলা দায়ের করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন করে প্রকল্পগুলো চালু হলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আবারও গতিশীল হবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ-সম্পৃক্ত ঠিকাদারদের ফেলে যাওয়া শত কোটি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খুব শিগগিরই পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে। এ খবরে মঠবাড়িয়ার জনপদে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এসব প্রকল্প দ্রুত চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে পিরোজপুর জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলাল এবং পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদুল ইসলাম, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন বিভাগের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন খানসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মঠবাড়িয়াসহ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এলজিইডির কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পিরোজপুরের সাবেক এমপি মহিউদ্দিন মহারাজ, তার ভাই মিরাজুল ইসলাম এবং এলজিইডি পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একাধিক মামলা দায়ের করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন করে প্রকল্পগুলো চালু হলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আবারও গতিশীল হবে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:০১
পিরোজপুরে বিদ্যালয় যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষকের সমানে নুসরাত জাহান (১০) নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জুতাপেটা ও মারধর করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগ নেতার স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের দরিচর গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুসরাত একই গ্রামের মো. নাসির উদ্দীন খানের মেয়ে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত এবং একই গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ যুবলীগের সভাপতি সবুজ খানের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা (৩০) কিছুদিন আগে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) সহায়তার কিছু টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই স্কুলশিক্ষার্থীর বড় বোন বাধা দিলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এর জেরে সম্প্রতি স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে বসে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হলে অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা স্কুলছাত্রী নুসরাতসহ তার পরিবারকে হুমকি দেন। এই ভয়ে ওই স্কুলছাত্রী প্রায় ১০ দিন স্কুলে আসেনি। নুসরাত এতদিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষক নুসরাতের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তার নিজ জিম্মায় মঙ্গলবার স্কুলে নিয়ে আসার পথে এ ঘটনা ঘটে।
নুসরাতের মা গোলাপি বেগম বলেন, তিন-চার দিন আগে আমার স্বামীকে ঝাড়ু দিয়ে পেটানোর চেষ্টা করতেছিল। আমার মেয়ে জাকিয়া ভয়ে আর অনেকদিন স্কুলে আসে না। আজকে শিক্ষক নিজে গিয়ে আমার মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসছিল; তখন মেয়েকে জুতা দিয়ে পিটিয়েছে এবং মারধর করেছে। আমি এর বিচার চাই।
স্থানীয় ফারুক শেখ, হিরন শেখ ও মেহেদী হাসান বাবু বলেন, এই যুবলীগ নেতা সবুজ ও তার স্ত্রী জাকিয়ার বিভিন্ন অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। ওদের ঘরে অস্ত্র আছে, সেই অস্ত্র দিয়ে মানুষকে ভয় দেখায়। এই ছাত্রীর পরিবারটিও ওদের হাতে নির্যাতনের শিকার। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার আমরা বিচার চাই, তা না হলে আমরাও আমাদের ছেলে-মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য স্কুলে পাঠাব না।
দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা ফয়সাল বলেন, মেয়েটি মারধরের হুমকি পেয়ে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। এ জন্য আমি গতকাল ওর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বাড়ি থেকে এগিয়ে নিয়ে আসছিলাম, স্কুলের সামনে জখন আসি তখন ওই মহিলা ছাত্রী নুসরাতকে জুতা দিয়ে মারধর করে; তখন আমি বাধা দিলে আমার গায়েও লাগে। এই লজ্জাজনক ঘটনার আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।
পূর্বের বিরোধের কারণে নুসরাতকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা ও তার স্বামী সবুজ খান। তারা বলেন, আমার ছেলেকে ও মারতে চাইছিল, তাই আমিও মারছি। তবে জুতা দিয়ে পেটানোর কথা অস্বীকার করেছেন জাকিয়া। যুবলীগ নেতা সবুজ খানকে এক প্রশ্নে তাদের নির্যাতনে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মহব্বত খান রূপালী বাংলাদেশকে জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বেও এ ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছে পরিবারটি। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থী নুসরাতসহ সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পিরোজপুরে বিদ্যালয় যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষকের সমানে নুসরাত জাহান (১০) নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জুতাপেটা ও মারধর করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগ নেতার স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের দরিচর গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নুসরাত একই গ্রামের মো. নাসির উদ্দীন খানের মেয়ে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, জেলার জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত এবং একই গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ যুবলীগের সভাপতি সবুজ খানের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা (৩০) কিছুদিন আগে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) সহায়তার কিছু টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই স্কুলশিক্ষার্থীর বড় বোন বাধা দিলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এর জেরে সম্প্রতি স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে বসে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হলে অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা স্কুলছাত্রী নুসরাতসহ তার পরিবারকে হুমকি দেন। এই ভয়ে ওই স্কুলছাত্রী প্রায় ১০ দিন স্কুলে আসেনি। নুসরাত এতদিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষক নুসরাতের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তার নিজ জিম্মায় মঙ্গলবার স্কুলে নিয়ে আসার পথে এ ঘটনা ঘটে।
নুসরাতের মা গোলাপি বেগম বলেন, তিন-চার দিন আগে আমার স্বামীকে ঝাড়ু দিয়ে পেটানোর চেষ্টা করতেছিল। আমার মেয়ে জাকিয়া ভয়ে আর অনেকদিন স্কুলে আসে না। আজকে শিক্ষক নিজে গিয়ে আমার মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসছিল; তখন মেয়েকে জুতা দিয়ে পিটিয়েছে এবং মারধর করেছে। আমি এর বিচার চাই।
স্থানীয় ফারুক শেখ, হিরন শেখ ও মেহেদী হাসান বাবু বলেন, এই যুবলীগ নেতা সবুজ ও তার স্ত্রী জাকিয়ার বিভিন্ন অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। ওদের ঘরে অস্ত্র আছে, সেই অস্ত্র দিয়ে মানুষকে ভয় দেখায়। এই ছাত্রীর পরিবারটিও ওদের হাতে নির্যাতনের শিকার। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার আমরা বিচার চাই, তা না হলে আমরাও আমাদের ছেলে-মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য স্কুলে পাঠাব না।
দরিচর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা ফয়সাল বলেন, মেয়েটি মারধরের হুমকি পেয়ে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। এ জন্য আমি গতকাল ওর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বাড়ি থেকে এগিয়ে নিয়ে আসছিলাম, স্কুলের সামনে জখন আসি তখন ওই মহিলা ছাত্রী নুসরাতকে জুতা দিয়ে মারধর করে; তখন আমি বাধা দিলে আমার গায়েও লাগে। এই লজ্জাজনক ঘটনার আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।
পূর্বের বিরোধের কারণে নুসরাতকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জাকিয়া সুলতানা ও তার স্বামী সবুজ খান। তারা বলেন, আমার ছেলেকে ও মারতে চাইছিল, তাই আমিও মারছি। তবে জুতা দিয়ে পেটানোর কথা অস্বীকার করেছেন জাকিয়া। যুবলীগ নেতা সবুজ খানকে এক প্রশ্নে তাদের নির্যাতনে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মহব্বত খান রূপালী বাংলাদেশকে জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বেও এ ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়েছে পরিবারটি। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থী নুসরাতসহ সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

০৬ মে, ২০২৬ ১৬:১৮
পিরোজপুর নেছারাবাদের স্বরূপকাঠি পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পেতে গিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরেও কোনো সমাধান না পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ফাইল এগিয়ে নিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন টেবিলে টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন।
ভুক্তভোগী মোসা. মৌসুমী আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কক্ষ পর্যন্ত একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে তাকে। প্রতিবারই নতুন করে ‘খরচ’ দাবি করা হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে আবারও ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এসময় তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৌসুমী আক্তার অভিযোগে জানান, প্রবাসে কর্মরত স্বামীর পাঠানো কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে একটি তিনতলা বাড়ি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার টাকা খরচ করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহসিন বলেন, ওই নারী কাজের জন্য আমার কাছে এসেছিল। কাজের ফি বাবদ টাকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে কত দিয়েছিল তা মনে নেই।
একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের জন্য কত টাকা অনুমোদন ফি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারব না। অফিসের এসও মামুনের কাছে ফাইল, তিনি বলতে পারবেন।
অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। তবে সে টাকা আমি খাইনি। তাকে বরিশাল থেকে প্ল্যান এনে দিয়েছি। বরিশালের কোন সংস্থা বা ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান করেছে জানতে চাইলে তিনি তা বলতে পারেননি। আবার নতুন করে ৫ হাজার টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন মিয়া বলেন, আমরা ওই মহিলার এক টাকাও খাইনি। সয়েল টেস্ট, প্ল্যান, সরকারি জমা এবং আবেদনের জন্য নানা খাতে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সয়েল টেস্ট, প্ল্যান কোন সংস্থা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এত কিছুর দরকার কী? বাড়ি অনুমোদনে আবেদন ফি প্রতি স্কয়ার ফুট কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাইল না দেখে বলা যাবেনা।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ফি ছাড়া কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুর নেছারাবাদের স্বরূপকাঠি পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পেতে গিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরেও কোনো সমাধান না পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ফাইল এগিয়ে নিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন টেবিলে টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন।
ভুক্তভোগী মোসা. মৌসুমী আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কক্ষ পর্যন্ত একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে তাকে। প্রতিবারই নতুন করে ‘খরচ’ দাবি করা হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে আবারও ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এসময় তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৌসুমী আক্তার অভিযোগে জানান, প্রবাসে কর্মরত স্বামীর পাঠানো কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে একটি তিনতলা বাড়ি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার টাকা খরচ করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহসিন বলেন, ওই নারী কাজের জন্য আমার কাছে এসেছিল। কাজের ফি বাবদ টাকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে কত দিয়েছিল তা মনে নেই।
একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের জন্য কত টাকা অনুমোদন ফি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারব না। অফিসের এসও মামুনের কাছে ফাইল, তিনি বলতে পারবেন।
অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। তবে সে টাকা আমি খাইনি। তাকে বরিশাল থেকে প্ল্যান এনে দিয়েছি। বরিশালের কোন সংস্থা বা ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান করেছে জানতে চাইলে তিনি তা বলতে পারেননি। আবার নতুন করে ৫ হাজার টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন মিয়া বলেন, আমরা ওই মহিলার এক টাকাও খাইনি। সয়েল টেস্ট, প্ল্যান, সরকারি জমা এবং আবেদনের জন্য নানা খাতে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সয়েল টেস্ট, প্ল্যান কোন সংস্থা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এত কিছুর দরকার কী? বাড়ি অনুমোদনে আবেদন ফি প্রতি স্কয়ার ফুট কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাইল না দেখে বলা যাবেনা।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ফি ছাড়া কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.