
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৯
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলার হাজিরা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে আদালত চত্বরে মারা গেছেন শাহিনা ইসলাম নামে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের এক নারী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রংপুর আদালত চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
শাহিনা ইসলাম নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী নজরুল ইসলামের কোলে মাথা রাখেন। এ অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে রংপুর আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলায় আগে থেকেই জামিনে থাকা নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুরের বাসিন্দা শাহিনা ইসলাম চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন।
এ সময় তার সঙ্গে স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ছিলেন। আদালত কক্ষে যাওয়ার পর শাহীনা ইসলাম অসুস্থতা বোধ হলে তিনি বিষয়টি তার আইনজীবীকে জানান।
পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্বামীর কোলে মাথা রাখেন শাহিনা। সেখান থেকে তাকে অটোরিকশায় করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেড় শতক জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধে মামলার আসামি হয়েছিলেন ওই নারী।
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলার হাজিরা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে আদালত চত্বরে মারা গেছেন শাহিনা ইসলাম নামে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের এক নারী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রংপুর আদালত চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
শাহিনা ইসলাম নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী নজরুল ইসলামের কোলে মাথা রাখেন। এ অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে রংপুর আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলায় আগে থেকেই জামিনে থাকা নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুরের বাসিন্দা শাহিনা ইসলাম চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন।
এ সময় তার সঙ্গে স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ছিলেন। আদালত কক্ষে যাওয়ার পর শাহীনা ইসলাম অসুস্থতা বোধ হলে তিনি বিষয়টি তার আইনজীবীকে জানান।
পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্বামীর কোলে মাথা রাখেন শাহিনা। সেখান থেকে তাকে অটোরিকশায় করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেড় শতক জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধে মামলার আসামি হয়েছিলেন ওই নারী।

০৭ মে, ২০২৬ ১৩:৪০
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে স্মার্টফোনে অনলাইন জুয়া খেলার অপরাধে মো. নজরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের হাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
আদালত পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ওই এলাকার মমিন উল্যার ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে হাজীপুর এলাকায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্মার্টফোনে জুয়া খেলার সময় নজরুলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে তিনি অপরাধ স্বীকার করলে প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭-এর ৪ ধারায় তাকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, আটক যুবককে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুয়া খেলা ও মাদক রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে র্যাব-১১ সিপিসি-৩, নোয়াখালীর একটি দল অংশ নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে স্মার্টফোনে অনলাইন জুয়া খেলার অপরাধে মো. নজরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের হাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
আদালত পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ওই এলাকার মমিন উল্যার ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে হাজীপুর এলাকায় মাদক ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্মার্টফোনে জুয়া খেলার সময় নজরুলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে তিনি অপরাধ স্বীকার করলে প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭-এর ৪ ধারায় তাকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, আটক যুবককে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুয়া খেলা ও মাদক রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে র্যাব-১১ সিপিসি-৩, নোয়াখালীর একটি দল অংশ নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৩:০৮
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৭ মে, ২০২৬ ১২:৩০
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে মাদ্রাসার তিনতলার ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে পালাতে গিয়ে আটকে পড়ে এক শিশু শিক্ষার্থী। পরে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে মতলব পৌর এলাকার মারকাযুত তাকওয়া আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া মো. ওমর ফারুক (১০) মতলব দক্ষিণ উপজেলার চাপাতিয়া গ্রামের মজিবুর রহমান প্রধানের ছেলে। সে মাদ্রাসাটির নুরানি বিভাগের ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে থাকলেও ওমর ফারুক ওয়াশরুমে গিয়ে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সে জানালার রেলিংয়ের মধ্যে আটকে পড়ে। বিষয়টি দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় বিশেষ কৌশলে তাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
শিশুটির মা ফারহানা আক্তার বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। এখন বাচ্চা মাদ্রাসাতেই আছে।
মাদ্রাসার পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, সব শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে পড়লেও সে না ঘুমিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে আমাকে জানায়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে তাকে উদ্ধার করে।
মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসান বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। একটি ইউনিট কাজ করে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে মাদ্রাসার তিনতলার ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে পালাতে গিয়ে আটকে পড়ে এক শিশু শিক্ষার্থী। পরে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে মতলব পৌর এলাকার মারকাযুত তাকওয়া আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া মো. ওমর ফারুক (১০) মতলব দক্ষিণ উপজেলার চাপাতিয়া গ্রামের মজিবুর রহমান প্রধানের ছেলে। সে মাদ্রাসাটির নুরানি বিভাগের ২য় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে মাদ্রাসার অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে থাকলেও ওমর ফারুক ওয়াশরুমে গিয়ে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সে জানালার রেলিংয়ের মধ্যে আটকে পড়ে। বিষয়টি দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় বিশেষ কৌশলে তাকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
শিশুটির মা ফারহানা আক্তার বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। এখন বাচ্চা মাদ্রাসাতেই আছে।
মাদ্রাসার পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, সব শিক্ষার্থী ঘুমিয়ে পড়লেও সে না ঘুমিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে আমাকে জানায়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে তাকে উদ্ধার করে।
মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসান বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। একটি ইউনিট কাজ করে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.