
০৬ মে, ২০২৬ ২০:৩১
বরিশালে বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার (ইজিবাইক) ধাক্কায় আড়াই বছর বয়সী এক শিশু মৃত্যুর হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকাল ৯টার দিকে শহরের ভাটিখানা এলাকায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে মৃত্যু হয়।
ওই শিশুর নাম তির্থা দাস (২.৫)। তিনি নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শান্ত সাহার মেয়ে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে শিশু তির্থাকে ভাটিখানা ৪১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে দোকানে নাস্তা আনতে যায় তার বাবা। এসময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শিশুটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এতে গুরুতর আহত তির্থাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরের দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছানোর আগে পথেই তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিকভাবে তারা অভিযুক্ত অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভাটিখানার দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কে ৪টি গতিরোধক নির্মাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
তারা রাস্তার মাঝে স্কুলের বেঞ্চ রেখে এবং সড়কে বসে পড়ে দাবি আদায়ের জন্য বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী।
এক বিবৃতিতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন তির্থার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, একটি কোমলমতি প্রাণের প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই এভাবে ঝরে যাওয়া অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং অসহনীয়। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমি স্তব্ধ।
তিনি বলেন, শহরের প্রতিটি সড়ক নিরাপদ নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে আমরা বদ্ধপরিকর। নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের প্রত্যেককে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটনের কাউনিয়া থানার কাউনিয়া থানার ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যু এবং গতিরোধকের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালে বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার (ইজিবাইক) ধাক্কায় আড়াই বছর বয়সী এক শিশু মৃত্যুর হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকাল ৯টার দিকে শহরের ভাটিখানা এলাকায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে মৃত্যু হয়।
ওই শিশুর নাম তির্থা দাস (২.৫)। তিনি নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শান্ত সাহার মেয়ে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে শিশু তির্থাকে ভাটিখানা ৪১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে দোকানে নাস্তা আনতে যায় তার বাবা। এসময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শিশুটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এতে গুরুতর আহত তির্থাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরের দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছানোর আগে পথেই তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিকভাবে তারা অভিযুক্ত অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভাটিখানার দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কে ৪টি গতিরোধক নির্মাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
তারা রাস্তার মাঝে স্কুলের বেঞ্চ রেখে এবং সড়কে বসে পড়ে দাবি আদায়ের জন্য বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী।
এক বিবৃতিতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন তির্থার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, একটি কোমলমতি প্রাণের প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই এভাবে ঝরে যাওয়া অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং অসহনীয়। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমি স্তব্ধ।
তিনি বলেন, শহরের প্রতিটি সড়ক নিরাপদ নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে আমরা বদ্ধপরিকর। নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের প্রত্যেককে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটনের কাউনিয়া থানার কাউনিয়া থানার ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যু এবং গতিরোধকের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৭ মে, ২০২৬ ১২:৩৪

০৭ মে, ২০২৬ ০২:৪৫
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের চলমান শিক্ষা সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কলেজ শাখা প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৭মে) বিএম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , কলেজের চলমান সংকটের কার্যকর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চালমান থাকবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন , ছাত্রদল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। শিক্ষা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের প্রশ্নে সংগঠনটি সবসময় সক্রিয় থেকেছে এবং প্রতিটি শিক্ষা সংকটে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গত ৫ মে কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কলেজের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে ৪ দফা সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , চলমান আন্দোলনের মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বক্তব্যকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্রদল স্পষ্ট করে জানায়, তারা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বুলিং সমর্থন করে না। পাশাপাশি আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর মিম, স্যাটায়ার বা প্রতীকী প্রতিবাদকে তারা গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের বৈধ মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ছাত্রদলের নেতারা বলেন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষা সংকটের কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে।’

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নলুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাদক মামলায় আজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কালামকে গ্রেফতার করেছে বরিশার র্যাব-৮ এর সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর পলাতক থাকার পর আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নলুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, দুই বারের নির্বাচিত নলুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কালাম মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকায় বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালে সবুজবাগ এলাকায় বিপুল পরিমান মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
এরপর মাদক মামলায় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না হয়ে ইউপি সদস্য বাদল পালাতক থাকেন। ওই মামলায় আদালত রায় ঘোষণা করলে বাদলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। আদালত কর্তৃক আজীবন সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর বাকেরগঞ্জের নলুয়া নিজ এলাকায় নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
দীর্ঘ অনাবৃষ্টির পর অতিবর্ষণে বরিশালের প্লাবিত ফসলের মাঠের ক্ষত ফুটে উঠতে শুরু করেছে। সরকারি হিসেবেই লক্ষাধিক কৃষকের ৮৫ কোটি টাকার ফসল বিনষ্ট হয়েছে। বেসরকারি মতে ক্ষতির পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকারও বেশি। গত তিন দিন ভারী কোনো বর্ষণ না হওয়ায় ইতোমধ্যে উঠতি বোরো, রোপা আউশসহ বীজতলা এবং মুগ, সয়াবিন ও সূর্যমুখীসহ অন্তত ১৭টি ফসলের ভয়াবহ ক্ষতির চিহ্ন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলের কৃষিযোদ্ধাদের অভিযোগ, ‘গণমাধ্যমসহ সরকারি প্রশাসন সবাই শুধু হাওর নিয়ে আছে, তারা আমাদের কোনো খোঁজ রাখে না’।
মার্চে বৃষ্টিপাতের ৪৯ ভাগ ঘাটতির পর এপ্রিলে ১৬৯ ভাগ বেশি বৃষ্টিপাত বরিশালের অনেক ফসলের মাঠ বিরান করে দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের রেকর্ড ভারী বৃষ্টিপাতে বরিশালের প্রায় ২৫ হাজার টন ফসলের উৎপাদন ক্ষতি হয়েছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৮৫ কোটি টাকা। সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় বোরো ধান ছাড়াও মুগ ডাল, চীনা বাদাম, মরিচ, সয়াবিন ও সূর্যমুখী তেল ফসল ছাড়াও বিপুল রোপা আউশ ও আউশ বীজতলা রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)-র মতে, সদ্য বিদায়ী রবি মৌসুমে আবাদকৃত প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার হেক্টরের মধ্যে এখনো ২.৮১ লাখ হেক্টর জমির ফসল মাঠে। যার ১.৯১ লাখ হেক্টরই গত সপ্তাহের লাগাতার প্রবল বর্ষণে আক্রান্ত হয়েছে। এর প্রায় পুরোটাই সম্পূর্ণ থেকে আংশিক ক্ষতির কবলে পড়ে। তবে এর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব জমির প্রায় ২৫ হাজার টন ফসল সম্পূর্ণভাবেই বিনষ্ট হয়েছে।
ডিএই’র মতে, ৭৫,৬১১ হেক্টর জমির বোরো ধান পানির তলায় চলে যাওয়ার ফলে ৫০০ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে প্রায় আড়াই হাজার টন বোরো চালের উৎপাদন ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৭৭ হাজার হেক্টরের মুগ ডালের জমি প্লাবনের শিকার হয়েছে; যার মধ্যে প্রায় ৯ হাজার হেক্টরের মুগ সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়েছে। ফলে প্রায় ১০ হাজার টন মুগ ডালের উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।
অনুরূপভাবে সাড়ে ১০ হাজার হেক্টরের চীনা বাদাম ছাড়াও বিপুল পরিমাণ রোপা আউশ ও আউশ বীজতলা এবং প্রায় ৪ হাজার হেক্টরের গ্রীষ্মকালীন সবজি ও ৫ হাজার হেক্টরের সয়াবিন এবং আড়াই হাজার হেক্টরের সূর্যমুখী তেল বীজের বাগান অতিবর্ষণে প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ ক্ষতির কবলে পড়েছে।
তবে এখনো প্রায় ১ লাখ হেক্টরের উঠতি বোরো ধান মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বরিশাল কৃষি অঞ্চলে আবাদকৃত প্রায় ৪ লাখ হেক্টরে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৮ লাখ টন বোরো চাল ঘরে তোলার কথা। কিন্তু মাঝারি থেকে বড় ধরনের কোনো ঝড় ছাড়াই অনাবৃষ্টির পর অতিবৃষ্টিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ হতে চলেছে। এখনো বোরো ধানের মাত্র ৩০ ভাগও কর্তন সম্ভব হয়নি। অন্তত পৌনে ৩ লাখ হেক্টর জমির বোরো ধান মাঠে। এসব ধানের অন্তত ১ লাখ হেক্টরই ‘হার্ড ডাব’ বা পাকার পর্যায়ে রয়েছে, যা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তুলতে হবে। অবশিষ্ট আরও অন্তত দেড় লাখ হেক্টর ‘সফট ডাব’ বা দুধ পর্যায়ে, যা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কর্তন শুরু করতে হবে। ফ্লাওয়ারিং স্টেজে রয়েছে অবশিষ্ট ধান, যা চলতি মাসের শেষভাগে কর্তন শুরু করতে হবে।
কিন্তু বোরোর মাঠে পানি এবং নরম মাটির কারণে এসব জমিতে হার্ভেস্টার নামতে পারছে না। উপরন্তু বরিশাল অঞ্চলে এখনো কৃষি ব্যবস্থার অর্ধেকও যান্ত্রিকীকরণ সম্ভব হয়নি, ফলে হার্ভেস্টার সংকটও রয়েছে।
সব মিলিয়ে বৈশাখের ভারী বর্ষণ বোরো ধান নিয়ে চরম বিপাকে ফেলেছে বরিশাল অঞ্চলের কৃষিযোদ্ধাদের। টানা অনাবৃষ্টিতে অতিরিক্ত সেচ আর ডিজেল নিয়ে নানামুখী অপতৎপরতার পর বাড়তি দামে জ্বালানি সংগ্রহে সেচ ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যেই বৈশাখের অতিবর্ষণে বিপুল পরিমাণ বোরো ধান পানির তলায়। এমনকি অতিবর্ষণের সাথে হালকা ঝড়ো হাওয়ায় অনেক জমির ধান ইতোমধ্যে নুয়ে পড়েছে। ফলে এসব ধানে চিটা ছাড়াও আংশিক থেকে পূর্ণ ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
টানা ১২৭ দিন পর গত ৯ মার্চ বরিশালে প্রথম বৃষ্টি হলেও পুরো মার্চ জুড়ে ঘাটতি ছিল প্রায় ৪৯%। ফলে বোরো ধানের জমিতে অতিরিক্ত সেচ দিতে হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ এপ্রিলে বরিশালে ১২০-১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিলেও ২০ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল মাত্র ৩১ মিলিমিটার। ফলে বোরো ধানে বাড়তি সেচের প্রয়োজনে ডিজেলের অতিরিক্ত চাহিদার সাথে মূল্য বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে গেছে। সাথে তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওপরে উঠে যাওয়ায় জমিতে পানি ধরে রাখতে বাড়তি দামেই অতিরিক্ত সেচ দিতে এবার বোরো ধানের উৎপাদন ব্যয় সাড়ে ১২০০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ার মধ্যে, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ জুড়ে লাগাতার ভারী বর্ষণে বোরোসহ সব রবি ফসলের জমি পানির তলায় চলে যায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রের মতে, ভাটি এলাকা বিধায় এ অঞ্চলে ১৫ মার্চ পর্যন্ত রোপণ অব্যাহত থাকায় বোরো ধান পাকে প্রায় এক মাস বিলম্বে। কিন্তু এবারের বৈশাখের অতিবর্ষণসহ নানামুখী প্রাকৃতিক ছন্দপতন এ অঞ্চলের কৃষকের সব স্বপ্নকে মুছে দিতে উদ্যত।
এসব বিষয়ে ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. নজরুল ইসলাম সিকদারের সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, “আমরা আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা শংকিত থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি করতে সব ব্লক সুপারভাইজারদের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে।” পরিস্থিতি অনুযায়ী কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। ইতোমধ্যে বরিশালে প্রায় ৩২ ভাগ বোরো কর্তন সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়ে ‘হার্ড ডাব’ স্তরের ধানের কোনো ক্ষতি হবে না বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ‘সফট ডাব’ স্তরের ধানের জমি থেকে পানি বের করতে কৃষকদের কারিগরি পরামর্শ প্রদানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব ধানেরও তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে যেসব বোরো ধান ফুল স্তরে রয়েছে সেখানে কিছুটা দুশ্চিন্তা থাকলেও দ্রুত পানি সরে যাওয়ায় ক্ষতি হ্রাস করা সম্ভব হচ্ছে বলেও জানান অতিরিক্ত পরিচালক।
দীর্ঘ অনাবৃষ্টির পর অতিবর্ষণে বরিশালের প্লাবিত ফসলের মাঠের ক্ষত ফুটে উঠতে শুরু করেছে। সরকারি হিসেবেই লক্ষাধিক কৃষকের ৮৫ কোটি টাকার ফসল বিনষ্ট হয়েছে। বেসরকারি মতে ক্ষতির পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকারও বেশি। গত তিন দিন ভারী কোনো বর্ষণ না হওয়ায় ইতোমধ্যে উঠতি বোরো, রোপা আউশসহ বীজতলা এবং মুগ, সয়াবিন ও সূর্যমুখীসহ অন্তত ১৭টি ফসলের ভয়াবহ ক্ষতির চিহ্ন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলের কৃষিযোদ্ধাদের অভিযোগ, ‘গণমাধ্যমসহ সরকারি প্রশাসন সবাই শুধু হাওর নিয়ে আছে, তারা আমাদের কোনো খোঁজ রাখে না’।
মার্চে বৃষ্টিপাতের ৪৯ ভাগ ঘাটতির পর এপ্রিলে ১৬৯ ভাগ বেশি বৃষ্টিপাত বরিশালের অনেক ফসলের মাঠ বিরান করে দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের রেকর্ড ভারী বৃষ্টিপাতে বরিশালের প্রায় ২৫ হাজার টন ফসলের উৎপাদন ক্ষতি হয়েছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৮৫ কোটি টাকা। সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় বোরো ধান ছাড়াও মুগ ডাল, চীনা বাদাম, মরিচ, সয়াবিন ও সূর্যমুখী তেল ফসল ছাড়াও বিপুল রোপা আউশ ও আউশ বীজতলা রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)-র মতে, সদ্য বিদায়ী রবি মৌসুমে আবাদকৃত প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার হেক্টরের মধ্যে এখনো ২.৮১ লাখ হেক্টর জমির ফসল মাঠে। যার ১.৯১ লাখ হেক্টরই গত সপ্তাহের লাগাতার প্রবল বর্ষণে আক্রান্ত হয়েছে। এর প্রায় পুরোটাই সম্পূর্ণ থেকে আংশিক ক্ষতির কবলে পড়ে। তবে এর মধ্যে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব জমির প্রায় ২৫ হাজার টন ফসল সম্পূর্ণভাবেই বিনষ্ট হয়েছে।
ডিএই’র মতে, ৭৫,৬১১ হেক্টর জমির বোরো ধান পানির তলায় চলে যাওয়ার ফলে ৫০০ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে প্রায় আড়াই হাজার টন বোরো চালের উৎপাদন ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৭৭ হাজার হেক্টরের মুগ ডালের জমি প্লাবনের শিকার হয়েছে; যার মধ্যে প্রায় ৯ হাজার হেক্টরের মুগ সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়েছে। ফলে প্রায় ১০ হাজার টন মুগ ডালের উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।
অনুরূপভাবে সাড়ে ১০ হাজার হেক্টরের চীনা বাদাম ছাড়াও বিপুল পরিমাণ রোপা আউশ ও আউশ বীজতলা এবং প্রায় ৪ হাজার হেক্টরের গ্রীষ্মকালীন সবজি ও ৫ হাজার হেক্টরের সয়াবিন এবং আড়াই হাজার হেক্টরের সূর্যমুখী তেল বীজের বাগান অতিবর্ষণে প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ ক্ষতির কবলে পড়েছে।
তবে এখনো প্রায় ১ লাখ হেক্টরের উঠতি বোরো ধান মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বরিশাল কৃষি অঞ্চলে আবাদকৃত প্রায় ৪ লাখ হেক্টরে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৮ লাখ টন বোরো চাল ঘরে তোলার কথা। কিন্তু মাঝারি থেকে বড় ধরনের কোনো ঝড় ছাড়াই অনাবৃষ্টির পর অতিবৃষ্টিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ হতে চলেছে। এখনো বোরো ধানের মাত্র ৩০ ভাগও কর্তন সম্ভব হয়নি। অন্তত পৌনে ৩ লাখ হেক্টর জমির বোরো ধান মাঠে। এসব ধানের অন্তত ১ লাখ হেক্টরই ‘হার্ড ডাব’ বা পাকার পর্যায়ে রয়েছে, যা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তুলতে হবে। অবশিষ্ট আরও অন্তত দেড় লাখ হেক্টর ‘সফট ডাব’ বা দুধ পর্যায়ে, যা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কর্তন শুরু করতে হবে। ফ্লাওয়ারিং স্টেজে রয়েছে অবশিষ্ট ধান, যা চলতি মাসের শেষভাগে কর্তন শুরু করতে হবে।
কিন্তু বোরোর মাঠে পানি এবং নরম মাটির কারণে এসব জমিতে হার্ভেস্টার নামতে পারছে না। উপরন্তু বরিশাল অঞ্চলে এখনো কৃষি ব্যবস্থার অর্ধেকও যান্ত্রিকীকরণ সম্ভব হয়নি, ফলে হার্ভেস্টার সংকটও রয়েছে।
সব মিলিয়ে বৈশাখের ভারী বর্ষণ বোরো ধান নিয়ে চরম বিপাকে ফেলেছে বরিশাল অঞ্চলের কৃষিযোদ্ধাদের। টানা অনাবৃষ্টিতে অতিরিক্ত সেচ আর ডিজেল নিয়ে নানামুখী অপতৎপরতার পর বাড়তি দামে জ্বালানি সংগ্রহে সেচ ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যেই বৈশাখের অতিবর্ষণে বিপুল পরিমাণ বোরো ধান পানির তলায়। এমনকি অতিবর্ষণের সাথে হালকা ঝড়ো হাওয়ায় অনেক জমির ধান ইতোমধ্যে নুয়ে পড়েছে। ফলে এসব ধানে চিটা ছাড়াও আংশিক থেকে পূর্ণ ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
টানা ১২৭ দিন পর গত ৯ মার্চ বরিশালে প্রথম বৃষ্টি হলেও পুরো মার্চ জুড়ে ঘাটতি ছিল প্রায় ৪৯%। ফলে বোরো ধানের জমিতে অতিরিক্ত সেচ দিতে হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ এপ্রিলে বরিশালে ১২০-১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিলেও ২০ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল মাত্র ৩১ মিলিমিটার। ফলে বোরো ধানে বাড়তি সেচের প্রয়োজনে ডিজেলের অতিরিক্ত চাহিদার সাথে মূল্য বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে গেছে। সাথে তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওপরে উঠে যাওয়ায় জমিতে পানি ধরে রাখতে বাড়তি দামেই অতিরিক্ত সেচ দিতে এবার বোরো ধানের উৎপাদন ব্যয় সাড়ে ১২০০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ার মধ্যে, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ জুড়ে লাগাতার ভারী বর্ষণে বোরোসহ সব রবি ফসলের জমি পানির তলায় চলে যায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রের মতে, ভাটি এলাকা বিধায় এ অঞ্চলে ১৫ মার্চ পর্যন্ত রোপণ অব্যাহত থাকায় বোরো ধান পাকে প্রায় এক মাস বিলম্বে। কিন্তু এবারের বৈশাখের অতিবর্ষণসহ নানামুখী প্রাকৃতিক ছন্দপতন এ অঞ্চলের কৃষকের সব স্বপ্নকে মুছে দিতে উদ্যত।
এসব বিষয়ে ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. নজরুল ইসলাম সিকদারের সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, “আমরা আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা শংকিত থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি করতে সব ব্লক সুপারভাইজারদের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে।” পরিস্থিতি অনুযায়ী কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। ইতোমধ্যে বরিশালে প্রায় ৩২ ভাগ বোরো কর্তন সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়ে ‘হার্ড ডাব’ স্তরের ধানের কোনো ক্ষতি হবে না বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ‘সফট ডাব’ স্তরের ধানের জমি থেকে পানি বের করতে কৃষকদের কারিগরি পরামর্শ প্রদানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এসব ধানেরও তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে যেসব বোরো ধান ফুল স্তরে রয়েছে সেখানে কিছুটা দুশ্চিন্তা থাকলেও দ্রুত পানি সরে যাওয়ায় ক্ষতি হ্রাস করা সম্ভব হচ্ছে বলেও জানান অতিরিক্ত পরিচালক।
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের চলমান শিক্ষা সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কলেজ শাখা প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৭মে) বিএম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , কলেজের চলমান সংকটের কার্যকর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চালমান থাকবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন , ছাত্রদল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। শিক্ষা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের প্রশ্নে সংগঠনটি সবসময় সক্রিয় থেকেছে এবং প্রতিটি শিক্ষা সংকটে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গত ৫ মে কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কলেজের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে ৪ দফা সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , চলমান আন্দোলনের মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বক্তব্যকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে ছাত্রদল স্পষ্ট করে জানায়, তারা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বুলিং সমর্থন করে না। পাশাপাশি আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর মিম, স্যাটায়ার বা প্রতীকী প্রতিবাদকে তারা গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের বৈধ মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ছাত্রদলের নেতারা বলেন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষা সংকটের কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নলুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাদক মামলায় আজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কালামকে গ্রেফতার করেছে বরিশার র্যাব-৮ এর সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর পলাতক থাকার পর আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নলুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, দুই বারের নির্বাচিত নলুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কালাম মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকায় বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালে সবুজবাগ এলাকায় বিপুল পরিমান মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
এরপর মাদক মামলায় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না হয়ে ইউপি সদস্য বাদল পালাতক থাকেন। ওই মামলায় আদালত রায় ঘোষণা করলে বাদলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। আদালত কর্তৃক আজীবন সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর বাকেরগঞ্জের নলুয়া নিজ এলাকায় নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।