
০৬ মে, ২০২৬ ২০:৩১
বরিশালে বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার (ইজিবাইক) ধাক্কায় আড়াই বছর বয়সী এক শিশু মৃত্যুর হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকাল ৯টার দিকে শহরের ভাটিখানা এলাকায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে মৃত্যু হয়।
ওই শিশুর নাম তির্থা দাস (২.৫)। তিনি নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শান্ত সাহার মেয়ে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে শিশু তির্থাকে ভাটিখানা ৪১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে দোকানে নাস্তা আনতে যায় তার বাবা। এসময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শিশুটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এতে গুরুতর আহত তির্থাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরের দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছানোর আগে পথেই তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিকভাবে তারা অভিযুক্ত অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভাটিখানার দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কে ৪টি গতিরোধক নির্মাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
তারা রাস্তার মাঝে স্কুলের বেঞ্চ রেখে এবং সড়কে বসে পড়ে দাবি আদায়ের জন্য বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী।
এক বিবৃতিতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন তির্থার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, একটি কোমলমতি প্রাণের প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই এভাবে ঝরে যাওয়া অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং অসহনীয়। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমি স্তব্ধ।
তিনি বলেন, শহরের প্রতিটি সড়ক নিরাপদ নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে আমরা বদ্ধপরিকর। নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের প্রত্যেককে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটনের কাউনিয়া থানার কাউনিয়া থানার ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যু এবং গতিরোধকের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালে বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার (ইজিবাইক) ধাক্কায় আড়াই বছর বয়সী এক শিশু মৃত্যুর হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকাল ৯টার দিকে শহরের ভাটিখানা এলাকায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে মৃত্যু হয়।
ওই শিশুর নাম তির্থা দাস (২.৫)। তিনি নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শান্ত সাহার মেয়ে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে শিশু তির্থাকে ভাটিখানা ৪১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে দোকানে নাস্তা আনতে যায় তার বাবা। এসময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শিশুটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এতে গুরুতর আহত তির্থাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরের দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছানোর আগে পথেই তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিকভাবে তারা অভিযুক্ত অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভাটিখানার দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কে ৪টি গতিরোধক নির্মাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
তারা রাস্তার মাঝে স্কুলের বেঞ্চ রেখে এবং সড়কে বসে পড়ে দাবি আদায়ের জন্য বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী।
এক বিবৃতিতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন তির্থার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, একটি কোমলমতি প্রাণের প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই এভাবে ঝরে যাওয়া অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং অসহনীয়। এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমি স্তব্ধ।
তিনি বলেন, শহরের প্রতিটি সড়ক নিরাপদ নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে আমরা বদ্ধপরিকর। নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের প্রত্যেককে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটনের কাউনিয়া থানার কাউনিয়া থানার ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যু এবং গতিরোধকের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে ৫ মাদকসেবীকে আটক করে মোবাইল কোর্টে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাত ১২ টার দিকে গাঁজা সেবনকালে লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মোঃ
আরাফাতের নেতৃত্বে তাদের আটক করার পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের ১০ দিন করে সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় গ্রামের মোঃ মিল্লাত হোসেন হাওলাদার (১৯) ও মোঃ পারভেজ মাঝি (১৯), বিশারকান্দি গ্রামের মোঃ নাঈম হাসান (২১), পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার উত্তর বলদিয়া গ্রামের
মোঃ আল-আমিন (২৫) এবং রহমাতুল্লাহ (১৯)। শনিবার (৯ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, গাঁজাসেবনকালে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টে দশ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নে ৫ মাদকসেবীকে আটক করে মোবাইল কোর্টে ১০ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাত ১২ টার দিকে গাঁজা সেবনকালে লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মোঃ
আরাফাতের নেতৃত্বে তাদের আটক করার পরে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান মোবাইল কোর্টে তাদের ১০ দিন করে সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপাড় গ্রামের মোঃ মিল্লাত হোসেন হাওলাদার (১৯) ও মোঃ পারভেজ মাঝি (১৯), বিশারকান্দি গ্রামের মোঃ নাঈম হাসান (২১), পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার উত্তর বলদিয়া গ্রামের
মোঃ আল-আমিন (২৫) এবং রহমাতুল্লাহ (১৯)। শনিবার (৯ মে) সকালে তাদের বরিশাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, গাঁজাসেবনকালে তাদের আটক করে মোবাইল কোর্টে দশ দিন করে সাজা দেওয়া হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.